খুঁজুন
                               
, ,
           

অন্তরঙ্গ দৃশ্যে আপত্তি, বড় ছবির সুযোগ হারিয়েছেন নীহারিকা এনএম

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৪৩ অপরাহ্ণ
অন্তরঙ্গ দৃশ্যে আপত্তি, বড় ছবির সুযোগ হারিয়েছেন নীহারিকা এনএম

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পরিচিত কনটেন্ট নির্মাতা থেকে এবার চলচ্চিত্রের পর্দায় নীহারিকা এনএম। সম্প্রতি বলিউডে অভিষেক হয়েছে তাঁর। তবে অভিনয়জীবনের শুরুটা যে খুব সহজ ছিল না, তা জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী নিজেই। অন্তরঙ্গ দৃশ্যে অভিনয়ে আপত্তি থাকায় একবার বড় একটি ছবির সুযোগ হাতছাড়া করেছিলেন তিনি। এমনকি তিন ছবির চুক্তির কারণে দক্ষিণ ভারতের কয়েকটি সফল ছবিতেও কাজ করার সুযোগ পাননি।

গত ৩০ জুলাই মুক্তি পেয়েছে নীহারিকার প্রথম বলিউড সিনেমা ‘ভাই তেরা স্টার হ্যায়’। ছবিতে তাঁর বিপরীতে অভিনয় করেছেন রাঘব জুয়াল। সিনেমাটি মুক্তির আগে নিউজ১৮-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের ক্যারিয়ারের নানা অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন নীহারিকা।

কনটেন্ট নির্মাতা হিসেবে পরিচিতি পাওয়ার অনেক আগেই অভিনয়কে পেশা হিসেবে বেছে নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল নীহারিকার। অভিনয়ের প্রস্তুতি নিতে কয়েক বছর আগে মুম্বাইয়ে পাড়ি জমান তিনি। সেখানে একটি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের অধীনে প্রায় তিন বছর প্রশিক্ষণ নেওয়ার পাশাপাশি ফিল্ম স্কুলে পড়াশোনা করেন এবং থিয়েটারেও কাজ করেন।

তবে বলিউডে জায়গা করে নেওয়ার প্রাথমিক সময়টা তাঁর জন্য স্বস্তিদায়ক ছিল না। বিশেষ করে নারী অভিনয়শিল্পীদের নিয়ে প্রচলিত সৌন্দর্যের ধারণা তাঁকে হতাশ করেছিল।

নীহারিকার মতে, বলিউডে কাজের জন্য নারীদের চেহারা, গায়ের রং ও সৌন্দর্য নিয়ে নির্দিষ্ট ধরনের প্রত্যাশা রয়েছে। এই প্রতিযোগিতার অংশ হতে তিনি আগ্রহী ছিলেন না। তাই একটা সময় হিন্দি সিনেমার বদলে দক্ষিণ ভারতের চলচ্চিত্রে নিজের ক্যারিয়ার গড়ার দিকে মনোযোগ দেন।

দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমায় কাজের সময় নির্মাতা কার্তিক সুব্বারাজের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান স্টোন বেঞ্চ ফিল্মসের সঙ্গে তিনটি ছবিতে কাজের চুক্তি করেন নীহারিকা।

কিন্তু পরবর্তী সময়ে এই চুক্তিই তাঁর ক্যারিয়ারের জন্য হতাশার কারণ হয়ে ওঠে। চুক্তির মেয়াদ চলাকালে দক্ষিণ ভারতের বেশ কয়েকটি আলোচিত সিনেমায় অভিনয়ের প্রস্তাব পেয়েছিলেন তিনি। চুক্তিগত বাধ্যবাধকতার কারণে সেসব ছবিতে কাজ করতে পারেননি।

পরে ওই সিনেমাগুলোর কয়েকটি বক্স অফিসে বড় সাফল্য পায়। বিষয়টি এখনো তাঁর ক্যারিয়ারের অন্যতম বড় আক্ষেপ বলে মনে করেন নীহারিকা। তবে অন্যদিকে যাঁরা সেসব ছবিতে অভিনয় করেছেন, তাঁদের সাফল্যে তিনি আনন্দিত বলেও জানিয়েছেন।

চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর অবশ্য বিভিন্ন ভাষার সিনেমায় কাজের সুযোগ পান তিনি। এরপর আর কোনো চুক্তি তাঁকে পছন্দের কাজ থেকে আটকে রাখতে পারেনি।

ক্যারিয়ারের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা নিয়েও কথা বলেছেন নীহারিকা। তাঁর দাবি, এক খ্যাতিমান পরিচালকের সিনেমায় অভিনয়ের জন্য অডিশন ও লুক টেস্ট দেওয়ার পর চুক্তিতেও সই করেছিলেন তিনি। কিন্তু পরে চুক্তিতে থাকা অন্তরঙ্গ দৃশ্যসংক্রান্ত একটি শর্ত নিয়ে আপত্তি জানান।

নীহারিকার বক্তব্য, পর্দায় অন্তরঙ্গ দৃশ্যে অভিনয় করতে তিনি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না। বিষয়টি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানকে জানালে তাঁর অবস্থান মেনে নেওয়া হয়েছিল। এমনকি প্রয়োজন হলে বডি ডাবল ব্যবহার করে দৃশ্যটি ধারণের পরিকল্পনাও করা হয়।

তবে শেষ পর্যন্ত সেই পরিকল্পনাও বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। কারণ ওই দৃশ্যে সহশিল্পী বডি ডাবলের সঙ্গে অভিনয় করতে রাজি ছিলেন না। এরপর নীহারিকার সামনে দুটি পথ ছিল—নিজের সিদ্ধান্ত বদলে দৃশ্যে অভিনয় করা, অথবা সিনেমাটি ছেড়ে দেওয়া।

শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয় পথটিই বেছে নেন তিনি।

পরিচালক কিংবা সিনেমাটির সহশিল্পীর নাম প্রকাশ করেননি নীহারিকা। তবে তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট, অভিনয়ের সুযোগ যত বড়ই হোক, নিজের ব্যক্তিগত সীমারেখার সঙ্গে আপস করতে চান না তিনি।

বলিউডে নতুন অধ্যায় শুরু করা নীহারিকার এই অবস্থান তাঁর অভিনয়জীবনের পাশাপাশি ব্যক্তিগত মূল্যবোধেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরেছে।

কালের আলো/এসএ

শিশুদের কাছে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে উদ্যোগ নেবে সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
শিশুদের কাছে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে উদ্যোগ নেবে সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সঠিক ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে সরকার উদ্যোগ নেবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।

তিনি বলেন, যাদের অবদান ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশ ও গণতন্ত্র অর্জিত হয়েছে, শিশুদের তাদের সম্পর্কে জানানো অত্যন্ত জরুরি। এ জন্য শিশু-কিশোরদের উপযোগী বই, লেখনী ও চলচ্চিত্র নির্মাণের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

রোববার (৯ আগস্ট) জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম মিলনায়তনে লেখক ও সাংবাদিক সাবরিনা শুভ্রা রচিত ‘শহিদ জিয়ার গল্প শোনো’ ও ‘ছোটদের প্রিয় খালেদা জিয়া’ বই দুটির মোড়ক উন্মোচন ও প্রকাশনা উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রকাশনা সংস্থা ‘দশমিক’ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বাচ্চাদের জন্য বাংলাদেশের আসল ইতিহাস এবং যাদের কারণে আমরা স্বাধীন দেশ ও গণতন্ত্র পেয়েছি, তাদের সম্পর্কে পরবর্তী প্রজন্মকে জানানো খুবই দরকার। কিন্তু সে অনুপাতে বই, লেখনী বা চলচ্চিত্র সেভাবে গড়ে ওঠেনি। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে আমরা সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার জন্য কাজ করছি। এ ধরনের উদ্যোগে সার্বিক সহযোগিতা করতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে।’

বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি শিশু-কিশোরদের জন্য এ ধরনের বইয়ের ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশের ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, এতে প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্ম সহজেই বাংলাদেশের ইতিহাস এবং ত্যাগী নেতাদের অবদান সম্পর্কে জানতে পারবে।

শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভূমিকা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যদি সেদিন স্বাধীনতার ঘোষণা না দিতেন, “আই রিভোল্ট’ না বলতেন, তবে হয়তো আজ আমরা স্বাধীন দেশ পেতাম না।’’

তিনি বলেন, দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া জীবন বাজি রেখে গণতন্ত্র রক্ষা ও পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলন করেছেন। তাদের এই অবদান নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে না ধরলে কালের বিবর্তনে তা হারিয়ে যেতে পারে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দীর্ঘ ১৭ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে অর্জিত গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার রক্ষা করতে হবে। দেশে যেন পুনরায় ফ্যাসিবাদের উত্থান না ঘটে, সে জন্য সর্বস্তরের জনগণকে সোচ্চার থাকার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে প্রকাশনা সংস্থা ‘দশমিক’-এর স্বত্বাধিকারী দীপান্ত রায়হানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য সেলিমুজ্জামান সেলিম, এস এম জিলানী, কে এম বাবর ও মোস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া দিপু।

আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. তাহমিনা আক্তার টপি এবং সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক এহসান মাহমুদ।

এ ছাড়া বক্তব্য দেন লেখক কালাম ফারায়েজি, বই দুটির লেখক ও সাংবাদিক সাবরিনা শুভ্রা, কবি মিন্টু হক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস ও তৌহিদুর রহমান আওয়াল।

কালের আলো/এম/এএইচ

হাসিনার সাহস থাকলে দেশে এসে আইনের মুখোমুখি হোক: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

দিনাজপুর প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৪৮ অপরাহ্ণ
হাসিনার সাহস থাকলে দেশে এসে আইনের মুখোমুখি হোক: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়কমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেছেন, দেশ থেকে পালিয়ে তিনি এখন যে অবস্থায় আছেন, আমরা আশা করব, তার যদি সাহস থাকে তাহলে তিনি দেশে এসে আইনের মুখোমুখি হোন।

রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরের চেকপোস্ট গেট থেকে শুরু করে চারমাথা মোড় হয়ে মহিলা কলেজ পর্যন্ত সড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, গত ৫ আগস্ট চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান দিবসে ভারতে পলায়নকৃত স্বৈরাচার সরকার ও তাদের সহযোগীরা যে ধরনের উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে দেশের মধ্যে বিশৃঙ্খলা করার উসকানি দিচ্ছেন, আমরা তার তীব্র প্রতিবাদ জানাই। এই দেশের মানুষ দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামের কারণে স্বৈরাচারকে পালিয়ে যেতে বাধ্য করেছে। দেশ থেকে পালিয়ে তিনি এখন যে অবস্থায় আছেন, আমরা আশা করব, তার যদি সাহস থাকে তাহলে তিনি দেশে এসে আইনের মুখোমুখি হোন।

তিনি আরও বলেন, আইনে যদি তিনি খালাস পেয়ে যান, খুবই ভালো কথা। কিন্তু তাকে আইন-আদালতের মুখোমুখি হয়ে বিচারের সম্মুখীন হয়ে সেখানে দাঁড়িয়ে এসব কথা বলা উচিত। স্বৈরাচারের পতনের পর দেশের মানুষ অনেক ভালো আছে। অহেতুক মানুষকে উসকানি দিয়ে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির যেকোনো প্রচেষ্টা জনগণ যেকোনো উপায়েই হোক প্রতিহত করবে।

এ সময় সেখানে দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলাম, সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আসাদুজ্জামান, হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জর্জ মিত্র চাকমা, হাকিমপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফেরদৌস রহমান, সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন শিল্পীসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

হেফাজতে ইসলাম আমিরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৪১ অপরাহ্ণ
হেফাজতে ইসলাম আমিরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির বিখ্যাত বাবুনগর মাদরাসায় গেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রোববার (৯ আগস্ট) বেলা সাড়ে ৩টায় হেলিকপ্টার যোগে সরকারপ্রধান পেহেলগাজী দিঘীর মাঠে অবতরণ করেন। এসময় সাধারণ মানুষ তাকে অভ্যর্থনা জানান। প্রধানমন্ত্রীও হাত নেড়ে তাদের শুভেচ্ছার জবাব দেন।

সেখান থেকে সড়কপথে আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদরাসায় পৌঁছান তারেক রহমান।

হেফাজত আমিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার পর প্রধানমন্ত্রী পাশের হাটহাজারী উপজেলায় যাবেন। সেখানকার আল জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম মাদরাসায় হেফাজতের প্রতিষ্ঠাতা আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফীর কবর জিয়ারত করবেন সরকারপ্রধান।

এর আগে দুপুরে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে সহায়তা অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি। আর সকালে কক্সবাজারের মহেশখালীর মাতাবাড়ীর গভীর সমুদ্রবন্দর, কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প ও মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (মিডা) কার্যক্রম পরিদর্শন করেন সরকারপ্রধান।

কালের আলো/এসএকে