খুঁজুন
                               
, ,
           

চ্যাম্পিয়ন ভারত, তবু ট্রফি নয়! নাকভির হাত প্রত্যাখ্যানের কারণ জানাল বিসিসিআই

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০৪ অপরাহ্ণ
চ্যাম্পিয়ন ভারত, তবু ট্রফি নয়! নাকভির হাত প্রত্যাখ্যানের কারণ জানাল বিসিসিআই

এশিয়া কাপ জিতেছে ভারত, কিন্তু টানা দুই বছর চ্যাম্পিয়ন ট্রফি হাতে নেয়নি দলটি। গত সেপ্টেম্বরে পুরুষ দল, এবার নারী দল—দুই ক্ষেত্রেই পুরস্কার বিতরণীর মঞ্চে একই দৃশ্য। আর এর পেছনে দৃশ্যমান কারণ একটাই—এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) প্রেসিডেন্ট মহসিন নাকভির কাছ থেকে ট্রফি নিতে ভারতের আপত্তি।কেন নাকভির কাছ থেকে ট্রফি নিতে চায়নি ভারত, এবার তার ব্যাখ্যা দিয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া।

সম্পর্কের টানাপোড়েন থেকে ক্রিকেটেও দূরত্ব

ভারত-পাকিস্তানের রাজনৈতিক সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই উত্তেজনাপূর্ণ। ২০২৫ সালের এপ্রিলে পেহেলগামে সন্ত্রাসী হামলার পর পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়। এরপর ভারত ‘অপারেশন সিঁদুর’ শুরু করলে দুই দেশের সম্পর্কের উত্তেজনা নতুন মাত্রা পায়।এর প্রভাব পড়ে ক্রিকেটেও। ভারতীয় খেলোয়াড়েরা পাকিস্তানের খেলোয়াড়দের সঙ্গে টসের সময় কিংবা ম্যাচ শেষে হাত মেলানো এড়িয়ে চলতে শুরু করেন।গত বছর ছেলেদের এশিয়া কাপ জেতার পরও একই অবস্থান দেখা যায়। সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দল নাকভির কাছ থেকে ট্রফি নিতে মঞ্চে ওঠেনি। এবার নারী এশিয়া কাপ জেতার পর হারমানপ্রীত কৌরের দলও সেই সিদ্ধান্তের পুনরাবৃত্তি করেছে।

‘আমরা তাঁর কাছ থেকে ট্রফি নিতে পারি না’

ফাইনালের পর বার্তা সংস্থা আইএএনএসকে বিসিসিআই সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া বলেন, পেহেলগামের ঘটনার পর দুই দেশের সম্পর্কের পরিস্থিতি বদলে যায়। দেশের মানুষের কাছ থেকেও প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্ক ও ক্রিকেট নিয়ে দূরত্ব বজায় রাখার চাপ ছিল।তবে ভারতের সরকারি নীতি অনুযায়ী, বহুজাতিক টুর্নামেন্টে অংশ নিলে প্রতিটি দেশের বিপক্ষেই খেলতে হয়। সেই নীতি মেনেই ভারত পাকিস্তানের বিপক্ষেও খেলছে বলে জানান তিনি।তবে পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলা মানেই সবকিছু মেনে নেওয়া নয়—এমনটাই সাইকিয়ার বক্তব্য।তিনি বলেন, নাকভি পাকিস্তানের একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা এবং তাঁর ভূমিকা ভারতের স্বার্থের পরিপন্থী। তাই তাঁর কাছ থেকে ট্রফি নেওয়া সম্ভব নয় বলে মনে করে বিসিসিআই।

নাকভির সঙ্গে দেখা করতে আপত্তি নেই

তবে নাকভির সঙ্গে একই জায়গায় থাকা বা তাঁর সঙ্গে দেখা করাকে সমস্যা হিসেবে দেখছে না ভারতীয় বোর্ড।নারী এশিয়া কাপের ফাইনালের সময় দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামের রয়্যাল বক্সে ছিলেন সাইকিয়া। সেখানে নাকভির সঙ্গেও তাঁর দেখা হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটি ছিল স্বাভাবিক আনুষ্ঠানিকতা।সাইকিয়ার ভাষ্য অনুযায়ী, ম্যাচ চলাকালে রয়্যাল বক্সে যাঁরা এসেছেন, তিনি সবার সঙ্গেই দেখা করেছেন ও কথা বলেছেন। নাকভিও সেখানে এসেছিলেন এবং এসিসির সহসভাপতি খালিদ আল জারুনির পাশে বসেছিলেন।অর্থাৎ ব্যক্তিগতভাবে দেখা করা বা সৌজন্য বিনিময়ে আপত্তি নেই; আপত্তি নাকভির হাত থেকে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি গ্রহণে।

বিকল্প প্রস্তাবেও সমাধান হয়নি

ভারতীয় দলকে ট্রফি দেওয়ার জন্য বিসিসিআই চেয়েছিল, এসিসির সহসভাপতি খালিদ আল জারুনির হাত থেকে ট্রফি তুলে দেওয়া হোক। কিন্তু নাকভি এতে রাজি হননি।ফলে শেষ পর্যন্ত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান থেকে ভারতীয় দল ট্রফি ছাড়াই সরে যায়।তবে এতে কোনো আক্ষেপ নেই বলে জানিয়েছেন সাইকিয়া। তাঁর মতে, কে ট্রফি তুলে দেবেন—এটি ভারতের মূল বিষয় ছিল না। মূল লক্ষ্য ছিল মাঠে ভালো খেলে শিরোপা জয় করা।

ট্রফি ছাড়াই চ্যাম্পিয়ন ভারত

দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে শ্রীলঙ্কাকে ৭২ রানে হারিয়ে অষ্টমবারের মতো নারী এশিয়া কাপের চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ভারত। কিন্তু শিরোপা জয়ের পরও ট্রফি হাতে নেওয়ার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়নি।টানা দুই বছর একই ঘটনা ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট সম্পর্কের বর্তমান বাস্তবতাকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে। বহুজাতিক টুর্নামেন্টে দুই দল মাঠে নামছে, কিন্তু মাঠের বাইরের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক দূরত্বের ছাপ থাকছে পুরস্কার বিতরণীর মঞ্চেও।ভারত এশিয়া কাপ জিতছে, কিন্তু নাকভির হাত থেকে ট্রফি নিচ্ছে না—এখন এটি যেন দুই দেশের ক্রিকেট-সম্পর্কের নতুন এক প্রতীক হয়ে উঠেছে।

কালের আলো/এসএ

এলপি গ্যাসে কারচুপি, ১০২ প্রতিষ্ঠানকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫২ পূর্বাহ্ণ
এলপি গ্যাসে কারচুপি, ১০২ প্রতিষ্ঠানকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে মূল্য স্থিতিশীল রাখা এবং সরকার নির্ধারিত দামে এলপি গ্যাস বিক্রি নিশ্চিত করতে দেশব্যাপী বিশেষ তদারকি অভিযান চালিয়েছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। রাজধানীসহ ৩০ জেলায় পরিচালিত এ অভিযানে বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে ১০২টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ১০ লাখ ৩১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

রোববার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, অধিদপ্তরের ৪৪টি দল একযোগে পাইকারি ও খুচরা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযানে পণ্যের মূল্যতালিকা প্রদর্শন, ক্রয়-বিক্রয়ের ভাউচার সংরক্ষণ ও প্রদান, সঠিক ওজন এবং সরকার নির্ধারিত মূল্যে এলপি গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে কি না—এসব বিষয় যাচাই করা হয়। নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা, অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি ঠেকানো এবং গ্যাস সিলিন্ডারের অতিরিক্ত দাম আদায় বন্ধ করাই ছিল অভিযানের উদ্দেশ্য।

সাভারের আমতলা ও কুটুরিয়া বাজারের দুটি এলপি গ্যাস ডিলার পয়েন্টে অভিযান চালিয়ে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়। এ সময় হাজী আব্দুর রহমান এন্টারপ্রাইজকে ১০ হাজার টাকা এবং ইকবাল এন্টারপ্রাইজকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

অধিদপ্তর জানায়, প্রতিষ্ঠান দুটির বিরুদ্ধে যথাযথভাবে ক্রয়-বিক্রয়ের ভাউচার সংরক্ষণ না করা, প্রদর্শিত মূল্যতালিকার চেয়ে বেশি দামে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি এবং বিশেষ পাইপের মাধ্যমে গ্যাস স্থানান্তর করে ওজনে কারচুপির অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। অভিযানে কারচুপিতে ব্যবহৃত বিশেষ পাইপ এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সিল-স্টিকারও জব্দ করা হয়।

এর মধ্যে সরবরাহ সংকটের কারণে অক্টোবর মাসে এলপি গ্যাসের দামও বাড়িয়েছে সরকার। রোববার বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২৫২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করে। সেপ্টেম্বরে একই সিলিন্ডারের দাম ছিল ১ হাজার ৫৮৫ টাকা।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ভোক্তাদের পণ্য কেনার আগে মূল্যতালিকা যাচাই, সঠিক ওজন নিশ্চিত করা এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য, উৎপাদনের তারিখ ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ দেখে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। গ্যাস সিলিন্ডার কেনার সময় ওজন, সিল ও দৃশ্যমান ত্রুটি পরীক্ষা এবং ক্রয়ের রশিদ বা ভাউচার সংগ্রহেরও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

কোনো অনিয়ম বা প্রতারণার শিকার হলে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের হটলাইন ১৬১২১ নম্বরে অভিযোগ জানাতে বলা হয়েছে।

বাজারে শৃঙ্খলা, ন্যায্যমূল্য ও পণ্যের স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত করতে এ ধরনের তদারকি অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

বাংলা কিউআরের হাত ধরে বদলে যাচ্ছে ব্যাংকিংয়ের হিসাব

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩৭ পূর্বাহ্ণ
বাংলা কিউআরের হাত ধরে বদলে যাচ্ছে ব্যাংকিংয়ের হিসাব

দেশে ব্যাংকিং সেবার ধরন দ্রুত বদলে যাচ্ছে। ব্যাংকের শাখা কিংবা ওয়েবসাইটের পরিবর্তে স্মার্টফোনের অ্যাপ ব্যবহার করেই এখন ব্যাংকিংয়ের বড় অংশের কাজ সারছেন গ্রাহকরা। এ পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে আন্তঃব্যাংক ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থা বাংলা কিউআর।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, গত জুলাই শেষে দেশে ব্যাংকিং অ্যাপ ব্যবহারকারীর সংখ্যা ২ কোটি ৯ লাখ ৭৫ হাজার ছাড়িয়েছে। এক বছর আগে, গত বছরের আগস্টে এই সংখ্যা ছিল প্রায় ৭১ লাখ ৬৬ হাজার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে ব্যবহারকারী বেড়েছে প্রায় ১ কোটি ৩৮ লাখ, যা প্রায় তিন গুণ।

২০২৩ সালে আন্তঃব্যাংক কোডভিত্তিক লেনদেনের জন্য বাংলা কিউআর চালু করে বাংলাদেশ ব্যাংক। চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে সব প্রতিষ্ঠানের কোডভিত্তিক লেনদেন বাংলা কিউআরের মাধ্যমে করার নির্দেশনা দেওয়া হয়। এতে বিভিন্ন ব্যাংক ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) অ্যাপ ব্যবহার করে একই কিউআর কোড স্ক্যানের মাধ্যমে অর্থ পরিশোধের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

বাংলা কিউআরের ফলে নির্দিষ্ট কোনো ব্যাংকের গ্রাহককে শুধু সেই ব্যাংকের মাধ্যমেই লেনদেন করতে হচ্ছে না। যেকোনো ব্যাংক বা এমএফএস অ্যাপ ব্যবহার করে অর্থ পরিশোধ করা যাচ্ছে। এতে সাধারণ গ্রাহকের পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের মধ্যেও কিউআরভিত্তিক লেনদেনের আগ্রহ বাড়ছে।

অ্যাপ ব্যবহারকারীর পাশাপাশি লেনদেনের পরিমাণও বেড়েছে। গত জুলাইয়ে ব্যাংকিং অ্যাপের মাধ্যমে ১ লাখ ৭৪ হাজার ১২৯ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। এক বছর আগে, গত আগস্টে এই পরিমাণ ছিল ১ লাখ ১২ হাজার ৩০৪ কোটি টাকা। অবশ্য একক মাস হিসেবে সর্বোচ্চ লেনদেন হয়েছিল গত জুনে—১ লাখ ৮৪ হাজার ৩৪৯ কোটি টাকা।

অন্যদিকে কমছে ব্রাউজারভিত্তিক ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের ব্যবহার। গত জুলাই শেষে ব্যাংকের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সেবা নেওয়া গ্রাহকের সংখ্যা ছিল ২৪ লাখ ৮৯ হাজার। বিপরীতে অ্যাপ ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল ২ কোটি ৯ লাখ ৭৫ হাজারের বেশি।

অ্যাপ ও ব্রাউজার মিলিয়ে গত জুলাই শেষে মোট ইন্টারনেট ব্যাংকিং ব্যবহারকারী দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৩৪ লাখ ৬৪ হাজারের বেশি। গত বছরের আগস্টে এই সংখ্যা ছিল প্রায় ১ কোটি ১৯ লাখ ৬৭ হাজার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান বলেন, একসময় অ্যাপভিত্তিক লেনদেনকে মূলত এমএফএসের সঙ্গে সম্পর্কিত মনে করা হতো। বাংলা কিউআর চালুর পর ব্যাংকসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এর গুরুত্ব বুঝতে শুরু করেছে। যেসব ব্যাংকের নিজস্ব অ্যাপ ছিল না, তাদেরও এ ব্যবস্থায় যুক্ত হওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ফলে বাংলা কিউআর এখন শুধু একটি পেমেন্ট ব্যবস্থা নয়; এটি ব্যাংকের ডিজিটাল সেবা, অ্যাপ ব্যবহার এবং গ্রাহকের দৈনন্দিন আর্থিক কর্মকাণ্ডের মধ্যে যোগসূত্র তৈরি করছে।

ব্যাংকিং অ্যাপের ব্যবহার বৃদ্ধির এই প্রবণতা ইঙ্গিত দিচ্ছে, গ্রাহকদের ব্যাংকিং অভ্যাসে বড় পরিবর্তন এসেছে। ভবিষ্যতে বাংলা কিউআর ও অ্যাপভিত্তিক সেবা আরও বিস্তৃত হলে স্মার্টফোনই হয়ে উঠতে পারে দৈনন্দিন ব্যাংকিংয়ের প্রধান মাধ্যম।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

জরুরি সংকেতের পর নিখোঁজ এয়ার অ্যাম্বুলেন্স, মিলল ধ্বংসাবশেষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:২৯ পূর্বাহ্ণ
জরুরি সংকেতের পর নিখোঁজ এয়ার অ্যাম্বুলেন্স, মিলল ধ্বংসাবশেষ

যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের ন্যান্টাকেট দ্বীপের উপকূলে আটলান্টিক মহাসাগরে নিখোঁজ একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ধ্বংসাবশেষ শনাক্ত করেছে মার্কিন কোস্ট গার্ড। তবে বিমানটিতে থাকা ছয় আরোহীর এখনো কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

মার্কিন কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, স্থানীয় সময় শনিবার ভোরে ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) তাদের জানায়, সি-জিআরজেপি টেইল নম্বরের একটি গালফস্ট্রিম জি১০০ বিমানের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। এরপর ন্যান্টাকেটের আশপাশের বিশাল সমুদ্র এলাকায় ব্যাপক অনুসন্ধান শুরু করা হয়।

কয়েক ঘণ্টার অভিযানের পর বিমানটির সঙ্গে সম্পর্কিত একটি ধ্বংসাবশেষের এলাকা শনাক্ত করা হয়। কানাডাভিত্তিক ল্যাটিটিউড এয়ার অ্যাম্বুলেন্স পরিচালিত বিমানটিতে চারজন ক্রু ও দুজন যাত্রী ছিলেন।

কোম্পানির মুখপাত্র ক্ল্যারেন্স টোগেরেটজ জানিয়েছেন, আরোহীদের মধ্যে ছিলেন দুজন পাইলট, দুজন চিকিৎসাকর্মী, একজন রোগী ও রোগীর পরিবারের একজন সদস্য। চার ক্রু কানাডার নাগরিক এবং দুই যাত্রী বারমুডার নাগরিক।

প্রাথমিক ফ্লাইট-ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, নিখোঁজ হওয়ার আগে বিমানটি প্রায় ২৪ হাজার ফুট উচ্চতায় উড়ছিল। পরে অল্প সময়ের মধ্যে এটি ১০ থেকে ১১ হাজার ফুট উচ্চতায় নেমে আসে। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার কিছুক্ষণ আগে পাইলট জরুরি পরিস্থিতির কথা জানিয়েছিলেন।

নিখোঁজ ছয় আরোহীর সন্ধানে এখনো উদ্ধার অভিযান চলছে। কোস্ট গার্ডের বিমান, হেলিকপ্টার ও নৌযান দিয়ে সমুদ্রে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। কানাডার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষও এ অভিযানে মার্কিন কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতা করছে।

সূত্র: এনডিটিভি 

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি