খুঁজুন
                               
, ,
           

অপরিকল্পিত ঋণের দায়ে অর্থনীতিতে চাপ: সংসদে অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪১ অপরাহ্ণ
অপরিকল্পিত ঋণের দায়ে অর্থনীতিতে চাপ: সংসদে অর্থমন্ত্রী

বিগত ১৫ বছরের শাসনামলে নেওয়া অপরিকল্পিত ঋণ ও বিভিন্ন প্রকল্পের বিশাল দায়ভার বর্তমান সরকারকে বহন করতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানুর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বিগত সময়ে নেওয়া ঋণের বিশাল দায় বর্তমান সরকারের ওপর পড়েছে। ওই সময়ে বিপুল পরিমাণ ঋণ নেওয়ায় দেশের অর্থনীতিতে যে চাপ তৈরি হয়েছে, তা পরিশোধ করতে গিয়ে সরকারকে কঠিন সময় পার করতে হচ্ছে।

তিনি বলেন, বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ‘ভ্যালু ফর মানি’, ‘রিটার্ন অন ইনভেস্টমেন্ট’, ‘জব ক্রিয়েশন’ ও ‘এনভায়রনমেন্টাল কনসিডারেশন’ বিবেচনায় নেওয়া উচিত। কিন্তু আগের সরকারের অধিকাংশ প্রকল্পে এসব বিষয় অনুসরণ করা হয়নি।

অর্থমন্ত্রী জানান, আগের সরকারের নেওয়া প্রায় ১ হাজার ৩০০ প্রকল্পের পৃথক মূল্যায়ন করা হচ্ছে। এরই মধ্যে অনেক প্রকল্পের মূল্যায়ন শেষের দিকে রয়েছে এবং মূল্যায়নের ভিত্তিতে বেশ কিছু প্রকল্প বাদ দেওয়া হচ্ছে।

তবে যেসব প্রকল্প বাস্তবায়নের শেষ পর্যায়ে পৌঁছে গেছে, সেগুলো সম্পন্ন না করে উপায় নেই বলেও জানান তিনি।

বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ব্যাংকিং খাত ও শেয়ারবাজারের অনিয়মের দায়ের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাব—সব মিলিয়ে দেশ কঠিন সময় পার করছে। তবে সরকার এ সংকট মোকাবিলায় আশাবাদী।

তিনি বলেন, আগামী দিনে যেসব বিনিয়োগ করা হবে, সেগুলোর সুফল ও রিটার্ন যেন দেশের মানুষ পায়, সে বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি

পুরোনো কম্পিউটারেই মিলবে আধুনিক প্রযুক্তির সুবিধা, জিওর নতুন ক্লাউড পিসি সেবা

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪৯ অপরাহ্ণ
পুরোনো কম্পিউটারেই মিলবে আধুনিক প্রযুক্তির সুবিধা, জিওর নতুন ক্লাউড পিসি সেবা

পুরোনো কম্পিউটার বদলানোর প্রয়োজন ছাড়াই আধুনিক অ্যাপ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) সেবা ব্যবহারের সুযোগ দিতে ভারতের বাজারে ক্লাউডভিত্তিক পিসি সেবা চালু করেছে রিলায়েন্স জিও। ‘জিওপিসি’ নামের এই সেবা এখন ভারতের সব ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।

২০২৫ সালে চালু হওয়া জিওপিসি এত দিন শুধু জিওর নিজস্ব ব্রডব্যান্ড ব্যবহারকারীদের জন্য সীমাবদ্ধ ছিল। এখন গ্রাহকের ব্রডব্যান্ড বা টেলিকম অপারেটর যাই হোক না কেন, আলাদা সাবস্ক্রিপশনের মাধ্যমে এই সেবা ব্যবহার করা যাবে।

জিওপিসিতে কম্পিউটারের নিজস্ব হার্ডওয়্যারের ওপর নির্ভর না করে জিওর ক্লাউড অবকাঠামো থেকে একটি ভার্চ্যুয়াল কম্পিউটার ব্যবহারকারীর ডিভাইসে স্ট্রিম করা হয়। এতে সর্বোচ্চ ৮টি ভার্চ্যুয়াল সিপিইউ, ১৬ গিগাবাইট র‍্যাম এবং ১ টেরাবাইট পর্যন্ত স্টোরেজ সুবিধা পাওয়া যাবে।

জিওর দাবি, প্রায় আট বছর পুরোনো কম্পিউটারেও এই সেবার মাধ্যমে আধুনিক অ্যাপ্লিকেশন, এমনকি এআইভিত্তিক সেবাও চালানো সম্ভব হবে। দুই মাসের সাবস্ক্রিপশনের দাম শুরু ১ হাজার ভারতীয় রুপি থেকে। আর কনফিগারেশন অনুযায়ী বার্ষিক প্যাকেজের দাম ৪ হাজার থেকে ৫ হাজার রুপি।

ভারতে এ ধরনের সেবার বড় বাজার রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। আইডিসির হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫ সালে দেশটিতে ৬ কোটি ৫০ লাখের বেশি পিসি ব্যবহৃত হয়েছে। ২০২৬ সালের শেষে এই সংখ্যা প্রায় ৬ কোটি ৯০ লাখে পৌঁছাতে পারে।

তবে ক্লাউড পিসি ব্যবহারের জন্য নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট সংযোগ প্রয়োজন। ফলে দুর্বল বা অনিয়মিত ইন্টারনেট সুবিধার এলাকায় এর কার্যকারিতা সীমিত হতে পারে। এ ছাড়া জিওপিসিতে আধুনিক এআই পিসিতে থাকা বিশেষায়িত অন-ডিভাইস এআই প্রসেসর সুবিধা রয়েছে কি না, তা কোম্পানি জানায়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, জিওর এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য নতুন কম্পিউটার কেনার পরিবর্তে পুরোনো ডিভাইসের ব্যবহারযোগ্যতা বাড়ানো। অর্থাৎ হার্ডওয়্যার আপগ্রেডের বদলে ক্লাউড থেকে কম্পিউটিং ক্ষমতা ব্যবহারের সুযোগ দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

কালের আলো/এসএ

ডার্ক ম্যাটার নিয়ে বড় ইঙ্গিত, রহস্যজনক কণার মিথস্ক্রিয়া শনাক্ত বিজ্ঞানীদের

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪২ অপরাহ্ণ
ডার্ক ম্যাটার নিয়ে বড় ইঙ্গিত, রহস্যজনক কণার মিথস্ক্রিয়া শনাক্ত বিজ্ঞানীদের

ডার্ক ম্যাটার বা অন্ধকার পদার্থের প্রকৃতি নিয়ে গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ এক ইঙ্গিত পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তবে গবেষকেরা স্পষ্ট করে বলেছেন, এই ঘটনাকে এখনই ডার্ক ম্যাটারের আবিষ্কার বলা যাবে না।

যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ডাকোটায় স্যানফোর্ড আন্ডারগ্রাউন্ড রিসার্চ ফ্যাসিলিটিতে মাটির প্রায় এক মাইল গভীরে পরিচালিত LUX-ZEPLIN (LZ) পরীক্ষায় অস্বাভাবিক এই কণার মিথস্ক্রিয়াটি শনাক্ত হয়েছে।

ডার্ক ম্যাটারের অন্যতম সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত উইম্প (WIMP) বা দুর্বলভাবে মিথস্ক্রিয়াশীল ভারী কণার সন্ধানে LZ পরীক্ষায় প্রায় ১০ টন অতি বিশুদ্ধ তরল জেনন ব্যবহার করা হয়। গবেষকেরা এমন একটি কণার মিথস্ক্রিয়া শনাক্ত করেছেন, যা এখন পর্যন্ত পরিচিত পটভূমিগত প্রক্রিয়া দিয়ে সহজে ব্যাখ্যা করা যাচ্ছে না।

তবে পরিসংখ্যানগতভাবে এই সংকেত এখনো ডার্ক ম্যাটারের অস্তিত্ব নিশ্চিত করার মতো শক্তিশালী নয়। ‘লুক-এলস হোয়ার’ প্রভাব বিবেচনায় নেওয়ার পর LZ গবেষকরা বৈশ্বিক পরিসংখ্যানগত গুরুত্ব ২.৬ সিগমা বলে জানিয়েছেন। কোনো বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার নিশ্চিত করতে সাধারণত এর চেয়ে অনেক বেশি মাত্রার প্রমাণ প্রয়োজন।

বিজ্ঞানীদের ধারণা, মহাবিশ্বের মোট পদার্থের প্রায় ৮৫ শতাংশই ডার্ক ম্যাটার। এটি সরাসরি দেখা যায় না। তবে গ্যালাক্সি ও মহাজাগতিক বিভিন্ন কাঠামোর ওপর এর মহাকর্ষীয় প্রভাব থেকে এর অস্তিত্ব সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।

নতুন এই সংকেত তাই গবেষকদের জন্য আশাব্যঞ্জক হলেও এর প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত নয়। আরও তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা যাচাই করবেন, ভবিষ্যতে একই ধরনের সংকেত আরও পাওয়া যায় কি না। পর্যাপ্ত তথ্য পাওয়া গেলে সংকেতটি আরও শক্তিশালী হতে পারে, আবার এটি নিছক পরিসংখ্যানগত ঘটনা হিসেবেও মিলিয়ে যেতে পারে।

গবেষকেরা এখন আরও তথ্যের অপেক্ষায়। নতুন পর্যবেক্ষণই শেষ পর্যন্ত বলে দেবে, রহস্যজনক এই কণার মিথস্ক্রিয়া ডার্ক ম্যাটারের প্রকৃতি বোঝার পথে সত্যিই বড় কোনো সূত্র কি না।

কালের আলো/এসএ

‘সারপ্রাইজ অ্যান্ড শাইন’ শিরোনামে অ্যাপলের নতুন আয়োজনে কী কী চমক থাকছে?

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:২৮ অপরাহ্ণ
‘সারপ্রাইজ অ্যান্ড শাইন’ শিরোনামে অ্যাপলের নতুন আয়োজনে কী কী চমক থাকছে?

নতুন প্রজন্মের আইফোন, অ্যাপল ওয়াচ এবং সম্ভাব্য প্রথম ভাঁজযোগ্য আইফোন উন্মোচন করতে আগামী ৯ সেপ্টেম্বর বড় আয়োজন করতে যাচ্ছে অ্যাপল। ‘Surprise and shine’ শিরোনামের এই অনুষ্ঠান বাংলাদেশ সময় রাত ১১টায় যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার কুপারটিনোয় অবস্থিত অ্যাপল পার্কে শুরু হবে।

অ্যাপল জানিয়েছে, অনুষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইট, Apple TV অ্যাপ এবং YouTube-এ সরাসরি দেখা যাবে।

এবারের আয়োজনে সবচেয়ে বেশি নজর থাকবে iPhone 18 Pro ও iPhone 18 Pro Max-এর দিকে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, নতুন মডেল দুটিতে বড় ব্যাটারি, উন্নত ক্যামেরা এবং তুলনামূলক ছোট Dynamic Island থাকতে পারে। তবে সাধারণ iPhone 18 মডেলটি এ বছর নয়, আগামী বছর বাজারে আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এবারের অনুষ্ঠানে অ্যাপলের প্রথম প্রিমিয়াম ফোল্ডেবল আইফোন উন্মোচনের সম্ভাবনাও রয়েছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে সম্ভাব্য এই ডিভাইসকে ‘iPhone Ultra’ নামে উল্লেখ করা হয়েছে। ভাঁজযোগ্য ফোনটি বাজারে এলে অ্যাপলের আইফোন লাইনআপে এটি হবে বড় ধরনের পরিবর্তন।

এ ছাড়া নতুন Apple Watch Series 12 এবং হালনাগাদ AirPods উন্মোচনের সম্ভাবনাও রয়েছে। তবে এসব পণ্য সম্পর্কে অ্যাপল এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু নিশ্চিত করেনি।

এটি হবে অ্যাপলের নতুন প্রধান নির্বাহী জন টার্নাস দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম বড় হার্ডওয়্যার উন্মোচন অনুষ্ঠান। গত ১ সেপ্টেম্বর তিনি প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব নেন।

কালের আলো/এসএ