ছেলে আরেসই জীবনের সেরা উপহার, জন্মদিনে আবেগঘন বার্তা পিয়ার
‘সবচেয়ে বড় উপহারটি আগেই পেয়ে গেছি’
নিজের ফেসবুক পোস্টে পিয়া জানিয়েছেন, জীবনের আরও একটি বছর পেরিয়ে গেল তাঁর। এই সময়ে নানা অভিজ্ঞতা ও প্রাপ্তি জমা হলেও ছেলে আরেসের জন্ম তাঁর জীবনকে নতুনভাবে দেখার সুযোগ করে দিয়েছে।
পিয়ার উপলব্ধি, আরেসের জন্মের পর থেকে জীবনে যা কিছু পাচ্ছেন, সবই যেন বাড়তি পাওয়া। কারণ, জীবনের সবচেয়ে বড় উপহারটি তিনি এরই মধ্যে পেয়ে গেছেন। এ জন্য সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেছেন তিনি।

ব্যস্ততার মাঝেও ছেলেকে দিতে চান সময়
কাজের ব্যস্ততা, নানা দায়িত্ব আর প্রতিদিনের দৌড়ঝাঁপ—সব মিলিয়ে বেশির ভাগ সময় ক্লান্ত থাকতে হয় পিয়াকে। তবে ব্যস্ততার মধ্যেও ছেলে আরেসকে নিজের শতভাগ সময়, ভালোবাসা ও মনোযোগ দেওয়ার চেষ্টা করেন তিনি।
মা হওয়ার পর কাজ ও ব্যক্তিগত জীবনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার পাশাপাশি প্রতিদিন ছেলের সঙ্গে সুন্দর স্মৃতি তৈরি করতে চান এই মডেল ও অভিনেত্রী। তাঁর কাছে মাতৃত্ব কেবল নতুন দায়িত্ব নয়, বরং প্রতিদিন নতুন কিছু শেখার অভিজ্ঞতাও।
সমর্থন ও সমালোচনা—দুটিই অনুপ্রেরণা
জন্মদিনের পোস্টে নিজের জীবনের নানা দিক তুলে ধরার পাশাপাশি শুভেচ্ছা জানানো মানুষদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন পিয়া। যারা তাঁকে ভালোবাসেন, পাশে থাকেন এবং তাঁর ওপর আস্থা রাখেন, তাঁদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি।
একই সঙ্গে যারা তাঁর সমালোচনা করেন কিংবা তাঁকে পছন্দ করেন না, তাঁদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন এই তারকা। তাঁর মতে, সমর্থন ও সমালোচনা—দুটিই তাঁকে সামনে এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করে।
নতুন বছরে আরও ভালো মানুষ হওয়ার প্রত্যয়
জীবনের নতুন বছরে নিজের ভবিষ্যৎ নিয়েও আশাবাদী পিয়া জান্নাতুল। তাঁর মতে, এখনো অনেক কিছু শেখার বাকি, পূরণ করতে হবে অনেক স্বপ্ন। প্রতিদিন আরও ভালো, মানবিক ও শক্ত মানুষ হয়ে ওঠার চেষ্টা করছেন তিনি।
জন্মদিনের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে নিজেকে আরও অভিজ্ঞ, কিছুটা বেশি ক্লান্ত, তবে তার চেয়েও বেশি কৃতজ্ঞ বলে উল্লেখ করেছেন পিয়া। সব প্রাপ্তি, অভিজ্ঞতা ও মাতৃত্বের আনন্দ নিয়ে জীবনের নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়েছেন তিনি।
নিজের প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়ে পোস্টের শেষে লিখেছেন, ‘শুভ জন্মদিন আমাকে!’
কালের আলো/এসএ

আপনার মতামত লিখুন
Array