খুঁজুন
                               
, ,
           

তিব্বতে বন্যার পর চীনের ডিজিটাল ক্র্যাকডাউন, মুছে ফেলা হলো ধ্বংসের ভিডিও

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:১৯ পূর্বাহ্ণ
তিব্বতে বন্যার পর চীনের ডিজিটাল ক্র্যাকডাউন, মুছে ফেলা হলো ধ্বংসের ভিডিও

চীন-নেপাল সীমান্তে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও কাদাধসে ব্যাপক প্রাণহানির পর তিব্বতে তথ্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারণ করা বন্যার কাঁচা ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে সরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি সরকারি উদ্ধার তৎপরতার খবর দিয়ে অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলো ভরিয়ে তোলা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

গত ২৬ আগস্ট সীমান্তবর্তী এলাকায় ভয়াবহ কাদাধস ও পানির স্রোতে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ হয়। নেপালে এর প্রভাবে শত শত মানুষ নিহত এবং হাজারো মানুষ নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া যায়। তিব্বতের গিরং বন্দরের গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত স্থাপনাও পানির স্রোত ও ধ্বংসাবশেষে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

চীনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম উইচ্যাটে স্থানীয় এক ব্লগার গিরং বন্দরের ধ্বংসের একটি ভিডিওসহ ঘটনার বর্ণনা প্রকাশ করেছিলেন। সেখানে আতঙ্কিত মানুষ, এমনকি শিশুদেরও প্রবল স্রোত থেকে পালাতে দেখা যায়। তবে প্রকাশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ওই পোস্ট ও ভিডিও সরিয়ে ফেলা হয়।

চীনভিত্তিক সেন্সরশিপ পর্যবেক্ষক সংগঠন চায়না ডিজিটাল টাইমসের মতে, ভিডিওটি ব্যক্তিগত বার্তার মাধ্যমেও শেয়ার করা যাচ্ছিল না। বিশ্লেষকদের ধারণা, চীনের অনলাইন নজরদারি এখন শুধু লেখা বা নির্দিষ্ট শব্দ শনাক্ত করার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; ভিডিও ফিঙ্গারপ্রিন্টিং, ইমেজ হ্যাশিং ও মেশিন-লার্নিং প্রযুক্তির মাধ্যমে নির্দিষ্ট দৃশ্যও শনাক্ত করে আটকে দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে চীনা প্ল্যাটফর্মগুলোতে বিপর্যয়ের স্বাধীন ও প্রত্যক্ষ ভিডিওর পরিবর্তে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন, উদ্ধার তৎপরতার ছবি, মানচিত্র ও ড্রোন ফুটেজ বেশি দেখা যাচ্ছে। ফলে সরকারি বয়ানই অনলাইনে প্রাধান্য পাচ্ছে বলে বিশ্লেষকদের দাবি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম উইবুতেও বন্যা নিয়ে আলোচনার দিক পরিবর্তন করে দ্রুত সরকারি উদ্ধার কার্যক্রমকে সামনে আনা হয়। প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের নির্দেশনা এবং প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াংয়ের ঘটনাস্থলে যাওয়ার খবর ব্যাপকভাবে প্রচার করা হয়।

সমালোচকদের মতে, এভাবে তথ্যের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে দুর্যোগের প্রকৃত মাত্রা ও সরকারের সম্ভাব্য ব্যর্থতা নিয়ে জনমত গড়ে ওঠা ঠেকানো হচ্ছে।

কালের আলো/এসএ

 

অশ্রু, ব্যর্থতা পেরিয়ে বিশ্বজয়-আর্জেন্টিনার হয়ে মেসির মহাকাব্যিক বিদায়

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:২২ পূর্বাহ্ণ
অশ্রু, ব্যর্থতা পেরিয়ে বিশ্বজয়-আর্জেন্টিনার হয়ে মেসির মহাকাব্যিক বিদায়

আর্জেন্টিনার জার্সিতে লিওনেল মেসির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার কখনোই সহজ কোনো গল্প ছিল না। বছরের পর বছর তার পরিচয় ছিল শুধু অর্জনে নয়, বরং বড় মঞ্চে বারবার ব্যর্থতার সঙ্গেও।

ক্লাব ফুটবলে Lionel Messi প্রায় সবকিছুই জিতেছেন। বার্সেলোনার হয়ে একের পর এক শিরোপা জিতে তিনি আক্রমণভাগের একজন খেলোয়াড়ের পক্ষে সম্ভব এমন সাফল্যের সীমাই বদলে দিয়েছেন। কিন্তু আর্জেন্টিনার হয়ে দীর্ঘ সময় তার গল্প ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন।

ডিয়েগো ম্যারাডোনার সঙ্গে তুলনা এবং বিশ্বকাপ না জেতার আক্ষেপ তাকে ঘিরে থাকা বিতর্কের সবচেয়ে বড় অস্ত্র ছিল। অবশেষে ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপে সেই আক্ষেপ ঘুচে যায়।

৩৫ বছর বয়সে মেসি আর্জেন্টিনাকে ১৯৮৬ সালের পর প্রথম বিশ্বকাপ এনে দেন। ফাইনালে ফ্রান্সের বিপক্ষে তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্স শুধু একটি ট্রফিই এনে দেয়নি, বরং সর্বকালের সেরা ফুটবলার হিসেবে তার দাবির শেষ বড় প্রশ্নটিরও উত্তর দিয়েছে।

তবে সেই বিশ্বজয়ের পথ ছিল দীর্ঘ হতাশায় ভরা। ২০১৪ বিশ্বকাপের ফাইনালে জার্মানির কাছে হার, এরপর ২০১৫ ও ২০১৬ কোপা আমেরিকার ফাইনালে চিলির কাছে পরাজয়—টানা তিনটি বড় ফাইনাল হারের পর মেসি আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছিলেন। কয়েক মাস পর অবশ্য সিদ্ধান্ত বদলে ফিরে আসেন।

পরিস্থিতির পরিবর্তন আসে লিওনেল স্কালোনির অধীনে। তিনি এমন একটি দল তৈরি করেন, যেখানে মেসিকে প্রতিটি দায়িত্ব একা বহন করতে হয়নি। আর্জেন্টিনা হয়ে ওঠে আরও ভারসাম্যপূর্ণ, আক্রমণাত্মক ও ঐক্যবদ্ধ।

এর ফলও আসে দ্রুত। ২০২১ সালে ব্রাজিলকে হারিয়ে কোপা আমেরিকা জেতে আর্জেন্টিনা। এরপর ২০২২ সালে ইতালিকে হারিয়ে জেতে ফিনালিসিমা। এই সাফল্যগুলো শুধু দীর্ঘ শিরোপাখরা কাটায়নি, দলের মানসিকতাতেও বড় পরিবর্তন এনেছিল।

কাতার বিশ্বকাপে মেসি করেন ৭ গোল ও ৩ অ্যাসিস্ট। পরিসংখ্যানের বাইরেও ম্যাচের গতি নিয়ন্ত্রণ, সুযোগ তৈরি এবং গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত নেওয়ার মাধ্যমে তিনি ছিলেন আর্জেন্টিনার মূল চালিকাশক্তি।

২০২৪ সালে আরও একটি কোপা আমেরিকা জেতেন মেসি। এরপর ২০২৬ বিশ্বকাপেও আর্জেন্টিনার আক্রমণের কেন্দ্রবিন্দু ছিলেন তিনি। ৩৯ বছর বয়সে ৮ গোল ও ৪ অ্যাসিস্ট করে দলকে আবারও বিশ্বকাপের ফাইনালে তোলেন।

তবে ২০ জুলাই স্পেনের কাছে ফাইনালে হারের মধ্য দিয়ে তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচটি আরেকটি হতাশায় শেষ হয়। বিশ্বজয়ী হিসেবে বিদায় নিলেও শেষ ম্যাচে আরেকটি ট্রফি যোগ করতে পারেননি তিনি।

এর কিছুদিন পর মেসির বাবা ও এজেন্ট হোর্হে মেসির মৃত্যু তার জীবনে গভীর শোকের ছায়া ফেলে। বিশ্বকাপ চলাকালেও কয়েকটি ম্যাচের পর মেসিকে কাঁদতে দেখা গিয়েছিল। পরে তিনি আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ইঙ্গিত দিতে থাকেন এবং শেষ পর্যন্ত তিন পৃষ্ঠার এক চিঠিতে সিদ্ধান্তটি নিশ্চিত করেন।

২০০৫ সালে আর্জেন্টিনার হয়ে অভিষেক হয়েছিল তার। প্রায় দুই দশকের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে মেসি দেখেছেন দুই বিপরীত চিত্র—টানা তিন ফাইনালের পরাজয়, আবার বিশ্বকাপ, দুটি কোপা আমেরিকা ও একটি ফিনালিসিমা জয়।

১৩ বছর বয়সে বার্সেলোনায় পাড়ি দেওয়ার পর স্পেনের হয়ে খেলার সুযোগ থাকলেও মেসি বেছে নিয়েছিলেন আর্জেন্টিনাকে। সেই সিদ্ধান্ত তাকে বছরের পর বছর সমালোচনার মুখে ফেললেও শেষ পর্যন্ত সেটিই তার আন্তর্জাতিক উত্তরাধিকারকে আরও বিশেষ করে তুলেছে।

অবসরের ঘোষণা দিয়ে মেসি লিখেছিলেন, ‘ঈশ্বরকে ধন্যবাদ, আমাকে আর্জেন্টাইন বানানোর জন্য। যাও আর্জেন্টিনা!’

ক্লাব ফুটবলে ইন্টার মায়ামির হয়ে হয়তো তাকে আরও দেখা যাবে। কিন্তু আর্জেন্টিনার জার্সিতে তার অধ্যায় এখন শেষ।

মেসির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হয়তো এটাই—মহত্ত্ব শুধু অবিচ্ছিন্ন সাফল্যে তৈরি হয় না। ব্যর্থতা, হতাশা, সমালোচনা আর বারবার ফিরে আসার মধ্য দিয়েও একজন কিংবদন্তির জন্ম হতে পারে। প্রায় দুই দশক একটি জাতির প্রত্যাশার ভার কাঁধে নিয়ে শেষ পর্যন্ত সেই ভারকেই ইতিহাসের অন্যতম সেরা আন্তর্জাতিক উত্তরাধিকারে পরিণত করেছেন লিওনেল মেসি।

কালের আলো/এসএ

‘তুমি চিরন্তন’-আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে মেসির অবসরে সতীর্থদের আবেগঘন বিদায়

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১৫ পূর্বাহ্ণ
‘তুমি চিরন্তন’-আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে মেসির অবসরে সতীর্থদের আবেগঘন বিদায়

আর্জেন্টিনার জাতীয় দল থেকে লিওনেল মেসির অবসরের ঘোষণায় আবেগে ভেসেছে ফুটবল বিশ্ব। সতীর্থ, সাবেক সতীর্থ, ফিফা সভাপতি থেকে শুরু করে আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট ও মেসির স্ত্রী-সবাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিংবদন্তি এই ফুটবলারের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানিয়েছেন।

২০২২ বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য আনহেল দি মারিয়া মেসির বিদায়ে আবেগঘন বার্তায় বলেন, আর্জেন্টিনার নীল-সাদা জার্সিতে আর মেসিকে দেখা যাবে না—এ কথা মেনে নেওয়া কঠিন। তার সঙ্গে জাতীয় দলে এতগুলো বছর কাটাতে পারাকে নিজের জন্য সৌভাগ্যের বিষয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

মেসির আরেক সতীর্থ রদ্রিগো দে পল তাকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘সর্বকালের সেরা, আমাদের এত আনন্দ দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। তুমি কল্পনাও করতে পারবে না, কত হাসি উপহার দিয়েছ। তুমি চিরন্তন।’

আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার ক্রিস্তিয়ান রোমেরোও অধিনায়কের প্রতি ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, মেসি তার ও দেশের জন্য যা দিয়েছেন, তার জন্য তিনি সবসময় কৃতজ্ঞ থাকবেন।

আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের পক্ষ থেকেও দেওয়া হয়েছে আবেগঘন বিদায়বার্তা-‘চিরন্তন কৃতজ্ঞতা, লিও। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত আমরা তোমাকে ভালোবাসব।’

মেসির অবসরে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলে। সংক্ষিপ্ত বার্তায় তিনি বলেন, ‘অসাধারণ মানুষ, তোমাকে অনেক ধন্যবাদ।’

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো মেসির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারকে অসাধারণ বলে অভিহিত করেছেন। তার মতে, মেসি কোটি কোটি মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছেন এবং ফুটবলকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করেছেন।

মেসির স্ত্রী আন্তোনেলা রোকুজ্জোও স্বামীর প্রতি ভালোবাসা ও গর্ব প্রকাশ করেছেন। মেসির এই যাত্রার পাশে থাকতে পারা এবং তার সব স্বপ্ন পূরণ হতে দেখা নিজের জন্য বড় সৌভাগ্য বলে উল্লেখ করেন তিনি।

দীর্ঘ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে বিশ্বকাপ, কোপা আমেরিকাসহ একাধিক শিরোপা জয়ের পর এবার আর্জেন্টিনার জার্সিকে বিদায় জানালেন মেসি। তার বিদায়ে সতীর্থ ও ভক্তদের বার্তায় স্পষ্ট—আর্জেন্টিনার ফুটবল ইতিহাসে তার জায়গা চিরস্থায়ী।

কালের আলো/এসএ

নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ারে ছুরিকাঘাতে নিহত ১, পুলিশের গুলিতে হামলাকারীও মৃত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৫৫ পূর্বাহ্ণ
নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ারে ছুরিকাঘাতে নিহত ১, পুলিশের গুলিতে হামলাকারীও মৃত

নিউইয়র্কের পর্যটকে ভরা টাইমস স্কয়ারে ছুরি নিয়ে হামলার ঘটনায় একজন নিহত ও আরেকজন আহত হয়েছেন। সোমবারের এ ঘটনায় সন্দেহভাজন এক নারী পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছেন।

নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি এক সংবাদ সম্মেলনে হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং তার অবস্থা স্থিতিশীল।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সন্দেহভাজন নারী গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হলেও পরে তার মৃত্যু হয়।

ঘটনাটিকে সন্ত্রাসী হামলা বলে মনে করছে না নিউইয়র্ক পুলিশ। তবে হামলার কারণ ও ঘটনার বিস্তারিত জানতে তদন্ত চলছে।

ঘটনাস্থলে থাকা এএফপির এক সাংবাদিক জানান, টাইমস স্কয়ারে বিপুলসংখ্যক জরুরি সেবা কর্মী ও পুলিশ সদস্য উপস্থিত ছিলেন। কর্মকর্তাদের ঘটনাস্থলে রক্তের দাগ পরীক্ষা করতেও দেখা যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের একজন স্থানীয় সংবাদমাধ্যম PIX11-কে জানান, ওই নারীর হাতে দুটি ছুরি ছিল। পুলিশ তাকে টেজার দিয়ে থামানোর চেষ্টা করলে তিনি কর্মকর্তাদের দিকে এগিয়ে যান। পরে পুলিশ গুলি চালায়।

নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগ (NYPD) ঘটনাটিকে ‘অফিসার-ইনভলভড শুটিং’ হিসেবে উল্লেখ করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, এটি এখনো সক্রিয় তদন্তাধীন।

পর্যটকদের অন্যতম ব্যস্ত এই এলাকায় এমন সহিংসতার ঘটনায় সাময়িকভাবে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

কালের আলো/এসএ