খুঁজুন
                               
, ,
           

ব্ল্যাক কফির যত উপকার, কতটা পান করবেন জেনে নিন

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৫৩ পূর্বাহ্ণ
ব্ল্যাক কফির যত উপকার, কতটা পান করবেন জেনে নিন

সকালের শুরুতে এক কাপ কফি অনেকেরই প্রতিদিনের অভ্যাস। ঘুমঘুম ভাব কাটানো, কাজে মনোযোগ বাড়ানো কিংবা ব্যস্ত দিনের আগে সতেজ হতে কফির জনপ্রিয়তা দীর্ঘদিনের। তবে দুধ-চিনি মেশানো কফির তুলনায় চিনি ও দুধ ছাড়া ব্ল্যাক কফি তুলনামূলক কম ক্যালরির এবং স্বাস্থ্যকর বিকল্প হতে পারে।

ব্ল্যাক কফিতে ক্যাফেইনের পাশাপাশি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও বিভিন্ন উদ্ভিজ্জ যৌগ রয়েছে। এতে অল্প পরিমাণে ভিটামিন বি-২, বি-৩, বি-৫, ম্যাগনেশিয়াম ও পটাশিয়ামও পাওয়া যায়। বিভিন্ন গবেষণায় পরিমিত কফি পানের সঙ্গে শরীরের কয়েকটি সম্ভাব্য স্বাস্থ্য উপকারের সম্পর্ক পাওয়া গেছে।

তবে কফিকে কোনো রোগের চিকিৎসা বা জাদুকরী পানীয় হিসেবে দেখা ঠিক নয়। বরং পরিমিত পরিমাণে পান করা এবং অতিরিক্ত চিনি, সিরাপ ও ক্রিম এড়িয়ে চলাই গুরুত্বপূর্ণ।

মস্তিষ্কের জন্য উপকারী হতে পারে

কফির ক্যাফেইন মস্তিষ্ককে সাময়িকভাবে সতর্ক ও সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে। ফলে ঘুমঘুম ভাব কমার পাশাপাশি মনোযোগ ও কর্মক্ষমতা বাড়তে পারে।

বিভিন্ন পর্যবেক্ষণমূলক গবেষণায় নিয়মিত কফি পানের সঙ্গে পারকিনসন্সসহ কিছু স্নায়ুবিক রোগের তুলনামূলক কম ঝুঁকির সম্পর্ক পাওয়া গেছে। তবে ব্ল্যাক কফি খেলেই ডিমেনশিয়া বা আলঝেইমার্স থেকে মুক্তি পাওয়া যায়—এমন দাবি করার সুযোগ নেই।

ব্যায়ামের আগে কেন কফি জনপ্রিয়

ব্যায়ামের আগে অনেকেই এক কাপ ব্ল্যাক কফি পান করেন। এর প্রধান কারণ ক্যাফেইন। এটি শরীরকে সাময়িকভাবে সতর্ক ও সক্রিয় রাখার পাশাপাশি ব্যায়ামের সময় ক্লান্তি অনুভূত হতে কিছুটা দেরি করাতে পারে।

ক্যাফেইন অ্যাড্রেনালিনের মাত্রা বাড়াতে পারে, যার ফলে শারীরিক কর্মক্ষমতা ও সহনশীলতা কিছুটা বাড়তে পারে।

তবে শুধু ব্ল্যাক কফি খেলেই শরীরের অতিরিক্ত চর্বি দ্রুত গলে যাবে—এমন ধারণা ঠিক নয়। ওজন কমাতে সুষম খাবার, নিয়মিত ব্যায়াম এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ক্যালরি নিয়ন্ত্রণই মূল বিষয়।

লিভারের জন্য সম্ভাব্য উপকার

কফি নিয়ে গবেষণার গুরুত্বপূর্ণ একটি ক্ষেত্র হলো লিভারের স্বাস্থ্য। বিভিন্ন গবেষণায় নিয়মিত কফি পানের সঙ্গে ফ্যাটি লিভার, লিভার ফাইব্রোসিস, সিরোসিস ও লিভার ক্যানসারের তুলনামূলক কম ঝুঁকির সম্পর্ক পাওয়া গেছে।

কফিতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অন্যান্য উদ্ভিজ্জ যৌগ এ ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারে বলে ধারণা করা হয়। তবে লিভারের কোনো রোগ থাকলে শুধু কফির ওপর নির্ভর করা উচিত নয়।

হৃদ্‌স্বাস্থ্যের সঙ্গেও রয়েছে সম্পর্ক

পরিমিত কফি পানকারীদের মধ্যে হৃদ্‌রোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি তুলনামূলক কম থাকার সম্পর্ক বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে। কফির অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অন্যান্য সক্রিয় উপাদান এর পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে বলে ধারণা করা হয়।

তবে ক্যাফেইন কিছু মানুষের ক্ষেত্রে সাময়িকভাবে রক্তচাপ বাড়াতে পারে। তাই হৃদ্‌স্পন্দন বা রক্তচাপের সমস্যা থাকলে কফি পানের পরিমাণ নিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো।

টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমার সঙ্গে সম্পর্ক

বিভিন্ন গবেষণায় নিয়মিত কফি পান এবং টাইপ-২ ডায়াবেটিসের তুলনামূলক কম ঝুঁকির মধ্যে সম্পর্ক পাওয়া গেছে। কফিতে থাকা ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড ও পলিফেনলের মতো উপাদান এতে ভূমিকা রাখতে পারে বলে ধারণা করা হয়।

তবে কফির সঙ্গে অতিরিক্ত চিনি, মিষ্টি সিরাপ বা ক্রিম যোগ করলে এর ক্যালরি ও চিনির পরিমাণ বেড়ে যায়। তাই স্বাস্থ্যগত দিক বিবেচনায় চিনি ছাড়া কফি বেছে নেওয়া ভালো।

ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়?

কিছু গবেষণায় কফি পানকারীদের মধ্যে লিভার ও এন্ডোমেট্রিয়াল ক্যানসারের তুলনামূলক কম ঝুঁকির সম্পর্ক পাওয়া গেছে। তবে এসব গবেষণা মূলত সম্পর্ক নির্দেশ করে। তাই কফি ক্যানসার প্রতিরোধ করে বা ক্যানসারের চিকিৎসা হিসেবে কাজ করে—এমন দাবি করা ঠিক নয়।

দিনে কতটা কফি পান করবেন?

ক্যাফেইনের নিরাপদ মাত্রা ব্যক্তিভেদে আলাদা হতে পারে। সাধারণভাবে সুস্থ প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য দিনে প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ মিলিগ্রাম ক্যাফেইন একটি প্রচলিত সীমা হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে এক কাপ কফিতে কত ক্যাফেইন থাকবে, তা কফির ধরন ও তৈরির পদ্ধতির ওপর নির্ভর করে।

তাই সবার জন্য নির্দিষ্ট করে ‘প্রতিদিন চার কাপ’ কফি পান করার পরামর্শ দেওয়া যায় না। যে পরিমাণ কফি পান করলে ঘুমের সমস্যা, অস্থিরতা বা বুক ধড়ফড় শুরু হয়, তার চেয়ে কম পরিমাণে থাকা উচিত।

সবার জন্য ব্ল্যাক কফি উপযোগী নয়

অতিরিক্ত ক্যাফেইনে অস্থিরতা, উদ্বেগ, বুক ধড়ফড়, পেটের অস্বস্তি এবং ঘুমের সমস্যা হতে পারে। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর বা ঘুমানোর কয়েক ঘণ্টা আগে কফি পান করলে ঘুমের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

যারা নিয়মিত ওষুধ খান, হৃদ্‌স্পন্দন বা রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে কিংবা উদ্বেগ ও ঘুমের সমস্যায় ভুগছেন, তাদের কফি পানের পরিমাণ নিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো।

কীভাবে কফি পান করবেন?

কফির সম্ভাব্য স্বাস্থ্য উপকার পেতে চাইলে অতিরিক্ত চিনি, মিষ্টি সিরাপ ও ভারী ক্রিম এড়িয়ে চলা ভালো। চিনি ছাড়া ব্ল্যাক কফি তুলনামূলক কম ক্যালরির পানীয়।

তবে সুস্থ থাকার জন্য শুধু কফির ওপর নির্ভর করা যাবে না। পর্যাপ্ত ঘুম, সুষম খাবার, নিয়মিত ব্যায়াম এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনই সুস্বাস্থ্যের মূল ভিত্তি।

এক কাপ ব্ল্যাক কফি হয়তো আপনাকে সতেজ করতে পারে, কিন্তু সুস্থ থাকার আসল চাবিকাঠি হলো পরিমিতি ও সামগ্রিক স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন।

কালের আলো/এসএ

জন্মদিনে স্মরণীয় নায়ক জসিম, খলনায়ক থেকে যিনি হয়ে উঠেছিলেন অ্যাকশন কিংবদন্তি

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬, ১:২০ অপরাহ্ণ
জন্মদিনে স্মরণীয় নায়ক জসিম, খলনায়ক থেকে যিনি হয়ে উঠেছিলেন অ্যাকশন কিংবদন্তি

ঢাকাই সিনেমার অন্যতম সফল ও কালজয়ী নায়ক জসিমের জন্মদিন আজ। খলনায়ক থেকে নায়ক, মুক্তিযোদ্ধা থেকে প্রযোজক ও ফাইট পরিচালক—বহুমুখী প্রতিভার এই শিল্পী বাংলা চলচ্চিত্রে রেখে গেছেন অনন্য অবদান।

আশি ও নব্বইয়ের দশকে একের পর এক ব্যবসাসফল সিনেমা উপহার দিয়ে রুপালি পর্দায় নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেন জসিম। বিশেষ করে অ্যাকশনধারার সিনেমাকে জনপ্রিয় করে তোলার ক্ষেত্রে তার ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। দর্শকের কাছে তিনি মূলত নায়ক হিসেবে পরিচিত হলেও চলচ্চিত্রে তার অভিষেক হয়েছিল খলনায়ক হিসেবে।

নায়ক জসিমের আসল নাম আবুল খায়ের জসিম উদ্দিন। ১৯৫০ সালের ১৪ আগস্ট ঢাকার নবাবগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন তিনি।

চলচ্চিত্রে আসার আগে জসিম ছিলেন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে তিনি ২ নম্বর সেক্টরে মেজর হায়দারের অধীনে অংশ নেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর শুরু হয় তার চলচ্চিত্রজীবন।

১৯৭২ সালে ‘দেবর’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় তার। এরপর ১৯৭৭ সালে ‘দোস্ত দুশমন’ চলচ্চিত্রে খলনায়কের চরিত্রে অভিনয় করে ব্যাপক পরিচিতি পান।

খলনায়ক হিসেবে সাফল্যের পর ধীরে ধীরে নায়ক হিসেবেও নিজের জায়গা তৈরি করেন জসিম। **‘সবুজ সাথী’**সহ একাধিক সিনেমায় নায়ক চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকের ভালোবাসা অর্জন করেন তিনি।

৭০ ও ৮০-এর দশকে একের পর এক জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয় করে নিজেকে ঢালিউডের অন্যতম জনপ্রিয় অ্যাকশন তারকা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। তার অভিনয়ের পাশাপাশি অ্যাকশন দৃশ্যেও ছিল আলাদা আকর্ষণ।

অভিনয়ের বাইরে চলচ্চিত্রের অন্যান্য ক্ষেত্রেও কাজ করেছেন জসিম। তিনি ছিলেন প্রযোজক ও ফাইট পরিচালক। বাংলা সিনেমায় অ্যাকশনধারাকে জনপ্রিয় করে তুলতে তার অবদান বিশেষভাবে স্মরণ করা হয়।

অল্প সময়ের ক্যারিয়ারেই নিজের অভিনয়শৈলী ও অ্যাকশননির্ভর চরিত্রের মাধ্যমে দর্শকের মনে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছিলেন এই শিল্পী।

১৯৯৮ সালের ৮ অক্টোবর মাত্র ৪৮ বছর বয়সে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণে মারা যান জসিম। তার আকস্মিক মৃত্যু বাংলা চলচ্চিত্রের জন্য ছিল বড় ক্ষতি।

তার স্মৃতি ধরে রাখতে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (বিএফডিসি) একটি শুটিং ফ্লোরের নামকরণ করা হয়েছে ‘জসিম ফ্লোর’।

মুক্তিযোদ্ধা, অভিনেতা, প্রযোজক ও ফাইট পরিচালক—বহুমাত্রিক পরিচয়ের অধিকারী জসিম আজও বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে স্মরণীয় এক নাম। তার অভিনয় ও অ্যাকশননির্ভর সিনেমার স্মৃতি নতুন প্রজন্মের দর্শকদের কাছেও তাকে পরিচিত করে রেখেছে।

কালের আলো/এসএ

বাথরুম থেকে তারকার মরদেহ উদ্ধার

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬, ১:০৭ অপরাহ্ণ
বাথরুম থেকে তারকার মরদেহ উদ্ধার

যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় রিয়ালিটি শো ‘দ্য চ্যালেঞ্জ’-খ্যাত তারকা টাইলার ডাকওয়ার্থের মরদেহ তার নিজ বাসার বাথরুম থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৪৪ বছর।

বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে টাইলারের মা জনি ছেলের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন। তবে তার মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো জানা যায়নি।

গ্র্যান্ড ফর্কস পুলিশ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত মঙ্গলবার সকালে টাইলারের নিচতলার প্রতিবেশীরা তাদের সিলিং দিয়ে পানি পড়তে দেখেন। পরে পুলিশ টাইলারের বাসায় গিয়ে বাথরুম থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে।

প্রাথমিক তদন্তে তার মৃত্যুর পেছনে কোনো নাশকতা বা রহস্যজনক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে ময়নাতদন্ত ও টক্সিকোলজি রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছে পুলিশ।

আকস্মিক মৃত্যুর মাত্র দুই সপ্তাহ আগে মিনিয়াপলিসে অনুষ্ঠিত ‘দ্য চ্যালেঞ্জ ম্যানিয়া ইভেন্টে’ অংশ নিয়েছিলেন টাইলার। সেখানে সহকর্মীদের সঙ্গে তোলা ছবিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেছিলেন তিনি।

তার আকস্মিক মৃত্যুতে রিয়ালিটি শো অঙ্গন ও ভক্তদের মধ্যে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

২০০৬ সালে এমটিভির রিয়ালিটি শো ‘দ্য রিয়েল ওয়ার্ল্ড: কি ওয়েস্ট’-এর মাধ্যমে টেলিভিশন জগতে পরিচিতি পান টাইলার ডাকওয়ার্থ। সাঁতারু হিসেবেও তার পরিচিতি ছিল।

পরবর্তী সময়ে ‘দ্য চ্যালেঞ্জ’-এর একাধিক আসরে অংশ নিয়ে রিয়ালিটি শোপ্রেমীদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন তিনি। তবে শোবিজের বাইরেও তার আরেকটি পরিচয় ছিল—তিনি শিক্ষকতা পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

৪৪ বছর বয়সে টাইলারের আকস্মিক মৃত্যু তার সহকর্মী ও ভক্তদের জন্য গভীর শোকের সংবাদ হয়ে এসেছে। মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে ময়নাতদন্ত ও টক্সিকোলজি রিপোর্ট পাওয়ার পরই বিস্তারিত জানা যাবে।

কালের আলো/এসএ

একসময় মঞ্চ অভিনেতা ও নাট্যনির্দেশকও ছিলেন মির্জা ফখরুল

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৪৯ অপরাহ্ণ
একসময় মঞ্চ অভিনেতা ও নাট্যনির্দেশকও ছিলেন মির্জা ফখরুল

রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত হলেও মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জীবনে নাটক ও সংস্কৃতির সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিল। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি ঠাকুরগাঁওয়ের নাট্যচর্চার সঙ্গে যুক্ত হন। তাঁর নাটকের হাতেখড়ি হয় ফণী ভূষণ পালদের কাছে।

শুধু অভিনয় নয়, তিনি নাটক পরিচালনাও করেছেন। তাঁর অভিনয়জীবনের সবচেয়ে চমকপ্রদ তথ্য হলো—ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা রহমান (আবদুর রহমান) ও আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে একই মঞ্চে অভিনয় করার অভিজ্ঞতা তাঁর ছিল। রহমান আবার তাঁর মামাতো ভাই।

মির্জা ফখরুলের জীবনে শিক্ষকতা, সংস্কৃতি ও রাজনীতি—তিনটি ক্ষেত্রই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তবে কোনটি বেশি উপভোগ্য—এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি সংস্কৃতির জগতকেই বেছে নিয়েছিলেন।

অর্থাৎ, বিএনপির মহাসচিব ও রাজনীতিবিদ হিসেবে যে মির্জা ফখরুলকে মানুষ চেনে, তাঁর জীবনে একসময় মঞ্চের অভিনেতা ও নাট্যনির্দেশকের পরিচয়ও ছিল। সেই সাংস্কৃতিক অধ্যায় তাঁর রাজনৈতিক পরিচয়ের আড়ালে অনেকটাই অজানা থেকে গেছে।

রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত হলেও মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জীবনে নাটক ও সংস্কৃতির সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিল। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি ঠাকুরগাঁওয়ের নাট্যচর্চার সঙ্গে যুক্ত হন। তাঁর নাটকের হাতেখড়ি হয় ফণী ভূষণ পালদের কাছে।

শুধু অভিনয় নয়, তিনি নাটক পরিচালনাও করেছেন। তাঁর অভিনয়জীবনের সবচেয়ে চমকপ্রদ তথ্য হলো—ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা রহমান (আবদুর রহমান) ও আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে একই মঞ্চে অভিনয় করার অভিজ্ঞতা তাঁর ছিল। রহমান আবার তাঁর মামাতো ভাই।

মির্জা ফখরুলের জীবনে শিক্ষকতা, সংস্কৃতি ও রাজনীতি—তিনটি ক্ষেত্রই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তবে কোনটি বেশি উপভোগ্য—এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি সংস্কৃতির জগতকেই বেছে নিয়েছিলেন।

অর্থাৎ, বিএনপির মহাসচিব ও রাজনীতিবিদ হিসেবে যে মির্জা ফখরুলকে মানুষ চেনে, তাঁর জীবনে একসময় মঞ্চের অভিনেতা ও নাট্যনির্দেশকের পরিচয়ও ছিল। সেই সাংস্কৃতিক অধ্যায় তাঁর রাজনৈতিক পরিচয়ের আড়ালে অনেকটাই অজানা থেকে গেছে।

কালের আলো/এসএ