খুঁজুন
                               
, ,
           

নভেম্বরেই স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু: ইসি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:২৩ অপরাহ্ণ
নভেম্বরেই স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু: ইসি

দেশে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী নভেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে কমিশন। প্রথম পর্যায়ে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন আয়োজন করা হবে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ।

তিনি বলেন, আগামী নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকেই দেশের স্থানীয় সরকার নির্বাচন কার্যক্রম শুরু করা হবে। প্রথম ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে কয়েকটি ধাপে দেশের বিভিন্ন এলাকায় স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করবে কমিশন।

আইন সংশোধনের বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনার বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আইনে নতুন কোনো পরিবর্তন বা সংশোধন না এলে বিদ্যমান আইন অনুযায়ীই নির্বাচন পরিচালনা করবে ইসি।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান আইনি কাঠামোর ভিত্তিতে নির্বাচন আয়োজন করতে কোনো আইনগত বা কার্যগত জটিলতা হবে না। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

ভেনিসে হামলা: দেশে ফিরে যা বললেন বাঁধন

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:২৩ অপরাহ্ণ
ভেনিসে হামলা: দেশে ফিরে যা বললেন বাঁধন

ইতালির ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিতে গিয়ে হামলা ও হেনস্তার শিকার হওয়ার পর দেশে ফিরেছেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। সোমবার সকালে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি।

ভেনিসে হামলার প্রসঙ্গে বাঁধন বলেন, হামলাকারীরা তাঁকে শুধু গালাগাল বা স্লোগান দেয়নি, তাঁর গায়ে হাতও তুলেছে। তাঁর ভাষ্য, এই ধরনের আচরণ বন্ধ হওয়া প্রয়োজন।

বাঁধন বলেন, ‘‘আমার গায়ে হাত তুলেছে। তাদের এই বর্বরতা বন্ধ হতে হবে। আমার কাছে মনে হয়, তারা তাদের স্থানটাকে আসলে অনিরাপদ করছে।’’

ভেনিসের ঘটনায় দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন এই অভিনেত্রী। তাঁর অভিযোগ, প্রবাসী বাংলাদেশিদের একটি অংশ তাঁকে আক্রমণ করেছে। এ ধরনের ঘটনা বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের মানুষের ভাবমূর্তি নিয়ে নেতিবাচক ধারণা তৈরি করতে পারে বলে মনে করেন তিনি।

হামলার জন্য রাজনৈতিক পরিচয়কে দায়ী করলেন বাঁধন

বাঁধনের দাবি, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে তাঁর সক্রিয় ভূমিকার কারণে তাঁকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, হামলাকারীদের মধ্যে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের কর্মী ছিলেন।

আওয়ামী লীগের সমর্থকদের উদ্দেশে বাঁধন বলেন, দলকে সমর্থন করা যেতে পারে, তবে দলের প্রতি অন্ধ আনুগত্য না দেখানোর আহ্বান জানান তিনি। তাঁর মতে, কোনো অপরাধের দায়ে সাধারণ কর্মীদের বিচার হলে এর প্রভাব তাঁদের পরিবারের ওপরও পড়তে পারে।

বিদেশে থাকা আওয়ামী লীগের নেতাদের নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বাঁধন। তাঁর ভাষ্য, বিদেশে বসে কেউ অডিও বা ভিডিও বার্তার মাধ্যমে কর্মীদের উসকে দিলেও সেই নেতাদের জীবন সাধারণ কর্মীদের মতো নয়।

আওয়ামী লীগের নেতাদেরও বার্তা

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাদের উদ্দেশে বাঁধন বলেন, দলটি বড় রাজনৈতিক দল এবং ভবিষ্যতে তারা রাজনীতি করতে চাইলে এখন থেকেই সেই রাজনীতির ধরন ও রূপরেখা নিয়ে ভাবা উচিত।

তিনি বলেন, এমন কোনো রাজনৈতিক পথ তৈরি করা উচিত নয়, যার জন্য ভবিষ্যতে দলটির নেতাদের লজ্জিত হতে হয়।

নিজের টিম নিয়েও অভিযোগ

সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় নিজের টিম নিয়েও অভিযোগ করেন বাঁধন। তাঁর দাবি, অন্যরা তাঁকে সহযোগিতা করলেও তাঁর টিম তাঁকে ‘ডিজওন’ করেছে। এ ছাড়া টরন্টো ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল থেকেও তাঁকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

গত সপ্তাহে ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে রুবাইয়াত হোসেন পরিচালিত ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’ সিনেমার দলের সঙ্গে অংশ নেন বাঁধন। ৬ সেপ্টেম্বর সালা দারসেনা থিয়েটারে ছবিটির ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার হয়। প্রিমিয়ার শেষে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঘুরতে বের হলে হামলা ও হেনস্তার শিকার হওয়ার অভিযোগ করেন তিনি।

কালের আলো/এসএ

গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের অবসান মঙ্গলবার রাত থেকে: এফবিসিসিআই

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৫০ অপরাহ্ণ
গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের অবসান মঙ্গলবার রাত থেকে: এফবিসিসিআই

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত থেকে দেশে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতি সাম্প্রতিক সংকটের আগের অবস্থায় ফিরে আসবে বলে জানিয়েছেন এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক ফজলুল হক।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ২০টি ব্যবসায়ী সংগঠনের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

ফজলুল হক বলেন, বৈঠকের সবচেয়ে বড় স্বস্তির খবর হলো—প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, মঙ্গলবার রাত থেকেই নতুন করে তৈরি হওয়া গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট কাটিয়ে সরবরাহ পরিস্থিতি আগের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরবে।

তিনি জানান, চলমান সংকট মোকাবিলার পাশাপাশি শিল্পের বিকাশ ও নতুন বিনিয়োগের জন্য ভবিষ্যতে বাড়তি জ্বালানি চাহিদা পূরণে সরকারের পক্ষ থেকে একটি পরিষ্কার রূপরেখা দেওয়া হয়েছে।

এফবিসিসিআই প্রশাসক আরও বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে উৎপাদন বাড়াতে সরকারের বিস্তারিত পরিকল্পনা ব্যবসায়ী নেতাদের সামনে তুলে ধরা হয়েছে। ব্যবসায়ীরা বর্তমান সংকটের দ্রুত সমাধানের পাশাপাশি এসব পরিকল্পনার সুষ্ঠু বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।

প্রায় তিন ঘণ্টার বৈঠকে ব্যবসায়ী নেতারা তাদের বিভিন্ন সমস্যা ও পরামর্শ তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও উপদেষ্টারা তাদের বক্তব্য শোনেন এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

বৈঠকে জ্বালানি সংকটের পাশাপাশি বন্দর, ব্যাংকিং ব্যবস্থা ও ব্যবসা পরিচালনার বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা নিয়েও আলোচনা হয়। এতে বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, বিডা চেয়ারম্যান, পেট্রোবাংলা ও পিডিবির চেয়ারম্যানসহ এফবিসিসিআই, বিজিএমইএ, বিকেএমইএ ও এমসিসিআইয়ের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

আ.লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের রিট প্রত্যাহার চাইলেন লীগপন্থী আইনজীবীরাই

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৪০ অপরাহ্ণ
আ.লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের রিট প্রত্যাহার চাইলেন লীগপন্থী আইনজীবীরাই

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে সরকারের জারি করা প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিটটি খারিজ করে দিয়েছে হাইকোর্ট।

রিটটি আওয়ামী লীগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কেউ দায়ের করেননি এবং এর পেছনে ‘প্রতারণার’ উদ্দেশ্য থাকতে পারে— খোদ আওয়ামীপন্থি আইনজীবীদের এমন আপত্তির প্রেক্ষিতেই আদালত রিটটি ‘উত্থাপিত হয়নি’ (নট প্রেসড) মর্মে খারিজ করে দেয়।

রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমদ ভূঞার সমন্বয়ে গঠিত হাই কোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নূর মোহাম্মদ আজমি। অন্যদিকে আওয়ামীপন্থি আইনজীবী হিসেবে শুনানিতে অংশ নেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী নূরুন্নবী বুলবুল। এদিন আদালতে শতাধিক আওয়ামীপন্থি আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে।

এর আগে গত ৭ সেপ্টেম্বর মুন্সীগঞ্জের বাসিন্দা মো. আল আমিনের পক্ষে রিট আবেদনটি দায়ের করেছিলেন আইনজীবী ইউনূস আলী।

রিটে ২০২৫ সালের ১২ মে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনটি কেন ‘আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত’ ঘোষণা করা হবে না, সে বিষয়ে রুল চাওয়ার পাশাপাশি প্রজ্ঞাপনটির কার্যকারিতা স্থগিতের আরজি জানানো হয়েছিল।

যে কারণে রিটের বিরোধিতা করলেন আওয়ামীপন্হী আইনজীবীরা
আওয়ামী লীগের পক্ষে দায়ের করা রিট কেন আওয়ামীপন্হী আইনজীবীরাই খারিজ চাইলেন— এ নিয়ে আদালতে এবং আদালতের বাইরে নানা আলোচনা তৈরি হয়।

তবে আইনজীবীরা জানিয়েছেন, দলগত কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই এবং আইনি বৈধতা (লুকাস স্ট্যান্ডি) নেই— এমন এক ব্যক্তির রিট করার পেছনে তারা অসৎ উদ্দেশ্য দেখছেন। এছাড়া বিষয়টি আইনিভাবে নয়, বরং রাজনৈতিকভাবে রাজপথে মোকাবিলার নীতিগত অবস্থানে রয়েছে দলটি।

জানা যায়, জেলে থাকা নেতাকর্মীদের আইনি সহায়তা দিতে সম্প্রতি আওয়ামী লীগের হাইকমান্ডের অনুমতিতেই গঠন করা হয়েছে ‘আইন সহায়ক পরিষদ’। এই পরিষদের সদস্যসচিব হিসেবে আছেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী নূরুন্নবী বুলবুল।

শুনানির বিষয়ে নূরুন্নবী বুলবুল বলেন, ‘যিনি রিট পিটিশনটি দাখিল করেছেন, তিনি ভুল পরামর্শের শিকার হয়েছিলেন। আদালতের কাছে আমাদের সাবমিশন ছিল— এই মামলা দায়েরের এখতিয়ার বা ‘লোকাস স্ট্যান্ডি’ ওই ব্যক্তির নেই। কারণ তিনি আওয়ামী লীগের কোনো নেতা, কর্মী বা কোনো পর্যায়ের কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। তিনি দলটিকে প্রতিনিধিত্ব করার কোনো অধিকার রাখেন না।’

তিনি আরও জানান, রিটকারীর আইনজীবী মোহাম্মদ ইউনুস আলীও আদালতে উপস্থিত থেকে স্বীকার করেছেন যে, রিটকারী সঠিক পরামর্শ পাননি। এরপর উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আদালত রিটটি ‘নট ইন ফর্ম’ ও ‘নট প্রেসড’ হিসেবে খারিজ করে দেন।

আওয়ামীপন্হী আরেক আইনজীবী সুবির নন্দি দাস বিষয়টি আরও স্পষ্ট করে বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সেন্ট্রাল কমিটি বা দলীয় সভাপতি রয়েছেন। দলের কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত ছাড়া, হাজার হাজার আইনজীবী থাকতে বাইরের একজন ব্যক্তি কেন মামলা করবেন? আমরা বিষয়টি পজিটিভলি দেখিনি।’

সন্দেহ পোষণ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে মনে হয়েছে, নিষিদ্ধকরণের কার্যক্রমকে আদালতের মাধ্যমে বৈধতা পাইয়ে দেওয়ার হীন উদ্দেশ্যেই যেনতেনভাবে মামলাটি ফাইল করা হয়েছিল। এটার মধ্যে বহু প্রতারণা রয়েছে। রিটকারীর আইনজীবীও পরে আমাদের বক্তব্যের সাথে একমত হয়েছেন।’

এই আদেশের বিরুদ্ধে দলের পক্ষ থেকে নতুন করে কোনো রিট করা হবে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে সুবির নন্দি দাস বলেন, ‘আওয়ামী লীগের কার্যক্রম সরকার নির্বাহী আদেশে নিষিদ্ধ করেছে। এটি একটি রাজনৈতিক ব্যাপার। আওয়ামী লীগ এটি রাজনৈতিকভাবে রাজপথে মোকাবিলা করবে। আমরা এটি নিয়ে এখনই কোর্টে যেতে চাই না। এমন কোনো চিন্তাও আপাতত নেই।’

একই মত আরেক আইনজীবী তৌহিদ তিতাসেরও। তিনি বলেন, ‘এই রিট করার জন্য আওয়ামী লীগ থেকে দলীয় কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি এবং যে ব্যক্তি রিটটি করেছেন তিনি রিট করার সঠিক ব্যক্তি নন। ভবিষ্যতে আওয়ামী লীগ যেন আর কোনো রিট ফাইল না করতে পারে- সেই দুরভিসন্ধি বাস্তবায়ন করতেই বেনামি ব্যক্তিকে পিটিশনার বানিয়ে করা হয়েছে।’

তৌহিদ তিতাস মনে করেন, এটি আওয়ামী লীগকে বিচারিক প্রক্রিয়ায় নিষিদ্ধ করার একটি ‘বিচারিক ষড়যন্ত্র’। তার মতে, আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের নির্বাহী আদেশ দল হিসেবে রাজপথে লড়াই করেই প্রত্যাহার করবে তারা।

তবে ‘রিটটি দায়ের করার জন্য রিটকারী উপযুক্ত ব্যক্তি নয়’ রিট প্রত্যাহারে এই দাবি ছাড়া অন্য কিছু দেখাতে পারেননি তারা। এটিই রিট প্রত্যাহারে তাদের প্রধান আর্গুমেন্ট ছিলো বলে জানান আওয়ামীপন্থী আইনজীবীরা।

রাষ্ট্রপক্ষের বক্তব্য
শুনানির বিষয়ে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নূর মোহাম্মদ আজমি বলেন, “আমাদের বক্তব্য ছিল, উনারা যদি রিটটি চালাতে চান, তবে আমরা আমাদের সাবমিশন রাখব, যার জন্য সময়ের প্রয়োজন। কিন্তু রিটকারীর পক্ষ থেকেই যখন বলা হলো যে আবেদনটি যথাযথ প্রক্রিয়ায় (প্রপার ম্যানারে) ফাইল করা হয়নি এবং তারা এটি চালাবেন না, তখন আদালত স্বাভাবিকভাবেই সেটি ‘উত্থাপিত হয়নি’ মর্মে খারিজ করে দিয়েছেন।”

প্রজ্ঞাপনে যা ছিল
এর আগে গত ২০২৫ সালের ১২ মে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ এবং এর সব অঙ্গ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।

ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছিল, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিচারকাজ সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তাদের কোনো ধরনের প্রকাশনা, গণমাধ্যম, অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণা, মিছিল, সভা-সমাবেশ ও সম্মেলন আয়োজনসহ যাবতীয় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ থাকবে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ