খুঁজুন
                               
, ,
           

ডিসেম্বরে সরকার পতনের হুমকি ষড়যন্ত্র ও দূরভিসন্ধির বহিঃপ্রকাশ: এমরান সালেহ প্রিন্স

ময়মনসিংহ প্রতিবেদক:
প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:১৯ অপরাহ্ণ
ডিসেম্বরে সরকার পতনের হুমকি ষড়যন্ত্র ও দূরভিসন্ধির বহিঃপ্রকাশ: এমরান সালেহ প্রিন্স

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেছেন,ডিসেম্বরে পালাতক ফ্যাসিস্ট হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণার পাশাপাশি বিরোধী দলও ডিসেম্বরে এক দফার আন্দোলনের হুমকি দিচ্ছে। জনমনে সন্দেহ ডিসেম্বরকে ঘিরে ৮৬,৯৬ এর রাখিবন্ধনের পূনরাবৃত্তি ২৬ এও হলো কী না !

রবিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার শাকুয়াই ইউনিয়নের ঘোনাপাড়ায় কংশ নদীর ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নদীর তীর রক্ষা প্রকল্পের কাজ উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত গ্রামবাসীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন। মতবিনিময় সভার আগে তিনি নদী ভাঙন স্থানে জিও ব্যাগ ফেলে প্রকল্পের কাজ উদ্বোধন করেন ।

সভায় এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, বিএনপি সরকার যেখানে জনকল্যাণে নিয়োজিত, দুঃখজনক হলেও সত্য বিরোধী দল সেখানে জনদূর্ভোগ সৃষ্টি করছে। তারা ছয় মাস বয়সী নির্বাচিত সরকারকে এক দফার হুমকি দিয়ে গণ বিরোধী অবস্থান নিয়েছে।

জ্বালানি সমস্যার মধ্যে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি অপচয় করে বিরোধী দলের লংমার্চ কর্মসূচি জ্বালানি সমস্যা তীব্র এবং জনদূর্ভোগ সৃষ্টি করছে। লংমার্চ কর্মসূচিতে এক দফার হুমকি, উস্কানিমূলক শ্লোগান-বক্তব্য প্রসঙ্গে বিএনপির এই যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ফ্যাসিবাদের ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে তারেক রহমানের ছয় মাসের সরকার যখন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে দেশ পুনর্গঠন করছে, তখন ডিসেম্বরে সরকার পতনের হুমকি ষড়যন্ত্র ও দূরভিসন্ধির বহিঃপ্রকাশ। ছয় মাস বয়সী সরকারকে ছয় দফা,এক বছরের মাথায় এক দফার আন্দোলনের হুমকিদাতাদের জেনে রাখা ভালো, বিএনপি রাজপথ কাউকে ইজারা দেয়নি। রাজপথ বিএনপির অচেনা নয়। তিনি বলেন, তিনি বলেন, বিএনপিকে ভয় দেখিয়ে, হুমকি দিয়ে কিংবা এক দফার আলটিমেটাম দিয়ে কোনো লাভ হবে না। মনে রাখবেন—বিএনপি ভেসে আসা কোনো দল নয়; বিএনপি এ দেশের জনগণের দল। জনগণের অধিকার রক্ষার প্রশ্নে প্রয়োজন হলে বিএনপি আবারও রাজপথে নামবে, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সব গণতান্ত্রিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করবে।”

তিনি বলেন,ক্ষমতার মালিক জনগণ। জনগণ যাকে ভোট দিয়ে দায়িত্ব দিয়েছে, তারা জন প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ না করলে জনগণই ভোটের মাধ্যমে তার পরিবর্তন করবে। রাজপথে হুমকি দিয়ে, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে কিংবা ডিসেম্বরের মধ্যে সরকার পতনের আলটিমেটাম দিয়ে জনগণের রায় কেড়ে নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

তিনি বলেন, “কংশ নদীর ভাঙনে শাকুয়াই ইউনিয়নের ঘোনাপাড়া গ্রামের মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ ছিল। নদীভাঙনে রাস্তা, বসতভিটা, ফসলি জমি ও মানুষের জীবন-জীবিকা হুমকির মুখে পড়েছিল। স্থানীয় মানুষের এই দুর্ভোগের কথা বিবেচনায় নিয়ে আমি পানি সম্পদ মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করি। আমার আবেদনের প্রেক্ষিতে তাঁদের নির্দেশে পানি উন্নয়ন বোর্ড শাকুয়াই এলাকায় নদীর তীর রক্ষায় এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।”

তিনি বলেন, “জনগণের সমস্যা সমাধানই আমাদের রাজনীতির মূল লক্ষ্য। আমরা শুধু ক্ষমতার কথা বলি না, মানুষের কথা বলি; শুধু স্লোগান দিই না, মানুষের সমস্যা সমাধানে কাজ করি। কংশ নদীর ভাঙন রোধের এই কাজ তারই প্রমাণ। এই ইউনিয়নে রাস্তা, ব্রীজ, ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন , ক্লিনিকসহ জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে আরও উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি বলেন,জনগণের পাশে থেকে, জনগণের সমস্যা সমাধান করেই বিএনপি বাংলাদেশের রাজনীতিতে এগিয়ে যাবে।”

ঘোনাপাড়ায় কংশ নদীর পাড়ে শাকুয়াই ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক মেম্বার বিএনপি নেতা আবুল হাসেম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে হালুয়াঘাট উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আসলাম মিয়া বাবুল, সদস্য সচিব আবু হাসনাত বদরুল কবীর, সাকুয়াই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার ইউনুস আলী খান , উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক স্বদেশী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হাই, আমতৈল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সফিকুর রহমান, বিএনপি নেতা আমজাদ হোসেন,সায়েদুল ইসলাম, মোতালেব হোসেন, স্থানীয় মুরব্বি আব্দুল হেকিম, যুবক জুয়েল রানা, উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন, উপজেলা যুবদল নেতা আবু নাসের,উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এম আর আল আমিন, পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব তাজবীর হোসেন অন্তর প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

কালের আলো/এম/এএইচ

 

‘আমার একটামাত্র বউ’, সংসদে আইনমন্ত্রীর রসিকতা!

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:০৪ পূর্বাহ্ণ
‘আমার একটামাত্র বউ’, সংসদে আইনমন্ত্রীর রসিকতা!

দ্য ট্রান্সফার অব প্রপার্টি অ্যাক্ট সংশোধন বিল জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন। এ সময় তিনি বলেন, ‌‘মাননীয় স্পিকার, আমার একটা মাত্র বউ। আমি যদি আজ তালাক দিতে চাই, ইসলামিক ল অনুসারে আমি তিন তালাক বললে পরে তালাক হয়ে যাবে।’

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে এসব কথা বলেন তিনি। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

দ্য ট্রান্সফার অব প্রপার্টি অ্যাক্ট সংশোধন বিল অনুসারে, সন্তানকে সম্পত্তি হস্তান্তর করলেও আজীবন ভোগ করতে পারবেন বাবা-মা। ১৮৮২ সালের পরে বিলটি সংসদে কণ্ঠভোটে পাস হয়েছে। যদিও বিল পাসের আগেই সংসদ থেকে ওয়াকআউট করে বিরোধী দল। তবে বাবা-মাকে সুরক্ষায় বিলটিকে সাধুবাদ জানিয়েছে সরকারি দল।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘মাননীয় স্পিকার, ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশের যেখানে বলেছে- আমি তালাক দিতে গেলে আমাকে আরবিট্রেশন কাউন্সিলে নোটিশ দিতে হবে। আরবিট্রেশন কাউন্সিল ৯০ দিনের মধ্যে দুই পক্ষকে ডাকবেন। দুই পক্ষকে ডেকে নিয়ে তারপরে রিকনসিলিয়েট করার চেষ্টা করবেন। তা-ও যদি না হয়, তারপরে তালাক কার্যকর হবে আফটার ৯০ ডেজ।’

এম/এএইচ

আসামিদের ওপর নজরদারি বাড়ানোর আহ্বান চিফ প্রসিকিউটরের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:২০ অপরাহ্ণ
আসামিদের ওপর নজরদারি বাড়ানোর আহ্বান চিফ প্রসিকিউটরের

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, কিছু আসামির গতিবিধি ও তৎপরতা সন্দেহজনক। তাদের পক্ষ থেকে যেকোনো ধরনের নাশকতা বা স্যাবোটাজের ঘটনা ঘটতে পারে বলে গোপন তথ্য রয়েছে।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্বজনদের সংগঠন ‘মায়ের ডাক’-এর সমন্বয়ক সানজিদা ইসলাম তুলির নেতৃত্বে গুমের শিকার ৫৫টি পরিবারের সদস্যরা চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে আসেন। তদন্ত সংস্থা তাদের জবানবন্দি গ্রহণ করবে।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ট্রাইব্যুনালের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সদস্যদের সতর্ক করা হয়েছে। কিছু আসামির তৎপরতা সন্দেহজনক হওয়ায় বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। নাশকতার আশঙ্কা বিবেচনায় নিয়েই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

তিনি জানান, এখন পর্যন্ত ২৫১ জন গুমের শিকার হয়েছেন। এসব ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত সংস্থা কাজ করছে।

মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ২৫১ জনের গুমের ঘটনাগুলোর ধরন ও পদ্ধতির মধ্যে উল্লেখযোগ্য মিল রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে একই ধরনের পদ্ধতিতে এসব ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এ কারণে ঘটনাগুলোকে ‘ব্যাপক ও পদ্ধতিগত অপরাধ’ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, গুমের ঘটনাগুলোর তদন্ত দ্রুত শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে। চলতি বছরের মধ্যেই তদন্ত শেষ করে বিচারকাজ শুরু করার চেষ্টা চলছে।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, গুমের পরিবারের তদন্ত শুরু হওয়ার পর কিছু অভিযুক্তের তৎপরতা বেড়েছে। ন্যায়বিচারের স্বার্থে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সতর্ক থাকতে হবে। একই সঙ্গে ট্রাইব্যুনালে চলমান মামলার আসামিদের বিষয়েও প্রশাসনকে নজর রাখতে হবে।

গুমের শিকার পরিবারগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি

শিক্ষকদের আলাদা পে-স্কেল করার পরিকল্পনা: শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:০৩ অপরাহ্ণ
শিক্ষকদের আলাদা পে-স্কেল করার পরিকল্পনা: শিক্ষামন্ত্রী

বিচার বিভাগের মতো শিক্ষকদের জন্যও আলাদা পে-স্কেল করার চিন্তা-ভাবনা করছে সরকার বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘বিশ্ব শিক্ষক দিবস’ উদযাপনের লক্ষ্যে জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির সভায় এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষকদের মেধাবীদের আকৃষ্ট করতে আলাদা বেতন কাঠামোর বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ১১ বছর পর নতুন পে-স্কেল হতে যাচ্ছে। এর মধ্যে মূল্যস্ফীতির সঙ্গে বেতন সমন্বয় হয়নি। এ বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীরও উপলব্ধিতে রয়েছে।

তিনি বলেন, বিচার বিভাগের মতো শিক্ষকদের জন্যও আলাদা পে-স্কেল করার বিষয়ে সরকার চিন্তা করছে। তবে অল্প সময়ের মধ্যে এত বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন। তারপরও সরকার এ বিষয়ে এগিয়ে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

বেসরকারি শিক্ষকদের অবসর ভাতা ও পেনশন নিয়ে ভোগান্তির বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষকদের এই সমস্যা সমাধানে সরকার কাজ করছে। অবসর ভাতা ও কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থায় ইতোমধ্যে পরিবর্তন আনা হয়েছে। শিক্ষকদের বকেয়া পরিশোধসহ সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে এবং আগামী বাজেটগুলোর মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

এদিকে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব ও জাতীয় বেতন কাঠামোর সদস্য জানান, জাতীয় বেতন স্কেলে শিক্ষকরা অন্তর্ভুক্ত হবেন। সরকারি কর্মচারীরা নতুন পে-স্কেলে যে সুবিধা পাবেন, শিক্ষকরাও তা পাবেন বলে তিনি জানান।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি