খুঁজুন
                               
, ,
           

চার ঘণ্টায় বেচাকেনা ২৫ লাখ, গজালিয়ার ভাসমান হাটে কোটি টাকার সবজি

কচুয়া (বাগেরহাট) সংবাদদাতা
প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:১১ পূর্বাহ্ণ
চার ঘণ্টায় বেচাকেনা ২৫ লাখ, গজালিয়ার ভাসমান হাটে কোটি টাকার সবজি

খালের বুকে সারি সারি নৌকা। প্রতিটি নৌকায় সাজানো টাটকা মৌসুমি সবজি। ভোরের আলো ফুটতেই কৃষকদের হাঁকডাক আর পাইকারদের দরদামে মুখর হয়ে ওঠে চারপাশ। মাত্র চার ঘণ্টায় এখানে বেচাকেনা হয় প্রায় ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকার সবজি। পুরো মৌসুমে যার পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৪ কোটি টাকা।

বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার গজালিয়া ইউনিয়নের গজালিয়া খালের ওপর বসে আসছে এই শতবর্ষী ভাসমান সবজির হাট। সপ্তাহে দুই দিন—রোববার ও বুধবার—নৌকায় নৌকায় চলে এই ব্যতিক্রমী হাটের কেনাবেচা।

স্থানীয় কৃষকদের উৎপাদিত সবজি বিক্রির অন্যতম বড় কেন্দ্র হয়ে উঠেছে হাটটি। বাগেরহাটের পাশাপাশি বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরগুনা, চাঁদপুরসহ বিভিন্ন জেলা থেকে নৌকা ও ট্রলার নিয়ে পাইকারি ব্যবসায়ীরা এখানে আসেন। শসা, লাউ, করলা, চালকুমড়া, মিষ্টিকুমড়া, ঝিঙেসহ বিভিন্ন ধরনের মৌসুমি সবজি কেনেন তারা।

সরেজমিনে দেখা যায়, ভোর থেকেই আশপাশের গ্রামের কৃষকেরা নিজেদের জমিতে উৎপাদিত সবজি নৌকায় করে হাটে নিয়ে আসছেন। খালের বিভিন্ন স্থানে নৌকা নোঙর করে শুরু হয় বেচাকেনা। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নৌকার সংখ্যা বাড়তে থাকে। একপর্যায়ে খালের দুই পাড় ও মাঝখানজুড়ে তৈরি হয় নৌকার সারি।

কৃষকেরা জানান, এই হাটে সরাসরি পাইকারদের কাছে সবজি বিক্রি করতে পারায় তারা তুলনামূলক ভালো দাম পান। দ্রুত বিক্রি হয়ে যাওয়ায় সবজি নষ্ট হওয়ার আশঙ্কাও কম থাকে। একই সঙ্গে নৌপথে পণ্য পরিবহন করায় তাদের পরিবহন খরচও তুলনামূলক কম পড়ে।

পিরোজপুরের ব্যবসায়ী সালাম হালাদার বলেন, গজালিয়ার হাটে একসঙ্গে বিভিন্ন ধরনের টাটকা সবজি পাওয়া যায়। কৃষকের কাছ থেকে সরাসরি সবজি কেনার সুযোগ থাকায় বড় পরিসরে পণ্য সংগ্রহ করা যায়। পরে এসব সবজি পিরোজপুরসহ বিভিন্ন এলাকার বাজারে বিক্রি করা হয়।

বরিশালের ব্যবসায়ী সুলতান শেখ বলেন, নিয়মিত অনেক কৃষক এখানে সবজি নিয়ে আসেন। ফলে অন্য বাজারের তুলনায় একসঙ্গে বেশি পরিমাণ সবজি কেনা সম্ভব হয়। ভোর থেকে শুরু করে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বড় ধরনের বেচাকেনা শেষ হয়ে যায়। যোগাযোগব্যবস্থা উন্নত হলে এই হাটের ব্যবসা আরও বাড়বে।

স্থানীয়দের দাবি, শত বছরেরও বেশি সময় ধরে গজালিয়া খালের ওপর এই ভাসমান হাট চলে আসছে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে কৃষকেরা এখানে নিজেদের উৎপাদিত সবজি বিক্রি করে আসছেন। আর পাইকারি ব্যবসায়ীরা নৌকা ও ট্রলারে করে এসব সবজি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বাজারে নিয়ে যান।

স্থানীয় কৃষক রাজ্জাক মোল্লা বলেন, নিজের জমিতে বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ করে হাটের দিনে নৌকায় করে নিয়ে আসেন। পাইকাররা সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে সবজি কিনে নেওয়ায় দ্রুত পণ্য বিক্রি হয়ে যায়। এই হাট না থাকলে দূরের বাজারে গিয়ে সবজি বিক্রি করতে কৃষকদের বেশি ভোগান্তিতে পড়তে হতো।

তবে সম্ভাবনাময় এই হাটে অবকাঠামোগত নানা সমস্যা রয়েছে। বিশেষ করে হাটে যাওয়ার রাস্তা, নৌকা-ট্রলার ভেড়ানোর নির্দিষ্ট ব্যবস্থা এবং পণ্য ওঠানামার সুবিধা না থাকায় কৃষক ও ব্যবসায়ীদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, হাটটি অনেক পুরোনো এবং এখানে প্রচুর কৃষক ও ব্যবসায়ী আসেন। কিন্তু হাটে আসার রাস্তা ভালো নয়। নৌকা ও ট্রলার বাঁধার জন্যও পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। বর্ষা মৌসুমে সমস্যা আরও বেড়ে যায়।

তিনি বলেন, নির্দিষ্ট স্থানে নৌকা-ট্রলার নোঙরের ব্যবস্থা, যাতায়াতের রাস্তা সংস্কার, পণ্য ওঠানামার সুবিধা এবং বাজার ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন করা হলে এই হাটের বেচাকেনা আরও কয়েক গুণ বাড়তে পারে।

বাগেরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. মোতাহার হোসেন বলেন, গজালিয়ার ভাসমান সবজির হাটটি স্থানীয় কৃষি অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কৃষকের উৎপাদিত সবজি দ্রুত পাইকারদের মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকায় পৌঁছে যাচ্ছে। এতে কৃষক যেমন বাজার পাচ্ছেন, তেমনি ভোক্তার কাছেও দ্রুত তাজা সবজি পৌঁছে যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, মৌসুমে এই হাটে ৪ কোটি টাকার বেশি সবজি বেচাকেনা হয়। হাটটির কিছু অবকাঠামোগত সমস্যা রয়েছে। এগুলো সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তিতে সবজি চাষে কৃষকদের উৎসাহিত করা এবং বাজারজাতকরণ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

শতবর্ষের আটঘর হাটে নৌকার জমজমাট কেনাবেচা

ঝালকাঠি(বরিশাল) সংবাদদাতা
প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৪৪ পূর্বাহ্ণ
শতবর্ষের আটঘর হাটে নৌকার জমজমাট কেনাবেচা

শরৎকালেও ঝালকাঠির সীমান্তবর্তী এলাকার ঐতিহ্যবাহী আটঘর হাটে জমে উঠেছে কাঠের নৌকার কেনাবেচা। শত বছরের পুরোনো এ হাটে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা ব্যবসায়ী, ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা। বর্ষাকেন্দ্রিক এ হাটে প্রতিদিনই কয়েক লাখ টাকার নৌকা ও বৈঠা কেনাবেচা হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, হাটজুড়ে সারি সারি কাঠের নৌকা সাজিয়ে রাখা হয়েছে। দূর-দূরান্ত থেকে আসা কারিগর ও ব্যবসায়ীরা পাইকারি ও খুচরা—দুইভাবেই নৌকা বিক্রি করছেন। ছোট ডিঙি নৌকা থেকে শুরু করে বড় আকৃতির মালবাহী নৌকাও রয়েছে এ হাটে।

ব্যবসায়ীরা জানান, কাঠের মান, নকশা ও আকারের ওপর নির্ভর করে নৌকার দাম নির্ধারণ করা হয়। সাধারণ মানের নৌকার দাম তুলনামূলক কম হলেও উন্নতমানের কাঠে তৈরি নৌকার দাম বেশি। এখানে প্রতিটি নৌকা ৩ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হচ্ছে। আর মানভেদে প্রতিটি বৈঠার দাম ১৫০ থেকে ৫০০ টাকা।

স্থানীয় কৃষকদের কাছে এসব নৌকার গুরুত্বও অনেক। পেয়ারা, আমড়া, শাকসবজি ও অন্যান্য কৃষিপণ্য পরিবহনে বর্ষাকালে নৌকাই হয়ে ওঠে অন্যতম প্রধান মাধ্যম। বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় কৃষিকাজ ও দৈনন্দিন যোগাযোগেও নৌকার ওপর নির্ভর করতে হয় তাদের।

বরিশালের বাকেরগঞ্জ থেকে আসা এক ক্রেতা জানান, বর্ষার সময় মাঠে গবাদিপশু নামানো সম্ভব হয় না। তখন জমি থেকে ঘাস কেটে নৌকায় করে বাড়িতে নিয়ে যেতে হয়। বছরের প্রায় ছয় মাস কৃষিকাজে নৌকার প্রয়োজন হয় বলেও জানান তিনি।

আটঘর হাটের ইজারাদার মো. ইকবাল হাওলাদার জানান, বর্ষা মৌসুমে এ হাটে প্রায় ৩ থেকে ৪ হাজার নৌকা কেনাবেচা হয়। এ হাট থেকে প্রতিবছর সরকার কয়েক লাখ টাকা রাজস্ব পেয়ে থাকে।

নেছারাবাদ উপজেলার বলদিয়া ইউনিয়নের চামি গ্রামের নৌকা ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলাউদ্দিন, মো. কবির, আব্দুর রহিম, মো. কাইয়ুম, মো. মালেক ও মো. শাহাবুদ্দিন জানান, বংশপরম্পরায় তারা নৌকা তৈরির সঙ্গে যুক্ত। পরিবারের সদস্যদের সহযোগিতায় কম খরচে নৌকা তৈরি করে তুলনামূলক কম দামে ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করেন তারা।

ব্যবসায়ীরা বলেন, বর্ষা মৌসুমকে কেন্দ্র করেই তাদের ব্যবসার মূল সময় শুরু হয়। বছরের এ সময়ে পরিবারের সবাই মিলে নৌকা তৈরির কাজে ব্যস্ত থাকেন।

স্থানীয়দের ভাষ্য, শত বছরের ঐতিহ্য বহনকারী আটঘর হাট শুধু নৌকা কেনাবেচার স্থান নয়, এটি এ অঞ্চলের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও জীবনযাত্রারও অবিচ্ছেদ্য অংশ। আধুনিক প্রযুক্তির প্রসার ঘটলেও গ্রামীণ মানুষের কাছে কাঠের নৌকার প্রয়োজনীয়তা ও আবেদন কমেনি। বর্ষা এলেই তাই পুরোনো ঐতিহ্যে আবারও প্রাণ ফিরে পায় আটঘর হাট।

কালের আলো/এমএসআইপি/এসকে 

পদ্মায় পানি বাড়ছেই, বিশুদ্ধ পানি-খাবারের সংকটে তীরবর্তী মানুষ

রাজশাহী সংবাদদাতা
প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৩২ পূর্বাহ্ণ
পদ্মায় পানি বাড়ছেই, বিশুদ্ধ পানি-খাবারের সংকটে তীরবর্তী মানুষ

রাজশাহীতে প্রতিদিনই বাড়ছে পদ্মা নদীর পানি। পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নদীর বিভিন্ন চর ও তীরবর্তী এলাকায় ঢুকে পড়েছে পানি। ইতোমধ্যে অনেক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। ঘরবাড়িতে পানি ঢুকে পড়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন বাসিন্দারা। কোথাও কোথাও দেখা দিয়েছে খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় রাজশাহীতে পদ্মার পানির উচ্চতা রেকর্ড করা হয় ১৭ দশমিক ৩২ মিটার। এর আগের দিন শুক্রবার সকাল ৯টায় পানির উচ্চতা ছিল ১৭ দশমিক ২০ মিটার। রাজশাহীতে পদ্মার বিপৎসীমা ১৮ দশমিক ০৫ মিটার। সে হিসাবে বর্তমানে বিপৎসীমার ৭৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।

নগরীর পঞ্চবটি এলাকায় নদীতীরের বেশ কিছু বাড়িতে ইতোমধ্যে পানি উঠেছে। পানির কারণে ঘরের জিনিসপত্র নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে বের হয়েছেন অনেকে। স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, ঘরে পানি ঢোকার পাশাপাশি সাপও দেখা গেছে। এ কারণে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে তিনি আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নেওয়ার প্রস্তুতি নেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শহররক্ষা বাঁধের নিচে থাকা বেশ কিছু বাড়িতে প্রতিবছর বন্যার সময় পানি ওঠে। পানি বাড়লে এসব পরিবারের লোকজন ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নেন। পানি কমে গেলে আবারও নিজেদের বাড়িতে ফিরে আসেন তারা।

রাজশাহী পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, উজানের ঢলের কারণে গত ১০ দিন ধরে পদ্মায় পানি বাড়ছে। তবে এখনো নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। শহররক্ষা বাঁধ নিয়ে এই মুহূর্তে কোনো ঝুঁকি নেই। পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। ঝুঁকি দেখা দিলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে পানিবন্দি মানুষের মধ্যে বিশুদ্ধ পানি ও খাবারের সংকট দেখা দেওয়ায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজন অনুযায়ী তাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া, ত্রাণ বিতরণ এবং মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম।

পদ্মার পানি আরও বাড়লে চর ও নদীতীরবর্তী এলাকায় পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। এ কারণে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও জেলা প্রশাসন পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

সৌদির সামরিক ঘাঁটিতে হুথিদের মিসাইল ও ড্রোন হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:০২ পূর্বাহ্ণ
সৌদির সামরিক ঘাঁটিতে হুথিদের মিসাইল ও ড্রোন হামলা

ইয়েমেনে চলমান সংঘাতের মধ্যেই সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলের একটি সামরিক ঘাঁটিতে মিসাইল ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে হুথিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারে সামাজিক মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এ দাবি করেন। তবে কখন এই হামলা চালানো হয়েছে সেই সময় উল্লেখ করেননি তিনি।

ইয়াহিয়া সারে বলেন, ওই ঘাঁটিতে থাকা অস্ত্রের গুদাম ও কমান্ড সেন্টার লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। তার দাবি, এসব স্থাপনা থেকে ইয়েমেন ও দেশটির জনগণের ওপর ‘আগ্রাসন’ পরিচালনা করা হচ্ছিল।

গত সপ্তাহে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর সঙ্গে হুথি বিদ্রোহীদের নতুন করে সংঘাত শুরু হয়। ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে সামরিক সহায়তা দিয়ে আসছে সৌদি আরব।

এদিকে আয়ারল্যান্ডের ডাবলিনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুথিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন না বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘হুথিরা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে এবং তারা আমাদের সঙ্গে কোনো লড়াই করতে চায় না। তারা চায় আমরা যেন তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেই।”

হুথিদের এই অভিযানের মধ্যেই সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ ইস্ট-ওয়েস্ট তেল পাইপলাইনে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে করে হরমুজকে বাইপাস করে লোহিত সাগর দিয়ে তেল সরবরাহে সৌদির একমাত্র পথটি আপাতত বন্ধ হয়ে গেছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ