খুঁজুন
                               
, ,
           

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতির সঙ্গে জড়িত কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৩৪ অপরাহ্ণ
মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতির সঙ্গে জড়িত কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র দেশের ইতিহাস ও মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। মুক্তিযুদ্ধের সময় এই কেন্দ্র থেকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন।

শনিবার (৮ আগস্ট) কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে  সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই স্থাপনাটি যথাযথভাবে সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

এই বিষয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সাংবাদিকদের কল্যাণে সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে জানিয়ে ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, ‘সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ আরও বাড়ানোর বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

চলতি অর্থবছর অথবা আগামী অর্থবছরের মধ্যে এ বরাদ্দ বাড়ানো সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করছি’।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব, মিসইনফরমেশন ও ডিজইনফরমেশন প্রতিরোধে সরকারের উদ্যোগ সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নিউ মিডিয়ার মাধ্যমে একটি বড় প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।

অপতথ্য ও মিথ্যা তথ্যের বিস্তার রোধের পাশাপাশি জনগণকে সচেতন করতে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। অনলাইন মিডিয়া ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের কনটেন্ট তৈরি হচ্ছে। এসব মাধ্যমে শিক্ষণীয় ও সচেতনতামূলক রিলস তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নিউ মিডিয়া প্রকল্পের আওতায় সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী  বলেন, মিসইনফরমেশন ও ডিজইনফরমেশন সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করতে বিভিন্ন তথ্যচিত্র নির্মাণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি কোনটি সঠিক তথ্য, কোনটি মিসইনফরমেশন এবং কোনটি ডিজইনফরমেশন তা শনাক্ত করার জন্য বিভিন্ন টুলস ও সফটওয়্যার তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব ব্যবস্থার মাধ্যমে তথ্য যাচাই করে জনগণকে সঠিক তথ্য সম্পর্কে অবহিত করা হবে।

বাংলাদেশ বেতারকে আরও শক্তিশালী ও আধুনিক করার বিষয়ে তিনি বলেন, বেতারের এফএম সম্প্রচার শক্তিশালী করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে প্রকল্পও হাতে নেওয়া হয়েছে। বিটিভিকে  আধুনিক ও দর্শকবান্ধব করা হচ্ছে। বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) জন্য ফরেনসিক অডিটের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী সপ্তাহে অথবা আগামী ১০ দিনের মধ্যে অডিট কার্যক্রম শুরু হতে পারে।

অডিটের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বিটিভির ডিজিটালাইজেশনসহ বিভিন্ন কার্যক্রম আরো আধুনিক ও আকর্ষণীয় করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

তিনি বলেন, বিটিভির জনপ্রিয় সিগনেচার অনুষ্ঠান নতুন কুঁড়িকে  আরও আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে নতুন কুঁড়ি’র আবেদন গ্রহণের জন্য বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞাপন প্রচার করা হচ্ছে। এ ধরনের অনুষ্ঠান আরও সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা গেলে দর্শক-শ্রোতাদের বিটিভির প্রতি আগ্রহ বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

পরিদর্শনকালে চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ, কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রের পরিচালক শাহীন আক্তার, চট্টগ্রাম আঞ্চলিক তথ্য অফিসের উপপ্রধান তথ্য অফিসার বাপ্পী চক্রবর্তী, বাংলাদেশ বেতারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

সংবিধানে প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ হবে সর্বোচ্চ দুইবার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ৫:১০ অপরাহ্ণ
সংবিধানে প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ হবে সর্বোচ্চ দুইবার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাষ্ট্রকাঠামোর গণতান্ত্রিক সংস্কার ও সংবিধান সংশোধনের ভবিষ্যৎ রূপরেখা তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ভবিষ্যতে কোনো নির্বাচিত সরকার যাতে স্বৈরাচারী হয়ে উঠতে না পারে, সে জন্য সংবিধানে প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সর্বোচ্চ দুই মেয়াদে সীমাবদ্ধ করার বিধান যুক্ত করা হবে।

পাশাপাশি সংসদের উচ্চকক্ষ ও নিম্নকক্ষের মধ্যে চেক অ্যান্ড ব্যালান্স নিশ্চিত করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন মিলনায়তনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান ২০২৪-এর দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ফ্যাসিস্ট সরকার পতনে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের ভূমিকা শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

সভায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্যদের পক্ষ থেকে অনুভূতি ব্যক্ত করেন শহীদ মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধের ভাই মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ, শহীদ ওয়াসিম আকরামের পিতা শফিউল আলম, শহীদ আবু সাঈদের ভাই মো. আবু হোসেন এবং শহীদ একরামুল হক সাজিদের মাতা নাজমা খাতুন লিপি।

অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁদের পরিবারের সদস্যদের হাতে বিশেষ সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।

পরে মন্ত্রী জুলাই গণঅভ্যুত্থান উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ আলোকচিত্র প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন।

অনুষ্ঠানে ঢাবি সাদা দল এবং ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব)-এর যৌথ উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ঢাবি সাদা দলের আহ্বায়ক ও ইউট্যাবের মহাসচিব অধ্যাপক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি

বিএনপি গণমাধ্যমের অবাধ স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে: প্রতিমন্ত্রী টুকু

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ৫:০৬ অপরাহ্ণ
বিএনপি গণমাধ্যমের অবাধ স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে: প্রতিমন্ত্রী টুকু

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, ষড়যন্ত্র, অস্থিরতা, নির্যাতন, ফ্যাসিবাদ ও স্বৈরাচারের রাজনীতি জনগণ কখনও গ্রহণ করেনি, ভবিষ্যতেও করবে না। বিএনপি একটি আধুনিক, উদার ও গণতান্ত্রিক দল এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। বিএনপি কোনো নিউজ কন্ট্রোল করে না, গণমাধ্যমকে অবাধ স্বাধীনতা দিয়েছে। আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি। যতবার বাংলাদেশের মানুষ নিরপেক্ষভাবে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে, ততবার বাংলাদেশের মানুষ বিএনপিকে বেছে নিয়েছে।

শনিবার (৮ আগস্ট) বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) বাংলাদেশ সোসাইটি ফর ভেটেরিনারি এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চের (বিএসভিইআর) ৩২তম বৈজ্ঞানিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী টুকু বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইক-ফলোয়ার বাড়ানোর জন্য উল্টাপাল্টা বক্তব্য দিয়ে রাজনীতি করা উচিত নয়। তরুণ নেতৃত্বের কাছ থেকে মানুষ দায়িত্বশীল আচরণ প্রত্যাশা করে। জনগণ এখন বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক সমাজ চায়। পাঁচ বছর পর জনগণই সরকারের কর্মকাণ্ডের বিচার করবে এবং কারা দেশ পরিচালনা করবে, সেই সিদ্ধান্তও জনগণই নেবে।

তিনি বলেন, ভেটেরিনারি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা শেষে কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ফিশারিজ খাতেও ৫০০টির বেশি পদের অনুমোদন হয়েছে। দেশের প্রতিটি বিভাগে একটি করে ভেটেরিনারি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

এর আগে ‘টেকসই প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন ও বৈশ্বিক স্বাস্থ্য নিশ্চিতকরণে ভেটেরিনারি শিক্ষা ও গবেষণার কার্যকর প্রয়োগ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বিএসভিইআরের ৩২তম বৈজ্ঞানিক সম্মেলনের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন মিলনায়তনে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

তিন দিনব্যাপী এ সম্মেলনে দেশ-বিদেশের বিজ্ঞানী, গবেষক, শিক্ষক, প্রাণিচিকিৎসক, নীতিনির্ধারক, প্রাণিসম্পদ খাতের উদ্যোক্তা ও শিক্ষার্থীরা অংশ নিচ্ছেন। সম্মেলনে ১৬টি সমান্তরাল বৈজ্ঞানিক অধিবেশনে মোট ৩১৮টি গবেষণাপত্র উপস্থাপন করা হবে। এর মধ্যে ১১৬টি মৌখিক এবং ২০২টি পোস্টার উপস্থাপনা রয়েছে।

বিএসভিইআরের সভাপতি ও সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আলিমুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবু ওয়াহাব আকন্দ। প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমান, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান এবং ইন্টার অ্যাগ্রো বিডি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. এ. কে. এম. খসরুজ্জামান।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএসভিইআরের কার্যনির্বাহী কমিটির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. সুকুমার সাহা, ৩২তম বার্ষিক সম্মেলনের আয়োজক কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. মাহবুব আলম, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. তাহসিন ফারজানাসহ বিএসভিইআরের কার্যনির্বাহী ও আয়োজক কমিটির সদস্যরা।

অনুষ্ঠানে বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, বাংলাদেশের প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নে উচ্চ উৎপাদনশীল বাণিজ্যিক জাতের পাশাপাশি দেশের পরিবেশ ও গ্রামীণ খামার ব্যবস্থার উপযোগী জাত উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। দেশি গরু যেন গড়ে চার লিটার দুধ, দেশি ছাগল এক লিটার দুধ এবং মুরগি বছরে ন্যূনতম ১৫০টি ডিম দিতে পারে; এমন জাত উন্নয়নে গবেষণা ও পরিকল্পনা প্রয়োজন। এছাড়া, দেশের খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়কে নীতিনির্ধারণ ও গবেষণায় আরও কার্যকরভাবে সম্পৃক্ত করারও আহ্বান জানান তিনি।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

এক দশকে ব্ল্যাকপিংক, দশম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে চার সদস্য একসঙ্গে

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ৫:০১ অপরাহ্ণ
এক দশকে ব্ল্যাকপিংক, দশম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে চার সদস্য একসঙ্গে

২০১৬ সালের ৮ আগস্ট ‘হুইসেল’ ও ‘বুমবায়াহ’ গান দিয়ে কে-পপের দুনিয়ায় যাত্রা শুরু করেছিল দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় গার্ল গ্রুপ ব্ল্যাকপিংক। আজ শনিবার (৮ আগস্ট) দলটির পথচলার এক দশক পূর্ণ হলো। বিশেষ এই দিনটি একসঙ্গে উদ্‌যাপন করছেন জিসু, জেনি, রোজে ও লিসা।

দশম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে ভক্তদের সঙ্গে ছোট পরিসরে দেখা করার আয়োজন করেছে ব্ল্যাকপিংক। অনুষ্ঠানের স্থান এখনো প্রকাশ করা হয়নি। নির্বাচিত ৪০ জন ভক্ত এতে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। সেখানে চার সদস্যেরই উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়ায় ভক্তদের সামনে দীর্ঘ সময় পর আবারও একসঙ্গে দেখা যাবে ব্ল্যাকপিংকের চার সদস্যকে। এর আগে ২০২৫ সালের জুলাইয়ে সিউলের উপকণ্ঠ গোয়াংয়ে ‘ডেডলাইন’ বিশ্বভ্রমণের একটি কনসার্টে একসঙ্গে মঞ্চে উঠেছিলেন তাঁরা।

দশ বছরের পথচলায় ব্ল্যাকপিংক শুধু কে-পপেই নয়, আন্তর্জাতিক সংগীতাঙ্গনেও নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে। জনপ্রিয় গানের পাশাপাশি ফ্যাশন, বিলাসবহুল ব্র্যান্ড ও বিজ্ঞাপনের জগতেও চার সদস্যের আলাদা প্রভাব তৈরি হয়েছে।

২০২২ সালে প্রকাশিত দ্বিতীয় স্টুডিও অ্যালবাম ‘বর্ন পিংক’ ব্ল্যাকপিংকের ক্যারিয়ারে বড় মাইলফলক হয়ে আসে। অ্যালবামটি বিলবোর্ড ২০০-এর শীর্ষে ওঠে। এর মাধ্যমে কোনো নারী কে-পপ শিল্পীর অ্যালবাম হিসেবে নতুন ইতিহাস তৈরি করে দলটি। যুক্তরাজ্যের অফিশিয়াল অ্যালবাম চার্টেও শীর্ষস্থান দখল করে ‘বর্ন পিংক’।

দীর্ঘ বিরতির পর চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে দলীয় প্রকল্প হিসেবে তৃতীয় ইপি ‘ডেডলাইন’ প্রকাশ করে ব্ল্যাকপিংক। অ্যালবামটি বিলবোর্ড ২০০-এ অষ্টম অবস্থান অর্জন করে।

২০২৩ সালের ডিসেম্বরে নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করে ব্ল্যাকপিংক। দল হিসেবে চার সদস্যই ওয়াইজি এন্টারটেইনমেন্টের সঙ্গে চুক্তি বজায় রাখলেও ব্যক্তিগত ক্যারিয়ারের জন্য আলাদা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ শুরু করেন তাঁরা।

জেনি প্রতিষ্ঠা করেন নিজের প্রতিষ্ঠান অড অ্যাটেলিয়ার। লিসা শুরু করেন লাউড। জিসু প্রতিষ্ঠা করেন ব্লিসু। অন্যদিকে রোজে যুক্ত হন দ্য ব্ল্যাক লেবেলের সঙ্গে।

একক ক্যারিয়ারেও উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছেন চার শিল্পী। রোজে ও ব্রুনো মার্সের ‘আপাতে’ গানটি বিশ্বজুড়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে। গানটির মাধ্যমে রোজে এমটিভি ভিডিও মিউজিক অ্যাওয়ার্ডসে ‘সং অব দ্য ইয়ার’ পুরস্কার পাওয়া প্রথম কে-পপ শিল্পী হন।

জেনির প্রথম একক অ্যালবাম ‘রুবি’ তাঁর একক শিল্পী হিসেবে অবস্থান আরও শক্ত করে। টেম ইমপালার সঙ্গে করা ‘ড্রাকুলা’ গানটিও জায়গা করে নেয় বিলবোর্ড হট ১০০-এ।

সংগীতের পাশাপাশি অভিনয়েও নিজেদের পরিচিতি বাড়িয়েছেন ব্ল্যাকপিংকের সদস্যরা। জিসু অভিনয়ে নিয়মিত কাজ করছেন। লিসা অভিনয় করেছেন এইচবিওর জনপ্রিয় সিরিজ ‘দ্য হোয়াইট লোটাস’-এ। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেও পারফর্ম করেন তিনি।

দশ বছর পূর্তিতে চার সদস্যের এই একসঙ্গে উদ্‌যাপন তাই শুধু ভক্তদের জন্য নয়, ব্ল্যাকপিংকের দীর্ঘ ক্যারিয়ারেরও একটি বিশেষ মুহূর্ত হয়ে উঠেছে।

কালের আলো/এসএ