খুঁজুন
                               
, ,
           

ইরানের বিরুদ্ধে ‘স্ট্যান্ডিং অর্ডার’ দেওয়ার দাবি ট্রাম্পের, সিদ্ধান্ত নেবেন কে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬, ১১:৫৮ পূর্বাহ্ণ
ইরানের বিরুদ্ধে ‘স্ট্যান্ডিং অর্ডার’ দেওয়ার দাবি ট্রাম্পের, সিদ্ধান্ত নেবেন কে

তেহরানের দীর্ঘদিনের হুমকির মুখে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তাকে যদি হত্যা করা হয় তবে ইরানকে ‘নজিরবিহীন মাত্রায়’ ধ্বংস করার জন্য তিনি মার্কিন সামরিক বাহিনীকে আগাম নির্দেশ (স্ট্যান্ডিং অর্ডার) দিয়ে রেখেছেন।

কিন্তু মার্কিন সরকারের নিয়ম অনুযায়ী, কোনও প্রেসিডেন্টের মৃত্যুর পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে এমন কোনও ‘ডেড ম্যানস সুইচ’ বা তাৎক্ষণিক প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা চালু করার আইনি সুযোগ নেই।

পশ্চিম তীরে মার্কিন আইনপ্রণেতাকে বন্দুকের নলের মুখে আটকে রাখলো ইসরায়েলি সেটেলাররা

যুক্তরাষ্ট্রের ২৫তম সংশোধনী এবং ১৯৪৭ সালের প্রেসিডেন্সিয়াল সাকসেশন অ্যাক্ট অনুযায়ী, কোনও কারণে প্রেসিডেন্টের মৃত্যু হলে ক্ষমতার হস্তান্তর স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার উত্তরসূরির কাছে চলে যায়।

সে ক্ষেত্রে বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স তাৎক্ষণিকভাবে কমান্ডার ইন চিফ হিসেবে দায়িত্ব পাবেন এবং যেকোনও ধরনের প্রতিশোধমূলক হামলার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার একচ্ছত্র অধিকারী হবেন তিনি। ভ্যান্স চাইলে ট্রাম্পের নির্দেশ হুবহু পালন করতে পারেন, আবার চাইলে তা অমান্য করে ভিন্নভাবেও সাড়া দিতে পারেন।

‘রেভেন রক’ বইয়ের লেখক গ্যারেট এম গ্রাফ জানান, যুক্তরাষ্ট্র কখনোই এমন কোনও ‘ডেড ম্যানস সুইচ’ ব্যবহার করেনি। পারমাণবিক হামলা বা বড় দুর্যোগের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক সরকারের ব্যাপক জরুরি পরিকল্পনা থাকলেও, কোনও প্রেসিডেন্টের মৃত্যুর পর সামরিক বাহিনীকে তৎক্ষণাৎ প্রতিশোধমূলক হামলা চালানোর অনুমতি এসব পরিকল্পনা দেয় না।

ধার নিয়েছিলেন ১ হাজার, ৩৫ বছর সুদে-আসলে ফেরত দিলেন ২৫ হাজার

এমন পরিস্থিতির মধ্যেই শনিবার ট্রাম্প সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে দাবি করেন, ইরান তাকে হত্যার হুমকি দিচ্ছে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের দিকে ১ হাজার মিসাইল তাক করে রাখা হয়েছে এবং ইরান যদি হামলা চালায়, তবে অবিলম্বে আরও হাজার হাজার মিসাইল আঘাত হানবে।

এর কয়েক ঘণ্টা পর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে বলেন, অপরাধী ও ঘৃণ্য খুনিদের কাছ থেকে আমাদের শহীদদের রক্তের প্রতিশোধ নেওয়া আমাদের জাতির ইচ্ছা এবং এটি অবশ্যই কার্যকর করা হবে।

লোকচক্ষুর আড়ালে থাকা মোজতবা খামেনি অবশেষে আসছেন প্রকাশ্যে

উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলায় মোজতবার বাবা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত আলী খামেনির জানাজায় শোকগ্রস্ত জনতাকে ট্রাম্প এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে হত্যার দাবি জানিয়ে পোস্টার ও ব্যানার প্রদর্শন করতে দেখা গেছে।

চলতি সপ্তাহে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এক প্রতিবেদনে জানায়, ইসরায়েল মার্কিন কর্মকর্তাদের ট্রাম্পকে হত্যার নতুন ইরানি ষড়যন্ত্রের বিষয়ে সতর্ক করেছে। এ ছাড়া তুরস্কে অনুষ্ঠিত ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে ট্রাম্প নিজেও বলেন, ‘তারা মার্কিন নেতাকে অর্থাৎ আমাকে সরিয়ে দিতে চায়।

অন্যদিকে পেন্টাগনের সাবেক ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি সাবরিনা সিং এই হুমকিকে নির্ভরযোগ্য বলে আখ্যা দিয়েছেন। ২০২৪ সালের নির্বাচনি প্রচারণার সময় ট্রাম্প দুবার অভ্যন্তরীণ হত্যাচেষ্টা থেকে বেঁচে যান এবং গত এপ্রিলে হোয়াইট হাউস করেসপনডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের নৈশভোজেও এক বন্দুকধারী হামলা চালায়।

খামেনির জানাজায় সেই ‘রহস্যময়’ মুখোশধারী কে, জানা গেলো অবশেষে

সম্প্রতি কাতার থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া ৪০০ মিলিয়ন ডলার মূল্যের নতুন এয়ার ফোর্স ওয়ান বিমানটির মিসাইল ডিটেকশন সিস্টেম পুরোনোটির মতো উন্নত না হওয়ায় নিরাপত্তা শঙ্কায় ট্রাম্প পুরোনো বিমানেই তুরস্ক থেকে ওয়াশিংটনে ফিরেছেন।

মার্কিন-ইরান চলমান সংঘাতের মধ্যে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, ‘তাদের তালিকায় আমি এক নম্বরে আছি।’

বিশেষজ্ঞ গ্রাফের মতে, ট্রাম্প যদি সামরিক বাহিনীকে আগাম নির্দেশ দিয়েও থাকেন, তবে আইনিভাবে পারমাণবিক বা মিসাইল উৎক্ষেপণের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা মূলত জেডি ভ্যান্সেরই থাকবে। তবে ট্রাম্প যদি গোপনে ভ্যান্সকে বলে থাকেন, ‘আমি মারা গেলে ইরানে পারমাণবিক হামলা করো’, তবে সেটি হবে সম্পূর্ণ বৈধ।

সমুদ্রের নিচে লুকিয়ে আছে বিপুল পরিমাণ ‘অদৃশ্য স্বর্ণ’

অবশ্য ইরানের পক্ষ থেকে ট্রাম্পকে হুমকি দেওয়ার ঘটনা এবারই প্রথম নয়। ২০২২ সালেও বাইডেন প্রশাসন ইরানকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, যখন মার্কিন বিচার বিভাগ উন্মোচন করে যে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডের এক সদস্য ট্রাম্পের সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টনকে হত্যার পরিকল্পনা করেছিল।

তখন জো বাইডেনের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেক সুলিভান বলেছিলেন, মার্কিন নাগরিকদের ওপর হামলা হলে ইরানকে ভয়াবহ পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে।

এর দুই বছর পর, ট্রাম্পের নির্বাচনি প্রচারণার সময় বাইডেন প্রশাসন আবারও ইরানকে নিঃশব্দে সতর্ক করে স্পষ্ট জানিয়ে দেয় যে ট্রাম্পের ওপর যেকোনও হামলাকে ‘যুদ্ধের ঘোষণা’ হিসেবে গণ্য করা হবে।

সূত্র: এপি

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

এমবাপের ফ্রান্সকে উড়িয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে ইয়ামালের স্পেন

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬, ৩:০৪ পূর্বাহ্ণ
এমবাপের ফ্রান্সকে উড়িয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে ইয়ামালের স্পেন

টানা তৃতীয়বারের মত বিশ্বকাপে ফাইনালে ওঠা হল ফ্রান্সের। ২০১৮ সালে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর ২০২২ সালে রানার্স আপ হয় কিলিয়ান এমবাপের দল। এবারও টুর্নামেন্টের অন্যতম ফেভারিট ছিল ফরাসিরা। সেমিফাইনাল পর্যন্ত দাপুটে ফুটবল খেললেও শেষ চারেই আটকে গেল স্পেনের কাছে।

মাইকেল ওলিসে, উসমান দেম্বেলে ও কিলিয়ান এমবাপেরা থাকলেন নিজেদের ছায়া হয়ে, ভাঙতে পারলেন না স্প্যানশ রক্ষণের দেয়াল। ওদিকে ম্যাচের শুরুতেই পাওয়া পেনাল্টি কাজে লাগিয়ে লিড নেওয়া লুই দে লা ফুয়েন্তের দল দ্বিতীয়ার্ধে দলীয় সমন্বয়ে করলো আরও এক গোল।

দিদিয়ের দেশমের দল শেষ পর্যন্ত একবারও জালের দেখা না পাওয়ায় ২-০ গোলের দাপুটে জয়ে এবারের আসরের ফাইনালে খেলা নিশ্চিত করেছে লামিন ইয়ামালের স্পেন।

এলিসে, দেম্বেলে ও এমবাপেদের নিয়ে গড়া ফ্রান্সের আক্রমণ ভাগ এবারের বিশ্বকাপে ফাইনাল পর্যন্ত দাপিয়ে বেড়াবেন, এমনটাই ভেবেছিলেন অনেকেই। তবে দুর্দান্ত এই আক্রমণ স্প্যানিশ প্রতিরোধের সামনে থাকল নিজেদের ছায়া হয়ে।

টিকিটাকার পসরা সাজিয়ে ছন্দময় ফুটবলে বলের দখল রাখার সঙ্গে সঙ্গে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণও নিজেদের দখলেই রাখল স্প্যানিশরা। দারুণ দুই গোলে জিতে নিল ফাইনালের টিকিটও।

ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণাত্মক ফুটবলই খেলেছে। ফরাসি ও স্প্যানিশ আক্রমণে শুরুতেই ম্যাচ জমে ওঠে। তবে আক্রমণ-প্রতি আক্রমণের ধারাবাহিকতায় ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যায় স্পেনি।

ম্যাচের ২১ মিনিটে ফরাসিদের বক্সের মধ্যে ফাউলের শিকার হন লামিন ইয়ামাল। রেফারি বাজান পেনাল্টির বাঁশি। এমবাপেরা প্রতিবাদ জানালেও তা ধোপে টেকেনি। স্পটকিক থেকে দারুণ এক গোল করে ম্যাচের ২২ মিনিটেই দলকে এগিয়ে দেন মিকেল ওয়িয়ারসাবাল।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

দ্বিতীয়বার ফ্রান্সের জাল কাঁপাল স্পেন

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬, ২:৩৯ পূর্বাহ্ণ
দ্বিতীয়বার ফ্রান্সের জাল কাঁপাল স্পেন

বিশ্বকাপের ফাইনালে এক পা দিয়ে রাখল স্পেন। এক ঘণ্টা না যেতেই দুইবার ফ্রান্সের জালে বল জড়াল তারা। ডালাসে সেমিফাইনালে ৫৮ মিনিটে দ্বিতীয় গোল করল ২০১০ সালের চ্যাম্পিয়নরা।

দানি ওলমো কাউন্টার অ্যাটাকে প্রথম সুযোগটি নষ্ট করেন এবং ওইয়ারজাবালকে বল পাস দিয়ে গোল দেওয়ার মতো পজিশনে পাঠাতে ব্যর্থ হন। তবে বলটি শেষ পর্যন্ত পেড্রো পোরোর কাছে ফিরে আসে, যিনি ওলমোর সাথে ওয়ান-টু খেলে মাগনিয়ঁকে পরাস্ত করে বল জালে জড়ান।

তিন মিনিট পর একক চেষ্টায় ইয়ামাল তৃতীয়বার ফ্রান্সের জালে বল ঠেলে দেন। কিন্তু গোলটি উদযাপনের আগেই বাতিল হয় লাইন্সম্যান অফসাইডের পতাকা ওড়ালে।

এর আগে নবম মিনিটে ওলমো ফ্রান্সের বক্সের সামনে ফ্রি কিক আদায় করেন। বায়েনা কিক নেন। কিন্তু রক্ষণদেয়ালে আঘাত করে বল। ফ্রান্স দারুণ সুযোগ পেয়েছিল ১৪ মিনিটে। কাউন্টার অ্যাটাক থেকে এমবাপে দ্রুত বল নিয়ে বক্সে ঢুকেছিলেন। তার সামনে কেবল পোরো ও গোলকিপার ছিলেন। কুবারসি ও লাপোর্তে তাদের পজিশনে থেকে এমবাপেকে রুখে দেন।

হাইড্রেশন ব্রেকের আগে এগিয়ে যায় স্পেন। লামিন ইয়ামালকে ফাউল করলেন দিনিয়ে। ডিবক্সের মধ্যে স্পেন তারকাকে ফেলে দিয়ে পেনাল্টি পায় লা রোজারা। তারপর মিকেল ওয়ারসাবালের কিকে এগিয়ে গেল তারা। ফ্রান্স ২৩তম মিনিটে পিছিয়ে পড়ে।

 

২০ মিনিটে স্পেন পেনাল্টি পায়। কুকুরেয়ার বক্সের মধ্যে বাড়ানো ক্রস দিনিয়ে বুক দিয়ে নিয়ন্ত্রণে নিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু এই লেফটব্যাক ব্যর্থ হন। তার সামনে ছিল ইয়ামাল। তাকে ফাউল করে বসেন। রেফারি দ্রুত পেনাল্টির বাঁশি বাজান। বিশ্বকাপ ইতিহাসে তৃতীয় সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে পেনাল্টি আদায় করলেন ১৯ বছর ও ১ দিনের ইয়ামাল।

ওয়ারসাবাল নেন পেনাল্টি কিক। রিয়াল সোসিয়েদাদ তারকার শট ডানকোণা দিয়ে নেন। ফরাসি কিপার মাগনিয়ঁ ঠিক দিকেই ডাইভ দিয়েছিলেন। কিন্তু বল তার নাগালে ছিল না। জালে জড়ায় বল। পিছিয়ে পড়ার পর দলের সেন্টার ব্যাক সালিবা ইনজুরি নিয়ে মাঠ ছাড়লে তাদের বিপদ আরও বাড়ে।

৩৬ মিনিটে ফ্রান্সকে আরেকবার কাঁপিয়ে দেয় স্পেন। দূরপাল্লার একটি ক্রস নিয়ন্ত্রণে নেন বায়েনা। মাইগনান তাকে রুখে দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড শট নিতেই অফসাইডের বাঁশি বাজে। পরের মিনিটে স্পেনের বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া বারকোলার ডানপায়ের বাঁকানো শট গোলবারের অনেক উপর দিয়ে যায়।

তিন মিনিট পর স্পেন আরেকটি সুযোগ তৈরি করে। ওলমোর সঙ্গে ওয়ান-টু পাস করেন ইয়ামাল। তারপর ওলমোর ব্যাকহিল থেকে ইয়ামালের পাসে বল পান রুইজ। কিন্তু তার শট গোলবার ঘেঁষে যায়।

৪৩ মিনিটে ফ্রান্স চমৎকার সুযোগ পেয়েছিল। কিন্তু এমবাপেকে বল পায়েই নিতে দেননি সিমন। স্প্যানিশ কিপার দ্রুত বক্সের বাইরে এসে বল ক্লিয়ার করেন। তাতে ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় স্পেন।

মূল একাদশ: দিনিয়ে, মাগনিয়ঁ, রাবিও, দেম্বেলে, এমবাপে, উপামেকানো, কুন্দে, চুয়ামেনি, সালিবা, অলিসে, বারকোলা।

অতিরিক্ত খেলোয়াড়: ব্রিস সাম্বা, কান্তে, লুকাস, তুরাম, থিও, জঁ-ফিলিপ মাতেতা, কোনাতে, মাক্সেন্স লাক্রোয়া, চেরকি, মানু কোনে, গুস্তো, জাইরে-এমেরি, মাগনেস আকলিউশ, দুয়ে, রবিন রিসার।

মূল একাদশ: লাপোর্তে, উনাই সিমন, কুকুরেয়া, ফ্যাবিয়ান রুইজ, ওয়ারজাবাল, অলমো, রদ্রি, অ্যালেক্স বায়েনা, পোরো, লামিনে ইয়ামাল, কুবারসি।

অতিরিক্ত খেলোয়াড়: গ্রিমালদো, ইগলেসিয়াস, লরেন্তে, ডেভিড রায়া, মেরিনো, ফেরান তোরেস, এরিক গার্সিয়া, মার্টিন জুবিমেন্দি, ইয়েরেমি, পেদ্রি, জোয়ান গার্সিয়া, নিকো উইলিয়ামস, মার্ক পুবিল, গাভি, ভিক্টর মুনিয়োজ।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি

ফ্রান্সের বিপক্ষে ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে স্পেন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬, ১:৫৭ পূর্বাহ্ণ
ফ্রান্সের বিপক্ষে ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে স্পেন

সেমিফাইনালের প্রথমার্ধ শেষে ফ্রান্সের বিপক্ষে ১-০ গোলে এগিয়ে আছে স্পেন। ফাইনালের টিকিট নিশ্চিতের লড়াইয়ে মুখোমুখি ইউরোপিয়ান দুই পরাশক্তি। টুর্নামেন্টের হট ফেভারিট এই দুই দলের লড়াইয়ে শুরুতেই গোল পেয়ে লিড নেয় স্প্যানিশরা। কিলিয়ান এমবাপে, উসমান দেম্বেলে ও মাইকেল ওলিসেদের নিয়ে গড়া শক্তিশালী আক্রমণভাগের বিপক্ষে পেনাল্টিতে এগিয়ে যান লামিন ইয়ামালরা। স্পটকিক থেকে করা সেই গোলেই ১ গোলে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধের খেলা শেষ করেছে লুই দে লা ফুয়েন্তের দল।

ইউরোপিয়ান দুই দলের হাই-ভোল্টেজ ম্যাচ শুরু থেকেই জমে ওঠেছে। দুই দলই চেষ্টা করছে একে অপরের ওপর চাপ প্রয়োগ করে সুযোগ তৈরির। ম্যাচের প্রথম ১৫ মিনিটেই বেশ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করে দুই দল। তবে ফ্রান্সের আক্রমণের বিপরীতে পেনাল্টি থেকে গোল করে লিড নিয়েছে স্প্যানিশরাই।

ম্যাচের ২১ মিনিটে স্প্যানিশ আক্রমণ ঠেকাতে গিয়ে বক্সের ভেতরে লামিন ইয়ামালকে ফাউল করেন ফরাসি ডিফেন্ডার। রেফারি সঙ্গে সঙ্গেই পেনাল্টির বাঁশি বাজান। আর স্পট কিক থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন মিকেল ওইয়ারসাবাল।

দারুণ এক পেনাল্টি নেন ওইয়ারসাবাল। ফ্রান্সের গোলরক্ষক মাইক মাইক মাইনিয়ঁ ঠিক দিকেই ঝাঁপিয়েছিলেন, নিজের বাঁ দিকে। কিন্তু ওইয়ারসাবালের জোরালো শট গোলরক্ষকের নাগালের বাইরে দিয়ে জালে জড়ায়।

এদিকে পিছিয়ে পড়ার পর দুঃসংবাদ পায় ফরাসিরা। ৩০ মিনিটে চোট নিয়ে মাঠ ছাড়লেন উইলিয়াম সালিবা। তাঁর জায়গায় আসলেন ম্যাক্সাঁস লাক্রোয়া। গোল হজম করে সমতায় ফিরতে মরিয়া হয়েই লড়েন এমবাপেরা। বেশ কয়েকবার সুযোগ তৈরি করলেও সেসব ঠিকঠাক কাজে লাগাতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত এক গোলে পিছিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় দিদিয়ের দেশমের দল।

কালের আলো/এসআর/এএএন