খুঁজুন
                               
, ,
           

ইব্রাহিমি মসজিদে মুসলিমদের প্রবেশ বন্ধ করল ইসরায়েল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৪৩ অপরাহ্ণ
ইব্রাহিমি মসজিদে মুসলিমদের প্রবেশ বন্ধ করল ইসরায়েল

ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরের হেবরন শহরের ইব্রাহিমি মসজিদ মুসলিমদের জন্য বন্ধ করে দিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। বুধবার থেকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত মসজিদটিতে মুসল্লিদের নামাজ আদায়ের জন্য প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। ইহুদি ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে নিরাপত্তাব্যবস্থার অংশ হিসেবে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী।

আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মসজিদ বন্ধ করে দেওয়ার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে ফিলিস্তিনের ধর্ম মন্ত্রণালয়। মসজিদটির বিরুদ্ধে কথিত ‘পদ্ধতিগত লঙ্ঘন’ বন্ধে আন্তর্জাতিক ও মানবাধিকার সংস্থাগুলোর জরুরি হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে তারা। একই সঙ্গে মুসলিমদের মসজিদে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।

ইব্রাহিমি মসজিদের পরিচালক মোতাসেম আবু স্নেইনেহ অভিযোগ করে বলেন, মসজিদ বন্ধের এই পদক্ষেপ চলমান উত্তেজনা এবং মসজিদের অবশিষ্ট অংশ দখলের প্রচেষ্টার অংশ। তাঁর দাবি, মসজিদের সব কক্ষ ও প্রাঙ্গণই ইসলামী স্থাপনা ও পবিত্র স্থান।

মসজিদ বন্ধের পাশাপাশি এর আশপাশে ইসরায়েলি বাহিনীর সামরিক তৎপরতাও জোরদার করা হয়েছে। মসজিদে যাওয়ার পথে কয়েকটি চেকপয়েন্ট ও ইলেকট্রনিক গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এতে আশপাশের দুটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষক-কর্মীদের চলাচলও বাধাগ্রস্ত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

হেবরনের পুরোনো শহরে অবস্থিত ইব্রাহিমি মসজিদটি দীর্ঘদিন ধরে ইসরায়েলি-ফিলিস্তিনি বিরোধের অন্যতম স্পর্শকাতর স্থান। ১৯৯৪ সালের এক হত্যাকাণ্ডের পর মসজিদটি মুসলিম ও ইহুদি উপাসকদের জন্য ভাগ করে দেওয়া হয়।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

কালের আলো/এসএ

দৌলতপুরে এখনও পানিবন্দি ৫০ হাজার মানুষ, সুপেয় পানির সংকট

দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) সংবাদদাতা
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২৭ অপরাহ্ণ
দৌলতপুরে এখনও পানিবন্দি ৫০ হাজার মানুষ, সুপেয় পানির সংকট

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পদ্মার পানি কমতে শুরু করলেও বন্যাদুর্গত মানুষের দুর্ভোগ কাটেনি। বরং পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে দেখা দিয়েছে সুপেয় পানির সংকট। পাশাপাশি পানিবাহিত রোগ, সাপ ও পোকামাকড়ের উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় নতুন করে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়েছেন দুর্গত এলাকার বাসিন্দারা।

কুষ্টিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) তথ্য অনুযায়ী, গত তিন দিনে পদ্মার পানি প্রায় ১৫ সেন্টিমিটার কমেছে। এতে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও উপজেলার চিলমারী ও রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের দুর্গম চরাঞ্চলের মানুষের দুর্ভোগ এখনও অব্যাহত রয়েছে।

রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের বকমারি গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল মজিদ বলেন, পানি কিছুটা কমলেও তাদের কষ্ট কমেনি। ঘরের ভেতরে-বাইরে সাপ ও পোকামাকড়ের উপদ্রব বেড়েছে। আশপাশের গ্রাম ডুবে থাকায় অনেক দূর থেকে খাবার পানি সংগ্রহ করতে হচ্ছে। তিনি শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও চিকিৎসাসেবার দাবি জানান।

চিলমারী ইউনিয়নের উদয়নগর গ্রামের রহিমা খাতুন বলেন, পানি নেমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন বাড়িতে ডায়রিয়া, আমাশয় ও চর্মরোগ দেখা দিচ্ছে। সন্তানদের নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন। দুর্গত এলাকায় স্বাস্থ্যক্যাম্প স্থাপন ও খাদ্য সহায়তার দাবি জানান তিনি।

সাম্প্রতিক বন্যায় দৌলতপুরের পদ্মাতীরের বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়। এতে এক হাজার হেক্টরের বেশি জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চিলমারী ও রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ এখনও পানিবন্দি রয়েছেন। দুর্গতদের অভিযোগ, অনেক এলাকায় এখনও পর্যাপ্ত চিকিৎসাসেবা ও সরকারি ত্রাণ পৌঁছেনি।

দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তৌহিদুল হাসান তুহিন বলেন, বন্যার পানি নামার সঙ্গে সঙ্গে পানিবাহিত রোগ ও পোকামাকড়ের আক্রমণ বাড়ে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় স্বাস্থ্যকর্মীদের পাশাপাশি দুটি ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল টিম কাজ করছে। সাপের কামড়ের চিকিৎসার জন্য পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনম মজুত রাখা হয়েছে। পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট, স্যালাইন ও প্রয়োজনীয় ওষুধ বিতরণও জোরদার করা হচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অনিন্দ্য গুহ বলেন, পদ্মার পানি কমতে শুরু করায় বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে স্বাস্থ্যঝুঁকি ও দুর্গত মানুষের দুর্ভোগ মোকাবিলায় প্রশাসন সতর্ক রয়েছে। চিলমারী, রামকৃষ্ণপুরসহ দুর্গম চরাঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার কাজ চলছে। পাশাপাশি স্যানিটেশন, বিশুদ্ধ পানি ও গোখাদ্য সরবরাহেও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো কাজ করছে।

বিজিবির খাদ্য সহায়তা

বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বুধবার বেলা ১১টার দিকে চিলমারী ইউনিয়নের বাংলাবাজার-উদয়নগর ও ভাগজত এলাকায় কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের (৪৭ বিজিবি) উদ্যোগে ৫০০ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। এসব খাদ্যসামগ্রীর মধ্যে ছিল চাল, ডাল, তেল, আটা ও লবণ।

খাদ্যসামগ্রী বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন বিজিবি দক্ষিণ-পশ্চিম রিজিয়নের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহমুদুল হাসান, কুষ্টিয়া সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মোহাম্মদ ইফতেখার হোসেন এবং ৪৭ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহমুদুল হাসান বলেন, সীমান্ত রক্ষার পাশাপাশি প্রাকৃতিক দুর্যোগে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো বিজিবির দায়িত্বের অংশ। বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত মানবিক সহায়তা অব্যাহত থাকবে।

কালের আলো/এমএসআইপি/এসকে

ভেজালমুক্ত পণ্য নিশ্চিত করতে শক্তিশালী হচ্ছে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২১ অপরাহ্ণ
ভেজালমুক্ত পণ্য নিশ্চিত করতে শক্তিশালী হচ্ছে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর

ভোক্তাদের নিরাপদ, বিশুদ্ধ ও মানসম্মত পণ্য নিশ্চিত করতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে প্রযুক্তি, জনবল ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার দিক থেকে আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, একজন মানুষ কষ্টার্জিত অর্থ দিয়ে যেন ভেজাল, নিম্নমানের বা ক্ষতিকর পণ্য কিনতে বাধ্য না হন, তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। দেশের ১৭ থেকে ১৮ কোটি মানুষের ভোক্তা অধিকার সুরক্ষায় অধিদপ্তরের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অধিদপ্তরকে আধুনিক ও কার্যকর করতে প্রশিক্ষণ, জনবল বৃদ্ধি, আধুনিক যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হবে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি বিদ্যমান সেবাগুলো পর্যায়ক্রমে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, একটি প্রতিষ্ঠানের আকার বা পরিচিতির চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো মানুষের জীবনে ওই প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমের বাস্তব প্রভাব। সে বিবেচনায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কাজের গুরুত্ব অনেক বেশি।

আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণকারী প্রতিষ্ঠানের কাঠামো, জনবল ও সেবা কার্যক্রম নিয়ে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানকে (বিআইডিএস) দিয়ে গবেষণা পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, গবেষণার সুপারিশের ভিত্তিতে অধিদপ্তরের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত ও জনবান্ধব করা হবে। ভোক্তারা যাতে সহজে ও কার্যকরভাবে অধিদপ্তরের সেবা পান, সে লক্ষ্যে শিগগির নতুন কিছু উদ্যোগ নেওয়া হবে।

মতবিনিময় সভায় অধিদপ্তরের বর্তমান কার্যক্রম, প্রযুক্তির ব্যবহার, জনবল কাঠামো, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং ভোক্তা সেবা আরও সহজ ও কার্যকর করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খান। সভাপতিত্ব করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জহিরুল ইসলাম। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাসান আরিফও সভায় উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

সাবোখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়

২২৪ শিক্ষার্থীর পাঠদান, শ্রেণিকক্ষের অভাবে আশ্রয় বটতলায়

চিতলমারী (বাগেরহাট)সংবাদদাতা
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০৬ অপরাহ্ণ
২২৪ শিক্ষার্থীর পাঠদান, শ্রেণিকক্ষের অভাবে আশ্রয় বটতলায়

বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার সাবোখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষ সংকটে খোলা আকাশের নিচে বটতলায় পাঠদান চলছে। পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষ না থাকায় কয়েকটি শ্রেণির শিক্ষার্থীদের এভাবেই ক্লাস করতে হচ্ছে। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগের পাশাপাশি ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক পাঠদান।

১৯৬৭ সালে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে ২২৪ জন শিক্ষার্থী নিয়মিত ক্লাস করছে। তবে শিক্ষার্থীর তুলনায় শ্রেণিকক্ষের সংখ্যা কম হওয়ায় জায়গার সংকট দেখা দিয়েছে। বিদ্যালয়ের ভবনের বিভিন্ন স্থানে পলেস্তারা খসে পড়ছে, ফ্লোর ও দেয়ালে ফাটল রয়েছে। বর্ষাকালে টিনের চাল দিয়ে পানি পড়ে। ভেঙে গেছে হোয়াইট বোর্ড; নেই ডিজিটাল ক্লাসের ব্যবস্থাও।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিপদ ভঞ্জন মণ্ডল বলেন, পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষ না থাকায় কয়েকটি ক্লাস বটতলায় নিতে হচ্ছে। বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি ও পাঠদানের পরিবেশ নিশ্চিত করতে বিদ্যালয়ে একটি নতুন চারতলা ভবন নির্মাণ জরুরি।

তিনি জানান, নতুন ভবন নির্মাণের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিত আবেদন করা হয়েছে। দ্রুত এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

এদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী বিদ্যালয়ে তিনটি নিয়ম কঠোরভাবে পালন করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা বাড়ি থেকে টিফিন নিয়ে আসছে, টিফিনের সময় বিদ্যালয়ের বাইরে গিয়ে দোকানের খাবার খাচ্ছে না এবং বিদ্যালয়ে মোবাইল ফোন ও মোটরসাইকেল নিয়ে আসছে না।

প্রধান শিক্ষক বলেন, এসব নিয়ম চালু হওয়ার পর শিক্ষার্থীদের শ্রেণিপাঠে মনোযোগ বেড়েছে বলে শিক্ষক ও অভিভাবকেরা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকিও কমেছে।

নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী মৌসুমী বিশ্বাসসহ অন্য শিক্ষার্থীরা জানায়, নতুন নিয়মগুলো চালুর পর পড়াশোনায় মনোযোগ বেড়েছে। তবে শ্রেণিকক্ষের সংকট ও ভবনের বিভিন্ন সমস্যায় তারা উদ্বিগ্ন। অনেক সময় বটতলায় ক্লাস করতে হওয়ায় তাদের অসুবিধা হয়।

বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. আব্দুস শাকুর বলেন, ‘শ্রেণিকক্ষের অভাবে অনেক ক্লাস খোলা আকাশের নিচে বটতলায় করাতে হচ্ছে। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অনেক কষ্ট হয়। বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় কিছু করার নেই। বিদ্যালয়ের জন্য একটি নতুন ভবন খুবই প্রয়োজন।’

বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি লিমন বিশ্বাস ইউনুস বলেন, প্রায় আড়াই শতাধিক শিক্ষার্থীর পাঠদানের জন্য বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত জায়গা নেই। তাই দ্রুত একটি নতুন চারতলা ভবন নির্মাণের দাবি জানান তিনি।

এ বিষয়ে চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খাদিজা আক্তার বলেন, তিনি ইতিমধ্যে বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেছেন। বিদ্যালয়ের সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কালের আলো/এমএসআইপি