খুঁজুন
                               
, ,
           

প্রথম সন্তানের এক বছর পর ফের মা হচ্ছেন কিয়ারা আদভানি

বিনোদন ডেস্ক:
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
প্রথম সন্তানের এক বছর পর ফের মা হচ্ছেন কিয়ারা আদভানি

প্রথম সন্তান জন্মের এক বছর না পেরোতেই ফের মা হওয়ার সুখবর দিলেন বলিউড অভিনেত্রী কিয়ারা আদভানি। তারকা দম্পতি সিদ্ধার্থ মালহোত্রা ও কিয়ারা আদভানি দ্বিতীয়বারের মতো বাবা-মা হতে যাচ্ছেন।

বুধবার (৭ অক্টোবর) নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে একটি ছবি প্রকাশ করে সুখবরটি ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নেন কিয়ারা। পোস্টে অভিনেত্রী লেখেন, “আবারও সবচেয়ে বড় উপহারটি পেলাম। আমাদের হৃদয় ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতায় পরিপূর্ণ।”

কিয়ারার এই ঘোষণার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুভেচ্ছার বন্যা বইছে। ভক্ত-অনুরাগীদের পাশাপাশি বলিউডের সহকর্মীরাও তারকা দম্পতিকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন। শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ভাবনা পান্ডে, মহিপ কাপুর, আথিয়া শেঠি, গৌহর খান ও সঞ্জয় কাপুরসহ অনেকে।

‘শেরশাহ’ থেকেই প্রেম

সিদ্ধার্থ ও কিয়ারার প্রেমের শুরু ‘শেরশাহ’ সিনেমার শুটিং সেট থেকে। একসঙ্গে কাজ করতে গিয়ে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। এরপর দীর্ঘদিন প্রেমের সম্পর্কে থাকার পর ২০২৩ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি রাজস্থানের জয়সালমীরে রাজকীয় আয়োজনে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন তারা।

বিয়ের পরও এই তারকা জুটিকে নিয়ে ভক্তদের আগ্রহ কমেনি। ব্যক্তিগত জীবন থেকে শুরু করে কাজ—সবকিছুতেই আলোচনায় থাকেন সিদ্ধার্থ-কিয়ারা।

এক বছর আগেই এসেছিল প্রথম সন্তান

গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে যৌথ বিবৃতির মাধ্যমে প্রথমবার বাবা-মা হতে যাওয়ার খবর জানিয়েছিলেন সিদ্ধার্থ ও কিয়ারা। এরপর একই বছরের ১৫ জুলাই কন্যাসন্তানের জন্ম দেন কিয়ারা।

প্রথম সন্তানের জন্মের প্রায় এক বছর পর এবার দ্বিতীয় সন্তান আসার সুখবর জানালেন এই তারকা দম্পতি। নতুন অতিথির অপেক্ষায় এরই মধ্যে উচ্ছ্বসিত কিয়ারা-সিদ্ধার্থের ভক্তরা।

কালের আলো/জেএন

এআই চিপের ‘টেরাফ্যাব’ নিজেরাই বানাবে টেসলা-স্পেসএক্স: মাস্ক

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৩৬ অপরাহ্ণ
এআই চিপের ‘টেরাফ্যাব’ নিজেরাই বানাবে টেসলা-স্পেসএক্স: মাস্ক

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) চিপ তৈরির জন্য নিজেদের বিশাল কারখানা বা ‘টেরাফ্যাব’ নিজেরাই নির্মাণ ও পরিচালনা করবে টেসলা ও স্পেসএক্স। এ উদ্যোগে তাইওয়ানের চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টিএসএমসি (TSMC) চাইলে প্রকল্পের একটি অংশ সাবলিজ নিতে পারে, তবে কারখানার মালিকানা ও পরিচালনার দায়িত্ব তাদের হাতে দেওয়া হবে না।

বুধবার (৭ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এ বিষয়ে স্পষ্ট অবস্থান জানিয়েছেন টেসলা ও স্পেসএক্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইলন মাস্ক।

এক ব্যবহারকারী মন্তব্য করেন, সম্ভাব্য পরিস্থিতিতে টিএসএমসি হয়তো টেরাফ্যাবের মালিকানা ও পরিচালনার দায়িত্ব নেবে। এর জবাবে মাস্ক লেখেন, ‘না, আমরা ফ্যাবটি তৈরি করব এবং চালাব। এ নিয়ে সামান্যতম সন্দেহও যেন না থাকে।’

এরপর তিনি আরও জানান, টিএসএমসি চাইলে টেরাফ্যাবের কিছু অংশ সাবলিজ নিতে পারে। তবে প্রকল্পের মূল পরিচালনা ও মালিকানা তাদের হাতে যাওয়ার সুযোগ নেই।

টেক্সাসে বিশাল চিপ কারখানার পরিকল্পনা

‘টেরাফ্যাব’ হলো টেক্সাসে টেসলা ও স্পেসএক্সের যৌথভাবে পরিকল্পিত একটি বড় প্রকল্প। এর মূল লক্ষ্য এআই প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত চিপ তৈরির জন্য বিশাল আকারের একটি ফ্যাব বা সেমিকন্ডাক্টর কারখানা গড়ে তোলা।

এআই, রোবটিকস ও স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তিতে টেসলার বিনিয়োগ বাড়ার পাশাপাশি নিজেদের প্রয়োজনীয় চিপের উৎপাদন সক্ষমতা তৈরির বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে। স্পেসএক্সের ক্ষেত্রেও এ ধরনের প্রযুক্তি ভবিষ্যতের বিভিন্ন প্রকল্পে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

টিএসএমসির সঙ্গে সহযোগিতার আলোচনা

এর আগে গত সপ্তাহে টেরাফ্যাব প্রকল্পে টিএসএমসির সঙ্গে সম্ভাব্য সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা জানিয়েছিলেন মাস্ক। তবে সেই আলোচনার ধরন বা সম্ভাব্য অংশীদারিত্বের বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি তিনি।

এদিকে প্রকল্পটির সঙ্গে মার্কিন চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ইন্টেলের সম্পৃক্ততার কথাও সামনে এসেছে। ইন্টেলের সিইও লিপ-বু তান বুধবার ব্লুমবার্গ নিউজকে জানান, টেরাফ্যাব প্রকল্পের অংশীদার হিসেবে ইন্টেল যুক্ত থাকবে।

ফলে টেসলার এআই চিপ উৎপাদন পরিকল্পনায় একদিকে ইন্টেলের সম্পৃক্ততা এবং অন্যদিকে টিএসএমসির সম্ভাব্য সহযোগিতা—দুই বিষয়ই প্রযুক্তি খাতে আগ্রহ তৈরি করেছে।

টিএসএমসি-ইন্টেলের ভূমিকা নিয়ে নতুন প্রশ্ন

মাস্ক যখন টেরাফ্যাবের জন্য বিভিন্ন অংশীদার নিয়ে আলোচনা করছেন, তখন টিএসএমসির সম্ভাব্য অংশগ্রহণ ইন্টেলের ভূমিকা কতটা থাকবে—তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

এ বিষয়ে রয়টার্সের পক্ষ থেকে মন্তব্য চাওয়া হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি টিএসএমসি ও ইন্টেল।

তবে মাস্কের সর্বশেষ বক্তব্যে একটি বিষয় স্পষ্ট—এআই চিপ উৎপাদনে টেসলা ও স্পেসএক্স নিজেদের অবকাঠামো গড়ে তুলতে চাইছে এবং টেরাফ্যাবের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতেই রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।

কালের আলো/জেএন

সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে শিশু অ্যাকাডেমি সম্প্রসারণের উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৩৩ অপরাহ্ণ
সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে শিশু অ্যাকাডেমি সম্প্রসারণের উদ্যোগ

সমাজের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদেরও বাংলাদেশ শিশু অ্যাকাডেমির কার্যক্রমের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

বুধবার (৭ অক্টোবর) রাজধানীর বাংলাদেশ শিশু অ্যাকাডেমি মিলনায়তনে ‘শিশু অধিকার দিবস ২০২৬’ ও বাংলাদেশ শিশু অ্যাকাডেমির সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত সেমিনারে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

‘শিশুর স্বপ্নে পঞ্চাশ বছর : অর্জন, অভিজ্ঞতা ও আগামীর বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারে মন্ত্রী বলেন, শুধু সুবিধাপ্রাপ্ত শিশু নয়, সমাজের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদেরও অ্যাকাডেমির কার্যক্রমে যুক্ত করা হবে। ধর্ম, বর্ণ ও শ্রেণি নির্বিশেষে সবার জন্য একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য।

তিনি বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে শিশুদের সুপ্ত প্রতিভা ও গুণাবলি বিকাশের সুযোগ পৌঁছে দিতে পর্যায়ক্রমে দেশের প্রতিটি উপজেলায় শিশু অ্যাকাডেমির কার্যক্রম ও অবকাঠামো সম্প্রসারণ করা হবে।

শিশুদের শুধু পুঁথিগত শিক্ষায় সীমাবদ্ধ না রেখে খেলাধুলা, কবিতা আবৃত্তি, গান, নৃত্যসহ বিভিন্ন সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে যুক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন মন্ত্রী।

এ লক্ষ্যে ‘নতুন কুঁড়ি’ ও ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ চালুর কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এ ১৪টি ক্রীড়া ইভেন্ট অন্তর্ভুক্ত করে দেশব্যাপী বিশেষ ক্রীড়া কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।

সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান বলেন, আজকের শিশুরাই আগামী দিনে দেশের নেতৃত্ব দেবে। তাই শিশুদের দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার দায়িত্ব বর্তমান প্রজন্মের।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সেলিমা রহমান শিশুদের মানবিক গুণাবলি ও নৈতিক শিক্ষায় গড়ে তুলতে অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানান। একই সঙ্গে শিশু অ্যাকাডেমির কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

সেমিনারে তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য অফিসার সৈয়দ আবদাল আহমদ মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। প্রধান আলোচক ছিলেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ।

মুক্ত আলোচনায় শিশুশ্রম নিরসন, অপুষ্টি দূরীকরণ, শিশুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা, বাল্যবিবাহ এবং নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে সমন্বিত সামাজিক উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। শিশুদের সার্বিক কল্যাণে একটি ‘সার্ক শিশু সম্মেলন’ আয়োজনের প্রস্তাবও তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানে মহিলা ও শিশু বিষয়ক সচিব ড. রওশন আরা বেগম এবং বাংলাদেশ শিশু অ্যাকাডেমির মহাপরিচালক মোছা. আরজু আরা বেগমসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের কর্মকর্তারা, শিশু অধিকারবিষয়ক সংস্থার প্রতিনিধি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন জেলার শিশুরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

পূজায় কারা পাচ্ছেন ৫ দিনের ছুটি, জানাল সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:২৫ অপরাহ্ণ
পূজায় কারা পাচ্ছেন ৫ দিনের ছুটি, জানাল সরকার

আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পাঁচ দিনের ছুটির ব্যবস্থা করেছে সরকার। আগামী ২০ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত তিন দিনের সরকারি ছুটির পাশাপাশি সাপ্তাহিক ছুটির কারণে মোট পাঁচ দিনের ছুটি পাওয়া যাবে।

বুধবার (৭ অক্টোবর) এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি-৬ শাখা।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, দুর্গাপূজা উপলক্ষে ২০, ২১ ও ২২ অক্টোবর যথাক্রমে মঙ্গলবার, বুধবার ও বৃহস্পতিবার ছুটি থাকবে। এর আগে ১৭ অক্টোবর শনিবার সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস খোলা থাকবে।

ছুটির মধ্যে জরুরি পরিষেবাগুলো চালু থাকবে। বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দর, পরিচ্ছন্নতা, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাক সেবাসহ সংশ্লিষ্ট জরুরি কার্যক্রম এ ছুটির আওতার বাইরে থাকবে।

হাসপাতাল ও জরুরি চিকিৎসাসেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক, কর্মী এবং ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম বহনকারী যানবাহনও ছুটির আওতার বাইরে থাকবে। জরুরি কাজে সম্পৃক্ত অন্যান্য অফিসও প্রয়োজন অনুযায়ী খোলা থাকবে।

ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু রাখার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে। আদালতের কার্যক্রমের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে।

এ ছাড়া বেসরকারি শিল্পপ্রতিষ্ঠান, কলকারখানা ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সাধারণ ছুটির বিষয়ে বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ অনুযায়ী শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি