খুঁজুন
                               
, ,
           

শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী চলচ্চিত্র উৎসব, সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেখতে পাবেন যে ৬ সিনেমা

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০৪ অপরাহ্ণ
শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী চলচ্চিত্র উৎসব, সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেখতে পাবেন যে ৬ সিনেমা

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে আজ থেকে শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী চলচ্চিত্র উৎসব ‘একল সেকাল’। শিল্পকলা একাডেমির নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগের আয়োজনে জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে ১১ আগস্ট পর্যন্ত চলবে এ উৎসব।

আজ বিকেল ৫টায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে উৎসবের শুরু হবে। উদ্বোধনের পর সন্ধ্যা ৬টায় প্রদর্শিত হবে মেজবাউর রহমান সুমন পরিচালিত চলচ্চিত্র ‘রইদ’। এরপর রাত ৮টায় দেখানো হবে জহির রায়হানের কালজয়ী চলচ্চিত্র ‘জীবন থেকে নেয়া’।

উৎসবের দ্বিতীয় দিন ১০ আগস্ট বিকেল সাড়ে ৫টায় প্রদর্শিত হবে খান আতাউর রহমান পরিচালিত ‘আবার তোরা মানুষ হ’। রাত ৮টায় থাকছে মোহাম্মদ নূরুজ্জামান পরিচালিত ‘মাস্তুল’।

শেষ দিন ১১ আগস্ট বিকেল সাড়ে ৫টায় প্রদর্শিত হবে আমজাদ হোসেন পরিচালিত ‘দুই পয়সার আলতা’। সমাপনী প্রদর্শনী হিসেবে রাত ৮টায় দেখানো হবে আকাশ হক পরিচালিত ‘দ্য ইউনিভার্সিটি অব চানখাঁরপুল’। উৎসবের সব প্রদর্শনী সবার জন্য উন্মুক্ত।

উৎসবকে কেন্দ্র করে গত শুক্রবার শিল্পকলা একাডেমিতে ‘সমসাময়িক প্রেক্ষাপটে চলচ্চিত্রের একাল সেকাল’ শীর্ষক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। শিল্পকলা একাডেমির নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগের সেমিনারকক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন একাডেমির মহাপরিচালক রেজাউদ্দিন স্টালিন। প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।

সেমিনারে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আকতানিন খায়ের তানিন। আলোচনায় অংশ নেন বাংলাদেশ ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটির সভাপতি জহিরুল ইসলাম কচি, নির্মাতা মতিন রহমান, শাহীন দিল-রিয়াজ, মোহাম্মদ নূরুজ্জামান ও এস এম ইমরান হোসেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগের পরিচালক দীপক কুমার গোস্বামী।

সেমিনারে স্বাধীন নির্মাতাদের পক্ষ থেকে চলচ্চিত্র প্রদর্শন ও নির্মাণের সুযোগ বাড়াতে বিভিন্ন দাবি ও প্রস্তাব তুলে ধরা হয়। ক্রমাগত সিঙ্গেল স্ক্রিন কমে যাওয়ায় জেলা শিল্পকলা একাডেমির মিলনায়তনগুলোকে নিয়মিত বিকল্প সিনেমা হল হিসেবে ব্যবহারের প্রস্তাব দেওয়া হয়। শুধু উৎসবের সময় নয়, সারা বছর দেশের বিভিন্ন জেলায় চলচ্চিত্র প্রদর্শনের ব্যবস্থা করার কথাও বলা হয়েছে।

এ ছাড়া স্বাধীন ও নবীন নির্মাতাদের চলচ্চিত্র নিয়ে কনটেন্ট ব্যাংক তৈরি, ঢাকার বাইরের প্রদর্শনীতে নির্মাতাদের যুক্ত করা এবং স্থানীয় সাংস্কৃতিক সংগঠন ও ফিল্ম সোসাইটিগুলোকে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। খোলা মাঠ বা উন্মুক্ত মঞ্চে চলচ্চিত্র প্রদর্শন, অনলাইন প্রচারণা বাড়ানো এবং ব্যয় কমাতে ছোট কক্ষ বা উন্মুক্ত স্থান ব্যবহারের প্রস্তাবও আসে।

নিয়মিত চলচ্চিত্র প্রদর্শনের ব্যয় মেটাতে ১০ থেকে ২০ টাকা টিকিট চালু এবং স্বাধীন নির্মাতাদের জন্য শিল্পকলা একাডেমির মিলনায়তন ন্যূনতম ভাড়ায় দেওয়ার দাবিও জানানো হয়।

সেমিনারে উত্থাপিত প্রস্তাবগুলো ইতিবাচকভাবে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিল্পকলা একাডেমির নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগের পরিচালক দীপক কুমার গোস্বামী। তিনি বলেন, স্বাধীন নির্মাতাদের দাবিগুলো যৌক্তিক এবং এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নে তাঁর বিভাগ একাত্ম।

দীপক কুমার গোস্বামী জানান, দেশের বিভিন্ন শিল্পকলা একাডেমির অডিটোরিয়াম ও হলগুলো চলচ্চিত্র প্রদর্শনের উপযোগী করতে সাউন্ড সিস্টেম আধুনিকায়ন ও ভালো পর্দার ব্যবস্থা করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি নাট্যদলগুলো যেভাবে মিলনায়তন ব্যবহারে রেয়াত পায়, স্বাধীন চলচ্চিত্র নির্মাতাদের ক্ষেত্রেও ভাড়ায় রেয়াত দেওয়ার বিষয়টি পরিষদে তোলার কথা জানিয়েছেন তিনি।

তিনি আরও জানান, চলচ্চিত্র বিভাগ আলাদা করার প্রস্তাব সম্প্রতি সংসদে পাস হয়েছে। বিষয়টি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালকও নির্দেশনা দিয়েছেন।

কালের আলো/এসএ

কর্নেল অলি আহমদকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা ১১ দলীয় ঐক্যের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ১:২৪ অপরাহ্ণ
কর্নেল অলি আহমদকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা ১১ দলীয় ঐক্যের

রাষ্ট্রপতি পদে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে মনোনয়ন দিয়েছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য।

রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে বিরোধী দলীয় নেতার ডা. শফিকুর রহমানের বাসভবনে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতাদের বৈঠক শেষে তার নাম ঘোষণা করা হয়।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

প্রতিটি শিক্ষার্থীকে একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ১:২১ অপরাহ্ণ
প্রতিটি শিক্ষার্থীকে একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর

দেশের প্রতিটি বিদ্যালয় ও মহাবিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের গাছ লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। তিনি বলেছেন, শিক্ষার্থীরা যে গাছ লাগাবে, সেগুলোর হিসাব রাখা হবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে আরও গাছ সরবরাহ করা হবে।

রোববার (৯ আগস্ট) মিরপুর গার্লস আইডিয়াল ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

আমিনুল হক বলেন, তোমরা প্রত্যেকে বাসার সামনে, স্কুল-কলেজে কিংবা রাস্তার পাশে একটি করে গাছ লাগাবে। তোমরা যে গাছ লাগাবে, সেই হিসাবও রাখা হবে। প্রতিটি স্কুল ও কলেজের গাছের তালিকা থাকবে।

বৃক্ষরোপণের জন্য এখনই উপযুক্ত সময় উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই সময়ে গাছ লাগালে বর্ষার পানি ও অনুকূল আবহাওয়ায় গাছ দ্রুত বেড়ে উঠবে। তাই শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের এখনই গাছ লাগানোর কাজে যুক্ত হতে হবে।

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণ গুরুত্বপূর্ণ। বিদ্যালয় ও মহাবিদ্যালয়গুলোতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নেওয়ার মূল উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা তৈরি করা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও সবুজ করে তোলা।

তিনি বলেন, আমাদের নির্বাচনী অঙ্গীকারে আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর লক্ষ্য রয়েছে। দেশ ও শহরকে আরও সবুজ করতে হলে সবাইকে এই কর্মসূচিতে অংশ নিতে হবে।

আমিনুল হক আরও বলেন, একটি গাছ শুধু পরিবেশের উপকার করে না, ভবিষ্যতে তা মানুষকে ফল, ছায়া ও ঔষধিসহ নানা উপকার দিতে পারে। তাই প্রতিটি শিক্ষার্থীর একটি করে গাছ লাগানোর উদ্যোগকে তিনি গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন।

বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের বৃক্ষরোপণে উৎসাহিত করতে হবে। প্রতিটি শিক্ষার্থী যদি একটি করে গাছ লাগায়, তাহলে সম্মিলিতভাবে বড় ধরনের সবুজায়ন সম্ভব হবে।

আরাফাতের ময়দানের নিমগাছের উদাহরণ দিয়ে আমিনুল হক বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মানুষের উপকার করে আসা এসব গাছের মতো ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও বৃক্ষরোপণ করে যেতে হবে। মানুষের উপকারে আসে—এমন একটি গাছ লাগানোও বড় একটি ভালো কাজ।

কালের আলো/এসএকে

কানায় কানায় পূর্ণ বাঁশখালীর সাগরপাড়ের সমাবেশস্থল

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৫৮ অপরাহ্ণ
কানায় কানায় পূর্ণ বাঁশখালীর সাগরপাড়ের সমাবেশস্থল

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে একনজর দেখতে সকাল থেকেই বাঁশখালীর সাগরপাড়ের সমাবেশস্থলে জড়ো হয়েছেন হাজারো মানুষ। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে উঠেছে পুরো সমাবেশস্থল।

চারপাশে মানুষের কোলাহল, স্লোগান আর ব্যানার-ফেস্টুনে তৈরি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ। এখন অপেক্ষা শুধু কাঙ্ক্ষিত সেই মুহূর্তের।

প্রধানমন্ত্রী কখন এসে পৌঁছাবেন সমাবেশস্থলে।

রোববার (৯ আগস্ট) সকাল থেকে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও আশপাশের এলাকা থেকে দলে দলে, মিছিলে মিছিলে মানুষ সমাবেশস্থলে যোগ দেন।

সকাল গড়িয়ে বেলা নামতেই সমাবেশস্থলের নির্ধারিত জায়গায় মানুষের তিল ধারণের ঠাঁই নেই।

অনেকের হাতে জাতীয় ও দলীয় পতাকা।

কারও হাতে প্রধানমন্ত্রীর ছবি সংবলিত প্ল্যাকার্ড, আবার কেউ বহন করছেন নানা স্লোগান লেখা ব্যানার। সমাবেশস্থলের আশপাশের সড়ক ও খোলা জায়গাতেও অবস্থান নিয়েছেন অনেকে।

প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে বাঁশখালীতে তৈরি হয়েছে ভিন্ন আবহ। স্থানীয়দের মধ্যে যেমন উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে, তেমনি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের প্রত্যাশাও বেড়েছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মানুষের খোঁজখবর নেওয়া এবং তাদের দুর্ভোগের কথা প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরার অপেক্ষায় রয়েছেন স্থানীয়রা।

সমাবেশস্থলের আশপাশে নিরাপত্তাব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবকরাও দায়িত্ব পালন করছেন। বিভিন্ন প্রবেশপথে তল্লাশি করা হচ্ছে। যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কে।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, দীর্ঘ অপেক্ষার পর প্রধানমন্ত্রীকে কাছ থেকে দেখার সুযোগ পেতে সকালেই সমাবেশস্থলে চলে এসেছেন তারা। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য শুনতে তীব্র রোদের মধ্যে অপেক্ষা করতে কোনও কষ্ট নেই।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি