খুঁজুন
                               
, ,
           

পর্যটনে পিছিয়ে বাংলাদেশ, দক্ষিণ এশিয়ায়ও চার দেশের নিচে

ভ্রমণ ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৩৭ অপরাহ্ণ
পর্যটনে পিছিয়ে বাংলাদেশ, দক্ষিণ এশিয়ায়ও চার দেশের নিচে
বিশ্বের পর্যটন উন্নয়ন সূচকে পিছিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) ২০২৬ সালের ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট ইনডেক্সে (টিটিডিআই) ১১০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৯৮তম। সাতের মধ্যে বাংলাদেশের স্কোর ৩ দশমিক ৩৪। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যেও ভারত, শ্রীলঙ্কা, নেপাল ও পাকিস্তানের চেয়ে পিছিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ।

দুই বছর পরপর প্রকাশিত এ সূচকে পর্যটন খাতের উন্নয়ন, অবকাঠামো, নিরাপত্তা, ব্যবসার পরিবেশ, মানবসম্পদ, সাংস্কৃতিক ও প্রাকৃতিক সম্পদ এবং টেকসই পর্যটনের মতো বিষয় মূল্যায়ন করা হয়। জুরিখ ইনস্যুরেন্স গ্রুপের সহযোগিতায় ২০২৬ সালের সূচক প্রকাশ করেছে ডব্লিউইএফ।

শীর্ষে জাপান, দ্বিতীয় যুক্তরাষ্ট্র

২০২৬ সালের সূচকে ৫ দশমিক ২৭ স্কোর নিয়ে প্রথম স্থানে রয়েছে জাপান। আগের সূচকে শীর্ষে থাকা যুক্তরাষ্ট্র এবার ৫ দশমিক ২৩ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে নেমে এসেছে। এরপর রয়েছে স্পেন, অস্ট্রেলিয়া ও ফ্রান্স। দেশগুলোর স্কোর যথাক্রমে ৫ দশমিক ২২, ৫ দশমিক ১৮ ও ৫ দশমিক ১৭।

শীর্ষ দশে আরও রয়েছে জার্মানি, যুক্তরাজ্য, চীন, সুইজারল্যান্ড ও ইতালি। সূচকের শীর্ষ ২০টি দেশের মধ্যে ১৯টিই উচ্চ আয়ের অর্থনীতি। পর্যটনসেবা, পরিবহন ও অবকাঠামো, আকাশপথে যোগাযোগ এবং সাংস্কৃতিক সম্পদের ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকায় এসব দেশ বাড়তি সুবিধা পাচ্ছে।

বৈশ্বিক উন্নতির তুলনায় পিছিয়ে বাংলাদেশ

ডব্লিউইএফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে সূচকে অন্তর্ভুক্ত ১১০টি অর্থনীতির মধ্যে ১০১টির স্কোর বেড়েছে। অর্থাৎ, প্রায় ৯২ শতাংশ দেশের পর্যটন উন্নয়ন পরিস্থিতিতে অগ্রগতি হয়েছে। এ সময়ে বৈশ্বিক গড় স্কোর বেড়েছে প্রায় ২ দশমিক ১ শতাংশ। বাংলাদেশের স্কোর বেড়েছে ১ দশমিক ৬ শতাংশ, যা বৈশ্বিক গড়ের চেয়ে কম।

এ চিত্র বলছে, বাংলাদেশের পর্যটন খাতে কিছু অগ্রগতি হলেও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যেতে আরও উন্নতির প্রয়োজন রয়েছে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, বন, সমুদ্রসৈকত, প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের মতো সম্পদ থাকলেও সেগুলোকে পর্যটনবান্ধব সেবা ও অবকাঠামোর সঙ্গে কার্যকরভাবে যুক্ত করা গুরুত্বপূর্ণ।

পর্যটন উন্নয়নে অবকাঠামো ও সেবার গুরুত্ব

টিটিডিআই সূচকটি পাঁচটি মাত্রা, ১৭টি স্তম্ভ ও ১০২টি সূচকের ভিত্তিতে তৈরি। এতে ব্যবসার পরিবেশ, নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতা, মানবসম্পদ ও শ্রমবাজার, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তির প্রস্তুতি, পর্যটনকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয় এবং পর্যটনের জন্য উন্মুক্ততা মূল্যায়ন করা হয়।

এ ছাড়া মূল্য প্রতিযোগিতা, পর্যটন অবকাঠামো ও সেবা, প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক সম্পদ এবং টেকসই পর্যটন উন্নয়নও সূচকের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ফলে কোনো দেশের পর্যটন সম্ভাবনা থাকলেই উচ্চ অবস্থানে পৌঁছানো যায় না; পর্যটকদের যাতায়াত, নিরাপত্তা, আবাসন, সেবা ও সামগ্রিক অভিজ্ঞতার মানও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ডব্লিউইএফের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২০২৪ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে ১৭টি স্তম্ভের মধ্যে ১৪টির গড় স্কোর বেড়েছে। সাংস্কৃতিক সম্পদ, পর্যটন অবকাঠামো ও সেবা এবং আকাশপথে যোগাযোগে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। একই সময়ে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তির প্রস্তুতিও উন্নত হয়েছে।

ব্যয় বৃদ্ধি ও বিনিয়োগের ঘাটতি বড় চ্যালেঞ্জ

বৈশ্বিক পর্যটন খাতে অগ্রগতির পাশাপাশি বেশ কিছু চ্যালেঞ্জও সামনে এসেছে। পর্যটন পরিচালনার ব্যয় বৃদ্ধি, বিনিয়োগের ঘাটতি, দক্ষ জনবলের অভাব এবং পরিবেশের ওপর বাড়তি চাপ খাতটির বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে সূচকে থাকা প্রায় তিন-চতুর্থাংশ অর্থনীতির মূল্য প্রতিযোগিতা কমেছে। অর্থাৎ, পর্যটকদের জন্য ভ্রমণ ও সংশ্লিষ্ট সেবার ব্যয় অনেক দেশের ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে বেশি চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।

বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও পর্যটন অবকাঠামো ও সেবার মান উন্নয়ন, দক্ষ জনবল তৈরি, নিরাপত্তা ও পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা এবং পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে বিনিয়োগ বাড়ানো গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। একই সঙ্গে প্রাকৃতিক পরিবেশ ও স্থানীয় সংস্কৃতি সংরক্ষণ করে পর্যটন উন্নয়নের দিকে নজর দেওয়া প্রয়োজন।

সূচকের তুলনায় রয়েছে পদ্ধতিগত সতর্কতা

২০২৬ সালের সূচকের সঙ্গে ২০২৪ সালের ফলাফল সরাসরি তুলনা করার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে ডব্লিউইএফ। কারণ, এবারের সংস্করণে তথ্য ও মূল্যায়নপদ্ধতিতে কিছু সংশোধন আনা হয়েছে। পাশাপাশি ২০২৪ সালের ফলাফলও নতুন পদ্ধতিতে পুনর্গণনা করা হয়েছে।

এ ছাড়া ২০২৪ সালের তালিকায় থাকা বার্বাডোস, কম্বোডিয়া, ইরান, লেবানন, মলদোভা, মন্টেনেগ্রো, তাজিকিস্তান, ত্রিনিদাদ ও টোবাগো এবং ভেনেজুয়েলা ২০২৬ সালের তালিকায় নেই। নতুন কোনো অর্থনীতিও যুক্ত হয়নি।

সব মিলিয়ে, পর্যটন খাতে বৈশ্বিক অগ্রগতির মধ্যে বাংলাদেশের স্কোর বাড়লেও আন্তর্জাতিক সূচকে অবস্থান শক্তিশালী করতে অবকাঠামো, সেবা, নিরাপত্তা, দক্ষতা ও বিনিয়োগের মতো ক্ষেত্রগুলোতে আরও মনোযোগ দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা সামনে এসেছে।

সূত্র: ডব্লিউইএফ

কালের আলো/এসএ

সৌদি আরবে এক সপ্তাহে গ্রেপ্তার প্রায় ১৪ হাজার, ফেরত ১০ হাজারের বেশি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৪৬ অপরাহ্ণ
সৌদি আরবে এক সপ্তাহে গ্রেপ্তার প্রায় ১৪ হাজার, ফেরত ১০ হাজারের বেশি

সৌদি আরবে আবাসন, শ্রম ও সীমান্ত সুরক্ষা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে দেশজুড়ে অভিযান চালিয়ে প্রায় ১৪ হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। একই সময়ে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের দায়ে ১০ হাজার ৪৩১ জন প্রবাসীকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

শনিবার (১০ অক্টোবর) সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত তথ্যের বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে গালফ নিউজ।

এক সপ্তাহে গ্রেপ্তার ১৩ হাজার ৮৮৯ জন

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ১ থেকে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর সঙ্গে যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করে নিরাপত্তা বাহিনী। এ সময় মোট ১৩ হাজার ৮৮৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে ৬ হাজার ৭৮৫ জনের বিরুদ্ধে আবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া ৩ হাজার ৭১০ জন সীমান্ত সুরক্ষা আইন এবং ৩ হাজার ৩৯৪ জন শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে আটক হয়েছেন।

সীমান্ত দিয়ে প্রবেশের চেষ্টায় আটক ১ হাজার ৩৩৮ জন

সৌদি আরবে অবৈধভাবে প্রবেশের চেষ্টার সময় সীমান্ত এলাকা থেকে আরও ১ হাজার ৩৩৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ৬৬ শতাংশ ইথিওপীয়, ৩৩ শতাংশ ইয়েমেনি এবং বাকি ১ শতাংশ অন্যান্য দেশের নাগরিক। এ ছাড়া অবৈধভাবে সৌদি আরব ছেড়ে যাওয়ার চেষ্টার সময় আরও ৩৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

১০ হাজার ৪৩১ প্রবাসীকে দেশে ফেরত

মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্নের পর ১০ হাজার ৪৩১ জন প্রবাসীকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। তবে কোন কোন দেশের কতজন নাগরিককে ফেরত পাঠানো হয়েছে, সে বিষয়ে প্রকাশিত তথ্যে বিস্তারিত উল্লেখ নেই।

এদিকে, আবাসন, শ্রম ও সীমান্ত সুরক্ষা আইন লঙ্ঘনকারীদের যাতায়াত, বাসস্থান কিংবা কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার অভিযোগে ২১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে কর্তৃপক্ষ।

সহায়তাকারীদের জন্য কঠোর শাস্তির সতর্কতা

সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সতর্ক করে জানিয়েছে, অবৈধভাবে দেশটিতে প্রবেশে সহায়তা করা, নথিপত্রহীন ব্যক্তিদের পরিবহন করা, আশ্রয় দেওয়া কিংবা অন্য কোনোভাবে সহযোগিতা করলে কঠোর শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে।

এ ধরনের অপরাধে সর্বোচ্চ ১৫ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ সৌদি রিয়াল পর্যন্ত জরিমানার বিধান রয়েছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

দেশটিতে বসবাসরত প্রবাসীদের বৈধ আবাসন ও কাজের অনুমতি বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট আইন মেনে চলার বিষয়টি আবারও সামনে এনেছে এই অভিযান।

কালের আলো/এসএ

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে কৌশলগত উদ্যোগ; মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনে অঙ্গীকার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৩৬ অপরাহ্ণ
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে কৌশলগত উদ্যোগ; মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনে অঙ্গীকার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করছে বাংলাদেশ। দীর্ঘদিনের বাস্তুচ্যুতির অবসান ঘটিয়ে মিয়ানমারের নাগরিকদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায়, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট দেশ, আন্তর্জাতিক সংস্থা ও আঞ্চলিক অংশীজনদের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। রাখাইন রাজ্যের পরিবর্তিত রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে কূটনৈতিক যোগাযোগের বহুমুখী পথ অনুসন্ধানের পাশাপাশি প্রত্যাবাসনের অনুকূল পরিবেশ তৈরির প্রচেষ্টাও গুরুত্ব পাচ্ছে। এই উদ্যোগের মধ্য দিয়ে রোহিঙ্গা সংকটকে শুধু মানবিক সহায়তার বিষয় হিসেবে নয়, বরং বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবে সমাধানের পথে এগিয়ে নেওয়ার প্রচেষ্টা স্পষ্ট হচ্ছে।

  • চীন, জাপান, আসিয়ান ও জাতিসংঘকে নিয়ে কৌশলগত জোট গঠনে জোর
  • মানবিক সহায়তার গণ্ডি পেরিয়ে টেকসই প্রত্যাবাসনে গুরুত্ব
  • আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও জাতীয় স্বার্থকে সামনে রেখে কৌশলগত উদ্যোগের আহ্বান

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের (এফডিএমএন) স্বদেশে নিরাপদ, স্বেচ্ছায়, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ। আর এটি নিশ্চিতে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সমন্বিত কূটনৈতিক প্রচেষ্টা আরও জোরদার করা হচ্ছে।

মন্ত্রী রবিবার (১১ অক্টোবর) ঢাকার হোটেল রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেনের অন্তরা হলে ‘ফাউন্ডেশন ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ’ (এফএসডিএস)-এর উদ্যোগে ‘রোহিঙ্গা সংকট: উত্তরণের পথ—টেকসই প্রত্যাবাসন ও স্থায়ী আঞ্চলিক সমাধানের অভিমুখ’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। এফএসডিএসের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল ফজলে এলাহী আকবর (অব.)-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা (মন্ত্রীর পদমর্যাদা) মোঃ ইসমাইল জবিউল্লাহ।

একক প্রচেষ্টার বাইরে আঞ্চলিক জোটের প্রয়োজন
প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য কেবল বাংলাদেশের একক প্রচেষ্টা যথেষ্ট নয়; বরং চীন, আসিয়ান, জাতিসংঘ, জাপানসহ সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনকে নিয়ে একটি কৌশলগত আঞ্চলিক জোট ও সমন্বিত দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলা প্রয়োজন।

রোহিঙ্গা সংকটের দীর্ঘস্থায়িত্ব বিবেচনায় মন্ত্রীর এই বক্তব্য বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে বাস্তুচ্যুত এই জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় ও মানবিক সহায়তা দিয়ে আসছে। কিন্তু প্রত্যাবাসনের উপযোগী রাজনৈতিক, নিরাপত্তাগত ও মানবিক পরিবেশ তৈরি না হওয়ায় সংকটের স্থায়ী সমাধান এখনো সম্ভব হয়নি। এ বাস্তবতায় সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ, কার্যকর কূটনৈতিক যোগাযোগ এবং মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ বৃদ্ধির বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

বিশেষ করে চীন, জাপান, আসিয়ান ও জাতিসংঘের মতো পক্ষগুলোর সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করা গেলে প্রত্যাবাসন প্রশ্নে আন্তর্জাতিক মনোযোগ ও সহযোগিতাকে আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে এ উদ্যোগের সাফল্য নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর ধারাবাহিক সম্পৃক্ততা এবং বাস্তবভিত্তিক পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর।

জাপানের সহযোগিতায় প্রত্যাবাসন আলোচনায় নতুন গতি
মন্ত্রী বলেন, অতি সম্প্রতি জাপান সরকারের মিয়ানমার বিষয়ক জাতীয় পুনর্মিলন (রিকনসিলিয়েশন) সংক্রান্ত বিশেষ দূত ও নিপ্পন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সাসাকাওয়া বাংলাদেশ সফর করেছেন। সফরকালে প্রধানমন্ত্রী ও তিনি নিজে তার সাথে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন এবং জাপান সরকার এ বিষয়ে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে। এছাড়া, এ মাসের শেষের দিকে প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের কথা রয়েছে, যেখানে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার বিষয়ে আরও আলোচনা হবে। জাপানের এই সম্পৃক্ততা প্রত্যাবাসন প্রশ্নে বাংলাদেশের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা সম্প্রসারণের একটি সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র। দ্বিপক্ষীয় আলোচনা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতাকে কার্যকর উদ্যোগে রূপ দিতে পারলে প্রত্যাবাসনের অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে নতুন সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে। এ ক্ষেত্রে আলোচনার ধারাবাহিকতা, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর দায়িত্ব এবং বাস্তব অগ্রগতির বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

রাখাইনের বাস্তবতায় বহুমুখী কূটনৈতিক যোগাযোগ
রাখাইন রাজ্যের বর্তমান পরিবর্তিত ভূ-রাজনৈতিক ও নিরাপত্তাজনিত পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সেখানে আইনি (ডি জুরে) সরকারের পাশাপাশি বড় অংশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে আরাকান আর্মি (এএ)। ফলে বর্তমান প্রেক্ষাপটে অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগসহ নানামুখী কূটনৈতিক মাধ্যম ব্যবহার করে সমাধানের পথ খোঁজা হচ্ছে। তবে শান্তিপূর্ণ প্রত্যাবাসনই মূল লক্ষ্য এবং চূড়ান্ত বিকল্প হিসেবে সকল পথ উন্মুক্ত রেখেই বাংলাদেশ কূটনৈতিক সংলাপ অব্যাহত রাখবে।

রাখাইন রাজ্যের পরিবর্তিত পরিস্থিতি প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াকে জটিল করে তুলেছে। সেখানে কারা কার্যকর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করছে এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতি কীভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে, তা প্রত্যাবাসনের সম্ভাবনা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ। ফলে কেবল আনুষ্ঠানিক রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের আলোচনার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কূটনৈতিক যোগাযোগের পথ অনুসন্ধান করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

সংকট ব্যবস্থাপনা থেকে কৌশলগত কূটনীতিতে যাওয়ার আহ্বান
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জনপ্রশাসন উপদেষ্টা বলেন, রোহিঙ্গা সংকট কেবল একটি মানবিক সমস্যা বা দ্বিপক্ষীয় বিষয় নয়; এটি জাতীয় স্বার্থ, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। বিগত দশকগুলোতে এই সংকটের বহুমুখী জটিলতা ও মিয়ানমারের পরিবর্তিত রাজনৈতিক ও সামরিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় নিয়ে আমাদের এখন সংকট ব্যবস্থাপনা থেকে কৌশলগত কূটনীতি, অস্থায়ী ত্রাণ সহায়তা থেকে টেকসই প্রত্যাবাসন এবং খণ্ডিত উদ্যোগের পরিবর্তে একটি সমন্বিত জাতীয় কৌশলের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। এছাড়া, রোহিঙ্গাদের মানবিক অধিকার ও সুরক্ষার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টি করে তাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ নিজ ভূমিতে প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

জনপ্রশাসন উপদেষ্টার বক্তব্যে সংকট মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত পরিকল্পনার প্রয়োজনীয়তা উঠে এসেছে। মানবিক সহায়তা বাস্তুচ্যুত মানুষের জীবন রক্ষায় অপরিহার্য হলেও তা স্থায়ী প্রত্যাবাসনের বিকল্প নয়। তাই মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি প্রত্যাবাসনের রাজনৈতিক, নিরাপত্তাগত ও অধিকারসংক্রান্ত শর্ত পূরণে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। জাতীয় স্বার্থ, মানবিক দায়িত্ব এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার বিষয়গুলোকে একই কৌশলের আওতায় আনতে পারলে বাংলাদেশের কূটনৈতিক অবস্থান আরও সুসংহত হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের সুযোগ কাজে লাগানোর প্রত্যাশা
সেমিনারের শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, জাতিসংঘে এই বছর সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশের প্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়ায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে প্রত্যাবাসন ইস্যুটি আরও জোরালোভাবে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হয়েছে। চীন, জাপান, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত একটি টেকসই প্রত্যাবাসনের পথ বের করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের এই সুযোগ কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে ধারাবাহিক কূটনৈতিক তৎপরতা গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন দেশের কৌশলগত স্বার্থ ও অবস্থানের মধ্যে পার্থক্য থাকলেও রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধান, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং মানবিক বিপর্যয়ের অবসানকে অভিন্ন আলোচনার ভিত্তি হিসেবে কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সহযোগিতাকে কার্যকর পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারলে প্রত্যাবাসন প্রশ্নে আন্তর্জাতিক উদ্যোগ আরও গতিশীল হতে পারে।

তিন প্রবন্ধে প্রত্যাবাসনের বহুমাত্রিক পথ
সেমিনারে বিষয়ভিত্তিক তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবন্ধ উপস্থাপিত হয়। প্রথম প্রবন্ধে মিয়ানমার ও রাখাইনের পরিবর্তিত বাস্তবতায় রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা প্রেক্ষাপট নিয়ে আলোকপাত করেন অধ্যাপক ড. এ. এস. এম. আলী আশরাফ। দ্বিতীয় প্রবন্ধে রাখাইনের উন্নয়ন, যোগাযোগব্যবস্থা ও প্রত্যাবাসনবিষয়ক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক শাহাব এনাম খান। তৃতীয় প্রবন্ধে আঞ্চলিক কূটনীতি এবং বাংলাদেশের কৌশলগত পথসমূহ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবনা তুলে ধরেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শাফায়াত আহমদ, পিএইচডি (অব.)।

উপস্থাপিত প্রবন্ধগুলোর ওপর আলোচনায় বক্তারা জোর দিয়ে বলেন, প্রত্যাবাসন কেবল মানুষদের শারীরিক পুনর্বাসন নয়; বরং ফেরত যাওয়া নাগরিকদের নিরাপত্তা, নাগরিকত্ব, বাসস্থান, জীবিকা ও স্থানীয় সম্প্রদায়ের সঙ্গে গ্রহণযোগ্যতা তৈরির মতো অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করাই টেকসই সমাধানের মূল চাবিকাঠি।

এই আলোচনার মধ্য দিয়ে প্রত্যাবাসনের বাস্তব চ্যালেঞ্জগুলোও সামনে এসেছে। নিজ ভূমিতে ফিরে যাওয়ার সুযোগ তৈরি করাই যথেষ্ট নয়; সেখানে নিরাপদ বসবাস, নাগরিক অধিকার, জীবিকা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সঙ্গে গ্রহণযোগ্য সম্পর্ক নিশ্চিত করাও জরুরি। এসব বিষয়কে প্রত্যাবাসন পরিকল্পনার কেন্দ্রে রাখা গেলে ফিরে যাওয়া মানুষের জন্য দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির সম্ভাবনা বাড়বে। সেমিনারে দেশি-বিদেশি বিশিষ্ট কূটনীতিক, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি, অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তা, গবেষক, শিক্ষাবিদ ও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বিশ্লেষকরা মনে করেন, রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে বাংলাদেশের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হলো কূটনৈতিক অঙ্গীকারকে বাস্তব অগ্রগতিতে রূপ দেওয়া। আঞ্চলিক শক্তি, আন্তর্জাতিক সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদার করে প্রত্যাবাসনের অনুকূল পরিবেশ তৈরির উদ্যোগ এগিয়ে নেওয়া গেলে দীর্ঘদিনের এই সংকট নিরসনের পথ সুগম হতে পারে। নিরাপত্তা, মানবিক অধিকার ও মর্যাদাকে অগ্রাধিকার দিয়ে সমন্বিত কূটনৈতিক উদ্যোগই এই ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পথ।

কালের আলো/এমএএএমকে

বাংলাদেশে বিমানের সংখ্যা ২০০ ছাড়ানোর প্রত্যাশা বিমানমন্ত্রীর

ময়মনসিংহ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৩৫ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশে বিমানের সংখ্যা ২০০ ছাড়ানোর প্রত্যাশা বিমানমন্ত্রীর

বাংলাদেশে বিমানের সংখ্যা ২০০টির বেশি হোক বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। দেশের নতুন প্রজন্মের বিকাশ ও ভবিষ্যতের চাহিদা বিবেচনায় এ লক্ষ্য অর্জনের কথা জানিয়েছেন তিনি।

রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুরে ময়মনসিংহ নগরীর আকুয়ায় একটি রিসোর্টে সিটি করপোরেশন আয়োজিত ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

বিমানমন্ত্রী বলেন, দেশে বর্তমানে ৩৫টি বিমান থাকার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি চান, ভবিষ্যতে দেশের বিমানবহরে উড়োজাহাজের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যাক। নতুন প্রজন্মের উন্নয়ন ও বিকাশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিমান খাতকে এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

মন্ত্রী জানান, ৩৫টি বিমান কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব বিমান দেশে আসতে সময় লাগবে এবং ২০৩১ সাল থেকে সরবরাহ শুরু হয়ে ২০৩৬ সাল পর্যন্ত চলতে পারে। ভবিষ্যতে বর্তমান বিমানগুলোর অনেকগুলো অচল হয়ে পড়তে পারে বিবেচনায় নিয়েই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ময়মনসিংহে বিমানবন্দর নির্মাণের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, এ অঞ্চলে বিমানবন্দর স্থাপনের দাবি উঠেছে। ত্রিশালের মতো স্থানে আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দর নির্মাণের সম্ভাবনা নিয়ে সমীক্ষা চালানো হচ্ছে। বড় বিমানবন্দর নির্মাণে সময় প্রয়োজন বলেও জানান তিনি।

ময়মনসিংহ অঞ্চলের পর্যটনশিল্পের বিকাশ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নেত্রকোনার বিরিশিরিতে জাতীয় পর্যায়ে একটি পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি ময়মনসিংহে শিশুপার্ক নির্মাণ এবং বিভাগের সার্বিক উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানান তিনি।

এ ছাড়া ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন বিমানমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, স্থানীয় সংসদ সদস্যরা, সিটি করপোরেশনের প্রশাসক রুকুনোজ্জামান রোকন, প্রশাসনের কর্মকর্তা, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে প্রায় ১ হাজার ২০০ কৃতী শিক্ষার্থী অংশ নেন। পরে অতিথিরা শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি