খুঁজুন
                               
, ,
           

পূজার বক্স অফিসে চার ছবির লড়াই, দেব–শুভশ্রীকে টক্কর দেবে কারা?

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৪৭ অপরাহ্ণ
পূজার বক্স অফিসে চার ছবির লড়াই, দেব–শুভশ্রীকে টক্কর দেবে কারা?
পশ্চিমবঙ্গের দুর্গাপূজার উৎসব ঘিরে এবার প্রেক্ষাগৃহে জমতে যাচ্ছে বাংলা সিনেমার লড়াই। দেব–শুভশ্রীর নতুন জুটি, জনপ্রিয় গোয়েন্দা চরিত্র একেনবাবুর রহস্যভেদ, ‘বহুরূপী’র নতুন পর্ব এবং সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে ঘিরে সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের ইতিহাসনির্ভর গল্প—সব মিলিয়ে দর্শকের সামনে থাকছে চারটি ভিন্ন স্বাদের সিনেমা। ১৫ ও ১৬ অক্টোবর থেকে ছবিগুলো প্রেক্ষাগৃহে আসতে শুরু করায় পূজার ছুটিতে কোনটি সবচেয়ে বেশি দর্শক টানবে, তা নিয়ে ইতিমধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।

বছরের প্রথম নয় মাসে পশ্চিমবঙ্গে মুক্তি পাওয়া বাংলা ছবির মধ্যে কিছু দর্শকের প্রশংসা পেয়েছে, আবার কিছু ছবি প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। তবে বাংলা চলচ্চিত্রের জন্য দুর্গাপূজার সময়টি বরাবরই গুরুত্বপূর্ণ। উৎসবের ছুটিতে মণ্ডপে ঘোরা, আড্ডা ও খাওয়াদাওয়ার পাশাপাশি সিনেমা দেখাও অনেকের পরিকল্পনার অংশ। সেই দর্শকদের প্রেক্ষাগৃহে টানতে এবার চারটি সিনেমা নিয়ে হাজির হচ্ছেন টালিউডের পরিচিত নির্মাতা ও তারকারা।

দেব–শুভশ্রীর প্রত্যাবর্তন, পরিচালনায়ও দেব

চারটি ছবির মধ্যে ‘দেশু৭’ ঘিরে অন্যতম বড় আকর্ষণ দেব ও শুভশ্রীর জুটি। গত বছরের আগস্টে ‘ধূমকেতু’ মুক্তির পর আবারও এই জুটিকে পর্দায় দেখার সুযোগ পাচ্ছেন দর্শকেরা। দীর্ঘ বিরতির পর তাঁদের একসঙ্গে পর্দায় ফেরার বিষয়টি ভক্তদের আগ্রহ বাড়িয়েছে।

তবে এবারের ছবিতে দেবের দায়িত্ব শুধু অভিনয়ে সীমাবদ্ধ নয়। ‘দেশু৭’ দিয়ে পরিচালক হিসেবেও অভিষেক হচ্ছে তাঁর। পাশাপাশি ছবিটির প্রযোজকও তিনি। অর্থাৎ অভিনয়, পরিচালনা ও প্রযোজনা—তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বই সামলাচ্ছেন দেব। ফলে এবারের দুর্গাপূজা তাঁর ক্যারিয়ারের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।

ছবিতে দেব ও শুভশ্রীর সঙ্গে অভিনয় করেছেন অনির্বাণ ভট্টাচার্য। আরও রয়েছেন প্রিয়াঙ্কা সরকার, রজতাভ দত্ত, কাঞ্চন মল্লিক ও অপরাজিতা আঢ্য। রোমান্স ও অ্যাকশনের মিশেলে নির্মিত ছবিটি ১৬ অক্টোবর পশ্চিমবঙ্গের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা।

দেব–শুভশ্রীর জনপ্রিয়তা এবং নতুন পরিচালক হিসেবে দেবের কাজ—দুটি বিষয়ই ছবিটির প্রতি দর্শকের আগ্রহ বাড়াতে পারে। তবে শেষ পর্যন্ত গল্প ও নির্মাণ কতটা দর্শককে আকৃষ্ট করতে পারে, সেটিই হবে বড় পরীক্ষা।

কেরালায় রহস্যভেদে একেনবাবু

দেব–শুভশ্রীর রোমান্স ও অ্যাকশনের বিপরীতে রহস্য আর হাস্যরসের স্বাদ নিয়ে আসছে ‘দ্য একেন: কেরালায় কুরুক্ষেত্র’। জনপ্রিয় গোয়েন্দা চরিত্র একেনবাবুকে আবারও পর্দায় দেখা যাবে অনির্বাণ চক্রবর্তীর অভিনয়ে।

ছবির গল্প আবর্তিত হয়েছে এক বিজ্ঞানীর অপহরণকে কেন্দ্র করে। ঘটনার রহস্য উন্মোচন করতে কেরালায় পৌঁছান একেনবাবু। তদন্তের পাশাপাশি তাঁর পরিচিত রসবোধ ও মজার পরিস্থিতিও গল্পে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এসভিএফ প্রযোজিত এই ছবিতে নতুন করে যুক্ত হয়েছেন ঋত্বিক চক্রবর্তী, সুব্রত দত্ত, অম্বরীশ ভট্টাচার্য ও কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়। রহস্যকাহিনির সঙ্গে হাস্যরসের সংমিশ্রণ এবং একেনবাবুর পরিচিত চরিত্র—দুটিই ছবিটির প্রধান আকর্ষণ।

বিশেষ করে পূজার ছুটিতে পরিবার নিয়ে সিনেমা দেখতে যাওয়া দর্শকদের কাছে ছবিটি ভালো বিকল্প হয়ে উঠতে পারে। পশ্চিমবঙ্গে ১৫ অক্টোবর মুক্তির কথা রয়েছে ‘দ্য একেন: কেরালায় কুরুক্ষেত্র’র। ভারতের অন্যান্য অঞ্চলে ছবিটি মুক্তি পাওয়ার কথা পরদিন।

‘বহুরূপী’র সাফল্যের পর আরও বড় পরিসরে ‘দ্য গোল্ডেন ডাকু’

২০২৪ সালের দুর্গাপূজায় মুক্তি পাওয়া ‘বহুরূপী’ সাফল্যের পর এবার এর নতুন পর্ব নিয়ে ফিরছেন নির্মাতা নন্দিতা রায় ও শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। নতুন ছবির নাম ‘বহুরূপী দ্য গোল্ডেন ডাকু’। আগের ছবির জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে এবারও পূজার ছুটিকে মুক্তির জন্য বেছে নিয়েছেন তাঁরা।

আগের পর্বে বিক্রম প্রামাণিকের গল্প দর্শকের মধ্যে আগ্রহ তৈরি করেছিল। নতুন ছবিতে ডাকাতির ঘটনা আরও বড় পরিসরে তুলে ধরার ইঙ্গিত দিয়েছেন নির্মাতারা। অ্যাকশন-থ্রিলারধর্মী এই ছবিতে অভিনয় করেছেন শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, যিশু সেনগুপ্ত, সোহিনী সরকার ও কৌশানি মুখোপাধ্যায়।

ছবিটির অন্যতম আকর্ষণ যিশু সেনগুপ্ত ও শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মুখোমুখি অবস্থান। আগের ছবির সাফল্য নতুন পর্বের জন্য বাড়তি সুবিধা তৈরি করলেও দর্শকের প্রত্যাশাও এবার বেশি। পরিচিত গল্পের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে নির্মাতারা কতটা নতুনত্ব আনতে পারেন, সেটিই হবে ছবিটির সাফল্যের অন্যতম নির্ধারক।

উইন্ডোজ প্রযোজিত ‘বহুরূপী দ্য গোল্ডেন ডাকু’ ১৫ অক্টোবর মুক্তি পাওয়ার কথা।

শরৎচন্দ্রের জীবন ও রাজনৈতিক চেতনায় সৃজিতের ‘এম্পারর ভার্সেস শরৎচন্দ্র’

অ্যাকশন, রোমান্স ও গোয়েন্দা রহস্যের বাইরে ভিন্নধর্মী গল্প নিয়ে আসছেন নির্মাতা সৃজিত মুখোপাধ্যায়। তাঁর ‘এম্পারর ভার্সেস শরৎচন্দ্র’ ছবির কেন্দ্রে রয়েছেন বাংলা সাহিত্যের প্রভাবশালী কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। ছবিতে শরৎচন্দ্রের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন টোটা রায়চৌধুরী। তাঁর সাজপোশাক ও চরিত্রের উপস্থাপনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচনা হয়েছে।

নন্দী মুভিজ প্রযোজিত ছবিটিতে আরও অভিনয় করেছেন আবির চট্টোপাধ্যায় ও মিমি চক্রবর্তী। শরৎচন্দ্রের সাহিত্যিক পরিচয়ের পাশাপাশি তাঁর রাজনৈতিক চেতনা, ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে অবস্থান এবং নির্ভীক ব্যক্তিত্ব তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন নির্মাতা।

ছবিটির মূল অনুপ্রেরণা শরৎচন্দ্রের উপন্যাস ‘পথের দাবী’। ব্রিটিশবিরোধী রাজনৈতিক ভাবনা ও বিপ্লবী চেতনার কারণে উপন্যাসটি তৎকালীন ব্রিটিশ সরকারের বিরাগভাজন হয়েছিল। ১৯২৭ সালের জানুয়ারিতে বইটি নিষিদ্ধ করা হয়।

‘পথের দাবী’ প্রকাশের শতবর্ষকে সামনে রেখে নির্মিত ছবিটি ইতিহাস ও সাহিত্যপ্রেমী দর্শকদের আগ্রহের কারণ হতে পারে। ‘এম্পারর ভার্সেস শরৎচন্দ্র’ ১৫ অক্টোবর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা।

পূজার বক্স অফিসে শেষ হাসি কার?

চারটি ছবির গল্প, ঘরানা ও তারকাদের উপস্থিতি আলাদা। ‘দেশু৭’ ভরসা করছে দেব–শুভশ্রীর জনপ্রিয়তা এবং দেবের নতুন পরিচালকের পরিচয়ের ওপর। ‘দ্য একেন: কেরালায় কুরুক্ষেত্র’ এগিয়ে থাকতে পারে রহস্য ও হাস্যরসের সমন্বয়ে। ‘বহুরূপী দ্য গোল্ডেন ডাকু’ কাজে লাগাতে চাইবে আগের ছবির সাফল্য, আর ‘এম্পারর ভার্সেস শরৎচন্দ্র’ দর্শক টানতে পারে ইতিহাস ও সাহিত্যনির্ভর কাহিনির মাধ্যমে।

তবে তারকাখ্যাতি কিংবা আগের ছবির সাফল্যই বক্স অফিসের চূড়ান্ত ফল নির্ধারণ করবে না। দর্শকের মুখে মুখে প্রশংসা, গল্পের গ্রহণযোগ্যতা এবং উৎসবের দিনগুলোতে প্রেক্ষাগৃহে উপস্থিতিই শেষ পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। উদ্বোধনী দিনের ভিড়ের পর কোন ছবি দর্শকের মন জয় করে এগিয়ে যায়, এখন সেটিই দেখার অপেক্ষা।

কালের আলো/এসএ

ঢাকার বায়ুদূষণ নিয়ে ক্ষোভ প্রধানমন্ত্রীর, পরিবেশ রক্ষায় বাড়তি দায়িত্বের তাগিদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৭ অপরাহ্ণ
ঢাকার বায়ুদূষণ নিয়ে ক্ষোভ প্রধানমন্ত্রীর, পরিবেশ রক্ষায় বাড়তি দায়িত্বের তাগিদ

ঢাকা বিশ্বের দূষিত শহরগুলোর তালিকায় বছরের পর বছর প্রথম বা দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসছে—এটিকে দেশের জন্য লজ্জার বিষয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাজধানীসহ দেশের পরিবেশ রক্ষায় জনসচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি সরকারি কর্মকর্তাদের নির্ধারিত দায়িত্বের বাইরেও উদ্যোগী হয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, পরিবেশ ও বন রক্ষায় শুধু সরকারের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়; সাধারণ মানুষকেও সচেতন ও সক্রিয় হতে হবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব নিতে হবে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা ও বাস্তবায়নবিষয়ক সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

ঢাকার দূষণ কমাতে সবার দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান

সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা বিশ্বের দূষিত শহরগুলোর তালিকায় প্রথম বা দ্বিতীয় অবস্থানে থাকছে। দেশের রাজধানীর এমন পরিস্থিতি পরিবর্তন করা জরুরি। এ জন্য প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

পরিবেশ রক্ষায় সরকারের নেওয়া উদ্যোগ বাস্তবায়নের পাশাপাশি নাগরিকদের মধ্যে সচেতনতা তৈরির ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। তাঁর মতে, মানুষ যত বেশি সচেতন হবে, পরিবেশ সংরক্ষণের কাজ তত সহজ হবে।

প্রধানমন্ত্রী পরিবেশ ও বন রক্ষায় নেওয়া সিদ্ধান্ত এবং পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের পৃথক পরিকল্পনা রাখার ওপরও জোর দেন। শুধু নীতিমালা বা প্রকল্প গ্রহণ করলেই হবে না, সেগুলোর সুফল মানুষের কাছে পৌঁছাতে কার্যকর প্রচার ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

‘নির্ধারিত দায়িত্বের বাইরে গিয়েও কাজ করতে হবে’

মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রত্যেকের নির্ধারিত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি দেশের জন্য আরও কিছু করার সক্ষমতা রয়েছে। দায়িত্বশীল অবস্থানে থেকে দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করার সুযোগকে কাজে লাগানো উচিত।

তিনি বলেন, ‘আপনার যেটা ডিউটি, তার থেকে কিন্তু একটু বেশি করার সক্ষমতা আপনার রয়েছে। দেশের জন্য কাজ করার সুযোগ সবার কাছে আসে না। যারা আজ দায়িত্বশীল অবস্থানে রয়েছেন, তাদের সেই সুযোগ রয়েছে। শুধু নির্ধারিত দায়িত্ব পালন করেই থেমে গেলে হবে না। দেশের মানুষের জন্য আরও কিছু করার চেষ্টা থাকতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, প্রত্যেকে নিয়মিত অফিসের দায়িত্ব পালন করলেও দেশের পরিবেশের অবনতি হলে তার প্রভাব ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ওপর পড়বে। তাই পরিবেশ রক্ষাকে শুধু দাপ্তরিক দায়িত্ব হিসেবে না দেখে জাতীয় দায়িত্ব হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।

তিনি বলেন, ‘আল্লাহতাআলা আমাদের একটা সুযোগ দিয়েছেন এ দেশের জন্য, এ দেশের মানুষের জন্য কিছুটা করার। আপনি নয়টা-পাঁচটা অফিস করতেই পারেন। এরপরে যদি আপনি কিছু না করেন, কেউ কিছু বলবে না। কিন্তু পরিবেশটা যদি খারাপ হয়ে যায়, ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ক্ষতিগ্রস্ত হবে। কারণ, আপনার পরবর্তী প্রজন্ম তো দেশেই থাকবে।’দেশের পরিবেশের উন্নতি ঘটাতে হলে সবাইকে নিজের সক্ষমতা অনুযায়ী দায়িত্বের বাইরে গিয়েও কিছুটা বেশি কাজ করার মানসিকতা গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

ছয় মাসের মধ্যে মাদার ট্রি চিহ্নিত করার সিদ্ধান্ত

সভায় আগামী ছয় মাসের মধ্যে দেশের মাদার ট্রি বা বীজ উৎপাদনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মাতৃগাছ চিহ্নিত করে সেগুলো সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বন ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এসব গাছ সংরক্ষণের পাশাপাশি নতুন গাছ লাগানোর কার্যক্রমও জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

বৈঠকে গাছ লাগানোর পর সেগুলোর পরিচর্যা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। রোপণ করা চারাগুলো বেঁচে আছে কি না, সেগুলোর বৃদ্ধি ঠিকমতো হচ্ছে কি না—তা যাচাই করতে নিজস্ব লোক পাঠিয়ে নিয়মিত পর্যবেক্ষণের ওপর জোর দেন প্রধানমন্ত্রী।

শুধু গাছ লাগানোর সংখ্যা বাড়ানো নয়, রোপণ করা গাছের টিকে থাকা ও বেড়ে ওঠা নিশ্চিত করাকেও গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এ জন্য নিয়মিত পরিচর্যা, তদারকি এবং বাস্তব অগ্রগতি যাচাইয়ের ব্যবস্থা রাখতে বলা হয়েছে।

পার্বত্য চট্টগ্রামে বনায়ন বাড়ানোর উদ্যোগ

পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে বনায়ন বাড়ানোর উপায় খুঁজে বের করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে সভায়। এ অঞ্চলে বনভূমি সংরক্ষণ এবং নতুন গাছ লাগানোর কার্যক্রম কীভাবে আরও কার্যকর করা যায়, তা নিয়ে উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

এ ছাড়া অন্য মন্ত্রণালয়গুলো নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম গাছ লাগালে সেই ঘাটতি পূরণে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়কে উদ্যোগ নিতে হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর পাশাপাশি বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের রোপণ করা গাছের পরিচর্যা ও তদারকি নিশ্চিত করার বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী মনে করেন, গাছ লাগানোর কর্মসূচি সফল করতে হলে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় থাকতে হবে। নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পাশাপাশি গাছের সঠিক পরিচর্যা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

ছাদবাগান ও স্কুলবাগান বাড়ানোর তাগিদ

মানুষের প্রকৃতির কাছাকাছি যাওয়ার সুযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানুষের জন্য প্রকৃতির মধ্যে সময় কাটানোর জায়গা বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে ছাদবাগান, স্কুলবাগান এবং বিভিন্ন ভবনে বাগান তৈরিতে মানুষকে উৎসাহিত করতে হবে।

শহরাঞ্চলে সবুজের পরিমাণ বাড়ানো এবং মানুষের দৈনন্দিন জীবনে প্রকৃতির উপস্থিতি নিশ্চিত করতে এ ধরনের উদ্যোগ ভূমিকা রাখতে পারে। এ জন্য সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পর্যায়েও বাগান তৈরির সংস্কৃতি গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন তিনি।

পরিবেশ রক্ষায় নাগরিকদের সম্পৃক্ত করতে জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি আরও জোরদার করার ওপরও গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর মতে, মানুষের মধ্যে দায়িত্ববোধ তৈরি হলে পরিবেশ সংরক্ষণের উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা সহজ হবে।

২৫ কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনা

সভায় প্রধানমন্ত্রী ২৫ কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, পরিকল্পনাটি যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে দেশের সব মানুষ এর সুফল পাবে।এই লক্ষ্য অর্জনে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে দেশের মানুষের জন্য ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

তবে গাছ লাগানোর পাশাপাশি সেগুলোর পরিচর্যা ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। সে কারণে রোপণ করা গাছের নিয়মিত পর্যবেক্ষণ এবং নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নের অগ্রগতি যাচাইয়ের ওপর সভায় গুরুত্ব দেওয়া হয়।

পরিবেশ রক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব

সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের চলমান কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনার পাশাপাশি সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নের বিষয়ে আলোচনা হয়। পরিবেশ সংরক্ষণ, বনায়ন বৃদ্ধি, গাছের পরিচর্যা এবং জনসচেতনতা তৈরির ক্ষেত্রে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা উঠে আসে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

শেষ কার্য দিবসে চাঙা পুঁজিবাজার, বাড়ল সূচক ও লেনদেন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:২৩ অপরাহ্ণ
শেষ কার্য দিবসে চাঙা পুঁজিবাজার, বাড়ল সূচক ও লেনদেন

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দেশের পুঁজিবাজারে সূচকের উত্থানের মধ্য দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। একই সঙ্গে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেনের পরিমাণও বেড়েছে। ডিএসইতে প্রধান মূল্যসূচক ২২ পয়েন্ট বাড়ার পাশাপাশি লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪৯৯ কোটি ৬৮ লাখ টাকায়।

ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

ডিএসইর প্রধান সূচক বেড়েছে ২২ পয়েন্ট ,বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, বৃহস্পতিবার ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ২২ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৪৫২ পয়েন্টে অবস্থান করছে। এদিন অন্য দুই সূচকও ঊর্ধ্বমুখী ছিল।

ডিএসইর শরিয়াহ সূচক ৫ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৭৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে ডিএসই-৩০ সূচক ৩ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ২ হাজার ৯৬ পয়েন্টে। সূচকগুলোর এই উত্থান দিনের লেনদেনে ইতিবাচক প্রবণতার প্রতিফলন হিসেবে দেখা যাচ্ছে।

ডিএসইতে লেনদেন প্রায় ৫০০ কোটি টাকা

বৃহস্পতিবার ডিএসইতে শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট মিলিয়ে মোট ৪৯৯ কোটি ৬৮ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবস বুধবার (১৪ অক্টোবর) লেনদেন হয়েছিল ৪১৬ কোটি ১৫ লাখ টাকার।

সে হিসাবে এক কার্যদিবসের ব্যবধানে ডিএসইতে লেনদেন বেড়েছে ৮৩ কোটি ৫৩ লাখ টাকা। বাজারে লেনদেনের পরিমাণ বৃদ্ধির পাশাপাশি অধিকসংখ্যক প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর বাড়ায় দিনের সামগ্রিক চিত্রে ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে।

২৪০ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর বেড়েছে

বৃহস্পতিবার ডিএসইতে মোট ৩৮৫টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট লেনদেনে অংশ নেয়। এর মধ্যে ২৪০টির দর বেড়েছে, ৯০টির দর কমেছে এবং ৫৫টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। অর্থাৎ, লেনদেনে অংশ নেওয়া অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার বা ইউনিটের দর বেড়েছে। বাজারের এই প্রবণতা দিনের সূচকের উত্থানের সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ।

লেনদেনের শীর্ষে যেসব প্রতিষ্ঠান

দিনের লেনদেনের শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় ছিল সায়হাম টেক্সটাইল, সোনালী আঁশ, বিএসআরএম স্টিল, নাহি অ্যালুমিনিয়াম, ইসলামী ইন্স্যুরেন্স, ফার ইস্ট নিটিং, ইভেন্সি টেক্সটাইল, স্কয়ার ফার্মা, সেনা ইন্স্যুরেন্স ও ওরিয়ন ইনফিউশন। লেনদেনের পরিমাণের ভিত্তিতে এসব প্রতিষ্ঠান দিনের বাজার কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য অবস্থানে ছিল।

সিএসইতেও সূচক ও লেনদেন বেড়েছে

অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৬০ পয়েন্ট বেড়ে ১৪ হাজার ৫৭৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।বৃহস্পতিবার সিএসইতে লেনদেন হওয়া ১৬২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১০৯টির শেয়ারদর বেড়েছে। বিপরীতে ৩৩টির দর কমেছে এবং ২০টির দর অপরিবর্তিত ছিল।

দিনটিতে সিএসইতে শেয়ার ও ইউনিটের মোট লেনদেন হয়েছে ২০ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৬ কোটি ৫২ লাখ টাকা। সে হিসাবে এক দিনের ব্যবধানে সিএসইতে লেনদেন বেড়েছে ১৪ কোটি ২ লাখ টাকা।

দুই বাজারেই ইতিবাচক প্রবণতা

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ডিএসই ও সিএসই—উভয় বাজারেই সূচক ও লেনদেনের পরিমাণ বেড়েছে। ডিএসইতে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর বাড়ার পাশাপাশি সিএসইতেও দরবৃদ্ধি পাওয়া প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল বেশি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

নতুন ঋণ পেতে আইএমএফের শর্ত পূরণ করতে হবে: অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
নতুন ঋণ পেতে আইএমএফের শর্ত পূরণ করতে হবে: অর্থমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কাছ থেকে নতুন ঋণ সহায়তা পেতে বাংলাদেশকে সংস্থাটির নির্ধারিত কিছু শর্ত পূরণ করতে হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তবে কয়েকটি বিষয়ে আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে আইএমএফের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক নাইজেল ক্লার্কের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।

নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা ইতিবাচক

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আইএমএফের সঙ্গে নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে। তবে ঋণ পেতে হলে কিছু শর্ত পূরণ করতে হবে। সেসব শর্তের বিষয়ে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা চলছে।

তিনি বলেন, নতুন কর্মসূচির আওতায় কী ধরনের শর্ত থাকবে এবং বাংলাদেশ কীভাবে সেগুলো পূরণ করবে, তা নিয়ে আরও আলোচনা প্রয়োজন। কয়েকটি বিষয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতায় পৌঁছানোর সুযোগ রয়েছে বলেও জানান তিনি।অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, নতুন ঋণ কর্মসূচির শর্ত নির্ধারণ এবং সেগুলো বাস্তবায়নের পদ্ধতি নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ও আইএমএফের পর্যবেক্ষণের মধ্যে সমন্বয় করার চেষ্টা চলছে।

ব্যাংকিং খাত ও কর-জিডিপি অনুপাত নিয়ে পর্যবেক্ষণ

নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনায় বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত, কর-জিডিপি অনুপাত, ব্যাংকের পুনঃমূলধনীকরণ এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার মতো বিষয়গুলো গুরুত্ব পাচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, এসব বিষয়ে আইএমএফের বিভিন্ন পর্যবেক্ষণ রয়েছে। বাংলাদেশেরও এসব বিষয়ে সম্মতি রয়েছে। ইতোমধ্যে অনেক সমস্যার সমাধান হয়েছে, আর যেসব বিষয় বাকি রয়েছে, সেগুলো নিয়ে আলোচনা অব্যাহত থাকবে।

কর-জিডিপি অনুপাত বলতে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) তুলনায় সরকারের কর রাজস্বের অনুপাতকে বোঝায়। সরকারের রাজস্ব আহরণ সক্ষমতা মূল্যায়নে এই সূচক গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে ব্যাংকের পুনঃমূলধনীকরণের মাধ্যমে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মূলধনভিত্তি শক্তিশালী করার বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হয়।

সংস্কার নিয়ে বাংলাদেশেরও পর্যবেক্ষণ রয়েছে

আর্থিক খাতের সংস্কারের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে আইএমএফের কোনো প্রশ্ন রয়েছে কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশেরও কিছু পর্যবেক্ষণ রয়েছে।তিনি জানান, ব্যাংকিং খাত ও কর-জিডিপি অনুপাত নিয়ে আইএমএফের পর্যবেক্ষণের সঙ্গে বাংলাদেশ একমত। এসব ক্ষেত্রে ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।তবে নতুন ঋণ কর্মসূচির সব শর্ত চূড়ান্ত হয়েছে—এমন কোনো কথা বলেননি অর্থমন্ত্রী। বরং শর্ত নির্ধারণ, বাস্তবায়নের পদ্ধতি এবং বাকি বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।

বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের ইতিবাচক পর্যবেক্ষণের কথা

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের নীতি ও কৌশল বিশ্বাসযোগ্য বলেই উন্নয়ন সহযোগীরা দেশের পাশে রয়েছে। আর্থিক খাতের সংস্কারে বাংলাদেশের অগ্রগতি নিয়েও বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের ইতিবাচক পর্যবেক্ষণ রয়েছে বলে জানান তিনি।নতুন ঋণ সহায়তা নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি আর্থিক খাতের সংস্কার, রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার বিষয়গুলোও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

কালের আলো/এএএন/এমএসআইপি