খুঁজুন
                               
, ,
           

জুলাই গণ–অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর টিকিটের দাম ও অনলাইনে বুকিংয়ের উপায়

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ২:৪৭ অপরাহ্ণ
জুলাই গণ–অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর টিকিটের দাম ও অনলাইনে বুকিংয়ের উপায়

ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে নির্মিত ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) থেকে সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হচ্ছে। মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী ও প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

কবে খুলছে এবং দর্শনার্থীদের জন্য সময়সূচি

বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল ৯টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এই জাদুঘর উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের দিনটি শুধুমাত্র জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে এবং সংবাদকর্মীদের জন্য বিশেষ সময় বরাদ্দ থাকবে। এরপর আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) থেকে সাধারণ দর্শনার্থীরা এটি পরিদর্শন করতে পারবেন। জাদুঘরটি প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।

টিকিটের মূল্য

জাদুঘরে প্রবেশের জন্য প্রাপ্তবয়স্কদের টিকিটের মূল্য ৫০ টাকা এবং শিশুদের জন্য ২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

টিকিট কাটার নিয়ম ও প্রবেশ প্রক্রিয়া

অতিরিক্ত ভিড় এড়াতে দর্শনার্থীদের অনলাইনে আবেদন করে টিকিট সংগ্রহ করতে হবে। প্রতিদিন নির্দিষ্টসংখ্যক দর্শনার্থীর জন্য সময়ভিত্তিক স্লট বরাদ্দ থাকবে। অনলাইন বুকিংয়ের মাধ্যমেই দর্শনার্থীরা তাদের প্রবেশের নির্দিষ্ট সময় বা স্লট জানতে পারবেন। কোনো নির্দিষ্ট দিনের স্লট পূর্ণ হয়ে গেলে পরবর্তী দিনের জন্য বুকিং নিতে হবে। টিকিট কাটা যাবে এই লিংকে।

কারা কারা যেতে পারবেন

উদ্বোধনের প্রথম দিন অর্থাৎ ৫ আগস্ট শুধুমাত্র শহীদ পরিবারের সদস্যরা জাদুঘরটি পরিদর্শন করতে পারবেন। এরপর ৬ আগস্ট থেকে অনলাইনে বুকিং সাপেক্ষে সাধারণ দর্শনার্থীসহ সবাই জাদুঘরে প্রবেশ করতে পারবেন।

এই জাদুঘরে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ঘটনাপ্রবাহ, গণমানুষের অংশগ্রহণ, আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়, বীরত্বগাথা এবং বিজয়ের ইতিহাস ও আত্মত্যাগের নানা স্মৃতিচিহ্ন দেখতে পাওয়া যাবে। একই সঙ্গে ঐতিহাসিক এসব বিষয় নিয়ে নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হবে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি

তারা নাকি ডিসেম্বরে দেশে আসবে, আসেন রাজপথে দেখা হবে: ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৪২ অপরাহ্ণ
তারা নাকি ডিসেম্বরে দেশে আসবে, আসেন রাজপথে দেখা হবে: ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রধান গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে পলাতক শেখ হাসিনা আগামী ডিসেম্বরে দেশে ফিরবেন বলে তাদের অ্যাক্টিভিস্টদের প্রচারণার জবাবে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, ‘তারা বলে ডিসেম্বর মাসে দেশে আসবে। আমরা অপেক্ষা করে আছি, দেশে আসেন।

ইনশাল্লাহ রাজপথে দেখা হবে।’

বুধবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত শহীদ পরিবার ও জুলাইযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

গণঅভ্যুত্থানে পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের কঠোর সমালোচনা করে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আমরা তো আওয়ামী লীগ হতে পারবো না, হতেও চাই না। তাদের দেখেন, কোনো অনুশোচনা নাই।

এত অন্যায়, অবিচার, খুন, গুম, মানি লন্ডারিং, হত্যা, নির্যাতন, আয়নাঘর—এতে তারা কোনো লজ্জাবোধ করে না! আবার বলে যে ডিসেম্বর মাসে দেশে আসবে। আমরা অপেক্ষা করে আছি, আসেন দেশে।

দেশে আসেন, দেখা হবে ইনশাল্লাহ রাজপথে। ২৭ বছর বয়সে মুক্তিযুদ্ধ করেছি, এখন ৮২ বছর বয়সে বাংলাদেশের জন্য আরেকটা যুদ্ধ করব।’

জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের এই সরকারের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো জুলাইতে যারা আত্মাহুতি দিয়েছে, সেইসব পরিবারের রক্ষণাবেক্ষণ করা। যারা আহত, চোখের দৃষ্টি হারিয়েছে, অঙ্গ হারিয়েছে, তাদের সুস্থ করে তোলা এই সরকারের পবিত্র দায়িত্ব। যারা জীবন দিয়ে গেছে ১৯৭১ সালেতারাও কিছু পায় নাই। আপনারাও হয়তো যা প্রাপ্য তা পাবেন না, কিন্তু এই সরকারের কাছ থেকে নিশ্চয়ই সম্মান পাবেন। গরিব দেশের যতটুকু সাধ্য আছে, সবকিছু উজাড় করে দেবো আপনাদের কল্যাণের জন্যে।’

গণতন্ত্র ও নির্বাচন প্রসঙ্গে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘৭১-এর জনযুদ্ধ ছিল গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার যুদ্ধ। একইভাবে জুলাইয়ের এই যুদ্ধও ছিল গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্যে। কাউকে কাউকে বলতে শুনেছি, আমরা কি নির্বাচনের জন্য জীবন বিসর্জন দিয়েছি নাকি? নির্বাচন তো গণতন্ত্রের অনুষঙ্গ।

এই দেশে যতদিন গণতন্ত্র থাকবে, সাধারণ মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকবে, ততদিনই আমাদের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন থাকবে। সুতরাং গণতন্ত্র কোনো হেলাফেলার জিনিস নয়।’

তিনি জাতীয় ঐক্যের ডাক দিয়ে বলেন, ‘আমাদের যাত্রাপথ সহজ নয়। মতের ভিন্নতা থাকবে, কিন্তু জাতীয় স্বার্থে, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আমাদের ঐক্য, সংযম ও প্রজ্ঞার পরিচয় দিতে হবে। সজাগ থাকতে হবে যাতে কোনো বিভাজন বা সংকীর্ণ স্বার্থ যেন আমাদের জাতীয় অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে না পারে।’

বিশৃঙ্খলায় ক্ষোভ প্রকাশ রাষ্ট্রপতি
অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত একটি ডকুমেন্টারিতে জুলাই অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ এবং বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ছবি না থাকার অভিযোগে হট্টগোল ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। এ প্রসঙ্গে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘ভুল তো মানুষ করেই। নিশ্চয়ই ডকুমেন্টারিতে অনেক ভুল আছে।

আবু সাঈদ এই বিপ্লবের প্রতিচ্ছবি, তার ছবি না থাকলে এটা কোনো ডকুমেন্টারি হলো না। সেখানে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ছবিও নাই। কিছু ভুল হয়েছে এবং এই ভুল মাননীয় মন্ত্রী জোড় হাতে স্বীকার করে বারংবার ক্ষমা চেয়েছেন। এরপর তো শান্ত হওয়া উচিত। জাতীয় অনুষ্ঠানে এটাকে পুষে রেখে সংসদের মতো ওয়াকআউট করা বাঞ্ছনীয় নয়।’

বিশৃঙ্খলা নিয়ে হতাশা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘আজ এই অনুষ্ঠানটি একটি জাতীয় অনুষ্ঠান। কিন্তু এখানে যে দৃশ্য দেখলাম, সেটি দেখে অত্যন্ত দুঃখিত, লজ্জিত এবং ব্যথিত হয়েছি। সকালে জাতীয় ঐক্য সহজেই প্রতিভাত হয়েছিল।

কিন্তু বিকেলের এই অনুষ্ঠানে যা দেখলাম, তা একেবারেই অনভিপ্রেত। এখানে বিদেশিরা বসা ছিলেন, আমি মনে মনে চিন্তা করছিলাম যে ইংরেজিতেই ভাষণ দেবো, বিদেশিরা দেখুক ১৬ বছর আমরা কীভাবে কাটিয়েছি। জাতীয় অনুষ্ঠানে এই ধরনের বিশৃঙ্খলা মোটেই কাম্য ছিল না। বিদেশিদের সামনে যে নাস্তানাবুদ হলাম, এটি আমাকে খুবই ব্যথিত করেছে।’

নেতা ও অনুসারীদের আচরণের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘আমি লক্ষ্য করেছি মাননীয় সংসদ সদস্য আখতার হোসেন তার অনুসারীদের প্রশমিত করার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু বাংলাদেশে নেতাকে তো সহজে অনুসারীরা মানে না।

প্রতি মুহূর্তেই তারা যে নেতার চেয়ে বড়, এটা প্রমাণের জন্য মুখিয়ে থাকে। সেই কারণেই এই ধরনের একটা অনুষ্ঠানের এই পরিণতি হলো। রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে কেউ ভুয়া ভুয়া বলে চিৎকার করে, এগুলো কি মানায়? কবে আমরা শিখবো?’

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটারদের বিরুদ্ধে তদন্ত, দুই বছরের নিষেধাজ্ঞার শঙ্কা

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৩৩ অপরাহ্ণ
পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটারদের বিরুদ্ধে তদন্ত, দুই বছরের নিষেধাজ্ঞার শঙ্কা

জাম্বিয়ায় অনুষ্ঠিত অননুমোদিত ‘এশিয়ান লিজেন্ডস লিগ’-এ অংশ নেওয়ায় পাকিস্তানের একঝাঁক সাবেক ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। আইসিসির নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে বোর্ড। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ক্রিকেটারদের দুই বছর পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে হতে পারে।

এক বিবৃতিতে পিসিবি জানায়, আইসিসির টুর্নামেন্ট অনুমোদন ও অনাপত্তিপত্র (এনওসি) সংক্রান্ত নীতিমালা অনুযায়ী এশিয়ান লিজেন্ডস লিগ অনুমোদিত কোনো প্রতিযোগিতা নয়। বোর্ডের দাবি, আয়োজক দেশ জাম্বিয়ার ক্রিকেট ইউনিয়নও (জেডসিইউ) এই ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগকে স্বীকৃতি দেয়নি।

পিসিবির অনুমতি ছাড়া এই টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ায় সংশ্লিষ্ট ক্রিকেটারদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। তারা দোষী প্রমাণিত হলে আগামী দুই বছর বিদেশি কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেলার জন্য এনওসি পাবেন না। একই সঙ্গে এই সময়ে পিসিবি বা পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) কোনো দলের কোচ, মেন্টর কিংবা পরামর্শক হিসেবে কাজ করার সুযোগও হারাতে পারেন।

বোর্ড আরও স্মরণ করিয়ে দিয়েছে, আইসিসির বিধান অনুযায়ী বিদেশি কোনো লিগে অংশ নেওয়ার আগে নিজ দেশের ক্রিকেট বোর্ডের কাছ থেকে অনাপত্তিপত্র নেওয়া বাধ্যতামূলক। এই নিয়ম লঙ্ঘনের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ক্রিকেটারদের পাশাপাশি বিষয়টি আইসিসির কাছেও উত্থাপিত হতে পারে।

ক্রিকেটভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ইএসপিএনক্রিকইনফো-র তথ্য অনুযায়ী, গত ৩০ জুলাই শুরু হওয়া ছয় দলের এই টুর্নামেন্টে ‘পাকিস্তান প্যান্থার্স’ দলের হয়ে খেলছেন পাকিস্তানের বেশ কয়েকজন সাবেক তারকা ক্রিকেটার। দলটির স্কোয়াডে রয়েছেন মোহাম্মদ হাফিজ, শোয়েব মালিক, কামরান আকমল, উমর আকমল, শারজিল খান, ইমরান নাজির, সাঈদ আজমল, সোহেল তানভীর, ইয়াসির শাহ, রাহাত আলী ও মোহাম্মদ ইরফানের মতো পরিচিত মুখ। তাদের মধ্যে কয়েকজন ইতোমধ্যে মাঠেও নেমেছেন।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এই লিগে ভারত, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তানের সাবেক ক্রিকেটাররাও অংশ নিয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে একমাত্র পিসিবিই বিষয়টিকে কেন্দ্র করে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করেছে এবং সংশ্লিষ্ট ক্রিকেটারদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে।

কালের আলো/এসএ

ইউভেন্তুসের আগ্রহও শেষ, অ্যাস্টন ভিলাতেই থাকতে হচ্ছে এমিলিয়ানো মার্তিনেজকে

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ৩:২৮ অপরাহ্ণ
ইউভেন্তুসের আগ্রহও শেষ, অ্যাস্টন ভিলাতেই থাকতে হচ্ছে এমিলিয়ানো মার্তিনেজকে

বিশ্বকাপজয়ী আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো ‘দিবু’ মার্তিনেজের ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা যেন থামছেই না। এক বছর আগে অ্যাস্টন ভিলা ছাড়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলেও প্রত্যাশিত কোনো প্রস্তাব না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত পুরোনো ক্লাবেই থেকে যেতে হয়েছিল তাকে।

সে সময় সৌদি প্রো লিগ, ইউরোপের শীর্ষ ক্লাব কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকার (এমএলএস)—কোথাও থেকেই মার্তিনেজের জন্য সন্তোষজনক কোনো প্রস্তাব আসেনি। ফলে অনিচ্ছা সত্ত্বেও অ্যাস্টন ভিলাতেই ক্যারিয়ার চালিয়ে যান তিনি।

এরপর মাঠের পারফরম্যান্স দিয়ে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দেন আর্জেন্টাইন এই গোলরক্ষক। ধারাবাহিক নৈপুণ্যে তিনি আবারও ইউরোপের বড় ক্লাবগুলোর নজরে আসবেন বলে ধারণা করেছিলেন অনেকেই।

তবে সেই সম্ভাবনায় নতুন করে ভাটা পড়েছে। ইতালির ঐতিহ্যবাহী ক্লাব ইউভেন্তুস মার্তিনেজকে দলে নেওয়ার আগ্রহ থেকে সরে এসেছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা গেছে। ফলে আপাতত তুরিনে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই তার।

সব মিলিয়ে, এক বছর আগে নতুন চ্যালেঞ্জের খোঁজে অ্যাস্টন ভিলা ছাড়তে চাওয়া মার্তিনেজ এখনও একই ক্লাবেই আছেন। নতুন মৌসুমেও তার ভবিষ্যৎ ভিলা পার্কেই থাকবে কি না, নাকি শেষ মুহূর্তে কোনো বড় ক্লাব প্রস্তাব নিয়ে এগিয়ে আসবে—সেটিই এখন দেখার বিষয়।

কালের আলো/এসএ