খুঁজুন
                               
, ,
           

খাদ্যগুদাম নির্মাণে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার নির্দেশ খাদ্যমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৪২ অপরাহ্ণ
খাদ্যগুদাম নির্মাণে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার নির্দেশ খাদ্যমন্ত্রীর

খাদ্যশস্য সংরক্ষণের অবকাঠামো নির্মাণে আগামী ১০ থেকে ১৫ বছরের চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে টেকসই পরিকল্পনা প্রণয়নের নির্দেশ দিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম। খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মজুত সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি গুদামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও দীর্ঘমেয়াদি সংরক্ষণব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ঢাকায় খাদ্য অধিদপ্তর ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন খাদ্যমন্ত্রী।

দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় গুরুত্ব

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, খাদ্যশস্য সংরক্ষণের সক্ষমতা বাড়াতে ভবিষ্যতের চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে পরিকল্পনা করতে হবে। এ ক্ষেত্রে গুদামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং খাদ্যশস্য দীর্ঘ সময় নিরাপদে সংরক্ষণের উপযোগী ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি।

তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় খাদ্যশস্যের উৎপাদন বেশি হয়, সেসব এলাকায় গুদাম নির্মাণে অগ্রাধিকার দিতে হবে। পাশাপাশি বিদ্যমান পুরোনো গুদামগুলোর সংস্কার ও উন্নয়নেও গুরুত্ব দিতে হবে।

খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিতে সমন্বিত উদ্যোগ

অনুষ্ঠানে খাদ্য ও জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মেদ সোহেল মনজুর বক্তব্য দেন। তাঁরা খাদ্যশস্যের পর্যাপ্ত মজুত নিশ্চিত করা, গুদামের মান উন্নয়ন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে খাদ্যসচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানাসহ খাদ্য অধিদপ্তর, গণপূর্ত অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

খাদ্যশস্য সংরক্ষণের সক্ষমতা বৃদ্ধি, গুদামের আধুনিকায়ন এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের খাদ্যনিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার বিষয়টি অনুষ্ঠানে গুরুত্ব পায়।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

দুর্গম পাহাড়ে সেনাপ্রধান, নজরে মাঠের বাস্তবতা

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৪১ অপরাহ্ণ
দুর্গম পাহাড়ে সেনাপ্রধান, নজরে মাঠের বাস্তবতা

একদিকে সামরিক নেতৃত্বের নির্দেশনা, অন্যদিকে দুর্গম পাহাড়ে সেই নির্দেশনা বাস্তবায়নের দায়িত্ব। এই দুইয়ের সংযোগস্থলেই রয়েছে মাঠপর্যায়ের সেনাসদস্যদের প্রতিদিনের কর্মব্যস্ততা। সেই বাস্তবতার খোঁজ নিতে খাগড়াছড়ি রিজিয়নের বাঘাইহাট জোনের সেনা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে সেনা ক্যাম্প পরিদর্শনের অংশ হিসেবে খাগড়াছড়ি রিজিয়নে যান তিনি। সেখানে মোতায়েনরত সেনাসদস্যদের সঙ্গে কুশল বিনিময়ের পাশাপাশি তাঁদের দায়িত্ব পালনের বিভিন্ন বিষয়ে খোঁজখবর নেন সেনাপ্রধান। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

  • বাঘাইহাট ক্যাম্পে সেনাসদস্যদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ
  • প্রতিকূল পরিবেশে দায়িত্ব পালনের স্বীকৃতি
  • দায়িত্ব পালনে নিষ্ঠা ও সতর্কতার ওপর জোর

মাঠের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ
কোনো নিরাপত্তাব্যবস্থার কার্যকারিতায় পরিকল্পনা ও নির্দেশনার পাশাপাশি মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা বোঝাও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, দায়িত্ব পালনের প্রকৃত অভিজ্ঞতা তৈরি হয় মাঠেই। সেখানে কর্মরত সদস্যদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ শীর্ষ নেতৃত্বকে তাঁদের কাজের পরিবেশ ও দায়িত্বের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে জানার সুযোগ দেয়। বাঘাইহাট ক্যাম্পে সেনাপ্রধানের সফরের উল্লেখযোগ্য দিক ছিল এই সরাসরি যোগাযোগ। সদস্যদের সঙ্গে কথা বলা এবং তাঁদের দায়িত্ব পালনের বিষয়ে খোঁজ নেওয়ার মধ্য দিয়ে মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমের প্রতি নেতৃত্বের মনোযোগ প্রতিফলিত হয়েছে। এটি শুধু একটি ক্যাম্প পরিদর্শনে সীমাবদ্ধ থাকেনি বরং দায়িত্ব পালনকারী সদস্যদের সঙ্গে নেতৃত্বের সংযোগের গুরুত্বও তুলে ধরেছে।

প্রতিকূলতার মধ্যেও কর্তব্যনিষ্ঠার স্বীকৃতি
দুর্গম পাহাড়ে সীমিত সুযোগ-সুবিধা ও প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যে দায়িত্ব পালন সহজ নয়। এসব বাস্তবতার মধ্যেও পার্বত্য অঞ্চলের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে সেনাসদস্যদের নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার প্রশংসা করেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। দায়িত্বরত সদস্যদের কাজের প্রতি এই স্বীকৃতি একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। মাঠপর্যায়ে কর্মরত সদস্যদের অবদানকে গুরুত্ব দেওয়া তাঁদের পেশাগত দায়িত্ব ও কর্তব্যনিষ্ঠার বিষয়টিকে সামনে নিয়ে এসেছে।

প্রশংসার পাশাপাশি প্রত্যাশাও স্পষ্ট
দায়িত্ব পালনের স্বীকৃতির সঙ্গে সেনাপ্রধানের নির্দেশনাও ছিল স্পষ্ট। তিনি সেনাসদস্যদের সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, সতর্কতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে অর্পিত কর্তব্য পালন অব্যাহত রাখতে বলেছেন। এই নির্দেশনার তাৎপর্য হচ্ছে—প্রতিকূল পরিস্থিতিতে কাজ করার স্বীকৃতির পাশাপাশি দায়িত্ব পালনের মান অক্ষুণ্ণ রাখার প্রত্যাশাও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। নিরাপত্তার মতো সংবেদনশীল ক্ষেত্রে পেশাগত শৃঙ্খলা, সতর্কতা ও কর্তব্যনিষ্ঠা কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়। পরিদর্শনকালে সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার ইন চিফ মেজর জেনারেল হাসান উজ জামান, ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ও চট্টগ্রামের এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল ফেরদৌস হাসান সেলিমসহ সেনাসদর ও সংশ্লিষ্ট এলাকার ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বিভিন্ন পর্যায়ের সেনাসদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

সামরিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, বাঘাইহাট সেনা ক্যাম্পে সেনাপ্রধানের পরিদর্শনে তিনটি বিষয় স্পষ্ট হয়েছে—মাঠপর্যায়ের সদস্যদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ, প্রতিকূল পরিবেশে তাঁদের দায়িত্ব পালনের স্বীকৃতি এবং পেশাদারিত্ব বজায় রাখার নির্দেশনা। দুর্গম এলাকায় দায়িত্বরত সদস্যদের কাজের বাস্তবতা সম্পর্কে খোঁজ নেওয়ার মধ্য দিয়ে সফরটি মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমের প্রতি শীর্ষ নেতৃত্বের মনোযোগকে সামনে এনেছে। নেতৃত্বের প্রত্যাশা ও মাঠের দায়িত্ব—এই দুইয়ের সংযোগই ছিল বাঘাইহাট সফরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক।

কালের আলো/এমএএএমকে

পাঁচ ঘণ্টা পর ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইট

কূটনৈতিক প্রতিবেদক,কালের আলো
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:১৭ অপরাহ্ণ
পাঁচ ঘণ্টা পর ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইট

জাপানের নারিতা বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করেছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের উড়োজাহাজ। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে নির্ধারিত সময়ে উড্ডয়ন করতে না পারায় প্রায় পাঁচ ঘণ্টা বিলম্ব হয় ফ্লাইটটির। পরে ত্রুটি মেরামত শেষে ঢাকার পথে রওনা দেয় উড়োজাহাজটি।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) স্থানীয় সময় রাত পৌনে ১১টার দিকে ফ্লাইটটি যাত্রা করে বলে জানানো হয়েছে।

যান্ত্রিক ত্রুটিতে বিলম্ব
চার দিনের জাপান সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টার দিকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা ছিল উড়োজাহাজটির। তবে নির্ধারিত সময়ে উড্ডয়নের প্রস্তুতির মধ্যে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ায় ফ্লাইটটির যাত্রা বিলম্বিত হয়। নির্ধারিত সময়ের প্রায় ৪০ মিনিট পর ককপিট থেকে পাইলট যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিলম্বের কথা জানান এবং এ জন্য দুঃখপ্রকাশ করেন। পরে উড়োজাহাজটি টারমাকে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।

ত্রুটি মেরামতের পর উড্ডয়ন
প্রতিবেদন অনুযায়ী, কয়েক ঘণ্টার প্রচেষ্টায় উড়োজাহাজটির ত্রুটি মেরামত করা হয়। স্থানীয় সময় রাত সোয়া ১০টার দিকে এটি যাত্রার জন্য প্রস্তুত হয়। এরপর রাত পৌনে ১১টার দিকে ঢাকার উদ্দেশে উড্ডয়ন করে ফ্লাইটটি। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে প্রধানমন্ত্রী ও সফরসঙ্গীদের নির্ধারিত সময়ের চেয়ে কয়েক ঘণ্টা বেশি অপেক্ষা করতে হয়। ত্রুটি মেরামত শেষে ফ্লাইটটি যাত্রা শুরু করায় তাদের দেশে ফেরার পথের অনিশ্চয়তা কাটে।

চার দিনের জাপান সফর শেষে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী
চার দিনের জাপান সফর শেষে দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফর শেষে নির্ধারিত সময়ে ফিরতে না পারলেও উড়োজাহাজটির যান্ত্রিক সমস্যা সমাধানের পর যাত্রা শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটের বিলম্বের কারণ হিসেবে যান্ত্রিক ত্রুটির কথা জানানো হয়েছে। তবে ত্রুটির ধরন বা বিস্তারিত কারিগরি তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

নভেম্বরে জ্বালানি তেলের দামে পরিবর্তন নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৪৫ অপরাহ্ণ
নভেম্বরে জ্বালানি তেলের দামে পরিবর্তন নেই

দেশের বাজারে নভেম্বর মাসের জন্য জ্বালানি তেলের নতুন মূল্য ঘোষণা করেছে সরকার। তবে নতুন মাসে কোনো ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো বা কমানো হচ্ছে না। ফলে অক্টোবর মাসে নির্ধারিত দামেই নভেম্বরজুড়ে ডিজেল, অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিন বিক্রি হবে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের পাঠানো এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

কোন তেলের দাম কত
সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী, নভেম্বর মাসে ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি লিটার ডিজেল বিক্রি হবে ১৩৫ টাকায়। এ ছাড়া প্রতি লিটার অকটেনের দাম ১৬৫ টাকা, পেট্রোল ১৬০ টাকা এবং কেরোসিন ১৫৫ টাকা নির্ধারিত রয়েছে। অর্থাৎ, নভেম্বর মাসে জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে ভোক্তাদের নতুন করে বাড়তি খরচের মুখে পড়তে হচ্ছে না। আগের নির্ধারিত দামেই জ্বালানি তেল কিনতে পারবেন গ্রাহকেরা।

বিশ্ববাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে দাম নির্ধারণ
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ওঠানামার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশে প্রতি মাসে ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেলের বিক্রয়মূল্য সমন্বয় করে থাকে জ্বালানি বিভাগ। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে নভেম্বর মাসের জন্যও দাম পর্যালোচনা করা হয়েছে। তবে এবার সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সর্বশেষ সেপ্টেম্বরে বেড়েছিল দাম
এর আগে গত ২০ সেপ্টেম্বর সরকার সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম প্রতি লিটারে ২০ টাকা করে বাড়িয়েছিল। নতুন দাম ২১ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হয়। এরপর নভেম্বর মাসের জন্য ঘোষিত মূল্যেও কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। জ্বালানি তেলের দাম পরিবহন ব্যয় থেকে শুরু করে পণ্য পরিবহন ও নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন খাতের খরচে প্রভাব ফেলে। তাই নতুন মাসে দাম অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্তে আপাতত জ্বালানি তেল ব্যবহারকারীদের ব্যয় বাড়ছে না।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি