খুঁজুন
                               
, ,
           

এআই চ্যাটবট দিয়ে ১২ হাজার মাইক্রোসফট অ্যাকাউন্টে সাইবার হামলা

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২৮ অপরাহ্ণ
এআই চ্যাটবট দিয়ে ১২ হাজার মাইক্রোসফট অ্যাকাউন্টে সাইবার হামলা

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) চ্যাটবট ব্যবহার করে বিভিন্ন দেশের ১০ হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত ১২ হাজারের বেশি মাইক্রোসফট অ্যাকাউন্টে সাইবার হামলার ঘটনা শনাক্ত করেছে মাইক্রোসফট। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, ‘ইভিলটোকেনস’ নামের একটি প্ল্যাটফর্মের এআই চ্যাটবট ব্যবহার করে কয়েক মাস ধরে এসব অ্যাকাউন্টে হামলা চালানো হয়েছে।

মাইক্রোসফটের তথ্যমতে, গোপনে অ্যাকাউন্টে প্রবেশের পর ব্যবহারকারীদের ই-মেইল বিশ্লেষণ করত প্ল্যাটফর্মটি। সেখান থেকে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও যোগাযোগের তথ্য সংগ্রহ করে পরে প্রতারণামূলক বার্তা তৈরিতে সহায়তা করত এআই চ্যাটবট।

কীভাবে কাজ করত ইভিলটোকেনস

গত ফেব্রুয়ারিতে টেলিগ্রামের একটি চ্যানেলে প্রথম ‘ইভিলটোকেনস’-এর সন্ধান পাওয়া যায়। এই সেবা ব্যবহারের জন্য শুরুতে ১ হাজার ৫০০ ডলার এবং পরবর্তী সময়ে প্রতি মাসে ৫০০ ডলার করে নেওয়া হতো বলে জানিয়েছে মাইক্রোসফট।

প্রতিষ্ঠানটির মতে, ইভিলটোকেনস শুধু অ্যাকাউন্টে অনুপ্রবেশের একটি টুল ছিল না; বরং এটি একটি সমন্বিত সেবা হিসেবে কাজ করত। এর মাধ্যমে ই-মেইল অ্যাকাউন্টে প্রবেশ থেকে শুরু করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ পর্যন্ত বিভিন্ন কাজ পরিচালনা করা সম্ভব ছিল।

কোনো অ্যাকাউন্টে প্রবেশের পর প্ল্যাটফর্মটি ভুক্তভোগীর ইনবক্সে থাকা ই-মেইল বিশ্লেষণ করে গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ, ব্যক্তিগত সম্পর্ক এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সম্পর্কে তথ্য শনাক্ত করতে পারত।

এরপর সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে প্রতারণার কৌশল নির্ধারণ এবং ভুক্তভোগীর পরিচিত বা বিশ্বস্ত ব্যক্তির পরিচয়ে ই-মেইল তৈরিতে সহায়তা করত এআই চ্যাটবটটি।

লক্ষ্য নির্ধারণেও এআই

মাইক্রোসফট জানিয়েছে, এই ঘটনায় এআইকে শুধু প্রতারণামূলক বার্তা লেখার কাজে ব্যবহার করা হয়নি। কোন ব্যক্তিকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে, কীভাবে ভুয়া পরিচয় তৈরি করা হবে এবং ভুক্তভোগীর সঙ্গে থাকা সম্পর্ক কীভাবে কাজে লাগানো হবে—এসব ক্ষেত্রেও এআই ব্যবহার করা হয়েছে।

ফলে প্রচলিত স্বয়ংক্রিয় সাইবার হামলার তুলনায় প্রতারণার কৌশল আরও ব্যক্তিকেন্দ্রিক ও বিশ্বাসযোগ্য করে তোলার সুযোগ তৈরি হয়েছিল বলে মাইক্রোসফটের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে।

যেসব দেশে বেশি হামলা

মাইক্রোসফটের তথ্যমতে, ইভিলটোকেনসের মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, ভারত ও ফ্রান্সের প্রতিষ্ঠান।

সব মিলিয়ে বিভিন্ন দেশের ১০ হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত ১২ হাজারের বেশি মাইক্রোসফট অ্যাকাউন্টে হামলার ঘটনা শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

অকার্যকর করা হয়েছে ২০০টির বেশি ডোমেইন

ইভিলটোকেনসের কার্যক্রম বন্ধ করতে প্রায় ৫০টি ওয়েবসাইট অকার্যকর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে মাইক্রোসফট। একই সঙ্গে এর সহায়ক অবকাঠামোর সঙ্গে যুক্ত আরও ১৫০টির বেশি ডোমেইন নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।

এতে প্ল্যাটফর্মটির সাইবার অপরাধমূলক কার্যক্রম পরিচালনার অবকাঠামোতে বড় ধরনের বাধা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

এদিকে যুক্তরাজ্যে ইভিলটোকেনসের কথিত কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অপরাধের সন্দেহে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির মেট্রোপলিটন পুলিশের সাইবার অপরাধবিষয়ক দল।

এ ঘটনায় সাইবার অপরাধে এআইয়ের ব্যবহার নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ই-মেইলের মতো ব্যক্তিগত তথ্য বিশ্লেষণ করে লক্ষ্য নির্ধারণ, পরিচিত ব্যক্তির পরিচয়ে প্রতারণামূলক বার্তা তৈরি এবং সামাজিক সম্পর্ককে কাজে লাগানোর মতো কাজে এআই ব্যবহারের বিষয়টি সাইবার নিরাপত্তার জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবে সামনে এসেছে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

কালের আলো/এসএ

হাতি সংরক্ষণে বন অধিদপ্তর-বিজিবির সমন্বয় বাড়ানোর নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:০৩ অপরাহ্ণ
হাতি সংরক্ষণে বন অধিদপ্তর-বিজিবির সমন্বয় বাড়ানোর নির্দেশ

মানুষ ও হাতির নিরাপদ সহাবস্থান নিশ্চিত করতে হাতির আবাসস্থল ও চলাচলের করিডোর সুরক্ষা, নজরদারি এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের পর্যটন ভবনের শৈলপ্রপাত মিলনায়তনে ‘হাতি সংরক্ষণ: বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ ও করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ নির্দেশ দেন। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

মন্ত্রী বলেন, হাতি সংরক্ষণ শুধু প্রাণীর সংখ্যা রক্ষার বিষয় নয়। এর সঙ্গে হাতির আবাসস্থল, চলাচলের করিডোর, পরিবেশের ভারসাম্য এবং হাতির বিচরণ এলাকায় বসবাসকারী মানুষের নিরাপত্তা ও জীবিকার বিষয়ও জড়িত।

তিনি জানান, বাংলাদেশের বন্য হাতি প্রধানত শেরপুর, জামালপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলে বিচরণ করে। ২০১৬ সালে দেশে আনুমানিক ২৬৮টি হাতি ছিল। বন অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত ১৪৬টি হাতির মৃত্যু হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, আবাসস্থল ও চলাচলের করিডোর সংকুচিত হওয়া, বন উজাড়, খাদ্যসংকট, সড়ক ও রেলপথ নির্মাণ, জলবায়ু পরিবর্তন এবং বৈদ্যুতিক ফাঁদের কারণে মানব-হাতি সংঘাত বাড়ছে। হাতি লোকালয় বা কৃষিজমিতে প্রবেশ করলে মানুষ ও হাতি উভয়ই ঝুঁকির মধ্যে পড়ে।

এ কারণে সংঘাতের পর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি সংঘাতপ্রবণ এলাকা চিহ্নিত, আগাম সতর্কতা এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার কথা জানান তিনি। একই সঙ্গে স্থানীয় জনগণকে হাতি সংরক্ষণ কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেন।

আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, এশীয় হাতির চলাচলের জন্য বিস্তৃত এলাকা প্রয়োজন। কিন্তু বাংলাদেশ অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ হওয়ায় হাতি সংরক্ষণ একটি জটিল কাজ। তাই বন অধিদপ্তর, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, স্থানীয় প্রশাসন, অবকাঠামো-সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, গবেষক, সংরক্ষণ সংস্থা ও স্থানীয় জনগণের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় প্রয়োজন।

পার্বত্য চট্টগ্রামের সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকায় হাতি শিকার ও পাচারের বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন মন্ত্রী। এসব এলাকায় নজরদারি জোরদারে বন অধিদপ্তর ও বিজিবির মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর নির্দেশ দেন তিনি। পাশাপাশি সীমান্ত সড়কসহ বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণের পরিকল্পনার সময় হাতির ঐতিহ্যগত চলাচলের পথ বিবেচনায় নেওয়ার কথা বলেন।

বন্দী হাতির কল্যাণ নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন পরিবেশমন্ত্রী। তিনি বলেন, বন্দী হাতির লাইসেন্স, সংখ্যা ও অবস্থার যথাযথ রেকর্ড সংরক্ষণ এবং নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে। প্রশিক্ষণের নামে হাতিকে শিকলে রাখা, প্রহার ও নির্যাতনের অভিযোগ এবং সার্কাসসহ বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহারের বিষয়গুলো আইন ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ায় গুরুত্বের সঙ্গে পরীক্ষা করা প্রয়োজন।

সভায় ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে হাতির আবাসস্থল ও করিডোর সুরক্ষা, স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে সংঘাত কমানো, বন্দী হাতির নিয়মিত পর্যবেক্ষণ এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, গবেষক, আইন বিশেষজ্ঞ ও স্থানীয় জনগণের সমন্বিত উদ্যোগ জোরদারের কথা তুলে ধরা হয়।

বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) প্রধান নির্বাহী ও সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের সভাপতিত্বে সভায় শেরপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী, পক্ষীবিদ ও বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞ মুহাম্মদ আলী রেজা খান এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) শামিমা বেগমসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, গবেষক, পরিবেশবিদ ও সংরক্ষণকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএসআইপি 

ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত ব্যাংকক, জারি জরুরি সতর্কতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৩ অপরাহ্ণ
ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত ব্যাংকক, জারি জরুরি সতর্কতা

টানা ভারী বৃষ্টিতে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের বিভিন্ন এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। প্রধান সড়কগুলোতে কোথাও কোথাও কোমরসমান পানি জমেছে। পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করায় শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) শহরটিকে দুর্যোগকবলিত এলাকা ঘোষণা করেছেন ব্যাংককের গভর্নর চাদচার্ট সিত্তিপান।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ৪৮ ঘণ্টায় ব্যাংককে প্রায় ৩০০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এতে নগরীর বিভিন্ন সড়ক ও নিচু এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। অনেক স্থানে যানবাহন আংশিক পানিতে ডুবে থাকতে দেখা গেছে।

আবহাওয়া কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সপ্তাহান্তে ব্যাংককে আরও বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। গভর্নর চাদচার্ট সিত্তিপান বলেছেন, বন্যা মানুষের জীবন ও সরকারি-বেসরকারি সম্পত্তির জন্য ঝুঁকি তৈরি করেছে। খালসংলগ্ন এলাকাগুলোর পরিস্থিতি সবচেয়ে বেশি নাজুক বলে জানিয়েছেন তিনি।

দুর্গত মানুষের সহায়তায় আশ্রয়কেন্দ্র ও অস্থায়ী রান্নাঘর স্থাপন করছে সেনাবাহিনী। ব্যাংকক মহানগর প্রশাসন স্কুলগুলোকে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত করেছে। একই সঙ্গে বাসিন্দাদের অপ্রয়োজনীয় যাতায়াত এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

খালের কাছাকাছি বসবাসকারীদের জরুরি সতর্কবার্তা দিয়ে প্রয়োজনীয় মালপত্র নিরাপদ ও উঁচু স্থানে সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে। বন্যার আশঙ্কায় খাবার ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে সুপারমার্কেটগুলোতেও মানুষের ভিড় দেখা গেছে।

এদিকে বন্যার মধ্যেও ব্যাংককের প্রধান সুবর্ণভূমি বিমানবন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে। তবে সড়কে জলাবদ্ধতার কারণে বিমানযাত্রীদের যাতায়াতে অতিরিক্ত দুই থেকে তিন ঘণ্টা সময় হাতে রাখার পরামর্শ দিয়েছে পর্যটন কর্তৃপক্ষ।

এর আগে ২০২৫ সালের নভেম্বরে থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে ভয়াবহ বন্যায় বহু মানুষ প্রাণ হারান এবং হাজারো বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

বনানীতে বহুতল ভবনের ২৩ তলায় আগুন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪৩ অপরাহ্ণ
বনানীতে বহুতল ভবনের ২৩ তলায় আগুন

রাজধানীর বনানীতে আলোচিত এফ আর টাওয়ারের পাশের একটি বহুতল ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস।

ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার রোজিনা আক্তার জানান, বিকেল ৫টা ৩৬ মিনিটে বনানীর একটি ২৬ তলা ভবনের ২৩ তলায় আগুন লাগার খবর আসে। খবর পেয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ শুরু করে।

তবে তাৎক্ষণিকভাবে আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে এবং এতে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানাতে পারেনি ফায়ার সার্ভিস।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ২৮ মার্চ বনানীর এফ আর টাওয়ারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ২৬ জন নিহত ও ৭০ জন আহত হন। ওই ঘটনার পর বনানীর বহুতল ভবনগুলোর অগ্নিনিরাপত্তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি