খুঁজুন
                               
, ,
           

সরকারি কর্মীদের বেতন ও বকেয়া মেটাতে ৫ হাজার কোটি টাকার ঋণ

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৫১ অপরাহ্ণ
সরকারি কর্মীদের বেতন ও বকেয়া মেটাতে ৫ হাজার কোটি টাকার ঋণ

নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ও বকেয়া পরিশোধের জন্য ব্যাংক খাত থেকে ৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিচ্ছে সরকার। চলতি অক্টোবর মাসে ট্রেজারি বিল ও বন্ডের মাধ্যমে ব্যাংক খাত থেকে মোট ৬০ হাজার ৩০০ কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

এই অর্থ সংগ্রহের অংশ হিসেবে বুধবার (২৮ অক্টোবর) ১৪ দিন মেয়াদি বিশেষ ট্রেজারি বিলের নিলাম ডেকেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে, অর্থাৎ জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত, ব্যাংক খাত থেকে সরকারের নিট ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৪ হাজার ২৪৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে নেওয়া হয়েছে ২৩ হাজার ২২৭ কোটি টাকা।

আগামী ১ নভেম্বর নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অক্টোবর মাসের বেতনের সঙ্গে আগের তিন মাসের বেতন বৃদ্ধির বকেয়া পরিশোধের কথা রয়েছে। বাড়তি এই ব্যয় মেটাতেই চলতি মাসে সরকারের ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা বাড়ানো হয়েছে।

বিশেষ ট্রেজারি বিলের নিলাম

সাধারণত সরকার ব্যাংক খাত থেকে ৯১, ১৮২ ও ৩৬৪ দিন মেয়াদি ট্রেজারি বিলের মাধ্যমে ঋণ নিয়ে থাকে। তবে অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজন মেটাতে এবার ১৪ দিন মেয়াদি বিশেষ ট্রেজারি বিলের নিলাম ডাকা হয়েছে।

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। এতে ঘাটতির পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। দেশি ও বিদেশি উৎস থেকে ঋণ নিয়ে এই ঘাটতি পূরণের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

এ ছাড়া বাজেটের অর্থায়নে ব্যাংক খাত থেকে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাড়ছে ট্রেজারি বিল ও বন্ডের সুদহার

সরকারের ঋণ নেওয়ার চাপ বাড়ায় ট্রেজারি বিল ও বন্ডের সুদহারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। গত ৫ অক্টোবর ৯১ দিন মেয়াদি ট্রেজারি বিলের ইল্ড ছিল ৮ দশমিক ১৩ শতাংশ। ২৬ অক্টোবর তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৫৫ শতাংশে। একই সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি বন্ডের ইল্ডও বেড়েছে।

অন্যদিকে, ব্যাংক খাতে উদ্বৃত্ত তারল্যের পরিমাণ গত আগস্টের শেষে ৪ লাখ ৪২ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছেছিল। এত বিপুল পরিমাণ উদ্বৃত্ত তারল্য থাকার পরও সরকারের ঋণের চাহিদা বাড়ায় ট্রেজারি বিল ও বন্ডের সুদহার বাড়ছে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

মিরপুর-১-এ হকার উচ্ছেদের পর ফের দখল, ডিএনসিসির দ্বিতীয় অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৪১ অপরাহ্ণ
মিরপুর-১-এ হকার উচ্ছেদের পর ফের দখল, ডিএনসিসির দ্বিতীয় অভিযান

রাজধানীর মিরপুর-১ নম্বর এলাকায় হকার উচ্ছেদ অভিযান শেষ হওয়ার এক ঘণ্টার মধ্যেই আবার ফুটপাতে দোকান বসানোর প্রস্তুতি নেন হকাররা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুর পৌনে ৩টার দিকে দ্বিতীয় দফায় অভিযান চালায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)।

এর আগে সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ডিএনসিসির প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনের নেতৃত্বে এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। এ সময় কয়েক শ দোকান সরিয়ে দেওয়া হয়। তবে অভিযান শেষ হওয়ার পরপরই মুক্তিযোদ্ধা সুপার মার্কেট ও হযরত শাহ আলী শপিং কমপ্লেক্সের সামনের ফুটপাতে আবারও দোকান বসাতে দেখা যায় হকারদের।

বুধবার দুপুরে সরেজমিনে এমন চিত্র দেখা যায়। এদিকে মুক্তিযোদ্ধা সুপার মার্কেট কর্তৃপক্ষ মাইকিং করে মার্কেটের সামনে দোকান বসানো নিষিদ্ধ বলে জানায় এবং যাঁরা দোকান বসিয়েছেন, তাঁদের দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেয়।

জীবিকা নিয়ে দুশ্চিন্তায় হকাররা

মুক্তিযোদ্ধা সুপার মার্কেটের সামনের ফুটপাতে দোকান বসানো এক ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, তাঁর কসমেটিকসের দোকানটি উচ্ছেদ করা হয়েছে। দীর্ঘদিন দোকান বসাতে না পারলে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তিনি।

পুনর্বাসনের জন্য অন্য জায়গা নির্ধারণ করা হলে সেখানে যাবেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ওই ব্যবসায়ী বলেন, সাধারণত যেসব জায়গায় হকারদের পাঠানো হয়, সেখানে ক্রেতাদের যাতায়াত কম থাকে। মার্কেটে কেনাকাটা করতে আসা মানুষ সামনে দোকান দেখলে অনেক সময় পণ্য কেনেন। অন্য জায়গায় গেলে সেই সুযোগ কমে যেতে পারে বলে তাঁর ধারণা।

অন্যদিকে হযরত শাহ আলী শপিং কমপ্লেক্সের ব্যবসায়ী রিপন খান বলেন, হকারদের এক জায়গা থেকে সরিয়ে দিলে তাঁরা অন্য জায়গায় গিয়ে বসেন। প্রশাসনের লোকজন চলে যাওয়ার পর আবারও ফুটপাত দখল করা হয়। তাঁর মতে, হকারদের জন্য নির্দিষ্ট জায়গা বরাদ্দ দেওয়া যেতে পারে। তবে তাঁদের রাস্তার পাশে বসার প্রবণতা বন্ধ করাও জরুরি।

আবারও অভিযান, চলবে নজরদারি

দুপুর পৌনে ৩টার দিকে ডিএনসিসির অঞ্চল-২-এর একটি গাড়ি ঘটনাস্থলে আসে। রাস্তার পাশে পড়ে থাকা কাঠ, বাঁশ, ইটসহ দোকান বসানোর বিভিন্ন সরঞ্জাম ট্রাকে তুলে নেওয়া হয়। এ সময় নতুন করে দোকান বসানো কয়েকজন হকারকে সরিয়ে দেওয়া হয়। অন্যদের দোকান সরিয়ে নিতে বলা হলে তাঁরা নিজেরাই সেগুলো সরিয়ে নেন। পরে পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা রাস্তা পরিষ্কারের কাজ শুরু করেন।

এ সময় ডিএনসিসির অঞ্চল-২-এর পরিদর্শক জহুরুল আলম সুজন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, উচ্ছেদ অভিযান চলমান থাকবে। এর জন্য নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা নেই; যেকোনো সময় অভিযান চালানো হবে। এ ছাড়া সিটি করপোরেশনের আরও দুটি দল রয়েছে, যারা বিভিন্ন সময়ে এলাকায় গিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবে।

ফুটপাত দখলমুক্ত রাখার ঘোষণা

এর আগে দুপুর ১টার দিকে প্রথম দফার অভিযান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ডিএনসিসির প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন।

তিনি বলেন, এই অভিযান শুধু ফুটপাত উচ্ছেদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। রাজধানীর যেসব স্থানে অব্যবস্থাপনা রয়েছে এবং নগরবাসীর স্বাভাবিক চলাচলে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে, সেসব জায়গায় উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে। প্রতিটি এলাকার ফুটপাত দখলমুক্ত করার কথাও জানান তিনি।

ডিএনসিসির প্রশাসক বলেন, জনগণের হাঁটাচলার রাস্তা তাঁদের ব্যবহারের উপযোগী করে ফিরিয়ে দেওয়া তাঁর নৈতিক দায়িত্ব। আশপাশের বিভিন্ন মার্কেটের কমিটির নেতা ও সাধারণ মানুষ এ বিষয়ে তাঁকে একাধিকবার অভিযোগ জানিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, দায়িত্বে থাকা অবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী ‘ক্লিন ঢাকা, গ্রিন ঢাকা’ গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে কাজ করবেন। ঢাকা শহরকে পরিচ্ছন্ন ও সবুজ করাই তাঁর লক্ষ্য।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

সাদমানের ৯৯, মিরপুর টেস্টে দাপুটে অবস্থানে বাংলাদেশ

ক্রীড়া প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৩২ অপরাহ্ণ
সাদমানের ৯৯, মিরপুর টেস্টে দাপুটে অবস্থানে বাংলাদেশ

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টের প্রথম দিনটি দাপটের সঙ্গে শেষ করেছে বাংলাদেশ। ওপেনার সাদমান ইসলামের ধৈর্যশীল ব্যাটিংয়ে বুধবার (২৮ অক্টোবর) দিনের খেলা শেষে স্বাগতিকদের সংগ্রহ ৭৪ ওভারে ৩ উইকেটে ২১৩ রান।

সেঞ্চুরি থেকে মাত্র এক রান দূরে ৯৯ রানে অপরাজিত রয়েছেন সাদমান। তাঁর সঙ্গে ১০ রান নিয়ে অপরাজিত আছেন লিটন দাস। মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। তবে ইনিংসের শুরুটা ভালো হয়নি স্বাগতিকদের। দলীয় ৯ রানেই জেইডেন সিলসের বলে ৭ রান করে আউট হন তানজিদ হাসান।

এরপর দ্বিতীয় উইকেটে সাদমান ইসলামের সঙ্গে ৫৯ রানের জুটি গড়েন মুমিনুল হক। ৫১ বলে ২৮ রান করে জোমেল ওয়ারিক্যানের শিকার হন তিনি। একই বোলারের বলে ১৯ রান করে ফেরেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। এতে ১১০ রানে তৃতীয় উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ।

সেখান থেকে দলকে এগিয়ে নেন সাদমান ও তাওহীদ হৃদয়। চতুর্থ উইকেটে দুজনের ব্যাটে আসে ৮৮ রান। ৮৪ বলে ৪২ রান করে পায়ে ব্যথা নিয়ে মাঠ ছাড়েন হৃদয়। তাঁর বিদায়ের সময় বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ১৯৮ রান।

এরপর লিটন দাসকে নিয়ে দিনের বাকি সময় পার করেন সাদমান। ২১৯ বল মোকাবিলা করে ১০টি চারের সাহায্যে ৯৯ রান করেছেন এই বাঁহাতি ওপেনার। শুরু থেকে উইকেটের এক প্রান্ত আগলে রেখে তাঁর দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে স্বস্তিতে দিন শেষ করে বাংলাদেশ।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে জোমেল ওয়ারিক্যান ৩৩ রান দিয়ে দুটি উইকেট নিয়েছেন। একটি উইকেট পেয়েছেন জেইডেন সিলস।

আলোকস্বল্পতার কারণে দিনের খেলা শেষ হওয়ার আগে আর কোনো উইকেট হারায়নি বাংলাদেশ। দ্বিতীয় দিন সাদমানের সেঞ্চুরি এবং বড় সংগ্রহ গড়ার দিকে তাকিয়ে থাকবে স্বাগতিকরা।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

কাঠ-কাগজে জিয়াবাড়ির ক্ষুদ্র প্রতিরূপ, প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দিতে চান তরুণ

গাইবান্ধা সংবাদদাতা, কালের আলো
প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:২৫ অপরাহ্ণ
কাঠ-কাগজে জিয়াবাড়ির ক্ষুদ্র প্রতিরূপ, প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দিতে চান তরুণ

কাঠ, হার্ডবোর্ড, কার্ডবোর্ড ও কাগজের মতো সাধারণ উপকরণ দিয়ে বগুড়ার গাবতলী উপজেলার বাগবাড়িতে অবস্থিত শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক পৈতৃক নিবাস ‘জিয়াবাড়ি’র ক্ষুদ্র প্রতিরূপ তৈরি করেছেন গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের তরুণ শিল্পী মো. কাওছার আলী। এক মাসের পরিশ্রমে তৈরি এই শিল্পকর্মটি এবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতে উপহার হিসেবে তুলে দিতে চান তিনি।

কাওছার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কিশামত সর্বানন্দ গ্রামের কাপড় ব্যবসায়ী মো. নুরুল ইসলামের ছেলে। তিনি রংপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী। পড়াশোনার পাশাপাশি মিনি আর্ট বা ক্ষুদ্র শিল্পকর্ম তৈরি করে আয় করছেন তিনি। নিজের উপার্জন দিয়ে পড়াশোনার খরচ মেটানোর পাশাপাশি পরিবারকেও সহযোগিতা করছেন।

ইউটিউব দেখে জিয়াবাড়ি তৈরির পরিকল্পনা

প্রায় এক মাস আগে ইউটিউবে বগুড়ার গাবতলীর বাগবাড়িতে অবস্থিত ঐতিহাসিক জিয়াবাড়ির ছবি দেখে অনুপ্রাণিত হন কাওছার। এরপর নিজের জমানো টাকা ও বাবার আর্থিক সহযোগিতায় কাঠ, হার্ডবোর্ড, কার্ডবোর্ড, কাগজ, প্লাস্টিক, আঠা ও রং সংগ্রহ করেন। দীর্ঘ এক মাসের পরিশ্রমে তৈরি করেন বাড়িটির ক্ষুদ্র প্রতিরূপ।

এর আগে গ্রামীণ বসতবাড়ি, চায়ের দোকান, মুদি দোকান ও পাঠাগারসহ বিভিন্ন স্থাপনার ক্ষুদ্র প্রতিরূপ তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশংসা পেয়েছেন তিনি। এসব শিল্পকর্মের চাহিদা বাড়ায় মিনি আর্ট তৈরি এখন তাঁর আয়েরও একটি উৎস হয়ে উঠেছে।

শিল্পকর্ম দেখতে দর্শনার্থীদের ভিড়

কাওছারের তৈরি ক্ষুদ্র জিয়াবাড়িটি দেখতে প্রতিদিন তাঁর বাড়িতে ভিড় করছেন উৎসুক মানুষ। অনেকে এর কারুকাজ খুঁটিয়ে দেখছেন, আবার কেউ স্মৃতি ধরে রাখতে ছবি তুলছেন।

নিজের স্বপ্নের কথা জানিয়ে কাওছার আলী বলেন, তাঁর সবচেয়ে বড় ইচ্ছা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সরাসরি দেখা করে নিজের হাতে তৈরি ক্ষুদ্র জিয়াবাড়িটি উপহার দেওয়া। প্রধানমন্ত্রী তাঁকে কিছুটা সময় দিলে দীর্ঘ পরিশ্রমের এই সৃষ্টি তাঁর হাতে তুলে দিতে পারবেন বলে আশা করেন তিনি।

ছেলের সৃজনশীলতায় খুশি বাবা

কাওছারের বাবা নুরুল ইসলাম ছেলের এই উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। কাপড়ের ব্যবসা করে সংসার চালানোর পাশাপাশি ছেলের শখের কাজেও সহযোগিতা করেছেন তিনি।

নুরুল ইসলাম বলেন, ছেলের সৃজনশীল কাজে তাঁরা সব সময় উৎসাহ দিয়েছেন। সরকারি ও উচ্চপর্যায়ের পৃষ্ঠপোষকতা পেলে কাওছার আরও এগিয়ে যেতে পারবে বলে তিনি আশা করেন।

সহযোগিতার আশ্বাস স্থানীয় নেতাদের

কাওছারের শিল্পকর্মের প্রশংসা করেছেন সুন্দরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. মাহামুদুল হাসান প্রামাণিক। তিনি কাওছারের প্রতিভাকে সাধুবাদ জানিয়ে তাঁর তৈরি শিল্পকর্মটি প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে দিতে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।

এ ছাড়া গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিকও কাওছারের কাজের প্রশংসা করেছেন এবং তাঁকে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।

সাধারণ উপকরণ দিয়ে ব্যতিক্রমী শিল্পকর্ম তৈরি করে কাওছার দেখিয়েছেন, শখ ও সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে আত্মনির্ভরতার পথ তৈরি করা সম্ভব। এখন নিজের হাতে গড়া ক্ষুদ্র জিয়াবাড়িটি প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেওয়ার স্বপ্ন পূরণের অপেক্ষায় রয়েছেন এই তরুণ শিল্পী।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি