খুঁজুন
                               
, ,
           

প্রতিদিনের ব্যস্ততায় নিজের জন্য সময় বের করার সহজ কৌশল

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৫৪ পূর্বাহ্ণ
প্রতিদিনের ব্যস্ততায় নিজের জন্য সময় বের করার সহজ কৌশল

কাজ, পড়াশোনা, পরিবার, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম—সব মিলিয়ে দিনের বেশির ভাগ সময়ই কেটে যায় নানা ব্যস্ততায়। দিনের শেষে অনেকেরই মনে হয়, নিজের জন্য আলাদা করে একটুও সময় বের করা হলো না। অথচ মানসিক স্বস্তি ও দৈনন্দিন কাজে মনোযোগ ধরে রাখতে নিজের জন্য কিছুটা সময় রাখা গুরুত্বপূর্ণ। ব্যস্ততার মধ্যেও একটু পরিকল্পনা করলেই এই সময় বের করা সম্ভব।

দিনের শুরুতেই নিজের সময় ঠিক করুন

নিজের জন্য সময় বের করার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো সেটি আগে থেকেই নির্ধারণ করে রাখা। সকালে ঘুম থেকে উঠে ১৫ থেকে ২০ মিনিট শুধু নিজের জন্য রাখা যেতে পারে। এ সময় বই পড়া, গান শোনা, হাঁটা কিংবা চুপচাপ বসে থাকার মতো কাজ করা যায়।

অপ্রয়োজনীয় কাজের তালিকা ছোট করুন

দিনের সব কাজ সমান গুরুত্বপূর্ণ নয়। কোন কাজ এখনই করা জরুরি আর কোনটি পরে করলেও সমস্যা নেই—সেটি আলাদা করে নিন। অপ্রয়োজনীয় কাজ কমাতে পারলে দিনের মধ্যে বেশ কিছুটা সময় বেঁচে যায়।

ফোন থেকে দূরে থাকুন

অনেক সময় নিজের জন্য সময় বের করেও আমরা তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কাটিয়ে দিই। তাই নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ফোনের নোটিফিকেশন বন্ধ রাখা যেতে পারে। এতে মনোযোগ বাড়ে এবং অল্প সময়েও নিজের পছন্দের কাজ করা সম্ভব হয়।

ছোট বিরতিকেও কাজে লাগান

নিজের জন্য সময় মানেই এক ঘণ্টা বা তার বেশি সময় দরকার—এমন নয়। কাজের ফাঁকে ১০ মিনিটের বিরতিও কাজে লাগানো যায়। এক কাপ চা পান করা, একটু হাঁটা, পছন্দের গান শোনা বা চোখ বন্ধ করে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেওয়াও মানসিকভাবে সতেজ করতে পারে।

সপ্তাহে একটি ‘নিজের দিন’ রাখুন

সপ্তাহের কোনো একটি দিন বা দিনের নির্দিষ্ট কয়েক ঘণ্টা নিজের পছন্দের কাজের জন্য রাখা যেতে পারে। সে সময় ঘোরাঘুরি, সিনেমা দেখা, বই পড়া, রান্না করা কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানোর মতো কাজ করা যায়।

সব দায়িত্ব একা নেওয়ার চেষ্টা করবেন না

পরিবার বা কর্মক্ষেত্রে সব কাজ নিজের ওপর নেওয়ার অভ্যাস থাকলে নিজের জন্য সময় বের করা কঠিন হয়ে পড়ে। সম্ভব হলে কিছু দায়িত্ব অন্যদের সঙ্গে ভাগ করে নিন। এতে কাজের চাপ কমবে এবং নিজের জন্য সময় পাওয়া সহজ হবে।

ঘুমের সময়কে গুরুত্ব দিন

নিজের যত্নের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো পর্যাপ্ত বিশ্রাম। রাত জেগে অন্য কাজ শেষ করার বদলে ঘুমের জন্য নির্দিষ্ট সময় রাখা ভালো। ঘুমের আগে কিছুক্ষণ ফোন বা কাজ থেকে দূরে থাকলেও মন শান্ত হতে পারে।

নিজের জন্য সময় মানে অপরাধবোধ নয়

অনেকেই নিজের জন্য সময় কাটালে মনে করেন, গুরুত্বপূর্ণ কাজ বাদ যাচ্ছে। কিন্তু সবসময় কাজের মধ্যে থাকলে ক্লান্তি ও বিরক্তি বাড়তে পারে। তাই প্রতিদিন অল্প সময় নিজের পছন্দের কাজে ব্যয় করাকে সময়ের অপচয় না ভেবে দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজনীয় অংশ হিসেবে দেখা যেতে পারে।

দিনের ব্যস্ততা পুরোপুরি কমানো সম্ভব না হলেও কাজের অগ্রাধিকার ঠিক করা, অপ্রয়োজনীয় সময় নষ্ট কমানো এবং ছোট ছোট বিরতি কাজে লাগানোর মাধ্যমে নিজের জন্য কিছুটা সময় বের করা সম্ভব। বড় পরিবর্তনের জন্য দীর্ঘ সময়ের অপেক্ষা না করে প্রতিদিন ১০–২০ মিনিট দিয়েই শুরু করা যেতে পারে।

কালের আলো/এসএ

ক্যান্টনমেন্টের বাসা থেকে গ্রেপ্তার আখতারুজ্জামান, হ্যান্ডকাফ পরাতে বললেন নিজেই

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:২৩ অপরাহ্ণ
ক্যান্টনমেন্টের বাসা থেকে গ্রেপ্তার আখতারুজ্জামান, হ্যান্ডকাফ পরাতে বললেন নিজেই

ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট এলাকার নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তারের সময় গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সদস্যদের উদ্দেশে ‘ডিবি ভাই, হাতে হ্যান্ডকাফ পরান’ বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও জামায়াত নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটের দিকে ক্যান্টনমেন্টের বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ডিবি। পরে তাকে বিমানবন্দর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

গ্রেপ্তারের সময়ের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, লুঙ্গি ও পাঞ্জাবি পরা অবস্থায় ডিবি সদস্যদের সঙ্গে বাসা থেকে বের হয়ে গাড়িতে ওঠেন আখতারুজ্জামান। এ সময় তিনি পুলিশের সদস্যদের উদ্দেশে বিভিন্ন কথা বলেন। একপর্যায়ে তিনি বলেন, ‘ও ভাই, ডিবি ভাই, হাতে হ্যান্ডকাফ পরান।’ একই সঙ্গে দুই হাত উঁচু করে মুষ্টিবদ্ধ অবস্থায় হ্যান্ডকাফ পরানোর ইশারা করেন।

বর্তমানে আখতারুজ্জামান বিমানবন্দর থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) উত্তরা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) রেজাউল করিম জানান, বিমানবন্দর থানায় করা একটি মামলায় আখতারুজ্জামানকে আসামি করা হয়েছে। আগামীকাল শনিবার তাকে আদালতে পাঠানো হবে। এ জন্য ফরওয়ার্ডিং প্রস্তুত করা হচ্ছে। তাকে রিমান্ডে নেওয়া হবে কি না, সে বিষয়েও প্রক্রিয়া চলছে।

এর আগে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালককে (ইডি) হুমকি এবং নিরাপত্তা সুপারভাইজারকে মারধরের অভিযোগে বিমানবন্দর থানায় মামলা করা হয়। মামলা হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে ডিবি।

ডিবির প্রধান শফিকুল ইসলাম বাংলানিউজকে বলেন, অবসরপ্রাপ্ত মেজর আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তারের পর বিমানবন্দর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ, না ফেরার দেশে সাংবাদিক তৌফিক খালিদী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১৪ অপরাহ্ণ
মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ, না ফেরার দেশে সাংবাদিক তৌফিক খালিদী

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক, বিশিষ্ট সাংবাদিক তৌফিক ইমরোজ খালিদী আর নেই। শুক্রবার (২ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যার দিকে লন্ডনের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা গেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

তার বয়স হয়েছিল ৫৯ বছর।

মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের কারণে বৃহস্পতিবার রাতে তৌফিক ইমরোজ খালিদীকে লন্ডনের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ২৩ মিনিটে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী দেশের সাংবাদিকতা অঙ্গনের পরিচিত মুখ ছিলেন। তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

তার মৃত্যুতে দেশের সাংবাদিকতা অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সহকর্মী, সাংবাদিক, বিভিন্ন সামাজিক ও পেশাজীবী মহলের অনেকে তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন।

তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতিও শোক জানিয়েছেন।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

এলজিআরডি মন্ত্রীর ভাবনায়—শান্তির শক্তি, সংস্কৃতির সেতুবন্ধন

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:০৯ অপরাহ্ণ
এলজিআরডি মন্ত্রীর ভাবনায়—শান্তির শক্তি, সংস্কৃতির সেতুবন্ধন

পারমাণবিক বোমা ধ্বংস করতে পারে একটি শহর, যুদ্ধ বদলে দিতে পারে একটি ভূখণ্ডের মানচিত্র। কিন্তু মানুষের ভেতরের ভয়, অবিশ্বাস ও বিভাজন মুছে দিয়ে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষমতা অস্ত্রের নেই। সেই জায়গা থেকেই স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের বার্তা—‘পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র হচ্ছে শান্তি।’ তাঁর মতে, শান্তিতে বিনিয়োগ এবং শিল্প-সংস্কৃতির বিকাশের মধ্য দিয়েই সংঘাত থেকে বেরিয়ে টেকসই উন্নয়ন ও সুন্দর সমাজের পথে এগোনো সম্ভব।

শুক্রবার (০২ অক্টোবর) রাজধানীর জাতীয় নাট্যশালা, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে লাল সবুজ সাংস্কৃতিক একাডেমি আয়োজিত বিশ্ব শান্তি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে ‘গ্ল্যামার এক্সেলেন্স অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

  • শিল্প-সংস্কৃতির কোনো ভৌগোলিক সীমারেখা নেই
  • শান্তিতে বিনিয়োগ এবং শিল্প-সংস্কৃতির প্রসারে জোর
  • বাংলাদেশে সম্প্রীতির সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্ব

ধ্বংস নয়, শান্তিই প্রকৃত শক্তি

নিউক্লিয়ার ফিজিক্সের ছাত্র হিসেবে পারমাণবিক অস্ত্র সম্পর্কে পড়াশোনার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, পারমাণবিক বোমাকে পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্রগুলোর একটি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কিন্তু তিনি মনে করেন, ‘বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র হলো শান্তি।’ বক্তব্যটির তাৎপর্য কেবল যুদ্ধবিরোধী আহ্বানে সীমাবদ্ধ নয়। মন্ত্রীর বক্তব্যে শান্তিকে উন্নয়ন ও সামাজিক স্থিতিশীলতার পূর্বশর্ত হিসেবে দেখার দৃষ্টিভঙ্গিও উঠে আসে। তাঁর মতে, সংঘাতের পেছনে সম্পদ ব্যয়ের পরিবর্তে শান্তিতে বিনিয়োগ করা গেলে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের অস্থিরতা ও যুদ্ধ থেকে উত্তরণের পথ তৈরি হতে পারে।

সংস্কৃতি যেখানে সীমান্ত মানে না

শান্তির এই বিনিয়োগে শিল্প-সংস্কৃতিকে অন্যতম শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে দেখছেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘শিল্প-সংস্কৃতির কোনো ভৌগোলিক সীমারেখা নেই।’ ভাষা না বুঝেও মানুষ সংগীত, চিত্রকলা, নৃত্যসহ শিল্পের নানা মাধ্যমে অন্য মানুষের অনুভূতির সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। এই সর্বজনীনতাই সংস্কৃতিকে সম্প্রীতির শক্তিতে পরিণত করে। ভিন্ন ভাষা, পরিচয় ও ভূগোলের মানুষের মধ্যে যোগাযোগের সেতু তৈরি করে শিল্প। ফলে সংস্কৃতিচর্চা শুধু বিনোদনের বিষয় নয়; সামাজিক দূরত্ব কমানো, পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়ানো এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান তৈরিরও কার্যকর মাধ্যম।

বাংলার সংস্কৃতিতেই সম্প্রীতির শক্তি

বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রসঙ্গ টেনে মন্ত্রী প্রয়াত শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শিল্প-সংস্কৃতির প্রতি অনুরাগের কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, শিল্পকলা একাডেমির প্রাঙ্গণে গ্রামবাংলার ভাটিয়ালি, বাউলসহ বিভিন্ন লোকসংগীতের শিল্পীদের আমন্ত্রণ জানিয়ে তাঁদের গান শুনতেন জিয়াউর রহমান। ড. আবদুল মঈন খান জানান, পরে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকার সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সহযোগিতায় শিল্পকলা একাডেমির অডিটোরিয়াম ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণে আট কোটি টাকা অনুদানের ব্যবস্থা করার সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। এ সময় জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানান মন্ত্রী।

এক দিনের নয়, প্রতিদিনের শান্তি

জাতিসংঘের উদ্যোগে প্রতি বছর ২১ সেপ্টেম্বর বিশ্ব শান্তি দিবস পালনের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, শান্তির পক্ষে কাজ শুধু একটি দিবসের কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধ রাখা উচিত নয়। বছরের প্রতিটি দিন শান্তির পক্ষে কাজ করতে হবে। এখানেই তাঁর বক্তব্যের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক—শান্তিকে আনুষ্ঠানিকতার বাইরে নিয়ে সামাজিক ও উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ করা। কারণ সংঘাত ও অস্থিরতার পরিবেশে উন্নয়নের সুফল টেকসই হয় না। বিপরীতে শান্তিপূর্ণ সমাজ মানুষের নিরাপত্তা, সামাজিক সংহতি ও দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের ভিত্তি শক্ত করে।

শান্তির অবকাঠামো গড়তে সংস্কৃতির প্রসার

বাংলাদেশে শান্তি ও সম্প্রীতির সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বিশ্বে একটি সুন্দর ও ভারসাম্যপূর্ণ সমাজ গড়ার উদাহরণ তৈরি করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেন ড. আবদুল মঈন খান। এ জন্য শিল্প-সংস্কৃতির চর্চা ও প্রসারে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির ভাইস চেয়ারম্যান মো. আরফাতুর রহমান আপেল। শিল্পী, সংস্কৃতিকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএএএমকে