খুঁজুন
                               
, ,
           

সুন্দরবনে ফিরছে প্রাণচাঞ্চল্য, মঙ্গলবার উঠছে নিষেধাজ্ঞা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৫৫ অপরাহ্ণ
সুন্দরবনে ফিরছে প্রাণচাঞ্চল্য, মঙ্গলবার উঠছে নিষেধাজ্ঞা

টানা তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে আগামী মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) পর্যটক, বনজীবী ও মৎস্যজীবীদের জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন। এদিন থেকে বনে প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হলে আবারও শুরু হবে পর্যটন কার্যক্রম ও মাছ আহরণ।

সুন্দরবন খোলার খবরে ইতোমধ্যে ব্যস্ততা বেড়েছে পর্যটনসংশ্লিষ্টদের মধ্যে। পর্যটক বরণে প্রস্তুতি নিচ্ছেন ট্যুর অপারেটর, লঞ্চ ও বোটচালকরা। একই সঙ্গে সুন্দরবনের আশপাশের ইকো কটেজগুলোও নতুন মৌসুমের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।

তিন মাস পর্যটন কার্যক্রম বন্ধ থাকায় সুন্দরবনকেন্দ্রিক পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত জাহাজ মালিক, গাইড, মাঝি ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে আবারও কর্মচাঞ্চল্য ফিরেছে। কয়েকটি পর্যটন জাহাজ এরই মধ্যে তিন দিন দুই রাতের সুন্দরবন সাফারি পরিচালনার প্রস্তুতি নিয়েছে।

তবে বনে প্রবেশের সুযোগ ফিরে এলেও বনজীবীদের মধ্যে রয়েছে দস্যু আতঙ্ক। তাদের অভিযোগ, সুন্দরবনে প্রবেশের পর বিভিন্ন দস্যু দলের চাঁদা বা বখরার দাবির মুখে পড়তে হয়।

বন বিভাগ জানিয়েছে, সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য ও মৎস্যসম্পদের প্রজনন নির্বিঘ্ন রাখতে প্রতিবছর জুন, জুলাই ও আগস্ট—এই তিন মাস পর্যটক ও বনজীবীদের প্রবেশ বন্ধ রাখা হয়। এ সময় বন বিভাগ, কোস্ট গার্ড ও নৌ পুলিশ যৌথভাবে নজরদারি চালায়।

২০১৯ সাল থেকে সুন্দরবনের মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সমন্বিত সম্পদ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনার (আইআরএমপি) সুপারিশ অনুযায়ী প্রতিবছর তিন মাস বনের সব নদী ও খালে মাছ আহরণ বন্ধ রাখা হচ্ছে। একই সময়ে পর্যটকদের প্রবেশও নিষিদ্ধ থাকে।

সংশ্লিষ্টদের আশা, আবহাওয়া ও নদীপথের পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে ২০২৬-২৭ সালের সুন্দরবন পর্যটন মৌসুমটি পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যবসা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য ভালো যাবে। পাশাপাশি সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ রক্ষায় পর্যটকসহ সংশ্লিষ্ট সবাই দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখবেন—এমন প্রত্যাশাও রয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

এশিয়ার নোবেলখ্যাত ম্যাগসাইসাই পুরস্কার পেলেন রুনা খান

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৫১ অপরাহ্ণ
এশিয়ার নোবেলখ্যাত ম্যাগসাইসাই পুরস্কার পেলেন রুনা খান

সমাজসেবায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০২৬ সালের মর্যাদাপূর্ণ র‍্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার পেয়েছেন বাংলাদেশের বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ফ্রেন্ডশিপের প্রতিষ্ঠাতা রুনা খান। এ পুরস্কারকে এশিয়ার নোবেলখ্যাত সম্মান হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

সোমবার (৩১ আগস্ট) ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় র‍্যামন ম্যাগসাইসাই অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশন ২০২৬ সালের পুরস্কারজয়ীদের নাম ঘোষণা করে।

রুনা খানের সঙ্গে এ বছর আরও দুজন এই সম্মান পেয়েছেন। তারা হলেন সিঙ্গাপুরের কূটনীতিক, আইনজীবী, অধ্যাপক ও লেখক টমি কোহ এবং মিয়ানমারের মানবাধিকারকর্মী বো চি।

র‍্যামন ম্যাগসাইসাই ফিলিপাইনের সপ্তম প্রেসিডেন্ট ছিলেন। তাঁর নেতৃত্ব, মানবসেবা ও জনকল্যাণের মূল্যবোধকে স্মরণ করে তাঁর নামে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। ১৯৫৭ সালে তাঁর মৃত্যুর পর একই বছর র‍্যামন ম্যাগসাইসাই অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৫৮ সাল থেকে এ পুরস্কার দেওয়া শুরু হয়।

প্রতিবছর ৩১ আগস্ট ম্যাগসাইসাইয়ের জন্মদিনে ম্যানিলা থেকে পুরস্কারজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। এ বছর তাঁর ১১৯তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ২০২৬ সালের বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

পুরস্কার ঘোষণার মধ্য দিয়ে ৬৮তম র‍্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার উৎসবের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়েছে। আগামী ১৫ নভেম্বর ম্যানিলার মেট্রোপলিটন থিয়েটারে বিজয়ীদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মাননা তুলে দেওয়া হবে।

ফাউন্ডেশনের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের পুরস্কারজয়ীদের এমন কাজের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে, যা মানুষের সেবা, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের জন্য সুযোগ সৃষ্টি এবং মানুষকে নিজেদের ভবিষ্যৎ নিজেরা গড়ে তুলতে সহায়তার মতো মূল্যবোধকে ধারণ করে।

উল্লেখ্য, রুনা খান ২০০২ সালে ফ্রেন্ডশিপ প্রতিষ্ঠা করেন। দীর্ঘ দুই দশকের বেশি সময় ধরে সংস্থাটি দুর্গম ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে আসছে। দারিদ্র্য, বৈষম্য, পরিবেশগত সংকট ও সামাজিক অবিচারের মতো নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন কর্মসূচি পরিচালনা করছে।

রুনা খানের এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি বাংলাদেশের সমাজসেবা ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

কালের আলো/এমএসআইপি

পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদারে তিতুমীরের সঙ্গে দিনেশ ত্রিবেদীর বৈঠক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৩৯ অপরাহ্ণ
পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদারে তিতুমীরের সঙ্গে দিনেশ ত্রিবেদীর বৈঠক

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরের সঙ্গে বৈঠক করেছেন হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী।

সোমবার (৩১ আগস্ট) অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে দুই পক্ষ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

বৈঠকে দুই দেশের জনগণের মধ্যে সহযোগিতা ও পারস্পরিক সম্পর্ক আরও জোরদারের উপায় নিয়ে মতবিনিময় হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা করেন তারা।

এ সময় বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। দুই দেশের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রয়োজনীয়তার কথাও উঠে আসে বৈঠকে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

পপির বক্তব্য ঘিরে বাপ্পারাজের মন্তব্য, চলচ্চিত্র অঙ্গনে নতুন আলোচনা

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৩৫ অপরাহ্ণ
পপির বক্তব্য ঘিরে বাপ্পারাজের মন্তব্য, চলচ্চিত্র অঙ্গনে নতুন আলোচনা

দীর্ঘদিন ধরে অভিনয় থেকে দূরে রয়েছেন চিত্রনায়িকা সাদিকা পারভীন পপি। সংসার ও ব্যক্তিজীবন নিয়ে ব্যস্ত এই অভিনেত্রীকে নতুন কোনো সিনেমায় দেখা না গেলেও তার পুরোনো বক্তব্য মাঝেমধ্যেই নতুন করে আলোচনায় আসে। এবার পপির এমনই একটি বক্তব্যের সূত্র ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্য করেছেন অভিনেতা বাপ্পারাজ।

পপির আবেগঘন বক্তব্যের পর বাপ্পারাজ লিখেছেন, ‘যখন ইনকাম করা হয়, তখন পাপ মনে হয় না। বেকার হয়ে গেলেই মনে হয় আগে পাপ করেছি। ইবাদত সবসময়ের জন্যই, বেকারদের জন্য না।’

যদিও বাপ্পারাজ তার পোস্টে পপির নাম উল্লেখ করেননি, তবুও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই তার মন্তব্যকে পপির বক্তব্যের সঙ্গে মিলিয়ে দেখছেন। এ নিয়ে চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্টদের মধ্যেও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

এর আগে এক ভিডিও বার্তায় নিজের অভিনয়জীবন ও বর্তমান জীবন নিয়ে কথা বলেন পপি। সেখানে তিনি জানান, সবকিছু থেকে দূরে গিয়ে জীবনের বাকি সময়টা শান্তিতে কাটাতে চান।

পপি বলেন, ‘আমি সব কিছু থেকে দূরে চলে গেছি। মানুষ কত দিনই বাঁচে! যে কয়দিন বাঁচি, সুন্দরভাবে বাঁচতে চাই। একটু ভালো থাকতে চাই। একটু ভালো খেতে চাই, আল্লাহ-খোদার নাম নিতে চাই।’

অভিনয়জীবনের অতীত নিয়েও আবেগ প্রকাশ করেন তিনি। পরিবারের প্রয়োজনেই অভিনয়ে আসতে হয়েছিল উল্লেখ করে পপি জানান, কাজ করতে গিয়ে অনেক গালি শুনেছেন এবং নিজের ভাষায় ‘পাপ’ও কামিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘পরিবারের কারণে কাজ করতে গিয়ে মানুষের যতটা গালি খেয়েছি, যতটা পাপ কামিয়েছি সবকিছু মুছে সুন্দরভাবে মরতে চাই। এটা যদি আমার জন্য অপরাধ হয়ে থাকে, তবে আমি অপরাধী।’

পর্দা থেকে পপির দীর্ঘ অনুপস্থিতির পাশাপাশি তার ব্যক্তিজীবন নিয়েও বিভিন্ন সময়ে আলোচনা হয়েছে। একপর্যায়ে তার বিয়ে, সংসার এবং সন্তানের মা হওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসে। তবে অভিনয়ে ফেরার বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেননি তিনি।

পপির চলচ্চিত্র ক্যারিয়ার অবশ্য একসময় বেশ উজ্জ্বল ছিল। ১৯৯৭ সালে সোহানুর রহমান সোহানের ‘আমার ঘর আমার বেহেশত’ সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে চলচ্চিত্রে পা রাখেন তিনি। তার প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘কুলি’, যেখানে তার বিপরীতে অভিনয় করেন ওমর সানী।

এরপর একাধিক ব্যবসাসফল ও আলোচিত সিনেমায় অভিনয় করে ঢাকাই চলচ্চিত্রে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেন পপি। অভিনয়ের স্বীকৃতি হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ বিভিন্ন সম্মাননাও পেয়েছেন তিনি।

বর্তমানে চলচ্চিত্র থেকে দূরে থাকা পপির পুরোনো বক্তব্য এবং সেটিকে ঘিরে বাপ্পারাজের মন্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

কালের আলো/এসএ