খুঁজুন
                               
, ,
           

মালয়েশিয়াকে উড়িয়ে ৮৯ রানে জিতল বাংলাদেশ এইচপি

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ৬:১৮ অপরাহ্ণ
মালয়েশিয়াকে উড়িয়ে ৮৯ রানে জিতল বাংলাদেশ এইচপি

জয় এসেছে বড় ব্যবধানেই। তবে ৮৯ রানের এই জয়েও ব্যাটিং নিয়ে পুরোপুরি স্বস্তি পাওয়ার সুযোগ নেই বাংলাদেশ হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) দলের। মিরপুরে মালয়েশিয়া জাতীয় দলের বিপক্ষে ২০ ওভারে ১৫৮ রান তুলেছে বাংলাদেশ। এরপর বোলারদের দাপটে মালয়েশিয়াকে মাত্র ৬৯ রানে গুটিয়ে দিয়ে ৮৯ রানের জয় পেয়েছে স্বাগতিকেরা।

ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের বেশির ভাগ ব্যাটসম্যানই বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। বাজে শটে উইকেট বিলিয়ে দেওয়ার প্রবণতাই ছিল বেশি। শেষ দিকে মেহরব হাসান ও আবদুল গাফফার কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে না তুললে দলের সংগ্রহ আরও কম হতে পারত।

মিরপুরে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ভালো শুরু পায়নি বাংলাদেশ। ওপেনার জিসান আলম সাত বল খেলেও রানের খাতা খুলতে পারেননি। আরিফ উল্লাহর অফ স্টাম্পের বাইরের বল তুলে মারতে গিয়ে ৩০ গজের ভেতর ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি।

অন্য ওপেনার জাওয়াদ আবরার অবশ্য শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিলেন। একটি দৃষ্টিনন্দন ছক্কার পাশাপাশি তিনটি চার মেরে ১৮ বলে ২৮ রান করেন তিনি।

এরপর আরিফুল ইসলাম, সাব্বির রহমান ও প্রিতম কুমারও ইনিংস বড় করতে ব্যর্থ হন। আরিফুল ১২ বলে ১৫, সাব্বির ১২ বলে ১৪ এবং প্রিতম ৭ বলে ৪ রান করে ফেরেন।

পঞ্চম উইকেট হারানোর পর বাংলাদেশের ইনিংস কিছুটা সামাল দেন মেহরব হাসান ও আবদুল গাফফার। ষষ্ঠ উইকেটে দুজনের ৫৩ রানের জুটি বাংলাদেশকে লড়াই করার মতো সংগ্রহ এনে দেয়।

মেহরব ছিলেন দলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। ২২ বলে তিনটি চার ও দুটি ছক্কায় ৪০ রান করেন তিনি। গাফফার ২৬ বলে করেন ৩২ রান।

তবে এই জুটি ভাঙার পর আবারও দ্রুত উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ। শেষ পাঁচ উইকেট মাত্র ৩২ রানের মধ্যে হারিয়ে ২০ ওভারে ১৫৮ রানে থামে তাদের ইনিংস।

১৫৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশের বোলারদের সামনে কোনো সময়ই স্বস্তিতে ছিল না মালয়েশিয়া। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ১৬ ওভারেই ৬৯ রানে অলআউট হয়ে যায় তারা।

মালয়েশিয়ার হয়ে সর্বোচ্চ ২৯ রান করেন আহমেদ আকিল ওয়াহেদ। ২৫ বলের ইনিংসে ছিল তাঁর লড়াইয়ের চেষ্টা। এ ছাড়া মোহাম্মদ আমির ২২ বলে ১৫ এবং বিজয় উন্নি ১৫ বলে ১৪ রান করেন। দলের আর কোনো ব্যাটসম্যান দুই অঙ্কে পৌঁছাতে পারেননি।

বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন মোহাম্মদ রুবেল ও রাকিবুল হাসান। দুজনই নেন দুটি করে উইকেট। এ ছাড়া আবু হায়দার, আবদুল গাফফার, মেহরব হাসান ও মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী একটি করে উইকেট পেয়েছেন।

ব্যাটিংয়ে প্রত্যাশামতো পারফরম্যান্স না এলেও বোলারদের দাপটে শেষ পর্যন্ত বড় জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ এইচপি।

কালের আলো/এসএ

রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনায় ৬ কমিটি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৮:১৬ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনায় ৬ কমিটি

নতুন রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান যথাযথ মর্যাদায় সুচারু ও সফলভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে ৬টি কমিটি গঠন করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

রোববার (৯ আগস্ট) কমিটিগুলো গঠন করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এক অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন গত ৬ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য তফসিল ঘোষণা করেছে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পর প্রধানমন্ত্রীর অনুমতি প্রাপ্তির পরিপ্রেক্ষিতে নির্ধারিত দিন, তারিখ, সময় ও স্থানে রাষ্ট্রপতির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান আয়োজিত হবে। এ শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান যথাযথ মর্যাদায় সুচারু ও সফলভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে এ কমিটিগুলো গঠন করা হলো।

কমিটিগুলোর মধ্যে রয়েছে- মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব সমন্বয় ও সংস্কার ফারাহ শাম্মীর নেতৃত্বে সমন্বয় কমিটি, প্রশাসন ও বিধি অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. শামীম সোহেলের নেতৃত্বে ডকুমেন্টেশন ও রেকর্ড সংরক্ষণ কমিটি এবং অতিথি তালিকা প্রণয়ন ও আমন্ত্রণপত্র মুদ্রণ কমিটি, সমন্বয় অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ খালেদ হাসানের নেতৃত্বে আমন্ত্রণপত্র বিতরণ ও প্রাপ্তি যাচাই কমিটি, কমিটি ও অর্থনৈতিক অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. হুমায়ুন কবিরের নেতৃত্বে আসন ব্যবস্থাপনা কমিটি, আইন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ইয়াসমিন বেগমের নেতৃত্বে অভ্যর্থনা কমিটি।

কমিটিগুলো প্রয়োজন অনুযায়ী কর্মকর্তা-কর্মচারী অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে। চিঠি পাওয়ার পর কমিটি দ্রুত সভা আহ্বান করে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করবে। উপকমিটির আহ্বায়করা তাদের কার্যাদি নিয়মিতভাবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিবকে (সমন্বয় ও সংস্কার) অবহিত করবেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা নেবেন বলে অফিস আদেশে জানানো হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ওই দিন জাতীয় সংসদে দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ হবে।

কালের আলো/এসএকে

রিজার্ভ চুরির মামলার প্রতিবেদন দাখিল ৯৭ বার পেছাল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৮:১১ অপরাহ্ণ
রিজার্ভ চুরির মামলার প্রতিবেদন দাখিল ৯৭ বার পেছাল

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আবারও পিছিয়েছে। এ নিয়ে ৯৭ বারের মতো প্রতিবেদন দাখিলের সময় বাড়ানো হলো। আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।

রোববার (৯ আগস্ট) ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সেফাতুল্লাহর আদালতে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন নির্ধারিত ছিল। তবে তদন্তকারী সংস্থা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) এদিন প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি। পরে আদালত নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রসিকিউশন বিভাগ-এর এসআই রোকুনুজ্জামান।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি সুইফট কোডের মাধ্যমে জালিয়াতি করে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রায় ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি করা হয়। পরে চুরি যাওয়া অর্থের একটি বড় অংশ ফিলিপাইনে পাচার হয়ে যায়।

ঘটনার পর বাংলাদেশে থাকা কোনো একটি চক্রের সহায়তায় এ অর্থ পাচার করা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হয়। এ ঘটনায় ২০১৬ সালের ১৫ মার্চ রাজধানীর মতিঝিল থানায় মামলা করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং বিভাগের তৎকালীন যুগ্ম পরিচালক জুবায়ের বিন হুদা। অর্থপাচার প্রতিরোধ আইনে করা ওই মামলায় তখন কোনো ব্যক্তিকে সরাসরি আসামি করা হয়নি।

বর্তমানে মামলাটি তদন্ত করছে সিআইডি। তবে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তদন্ত শেষ করে আদালতে প্রতিবেদন দিতে পারেনি সংস্থাটি। বিভিন্ন সময়ে সময় নেওয়ার কারণে প্রতিবেদন দাখিলের তারিখও বারবার পিছিয়েছে।

রিজার্ভ থেকে চুরি যাওয়া অর্থের প্রায় ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার ফিলিপাইনের স্থানীয় মুদ্রা পেসোতে রূপান্তর করে দেশটির তিনটি ক্যাসিনোতে নেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে একটি ক্যাসিনোর মালিকের কাছ থেকে প্রায় দেড় কোটি ডলার উদ্ধার করে বাংলাদেশকে ফেরত দেয় ফিলিপাইন সরকার। তবে বাকি প্রায় ৬ কোটি ৬৪ লাখ ডলারের কোনো হদিস এখনো মেলেনি।

চুরি যাওয়া অর্থ উদ্ধারের উদ্যোগ হিসেবে ২০১৯ সালে নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের সাদার্ন ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে মামলা করে বাংলাদেশ ব্যাংক। মামলায় ফিলিপাইনের রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং করপোরেশন (আরসিবিসি)সহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।

পরে মামলাটি খারিজের আবেদন করে আরসিবিসি। ২০২২ সালের এপ্রিলে নিউইয়র্কের আদালত বাংলাদেশ ব্যাংকের করা মামলাটি খারিজ করে দেন। আদালতের রায়ে বলা হয়, মামলাটি শুনানির জন্য ওই আদালতের পর্যাপ্ত এখতিয়ার নেই।

এরপর বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে নিউইয়র্কের এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে নতুন করে মামলা করা হয়েছে বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

রিজার্ভ চুরির মামলার প্রতিবেদন দাখিল পেছাল ৯৭ বার

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

আমাদের একটা বিরোধী দল আছে হাসিনার ভাষায় কথা বলছে: মির্জা ফখরুল

রংপুর প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৫৭ অপরাহ্ণ
আমাদের একটা বিরোধী দল আছে হাসিনার ভাষায় কথা বলছে: মির্জা ফখরুল

দীর্ঘদিনের একদলীয় শাসন ব্যবস্থার অবসান ঘটিয়ে দেশকে পুনর্গঠনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কাজ শুরু করেছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় এলজিআরডি মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, ‘সরকারের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে দেশের সকল নাগরিককে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।’

রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে রংপুর শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে যুক্তরাষ্ট্র-ভিত্তিক চ্যারিটি সংস্থা লাভ শেয়ার বিডির নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়িত ‘সুবিধাবঞ্চিতদের স্বাবলম্বীকরণ প্রকল্প’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল।

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী দেশের ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতিকে ভালো করতে কাজ করছেন, বিপর্যস্ত প্রশাসনকে ঢেলে সাজাতে কাজ করা হচ্ছে। যুদ্ধ সংকটের মাঝেও দেশে তেল গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার কাজ করছে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের একটা বিরোধী দল আছে। এই বিরোধী দল দুর্ভাগ্যক্রমে আগের মতো ভূমিকা পালন করতেছে এবং হাসিনা যে ভাষায় কথা বলত, সেই ভাষায় এনারা কথা বলছে। করতে দেব না, চলতে দেব না, শেষ করতে দেব না। এই সরকারের টার্ম শেষ করতে দেব না। এগুলো না বলে সরকারকে সহযোগিতা করুন, তাহলে দেশ আগাবো।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় এলে রংপুরের লোক জামায়াত-জাতীয় পার্টি করে, তাহলে কেমনে হবে, তাহলে কিভাবে পাবেন। তাছাড়া আমাদের এই এলাকার মানুষের উদ্যোগ নাই। ঝুঁকি নিতে জানে না, নতুন কিছু উদ্যোগ নিবে, এমন কিছু করে না। রংপুরের মানুষকে নিজ পায়ে দাঁড়াতে হবে। রংপুরের উন্নয়ন বিষয়ে কাজ করতে হবে। তাহলে রংপুরের উন্নয়ন সম্ভব।’

লাভ শেয়ার বিডির পরিচালক জাহিদ খানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ও রাষ্ট্রদূত মুসফিকুল ফজল আনসারী, সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট রেজেকা সুলতানা ফেন্সি, রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান সামসুজ্জামান সামু, জেলা পরিষদ প্রশাসক সাইফুল ইসলাম।

এসময় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন। পরে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে রংপুর অঞ্চলের ২৫টি সুবিধাবঞ্চিত ব্যক্তির মাঝে ২৫টি চা ঘর হস্তান্তর করা হয়।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ