খুঁজুন
                               
, ,
           

পর্দার ‘মিনিস্টার ফাটাকেষ্ট’ এবার বাস্তবেই মন্ত্রীর মর্যাদায় মিঠুন

বিনোদন ডেস্ক:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০২ অপরাহ্ণ
পর্দার ‘মিনিস্টার ফাটাকেষ্ট’ এবার বাস্তবেই মন্ত্রীর মর্যাদায় মিঠুন

পর্দায় একসময় ছিলেন ‘মিনিস্টার ফাটাকেষ্ট’। এবার বাস্তবের প্রশাসনিক কাঠামোতেও মন্ত্রীর মর্যাদা পেলেন সেই মিঠুন চক্রবর্তী। অভিনয়জগতের ‘মহাগুরু’ এবার যুক্ত হলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সঙ্গে—তাও ক্যাবিনেট মন্ত্রীর সমমর্যাদার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে।

অভিনেতা ও বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তীকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এই পদে তাকে ক্যাবিনেট মন্ত্রীর মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নিয়োগটি অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বহাল থাকবে।

সিনেমার পর্দা থেকে প্রশাসনের অন্দরমহলে

মিঠুনের এই নতুন অধ্যায় অবশ্য একেবারে আকস্মিক নয়। সম্প্রতি উত্তর কলকাতার মহানায়ক উত্তম কুমারের জন্মশতবর্ষের অনুষ্ঠানে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী মিঠুনকে রাজ্যের সাংস্কৃতিক উপদেষ্টা করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। সেই ঘোষণার পর এবার এলো সরকারি বিজ্ঞপ্তি। কর্মীবর্গ ও প্রশাসনিক সংস্কার দপ্তরের আইএএস সেল থেকে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করা হয়েছে, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উপদেষ্টা হিসেবে মিঠুনকে ক্যাবিনেট মন্ত্রীর মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, এতদিন যিনি মূলত চলচ্চিত্র ও রাজনৈতিক অঙ্গনের পরিচিত মুখ ছিলেন, এবার তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে রাজ্য সরকারের সাংস্কৃতিক প্রশাসনের সঙ্গেও যুক্ত হলেন।

দায়িত্বটা ঠিক কী?

মিঠুনকে পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়নি; তিনি থাকছেন সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে। তবে তার পদমর্যাদা হবে ক্যাবিনেট মন্ত্রীর সমতুল্য। তার নির্দিষ্ট দায়িত্বের পরিধি পরবর্তী সময়ে আরও স্পষ্ট হবে বলে প্রশাসনিক মহলের ধারণা। তবে তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় রাজ্যের চলচ্চিত্র, সংস্কৃতি, শিল্প ও বিনোদনজগতের বিভিন্ন বিষয়ে তার অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি মিঠুন বাংলায় চলচ্চিত্র নির্মাণ বাড়ানো এবং স্থানীয় ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিকে উৎসাহ দেওয়ার বিষয়েও সরকারের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলায় শুটিং করা চলচ্চিত্রের জন্য ৩০ শতাংশ ভর্তুকির প্রস্তাবও তিনি সরকারের কাছে তুলেছিলেন।

পাঁচ দশকের অভিনয়, এবার নতুন মঞ্চ

মিঠুন চক্রবর্তীর অভিনয়জীবন পাঁচ দশকেরও বেশি সময়ের। বাংলা ও হিন্দি—দুই চলচ্চিত্রেই নিজের আলাদা জায়গা তৈরি করেছেন তিনি। ১৯৭৬ সালে ‘মৃগয়া’ দিয়ে চলচ্চিত্রে অভিষেক। প্রথম সিনেমাতেই জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। এরপর ‘ডিস্কো ড্যান্সার’ তাকে পৌঁছে দেয় ভারতজুড়ে তুমুল জনপ্রিয়তার শিখরে। ‘সুরক্ষা’, ‘পেয়ার ঝুকতা নেহি’, ‘অগ্নিপথ’, ‘গোলমাল থ্রি’, ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’সহ অসংখ্য সিনেমায় অভিনয় করে নিজের দীর্ঘ ক্যারিয়ারকে সমৃদ্ধ করেছেন তিনি। বাংলা সিনেমাতেও তার অবদান দীর্ঘ ও গুরুত্বপূর্ণ।

রাজনীতিতেও বদলেছে পথ

অভিনয়ের পাশাপাশি মিঠুনের রাজনৈতিক যাত্রাও কম আলোচিত নয়। ২০১৪ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন তিনি এবং রাজ্যসভায় সংসদ সদস্যও হন। পরে ২০১৬ সালে রাজ্যসভা থেকে পদত্যাগ করেন। এরপর ২০২১ সালে বিজেপিতে যোগ দিয়ে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন করে সক্রিয় হয়ে ওঠেন। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন নির্বাচনে দলের হয়ে প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ মুখ হিসেবে দেখা গেছে তাকে। এবার সেই রাজনৈতিক পথচলার সঙ্গে যুক্ত হলো আনুষ্ঠানিক প্রশাসনিক দায়িত্বও।

‘মহাগুরু’র সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ

মিঠুনের জনপ্রিয়তা শুধু সিনেমার পর্দায় সীমাবদ্ধ নয়। বাংলার মানুষের কাছে তিনি দীর্ঘদিনের পরিচিত মুখ। সেই জনপ্রিয়তা ও দীর্ঘ সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতাকেই এবার সরকারি কাজে ব্যবহার করতে চাইছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। বিশেষ করে চলচ্চিত্র ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেওয়া, বাংলায় সিনেমার শুটিং বাড়ানো এবং রাজ্যের সাংস্কৃতিক পরিসরকে নতুনভাবে তুলে ধরার ক্ষেত্রে তার ভূমিকা কতটা কার্যকর হয়, সেটিই এখন দেখার।

একসময় পর্দায় ‘মিনিস্টার ফাটাকেষ্ট’ হয়ে দর্শকদের বিনোদন দিয়েছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী। এবার অবশ্য কোনো সিনেমার গল্প নয়—বাস্তবেই মন্ত্রীর মর্যাদা নিয়ে সরকারি দায়িত্বে নামছেন সেই ‘মহাগুরু’।

কালের আলো/জেএন

ঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বৈঠক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১:০১ অপরাহ্ণ
ঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বৈঠক

ঢাকা মহানগরের গণপরিবহন ব্যবস্থাপনা, সড়ক নিরাপত্তা ও পরিবহন খাতের বিদ্যমান বিশৃঙ্খলা নিরসনে বৈঠকে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে এ বৈঠক শুরু হয়।

বৈঠকে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, সড়ক পরিবহন ও সেতু প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।

এ ছাড়া স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ মসিউর রহমান, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমেদ বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন।

বৈঠকে ঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থাপনার বর্তমান পরিস্থিতি, সড়কে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং গণপরিবহনে বিদ্যমান বিশৃঙ্খলা নিরসনে করণীয় নিয়ে আলোচনা চলছে।

রাজধানীর গণপরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, যাত্রীসেবার মান উন্নয়ন এবং সড়কে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের সমন্বয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হচ্ছে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

মাথাপিছু ডিমের প্রাপ্যতা বাড়িয়ে ২০০ করতে চায় সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫০ অপরাহ্ণ
মাথাপিছু ডিমের প্রাপ্যতা বাড়িয়ে ২০০ করতে চায় সরকার

পুষ্টির সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী উৎস হিসেবে ডিমের গুরুত্ব তুলে ধরে ৮ অক্টোবর পালিত হচ্ছে বিশ্ব ডিম দিবস। এ বছর দিবসটির ৩০তম বার্ষিকী। দেশে বর্তমানে বছরে মাথাপিছু ডিমের প্রাপ্যতা প্রায় ১৩৭টি। ২০৩০ সালের মধ্যে এই সংখ্যা ২০০টিতে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের (ডিএলএস) তথ্য অনুযায়ী, দেশে বছরে প্রায় ২ হাজার ৪৪৬ কোটি ৫০ লাখ ডিম উৎপাদিত হয়। অর্থাৎ প্রতিদিন দেশে উৎপাদিত হচ্ছে ৬ কোটির বেশি ডিম।

বিশ্ব ডিম দিবস উপলক্ষে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, ওয়ার্ল্ডস পোল্ট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন-বাংলাদেশ শাখা এবং বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিলের (বিপিআইসিসি) উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে শোভাযাত্রা, সেমিনার ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম। বিভিন্ন কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়েও পুষ্টিবিষয়ক কর্মসূচি আয়োজন করা হবে। পাশাপাশি এতিমখানা, বৃদ্ধাশ্রম ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মধ্যে বিনামূল্যে ডিম বিতরণের কর্মসূচি রয়েছে।

১৯৯৬ সালে অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে আন্তর্জাতিক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল এগ কমিশন (আইইসি) বিশ্ব ডিম দিবস পালনের ঘোষণা দেয়। সেই হিসাবে ২০২৬ সালে দিবসটির ৩০ বছর পূর্ণ হলো।

এবারের ৩০তম বার্ষিকীতে ‘এগউইন’ নামে একটি মাসকট চালু করা হয়েছে। সব বয়সী মানুষের মধ্যে ডিমের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোই এর উদ্দেশ্য।

ডিমে উচ্চমানের প্রোটিনের পাশাপাশি কোলিন, আয়রন ও ভিটামিন বি-১২ রয়েছে। ডিমের কুসুমে থাকা কোলিন শিশুদের মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্রের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এছাড়া ডিমে থাকা লুটিন ও জিয়াজ্যানথিন চোখের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।

দেশে ডিমের উৎপাদন ও প্রাপ্যতা বাড়লেও নানা চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছেন খামারিরা। পোল্ট্রি ফিড, বাচ্চা, ওষুধ ও জ্বালানির দাম বাড়ায় উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে। পাশাপাশি মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব ও সরবরাহব্যবস্থার নানা সমস্যায় খামার পর্যায়ের বিক্রয়মূল্য এবং খুচরা বাজারের দামের মধ্যে বড় ব্যবধান তৈরি হচ্ছে।

ফলে অনেক সময় ভোক্তাকে বেশি দামে ডিম কিনতে হলেও খামারিরা কাঙ্ক্ষিত দাম পাচ্ছেন না। এতে বিশেষ করে প্রান্তিক খামারিরা লোকসানের মুখে পড়ছেন।

শিশুদের অপুষ্টি ও খর্বকায়তা কমানো এবং মেধার বিকাশে জাতীয় স্কুল ফিডিং কর্মসূচিতেও ডিম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রকল্পের আওতায় শিক্ষার্থীদের সপ্তাহে দুই থেকে তিনটি ডিম দেওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

বিশ্বে সবচেয়ে বেশি ডিম উৎপাদন করে চীন। দেশটিতে বছরে প্রায় ৬১৭ বিলিয়ন বা ৬১ হাজার ৭০০ কোটি ডিম উৎপাদিত হয়, যা বৈশ্বিক উৎপাদনের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ।

অন্যদিকে মাথাপিছু ডিম খাওয়ার ক্ষেত্রে শীর্ষে রয়েছে মেক্সিকো। দেশটিতে বছরে গড়ে একজন মানুষ ৪০৯টি ডিম খান। জাপানে এই সংখ্যা ৩৩৭টি। উন্নত দেশগুলোতে মাথাপিছু বার্ষিক ডিমের ব্যবহার গড়ে ২৭০ থেকে ৩০০টির মধ্যে।

সেই তুলনায় বাংলাদেশে মাথাপিছু ডিমের ব্যবহার এখনো কম। উৎপাদন ও বিপণনব্যবস্থার সমস্যাগুলো সমাধানের পাশাপাশি ডিমের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো গেলে দেশে এর ব্যবহার আরও বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

সৌদিতে বিমানবন্দরে হামলা, বাংলাদেশিসহ আহত ৩৬

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪৪ অপরাহ্ণ
সৌদিতে বিমানবন্দরে হামলা, বাংলাদেশিসহ আহত ৩৬

সৌদি আরবের দুটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৃথক হামলায় তিনজন নিহত ও ৩৬ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজন বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন।

মঙ্গলবার ও বুধবার (৬ ও ৭ অক্টোবর) রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং আবহা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসব হামলা হয়। ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠী হামলার দায় স্বীকার করেছে।

সৌদি আরবের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আবহা বিমানবন্দরে হামলায় মরক্কো ও আলজেরিয়ার দুই নারী নিহত হন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ২৮ জন। আহতদের মধ্যে একজন বাংলাদেশি ও একজন ফিলিপাইনের নাগরিক রয়েছেন। তাদের আঘাত সামান্য থেকে গুরুতর বলে জানানো হয়েছে। তবে আহত বাংলাদেশির পরিচয় বা শারীরিক অবস্থার বিস্তারিত জানানো হয়নি।

অন্যদিকে রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলায় সুদানের এক নাগরিক নিহত হন। এ ঘটনায় আরও আটজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে পাঁচজন সৌদি, দুজন মিসরীয় এবং একজন পাকিস্তানি নাগরিক রয়েছেন।

আহত সবাইকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। হামলায় বিমানবন্দরের কয়েকটি স্থাপনাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।

হুতি সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি দাবি করেছেন, কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লক্ষ্য করে ড্রোন এবং আবহা বিমানবন্দরে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে। তবে সৌদি বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ তাদের বিবৃতিতে হামলার জন্য সরাসরি কোনো পক্ষকে দায়ী করেনি।

সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী ও ইরান-সমর্থিত হুতিদের মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে নতুন করে সংঘাত বেড়েছে। এর মধ্যেই সৌদি আরবের বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন স্থাপনায় হামলার ঘটনা ঘটছে।

তথ্যসূত্র: রয়টার্স

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি