খুঁজুন
                               
, ,
           

বিরোধিতার মুখে বিশ্বকাপে বেসরকারি বিনিয়োগের পরিকল্পনা বাতিল করল ফিফা

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৫৫ অপরাহ্ণ
বিরোধিতার মুখে বিশ্বকাপে বেসরকারি বিনিয়োগের পরিকল্পনা বাতিল করল ফিফা

বিশ্বজুড়ে ফুটবল সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার তীব্র বিরোধিতার মুখে বিশ্বকাপে বেসরকারি বিনিয়োগ আনার পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। শনিবার এক বিবৃতিতে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো এ সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেন।

ইনফান্তিনো বলেন, ফুটবলকে ঐক্যবদ্ধ ও উন্নত করাই ফিফার মূল লক্ষ্য। তাই ব্যাপক মতবিরোধ তৈরি হওয়ায় প্রস্তাবটি আর এগিয়ে নেওয়া হবে না।

গত মঙ্গলবার ফিফা ‘ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ’ (এফএফই) নামে একটি বাণিজ্যিক অঙ্গপ্রতিষ্ঠান গঠনের প্রস্তাব দেয়। এর মাধ্যমে বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে প্রায় ৪২০ কোটি মার্কিন ডলার সংগ্রহের পরিকল্পনা ছিল। সংস্থাটির সম্ভাব্য মূল্য ধরা হয়েছিল প্রায় ২ হাজার কোটি ডলার। বিশ্বকাপ ও ক্লাব বিশ্বকাপের মতো বড় টুর্নামেন্ট পরিচালনার দায়িত্বে থাকত এই প্রতিষ্ঠান।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৭ সালের শুরুতে ফিফার ২১১টি সদস্যদেশকে এককালীন ২ কোটি মার্কিন ডলার করে দেওয়া এবং ২০২৭-২০৩০ মেয়াদের উন্নয়ন তহবিল ৮০ লাখ ডলার থেকে বাড়িয়ে ২ কোটি ডলারে উন্নীত করার কথা ছিল।

তবে পরিকল্পনা ঘোষণার পর থেকেই ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা এর তীব্র বিরোধিতা করে। উয়েফা জানায়, প্রস্তাব বহাল থাকলে তাদের কোনো সদস্যদেশ ফিফার টুর্নামেন্টে অংশ নেবে না। পরে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) এবং উত্তর ও মধ্য আমেরিকার কনফেডারেশন (কনক্যাকাফ) একই অবস্থান নেয়।

উয়েফা এক বিবৃতিতে জানায়, বিশ্বকাপ কোনো বাণিজ্যিক বিনিয়োগ পণ্য নয় এবং এর কোনো অংশই বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের হাতে তুলে দেওয়া উচিত নয়।

বিতর্ক আরও বাড়ে যখন ফিফা সভাপতির জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা কার্লোস কর্ডেইরো পদত্যাগ করেন। তিনি এ পরিকল্পাকে ফিফা ও বিশ্ব ফুটবলের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থের পরিপন্থী বলে মন্তব্য করেন। এদিকে ইনফান্তিনোর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত কনমেবল সভাপতি আলেহান্দ্রো ডমিনগুয়েজও প্রকল্পের কাঠামো ও সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দাবি করেন।

পরিকল্পনা বাতিলের ঘোষণায় ইনফান্তিনো বলেন, সদস্যদেশগুলোর আর্থিক সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন পেলেই তা বাস্তবায়ন করা হতো। তবে সব পক্ষের মতামত বিবেচনায় দেখা গেছে, প্রস্তাবটি ফুটবল পরিবারে বিভাজন তৈরি করছে, যা ফিফার মূল উদ্দেশ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

এএফসিও এক বিবৃতিতে জানায়, বিশ্বকাপ বয়কটের মতো বিষয় প্রকাশ্যে আলোচনায় আসা ফুটবলের জন্য উদ্বেগজনক এবং এ পরিস্থিতি দ্রুত সমাধান হওয়া প্রয়োজন।

এদিকে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনোর সমালোচনা করে বলেন, তিনি ফিফা পরিচালনার জন্য ‘ভুল ব্যক্তি’।

চলমান বিতর্কের পর ইনফান্তিনো জানান, এখন তাঁর প্রধান লক্ষ্য সব পক্ষকে আবার এক টেবিলে এনে ঐক্য প্রতিষ্ঠা করা এবং বিশেষ করে আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা দেশগুলোতে ফুটবলের উন্নয়ন নিশ্চিত করা।

কালের আলো/এসএ

ক্রম নিয়ে টানাপোড়েন শেষে তালিকায় এক নম্বরে মঈন খান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৫:০৬ অপরাহ্ণ
ক্রম নিয়ে টানাপোড়েন শেষে তালিকায় এক নম্বরে মঈন খান

অবশেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ওয়েবসাইটে হালনাগাদ করা হয়েছে বর্তমান মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের তালিকা। নতুন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানকে মন্ত্রীদের তালিকায় এক নম্বরে রাখা হয়েছে। আর প্রতিমন্ত্রীদের তালিকায় নতুন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির রয়েছেন প্রথম অবস্থানে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে মন্ত্রীদের তালিকা এবং ১১টা ১৪ মিনিটে প্রতিমন্ত্রীদের তালিকা হালনাগাদ করা হয়। নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা শপথ নেওয়ার তিন দিন পর ওয়েবসাইটে এই পরিবর্তন আনা হলো।

তালিকার ক্রম নির্ধারণ নিয়ে জটিলতার কারণেই হালনাগাদে বিলম্ব হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে। ব্যক্তির জ্যেষ্ঠতা এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের গুরুত্ব ও পরিধি বিবেচনায় নিয়ে তালিকার অবস্থান নির্ধারণ করা হয়।

নতুন মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া আবদুল মঈন খানকে এক নম্বরে রাখার পর অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী রয়েছেন দুই নম্বরে। এরপর যথাক্রমে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, শিশু ও মহিলা বিষয়ক মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের নাম রয়েছে।

নতুন চার মন্ত্রীর মধ্যে তথ্যমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান ১৪ নম্বরে, বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত ১৮ নম্বরে এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী ২৬ নম্বরে রয়েছেন। নতুন চারজনকে নিয়ে মন্ত্রিসভায় মোট মন্ত্রীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৬ জনে।

অন্যদিকে প্রতিমন্ত্রীদের তালিকায় এক নম্বরে স্থান পেয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ রয়েছেন তিন নম্বরে। নতুন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার তালিকার ২৪ নম্বরে অবস্থান করছেন।

এর আগে গত শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভায় চারজন নতুন মন্ত্রী ও দুজন প্রতিমন্ত্রী শপথ নেন। নতুন মন্ত্রীদের মধ্যে রয়েছেন আবদুল মঈন খান, রশিদুজ্জামান মিল্লাত, সাচিং প্রু জেরী ও আন্দালিভ রহমান পার্থ। আর প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন হুমায়ুন কবির ও মোহাম্মদ শামীম কায়সার।

এর আগে গত ২০ আগস্ট জাতীয় সংসদের সরাসরি ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন। তার শূন্য পদে দায়িত্ব পান ড. আবদুল মঈন খান।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

গাজায় কবরের জায়গাও নেই, দাদার কবরে বাবাকে দাফন করলেন ছেলে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৫:০৬ অপরাহ্ণ
গাজায় কবরের জায়গাও নেই, দাদার কবরে বাবাকে দাফন করলেন ছেলে

গাজায় দীর্ঘ যুদ্ধ ও ব্যাপক প্রাণহানির কারণে কবরস্থানে জায়গার সংকট এতটাই তীব্র হয়েছে যে, বাবার মরদেহ দাফনের জন্য শেষ পর্যন্ত দাদার কবরকেই বেছে নিতে বাধ্য হয়েছেন ২০ বছর বয়সী ওমর আল-সাওহি।

আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওমরের বাবা মোহাম্মদ আল-সাওহি (৪০) গত ১০ জুন গাজার জায়তুন এলাকায় ইয়েলো লাইনের কাছে একটি দোকানে চা-কফি বিক্রি করছিলেন। সেখানে গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি নিহত হন।

বাবার মরদেহ দাফনের জন্য ওমর জায়তুন কবরস্থানে গেলে দেখতে পান, সেখানে নতুন কবর দেওয়ার মতো কোনো জায়গা প্রায় নেই। একের পর এক মরদেহে পূর্ণ কবরস্থানটির অনেক কবরই সাময়িকভাবে পাথর ও কাগজ দিয়ে চিহ্নিত করা হয়েছে।

ওমর বলেন, “সেখানে নতুন কোনো কবরের জায়গা ছিল না। তাই দাদার কবরেই বাবাকে দাফন করতে বাধ্য হয়েছি।”

যুদ্ধের কারণে গাজার বহু কবরস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গাজার ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, যুদ্ধ শুরুর পর ৪০টির বেশি কবরস্থান ধ্বংস হয়েছে। একই সঙ্গে মরদেহ দাফনের জন্য প্রয়োজনীয় জায়গা ও কবরের ফলক তৈরির উপকরণেরও তীব্র সংকট তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, গাজার প্রায় ৬০টি কবরস্থানের অনেকগুলোই যুদ্ধের আগেই প্রায় পূর্ণ ছিল। যুদ্ধের সময় নিহত মানুষের সংখ্যা ব্যাপকভাবে বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়েছে।

খান ইউনিসের একটি কবরস্থানে দীর্ঘদিন ধরে কবর খোঁড়ার কাজ করা তাফেশ আবু হাতাব জানান, যুদ্ধের একপর্যায়ে তাঁকে দিনে প্রায় ৩৫টি পর্যন্ত কবর খুঁড়তে হয়েছে। যুদ্ধ শুরুর সময় ওই কবরস্থানে প্রায় ৬০টি কবর থাকলেও এখন সেখানে কবরের সংখ্যা প্রায় ৬ হাজারে পৌঁছেছে।

গাজায় কবরের সংকট এখন শুধু জায়গার অভাবের বিষয় নয়; মরদেহ শনাক্তকরণ, উদ্ধার, দাফন এবং কবর সংরক্ষণ—সব ক্ষেত্রেই ভয়াবহ মানবিক সংকট তৈরি হয়েছে। অনেক পরিবারকে বাড়ির আঙিনা, তাঁবুর পাশ, স্কুল কিংবা হাসপাতালের চত্বরেও স্বজনদের দাফন করতে হয়েছে।

সূত্র: আল-জাজিরা

কালের আলো/এসএ

গণভোটের একটি প্রশ্নের অর্ধেক নিয়ে দ্বিমত আছে: আইনমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৪০ অপরাহ্ণ
গণভোটের একটি প্রশ্নের অর্ধেক নিয়ে দ্বিমত আছে: আইনমন্ত্রী

গণভোটের চারটি প্রশ্নের মধ্যে সাড়ে তিনটি নিয়ে কোনো দ্বিমত নেই, তবে একটি প্রশ্নের অর্ধেক অংশ নিয়ে মতভেদ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তাঁর দাবি, ওই অংশটি জুলাই সনদের সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক বলে মনে হচ্ছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘নির্বাচন-পরবর্তী বাংলাদেশ: রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবতা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, গণভোটের সাড়ে তিনটি প্রশ্ন নিয়ে কোনো দ্বিধাদ্বন্দ্ব নেই। তবে অর্ধেক প্রশ্ন নিয়ে দ্বিমতের জায়গা রয়েছে। তাঁর মতে, ওই অংশটি জুলাই সনদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

জুলাই সনদের ৬ নম্বর ধারার ১৮ নম্বর অনুচ্ছেদের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, সেখানে ১০০ সদস্যের একটি উচ্চকক্ষ গঠনের কথা বলা হয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির কোনো আপত্তি নেই। তবে উচ্চকক্ষের সদস্যরা জনগণের প্রাপ্ত ভোটের অনুপাত অনুযায়ী নির্বাচিত হবেন—এমন প্রস্তাব নিয়ে বিএনপির ভিন্নমত রয়েছে।

আইনমন্ত্রী বলেন, বিএনপি এ বিষয়ে নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছিল এবং তাদের নির্বাচনী ইশতেহারেও বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছিল। বিএনপির অবস্থান ছিল, উচ্চকক্ষের সদস্য নির্বাচন সংসদ সদস্যদের আনুপাতিক হারে হওয়া উচিত।

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে মো. আসাদুজ্জামান বলেন, এটি বাস্তবায়নের জন্য ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ’ নামে একটি আইন করা প্রয়োজন। সংবিধান সংশোধনের সমপর্যায়ের কোনো বিষয় অধ্যাদেশের মাধ্যমে করা হলে তা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, সংবিধান কার্যকর হওয়ার পর রাষ্ট্রপতির আদেশের মাধ্যমে এ ধরনের আইন করার সুযোগ আর রাখা হয়নি। আইন করতে হলে তা সংসদে পাস করতে হবে। সংসদ না থাকলে রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন।

আলোচনা সভায় সিজিএস সভাপতি জিল্লুর রহমানের সঞ্চালনায় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন, গণফোরামের সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জু, গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন, খেলাফত মজলিসের সেক্রেটারি জেনারেল ডা. আহমদ আব্দুল কাদের ও সিনিয়র সাংবাদিক সোহরাব হোসেনসহ অনেকে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি