খুঁজুন
                               
, ,
           

বিদ্যুৎ সংকটে রাজধানী, ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘ লোডশেডিং

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ২:০৯ পূর্বাহ্ণ
বিদ্যুৎ সংকটে রাজধানী, ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘ লোডশেডিং

রাজধানী ঢাকাতেও তীব্র আকার ধারণ করেছে লোডশেডিং। এতদিন গ্রাম ও মফস্বল এলাকায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকার খবর পাওয়া গেলেও এবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকাতেও দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎহীন থাকতে হচ্ছে নগরবাসীকে।

বুধবার (১২ আগস্ট) রাত থেকে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় দফায় দফায় ও টানা লোডশেডিংয়ের খবর পাওয়া গেছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। বিদ্যুৎ বিভ্রাট নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ক্ষোভ প্রকাশ করছেন অনেকে।

একজন ভুক্তভোগী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ‘গ্রাম ছেড়ে লোডশেডিং এখন ঢাকায়।’ রাজধানীতে লোডশেডিংয়ের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে এমন নানা মন্তব্য ও পোস্ট ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ভোগান্তির কথা জানিয়ে সাংবাদিক আতাউর রহমান তার ফেসবুক ওয়ালে লিখেছেন, ‘সকালে বেরিয়ে সারাদিন দৌড়ঝাঁপ দিয়ে রাত সোয়া ১১টায় আমি যখন বাসায় আসলাম, তিনি (বিদ্যুৎ) তখন চলে গেলেন।’

সাধারণ মানুষের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন পোস্ট ও ট্রলের মাধ্যমে নাগরিক ক্ষোভও প্রকাশ পাচ্ছে। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় গরমের মধ্যে শিশু, বয়স্ক ও কর্মজীবী মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে দেশে বিদ্যুৎ সংকট আবারও তীব্র হয়েছে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় কয়েক ঘণ্টা করে বিদ্যুৎ থাকছে না। বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাসের সংকট, জ্বালানি ঘাটতি এবং ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানিতে কমে যাওয়াকে সংকটের অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে।

সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, গত ৯ আগস্ট দেশে বিদ্যুৎ ঘাটতি একপর্যায়ে ৩ হাজার ৬৭১ মেগাওয়াটে পৌঁছায়। এর পর ১২ আগস্ট রাত ১টায় জাতীয় গ্রিডে ঘাটতি ছিল ৩ হাজার ১৯৪ মেগাওয়াট। সকাল ৮টায়ও ঘাটতি ছিল ২ হাজার ৩১৪ মেগাওয়াট।

জাতীয় পর্যায়ে বিদ্যুৎ ঘাটতির প্রভাব গ্রামাঞ্চলে বেশি পড়লেও এবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকাতেও দীর্ঘ লোডশেডিংয়ের খবর পাওয়া যাচ্ছে। ঢাকার ডেসকো ও ডিপিডিসি এলাকায় জাতীয় ঘাটতির প্রভাব তুলনামূলক কম থাকার কথা থাকলেও বুধবার রাত থেকে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিয়েছে।

ফলে তীব্র গরমের মধ্যে রাজধানীবাসীর ভোগান্তি আরও বেড়েছে। পরিস্থিতি কতদিন স্থায়ী হবে এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হতে কত সময় লাগবে—এ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে নগরবাসীর মধ্যে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি

দীর্ঘ অপেক্ষার পর পর্যটকদের জন্য খুলল চার পাহাড়ি পর্যটনকেন্দ্র

বান্দরবন প্রতিবদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ১:৫৯ পূর্বাহ্ণ
দীর্ঘ অপেক্ষার পর পর্যটকদের জন্য খুলল চার পাহাড়ি পর্যটনকেন্দ্র

দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ি এলাকার তিন্দু-নাফাকুমসহ চারটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটনকেন্দ্র সর্বসাধারণের জন্য খুলে দিয়েছে জেলা প্রশাসন। এতে দীর্ঘদিন পর এসব এলাকায় পর্যটকদের ভ্রমণের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১১ আগস্ট অনুষ্ঠিত জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় সর্বসম্মতিক্রমে বান্দরবান পার্বত্য জেলার নির্ধারিত কয়েকটি সড়ক ও পর্যটন এলাকা সর্বসাধারণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

খোলা পর্যটন এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে থানচি উপজেলার তমাতুঙ্গী থেকে ২৪ কিলোমিটার তিন্দু পর্যন্ত সড়ক ও পর্যটন এলাকা এবং তিন্দুমুখ থেকে নাফাকুম পর্যন্ত সড়ক ও পর্যটন এলাকা। এছাড়া রুমা উপজেলার কেওক্রাডং পর্বত থেকে সুংসুংপাড়া পর্যন্ত এলাকা ও রিজুক ঝরনাও পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে।

তবে এসব এলাকায় ভ্রমণের ক্ষেত্রে পর্যটকদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়েছে প্রশাসন। গণবিজ্ঞপ্তিতে সংশ্লিষ্ট সড়ক ও এলাকায় নিরাপত্তা-সংক্রান্ত সব ধরনের বিধিনিষেধ ও নির্দেশনা যথাযথভাবে মেনে চলার জন্য সর্বসাধারণকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

থানচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল ফয়সাল জানান, জনস্বার্থে উপজেলার পর্যটনকেন্দ্রগুলো খুলে দেওয়া হয়েছে। পর্যটকদের নিরাপত্তা ও সার্বিক বিষয় বিবেচনায় রেখে পর্যটনকেন্দ্রগুলো পরিচালনা করা হবে।

দীর্ঘদিন পর পর্যটনকেন্দ্রগুলো খুলে দেওয়ায় স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ী, গাইড, নৌকার মাঝি ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। পর্যটকদের আনাগোনা বাড়লে থানচি ও রুমার পর্যটননির্ভর অর্থনীতিও আরও চাঙা হবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।

এর আগে টানা কয়েকদিনের অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও বন্যা পরিস্থিতির কারণে পর্যটক এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে গত ৭ জুলাই থেকে তিন্দু-নাফাকুম পর্যটন রুট বন্ধ করে দিয়েছিল বান্দরবান জেলা প্রশাসন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

শাহজালালে ৩ লাখ টাকার বিদেশি মদ জব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০৫ পূর্বাহ্ণ
শাহজালালে ৩ লাখ টাকার বিদেশি মদ জব্দ

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভিযান চালিয়ে দুই যাত্রীর ব্যাগেজ থেকে ১৫ লিটার বিদেশি মদ জব্দ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের (সিআইআইডি) সি-শিফট। জব্দ করা মদের আনুমানিক বাজারমূল্য ৩ লাখ টাকা।

বুধবার (১২ আগস্ট) বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটের দিকে দিল্লি থেকে ঢাকায় আসা এয়ার ইন্ডিয়ার এআই২৩৭ ফ্লাইটের যাত্রীদের ওপর বিশেষ নজরদারি চালিয়ে এসব মদ জব্দ করা হয়।

সিআইআইডি সূত্র জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ফ্লাইটটির সন্দেহভাজন যাত্রীদের ব্যাগেজে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় প্রশান্ত লাল দাস নামে এক যাত্রীর ব্যাগ থেকে ১০ লিটার জনি ওয়াকার রেড লেবেল ব্র্যান্ডের বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়।

একই ফ্লাইটের অপর যাত্রী জাহাঙ্গীর আলমের ব্যাগেজ তল্লাশি করে স্কটিশ লিডার ও গ্র্যান্টস ব্র্যান্ডের আরও ৫ লিটার বিদেশি মদ পাওয়া যায়।

সিআইআইডি জানায়, দুই যাত্রীর ব্যাগেজ থেকে উদ্ধার করা বিদেশি মদের মোট পরিমাণ ১৫ লিটার। এসব মদের আনুমানিক বাজারমূল্য ৩ লাখ টাকা।

সংশ্লিষ্টরা জানান, বিমানবন্দরে যাত্রীদের ব্যাগেজের ওপর নিয়মিত নজরদারির পাশাপাশি গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রী ও ফ্লাইটে বিশেষ তল্লাশি চালানো হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় দিল্লি ফেরত ফ্লাইটটির দুই যাত্রীর ব্যাগেজে বিদেশি মদের সন্ধান পাওয়া যায়।

বিমানবন্দর দিয়ে অবৈধভাবে বিদেশি মদসহ বিভিন্ন পণ্য আনা এবং চোরাচালান প্রতিরোধে সিআইআইডির গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

সরকারের নতুন নির্দেশনা

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে দোকানপাট বন্ধের সময় এক ঘণ্টা কমল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ১১:২৭ অপরাহ্ণ
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে দোকানপাট বন্ধের সময় এক ঘণ্টা কমল

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে দেশের সব শপিংমল, মার্কেট ও দোকানপাট রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে সব ধরনের আলোকিত বিলবোর্ড বন্ধ এবং আলোকসজ্জা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১২ আগস্ট) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগের সমন্বয়-২ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয়।

নির্দেশনা অনুযায়ী, বুধবার থেকেই দেশের বিভিন্ন শপিংমল, মার্কেট ও দোকান সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। এর আগে গত ১১ জুন থেকে এসব প্রতিষ্ঠান রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা রাখার সিদ্ধান্ত কার্যকর ছিল।

সরকারি নির্দেশনায় বলা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন স্থানে চলমান ও অনুষ্ঠিতব্য মেলা, বাণিজ্য মেলা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও রাত ৮টার মধ্যে শেষ করতে হবে।

তবে খাবারের দোকান, হাসপাতাল ও ওষুধের দোকানসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো এ নির্দেশনার আওতামুক্ত থাকবে।

শপিংমল, মার্কেট ও দোকান রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ, সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে আলোকিত বিলবোর্ড বন্ধ এবং আলোকসজ্জা বন্ধ নিশ্চিত করতে সিটি করপোরেশনের মেয়র বা প্রশাসক, বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

এ ছাড়া নির্দেশনাটি মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, ডিপিডিসি, ডেসকোসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি ও ঢাকা দোকান মালিক সমিতিকেও সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি