খুঁজুন
                               
, ,
           

ডারউইনে অনুশীলন শুরু বাংলাদেশের

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৩৭ অপরাহ্ণ
ডারউইনে অনুশীলন শুরু বাংলাদেশের

অস্ট্রেলিয়া সফরকে সামনে রেখে ডারউইনে আনুষ্ঠানিক অনুশীলন শুরু করেছে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। প্রথম দিনের অনুশীলনে সতীর্থদের সঙ্গে যোগ দিয়ে বেশ চনমনে দেখা গেছে পেসার তাসকিন আহমেদকে।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) প্রকাশিত ভিডিওতে অনুশীলনে দুই হাতে দুটি ব্যাট নিয়ে হাসিমুখে মাঠে প্রবেশ করতে দেখা যায় তাসকিনকে। পরে অবশ্য নিজের মূল দায়িত্বে মনোযোগ দেন তিনি এবং বোলিং অনুশীলনে অংশ নেন।

দীর্ঘদিন ধরে গোড়ালি ও কাঁধের চোটে ভুগছিলেন তাসকিন। চিকিৎসার জন্য আগেই অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে পার্থে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেন তিনি। পরে ৩১ জুলাই ঢাকা থেকে রওনা দেওয়া বাংলাদেশ দলের সঙ্গে যোগ দেন এই ডানহাতি পেসার।

এদিকে গতকাল রাতে আরও আট ক্রিকেটার অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে দেশ ছাড়লেও তারা এখনো দলের সঙ্গে যোগ দেননি। তবে ডারউইনে থাকা ক্রিকেটাররা প্রথম দিনের অনুশীলনে ফিটনেস, ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিং—সব বিভাগেই প্রস্তুতি সেরেছেন।

বিসিবির ভিডিও বার্তায় অভিজ্ঞ স্পিনার তাইজুল ইসলাম বলেন, “বাংলাদেশ থেকে যাত্রাটা ভালো ছিল। আসার পথে একটি ট্রানজিট পেয়েছিলাম, সেখানে যথেষ্ট বিশ্রাম হয়েছে।”

প্রথম দিনের অনুশীলন নিয়ে তিনি বলেন, “সব মিলিয়ে ভালো প্রস্তুতি হয়েছে। উইকেট, ফিল্ডিং অনুশীলন থেকে শুরু করে রানিং—সব ধরনের কার্যক্রম আমরা করতে পেরেছি।”

আগামী ৫ আগস্ট পর্যন্ত ডারউইনে অনুশীলন করবে বাংলাদেশ দল। এরপর ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের বিপক্ষে তিন দিনের একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে টাইগাররা। প্রস্তুতি ম্যাচ শেষে আরও দুই দিন অনুশীলন করবে দলটি। ১৩ আগস্ট ডারউইনে শুরু হবে সিরিজের প্রথম টেস্ট, আর দ্বিতীয় টেস্ট শুরু হবে ২২ আগস্ট ম্যাকাইয়ে।

অস্ট্রেলিয়া সফরের আগে ইনজুরির ধাক্কা লেগেছে বাংলাদেশ দলে। চোটের কারণে পুরো সিরিজ থেকেই ছিটকে গেছেন পেসার নাহিদ রানা। অন্যদিকে লিটন দাস ও শরীফুল ইসলামকে প্রথম টেস্টের প্রাথমিক দলে রাখা হয়নি। তবে পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় অগ্রগতি হওয়ায় লিটনকে প্রথম টেস্টের দলে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। শরীফুল দ্বিতীয় টেস্টের আগে দলের সঙ্গে যোগ দিতে পারেন।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এখন পর্যন্ত ছয়টি টেস্ট খেলেছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে একমাত্র জয়টি আসে ২০১৭ সালে মিরপুরে। বাকি পাঁচ ম্যাচেই হারতে হয়েছে টাইগারদের, যার তিনটিই ছিল ইনিংস ব্যবধানে।

কালের আলো/এসএ

মিরপুরে হাজারো মানুষের অংশগ্রহণে জশনে জুলুস

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ২:১৪ অপরাহ্ণ
মিরপুরে হাজারো মানুষের অংশগ্রহণে জশনে জুলুস

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে রাজধানীর মিরপুরে জশনে জুলুস অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৬ আগস্ট) মিরপুর শাহ আলী মাজার এলাকা থেকে এ জশনে জুলুস বের হয়। এতে আহলা দরবার শরীফের পীর-মুর্শিদ ও মুরিদানসহ হাজারো আশেকে রাসূল অংশ নেন।

আঞ্জুমানে আসাদীয়া নূরীয়া সেহাবীয়ার ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত জশনে জুলুসের নেতৃত্ব দেন হাদীয়েজামান হজরত শাহসূফী সৈয়দ আবু জাফর মোহাম্মদ সেহাবউদ্দীন খালেদ আল-কাদেরী আল-চিশতী (রহ.)-এর উত্তরসূরি শাহসূফী সৈয়দ আবরার ইবনে সেহাব আল-কাদেরী আল-চিশতী। তার সঙ্গে ছিলেন শাহজাদা শাহসূফী সৈয়দ হোসেইন রাইফ নূরুল ইসলাম (রুবাব) মাইজভাণ্ডারী।

সকাল থেকেই জশনে জুলুসে অংশ নিতে মিরপুর শাহ আলী মাজার এলাকায় আশেকান ও মুরিদানেরা জড়ো হতে থাকেন। পরে বিপুলসংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণে জুলুসটি মাজার এলাকা থেকে বের হয়। জুলুসে অংশ নেওয়া মানুষের হাতে বিভিন্ন ব্যানার ও পতাকা দেখা যায়। তারা মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

জুলুসে অংশ নেওয়া আশেকানদের কণ্ঠে নাতে রাসুল ও দরুদ পাঠে মিরপুরের পরিবেশ মুখর হয়ে ওঠে। হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আগমন উপলক্ষে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ দেখা যায়। বিভিন্ন বয়সী মানুষ এ আয়োজনে অংশ নেন।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের ১২ তারিখ মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর শুভাগমন উপলক্ষে এ জশনে জুলুসের আয়োজন করা হয়েছে। মহানবীর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ এবং তার জীবন ও আদর্শ মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়াই এ আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য।

জশনে জুলুসটি মিরপুর শাহ আলী মাজার থেকে শুরু হয়ে মিরপুরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। আয়োজকদের পরিকল্পনা অনুযায়ী, জুলুসটি মিরপুর-১০ ও মিরপুর-১২ এলাকার বিভিন্ন সড়ক দিয়ে অতিক্রম করে।

জুলুসে অংশ নেওয়া কয়েকজন বলেন, মহানবী (স.)-এর প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা থেকেই তারা এ আয়োজনে অংশ নিয়েছেন। প্রতিবছর ঈদে মিলাদুন্নবী (স.) উপলক্ষে তারা এ ধরনের ধর্মীয় কর্মসূচিতে অংশ নেন। মহানবীর জীবনাদর্শ অনুসরণ করে শান্তি, মানবতা ও সম্প্রীতির সমাজ প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তারা।

আয়োজকেরা বলেন, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) মানবতার জন্য শান্তি, ভালোবাসা, সহনশীলতা ও ন্যায়বিচারের শিক্ষা দিয়ে গেছেন। তাঁর জীবন ও আদর্শ অনুসরণ করলে সমাজ থেকে হিংসা, বিদ্বেষ ও বিভেদ দূর করা সম্ভব। জশনে জুলুসের মাধ্যমে মহানবীর সেই শিক্ষা ও আদর্শ মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।

জশনে জুলুসকে কেন্দ্র করে মিরপুরের বিভিন্ন সড়কে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদেরও সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা যায়। আয়োজকদের স্বেচ্ছাসেবকেরাও জুলুসের শৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

দেশজুড়ে বৃষ্টির প্রবণতা, কোথাও কোথাও ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
দেশজুড়ে বৃষ্টির প্রবণতা, কোথাও কোথাও ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস

সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আগামী পাঁচদিন বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ সময় অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনাও রয়েছে।

বুধবার (২৬ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ২৬ আগস্ট রংপুর, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা ও খুলনা বিভাগের কিছু এলাকায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে। এদিন সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

২৭ ও ২৮ আগস্ট রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং অন্যান্য বিভাগের কিছু এলাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ২৯ ও ৩০ আগস্ট দেশের আট বিভাগের অনেক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ সময় কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।

২৯ আগস্ট সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। ৩০ আগস্ট তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী কয়েকদিন দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টির পাশাপাশি অস্থায়ী দমকা হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় জনসাধারণকে প্রয়োজন অনুযায়ী সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

পার্বত্য জেলা পরিষদকে দলীয় প্রভাবমুক্ত করার দাবি এনসিপির

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৪৮ অপরাহ্ণ
পার্বত্য জেলা পরিষদকে দলীয় প্রভাবমুক্ত করার দাবি এনসিপির

পার্বত্য চট্টগ্রামের খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবান জেলা পরিষদের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদে দলীয় পরিচয়কে প্রাধান্য দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। একই সঙ্গে দ্রুত নির্বাচন আয়োজনের মাধ্যমে তিন পার্বত্য জেলা পরিষদে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে পরিষদ গঠনের দাবি জানিয়েছে দলটি।

বুধবার (২৬ আগস্ট) এনসিপির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব দাবি জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, পার্বত্য চট্টগ্রাম বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল অঞ্চল। এ অঞ্চলের টেকসই উন্নয়ন, বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর অধিকার, স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ এবং ন্যায়সংগত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পার্বত্য জেলা পরিষদগুলোকে কার্যকর ও জনবান্ধব প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা প্রয়োজন।

এনসিপির অভিযোগ, ২০ আগস্ট গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন পার্বত্য জেলা পরিষদগুলোর চেয়ারম্যান ও সদস্য নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক পরিচয়কে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবান জেলা পরিষদে বিএনপি ছাড়া অন্যান্য রাজনৈতিক মত, সামাজিক শক্তি এবং দলীয় পরিচয়ের বাইরে থাকা মানুষের প্রতিনিধিত্ব কার্যত অনুপস্থিত।

দলটির মতে, এ ধরনের একতরফা রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব জেলা পরিষদগুলোর নিরপেক্ষতা, অন্তর্ভুক্তিমূলক চরিত্র ও জনগণের আস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে। যোগ্যতা, সততা, অভিজ্ঞতা, জনসম্পৃক্ততা এবং বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের ন্যায্য প্রতিনিধিত্বের ভিত্তিতে এসব পরিষদ পরিচালনা করা উচিত বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

এনসিপি আরও বলেছে, পার্বত্য জেলা পরিষদ কোনো রাজনৈতিক দলের সাংগঠনিক প্রতিষ্ঠান নয়, এটি জনগণের প্রতিষ্ঠান। তাই দলীয় আনুগত্যের পরিবর্তে স্থানীয় বাস্তবতা ও জনগণের প্রতিনিধিত্বকে গুরুত্ব দিতে হবে।

বিবৃতিতে পার্বত্য জেলা পরিষদে দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত নির্বাচন না হওয়ার বিষয়টিও তুলে ধরা হয়। দলটি বলছে, ১৯৮৯ সালে পার্বত্য জেলা পরিষদ আইন প্রণয়নের পর ওই বছর একবার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও পরবর্তী সময়ে দীর্ঘ সময় ধরে সরকার মনোনীত বা অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলো পরিচালিত হয়ে আসছে।

‘২৪-এর গণ-অভ্যুত্থান’-পরবর্তী বাংলাদেশে অনির্বাচিত ও দলীয়ভাবে প্রভাবিত স্থানীয় প্রতিষ্ঠান আর দেখতে চায় না এনসিপি। তাদের দাবি, অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদ সাময়িক প্রশাসনিক ব্যবস্থা হতে পারে, তবে এটি নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিত্বের বিকল্প নয়।

এনসিপি খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্য পদে সরাসরি, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

একই সঙ্গে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার আগ পর্যন্ত যেকোনো অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থায় রাজনৈতিক আনুগত্যের পরিবর্তে যোগ্যতা, নিরপেক্ষতা, স্থানীয় জনগণের প্রতিনিধিত্ব এবং বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে দলটি।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি