খুঁজুন
                               
, ,
           

মাদক নির্মূলে আইজিপির ‘অ্যাকশন প্ল্যান’; ৭ দিনে ১৭১৪ মামলায় গ্রেফতার ২৫৩০

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২০, ৬:৩৫ অপরাহ্ণ
মাদক নির্মূলে আইজিপির ‘অ্যাকশন প্ল্যান’; ৭ দিনে ১৭১৪ মামলায় গ্রেফতার ২৫৩০

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো :

মাদককে চিরতরে নির্মূল করতে ‘অ্যাকশন প্ল্যান’ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করেছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড.বেনজীর আহমেদ, বিপিএম (বার)।

ইতোমধ্যেই মাদকের বিরুদ্ধে নিজের শুন্য সহিষ্ণুতার নীতির বিষয়টি পুলিশের অফিসার ইনচার্জ থেকে শুরু করে উর্ধ্বতন সব পর্যায়ের কর্মকর্তাদেরই জানিয়ে দিয়েছেন।

আইজিপি বলেছেন, ‘কোনো পুলিশ সদস্য মাদকের সঙ্গে অথবা মাদক ব্যবসার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত থাকলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

দেশকে মাদকমুক্ত করতে পুলিশ প্রধানের এমন কঠিন বার্তার পর নড়েচড়ে বসেছে পুলিশ কর্মকর্তারা। গতি বেড়েছে মাদক বিরোধী অভিযানেও।

কেন্দ্র থেকে প্রান্ত সুচারু ও সমন্বিতভাবে পুরো কার্যক্রম পরিচালনা করছেন সর্বস্তরের কর্মকর্তারা। পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে দেশজুড়ে মাদক কারবারিদের নেটওয়ার্ক লন্ডভন্ড হয়ে যাচ্ছে।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিকেলে পুলিশ সদর দপ্তর জানিয়েছে, ‘গত এক সপ্তাহে পুলিশ ১ হাজার ৭১৪ টি মামলায় ২ হাজার ৫৩০ জন মাদক কারবারী ও সেবনকারীকে গ্রেফতার করেছে।’

পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) সোহেল রানা কালের আলোকে জানান, ‘মাদকের বিরুদ্ধে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শুন্য সহনশীলতা কঠোরভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদের নির্দেশে দেশব্যাপী চলমান পুলিশী কার্যক্রম নিরিবিচ্ছিন্নভাবে এগিয়ে চলছে।

আইজিপি’র প্রাধিকারভুক্ত কার্যতালিকায় দেশমাতৃকাকে মাদকমুক্ত করা একটি অন্যতম প্রায়োরিটি।’

চলতি মাসের ১২ থেকে ১৮ জুলাই পর্যন্ত পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করে পুলিশ সদর দপ্তর বলছে, বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের দায়েরকৃত এসব মামলায় ৩ লাখ ২ হাজার ২৫৯ পিছ ইয়াবা, ৫ হাজার ৮৪৯ বোতল ফেন্সিডিল, ২ কেজি ৪৬২ গ্রাম হেরোইন, ৮২০ কেজি গাঁজা, ২ হাজার ৬৮২ লিটার দেশি মদ এবং ২৯১ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার হয়েছে।

সূত্র মতে, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই ড.বেনজীর আহমেদ পুলিশ কর্মকর্তাদের ৫ দফা নির্দেশনা দিয়েছেন।

নিয়মিতই তিনি পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলছেন। ৬৬০ থানার অফিসার ইনচার্জদের সঙ্গে প্রথমবারের মতো সরাসরি কথা বলেছেন।

দুর্নীতির বিরুদ্ধে যেমন উচ্চকন্ঠ নীতি গ্রহণ করেছেন তেমনি মাদক নির্মূলেও সর্বাত্নক ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানান। বিট পুলিশিংয়ের মাধ্যমে পুলিশের সেবা জনগণের দোরগোড়ায় নিয়ে যাওয়ারও অঙ্গীকার করেছেন।

স্পষ্ট ভাষায় আইজিপি বলেছেন, ‘পুলিশকে দুর্নীতিমুক্ত থাকতে হবে। যারা অবৈধ অর্থ উপার্জন করে বড়লোক হতে চান, তাদের স্থান পুলিশে নয়। তারা পুলিশের চাকরি ছেড়ে দিন। বাড়ি ফিরে ব্যবসা করে বড়লোক হন।’

সূত্র মতে, ড.বেনজীর আহমেদ ডিএমপি ও র‌্যাবে’র প্রধান থাকাকালীন সময়েও পুলিশের দু’টি ইউনিটে জঙ্গিবাদ ও মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করে প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন।

ওই সময় কঠিন এ চ্যালেঞ্জে উত্তীর্ণ হয়েছেন। পুলিশ প্রধান হিসেবেও মাদক অপরাধ নির্মূলে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

আইজিপি ড.বেনজীর আহমেদ স্বপ্ন দেখেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে মাদকমুক্ত দেশ হিসেবে ঘোষণা দেবেন। সেই স্বপ্নপূরণে যুদ্ধ ঘোষণা করে বীরদর্পে হাঁটতে শুরু করেছে পুলিশ।

পুলিশ প্রধানের প্রাধিকারভুক্ত এ কার্যক্রম দিনের পর দিনে অধিকতর গতিশীলতার সুচারু ও সমন্বিতভাবেই কেন্দ্র থেকে প্রান্তে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

প্রায় দুই সপ্তাহ আগে রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে বিশেষ অপরাধ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বিভিন্ন বিষয়ে দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড.বেনজীর আহমেদ।

সেদিন তিনি বলেন, ‘রাজারবাগ থেকে মুক্তিযুদ্ধের প্রথম প্রতিরোধ গড়ে ওঠে। মাদকের বিরুদ্ধে শেষ যুদ্ধও রাজারবাগ থেকেই শুরু হবে।’

সূত্র মতে, ওই সভাতেই ডিএমপি’র উপস্থিত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঐকমত্যে পৌঁছান মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা মাদকবিরোধী কার্যক্রমকে প্রাধিকারভুক্ত করে ব্যবস্থা নিলে মাদক নির্মূল করা সম্ভব।

ডিএমপি কমিশনার মোহা.শফিকুল ইসলাম পুলিশ প্রধানের দেওয়া নির্দেশনাকে ইবাদতের মতোন বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করেন।

রাজধানীর পুলিশ প্রধান ঘোষণা দেন- মাদক নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে সংশ্লিষ্ট থানার ওসিকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে। এ ঘোষণায় টনক নড়ে রাজধানীর থানার অফিসার ইনচার্জদের।

সূত্র জানায়, পুলিশ প্রধানের সঙ্গে সভার দু’দিন পরই ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম ডিএমপির অপরাধ বিভাগের ও গোয়েন্দা (ডিবি) ও ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের সব উপকমিশনারের কাছে মাদক নির্মূল ও নিয়ন্ত্রণে আনতে দিকনির্দেশনামূলক চিঠি পাঠান।

সেই চিঠিতে বলা হয়েছে- ‘সমাজ থেকে মাদক নির্মূল ও নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করার পাশাপাশি মাদক সংশ্লিষ্ট মামলা পেশাদারত্বের সঙ্গে তদন্ত সম্পন্ন করতে হবে।’

এ চিঠির পরপরই মাদকের বিরুদ্ধে নতুন উদ্যমে কাজ শুরু করে পুলিশ।

জানতে চাইলে ডিএমপি কমিশনার মোহা.শফিকুল ইসলাম কালের আলোকে বলেন, ‘মাননীয় পুলিশ প্রধানের নির্দেশে মাদক বিরোধী অভিযান জোরদার করার পাশাপাশি নানামুখী উদ্যোগ ও পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। আমরা পুরোমাত্রায় কাজ শুরু করেছি।’

তিনি বলেন, ‘মাদক ব্যবসায় প্রত্যক্ষ, পরোক্ষভাবে জড়িত ব্যক্তি ও গোষ্ঠীকে চিহ্নিত করে তাদের গ্রেপ্তারে নিয়মিত অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।’

কালের আলো/এসআর/এমএএএমকে

মারা গেলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জারের স্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০৬ অপরাহ্ণ
মারা গেলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জারের স্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি এ কিসিঞ্জারের স্ত্রী ন্যান্সি কিসিঞ্জার মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় কানেটিকাট অঙ্গরাজ্যের সাউথ কেন্টে নিজ বাড়িতে তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর বয়স হয়েছিল ৯২ বছর।

পরিবারের পক্ষ থেকে ন্যান্সি কিসিঞ্জারের মৃত্যুর খবর জানানো হয়েছে।

হেনরি কিসিঞ্জার ২০২৩ সালের ২৯ নভেম্বর ১০০ বছর বয়সে মারা যান। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য তাঁকে দেশটির পররাষ্ট্রনীতির অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

১৯৭৪ সালে হেনরি কিসিঞ্জারের সঙ্গে বিয়ের পর ন্যান্সি দীর্ঘদিন স্বামীর কূটনৈতিক ও সামাজিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সঙ্গী ছিলেন। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সফরে তাঁর সঙ্গে ভ্রমণ করেছেন তিনি। ১৯৭৭ সালে হেনরি কিসিঞ্জার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব ছাড়ার পরও ওয়াশিংটনের পরিচিত দম্পতি হিসেবে তাঁরা বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় নৈশভোজ, দূতাবাসের অনুষ্ঠান ও রাজনৈতিক আয়োজনে অংশ নিতেন।

নিউইয়র্ক শহরেও কিসিঞ্জার দম্পতির পরিচিতি ছিল। তাঁদের মূল বাসভবন ছিল সেখানে। বিভিন্ন জাদুঘরের উদ্বোধন, ফ্যাশন শো এবং দাতব্য তহবিল সংগ্রহের অনুষ্ঠানে তাঁদের নিয়মিত দেখা যেত।

১৯৮০-এর দশকের শুরু থেকে সামাজিক ব্যস্ততা কমিয়ে অবসর জীবন কাটাতে শুরু করেন তাঁরা। কানেটিকাটের সাউথ কেন্টে তাঁদের প্রায় ৩০০ একরের একটি বাড়ি ছিল। গ্রীষ্মকাল ও সাপ্তাহিক ছুটির সময় তাঁরা সেখানে কাটাতেন।

ন্যান্সি কিসিঞ্জারকে ঘনিষ্ঠজনেরা বুদ্ধিমতী, দক্ষ, আন্তরিক ও রসবোধসম্পন্ন নারী হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তবে তাঁর জীবনের কিছুটা সময় স্বামীর বিতর্কিত রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের ছায়াতেও কেটেছে।

হেনরি কিসিঞ্জার ১৯৭৩ থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন ও জেরাল্ড ফোর্ডের সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন। এ সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে উত্তেজনা কমানোর উদ্যোগ, চীনের সঙ্গে সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা এবং মধ্যপ্রাচ্যে কূটনৈতিক তৎপরতায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

ভিয়েতনাম যুদ্ধের অবসানে প্যারিস শান্তিচুক্তি নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন কিসিঞ্জার। এ কাজের জন্য ভিয়েতনামের কূটনীতিক লে দুক তো’র সঙ্গে যৌথভাবে ১৯৭৩ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার পান তিনি।

সূত্র: দ্য নিউইয়র্ক টাইমস

কালের আলো/এসএ

বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসা স্থগিতের নীতি বাতিল মার্কিন আদালতের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ণ
বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসা স্থগিতের নীতি বাতিল মার্কিন আদালতের

বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের নাগরিকদের অভিবাসী ভিসা দেওয়া স্থগিত রাখার ট্রাম্প প্রশাসনের নীতি বাতিল করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের একটি ফেডারেল আদালত। আদালত বলেছেন, এ ধরনের নীতি নেওয়ার ক্ষেত্রে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও তাঁর আইনগত এখতিয়ারের সীমা অতিক্রম করেছেন।

শুক্রবার ম্যানহাটানের মার্কিন ডিস্ট্রিক্ট আদালতের বিচারক জ্যানেট ভার্গাস এ রায় দেন। তিনি বলেন, জানুয়ারিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ঘোষিত নীতিটি ‘স্পষ্টতই বেআইনি’ এবং কেন্দ্রীয় অভিবাসন আইনেরও পরিপন্থী।

বিচারকের মতে, অভিবাসী ভিসার আবেদনপ্রক্রিয়ায় কনস্যুলার কর্মকর্তাদের ওপর পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ক্ষমতা আইনে স্পষ্টভাবে সীমিত করা হয়েছে। তাই আবেদনকারীর জাতীয়তার ভিত্তিতে ঢালাওভাবে অভিবাসী ভিসা দেওয়া বন্ধ করার নীতি প্রচলিত আইনি কাঠামোর সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

জানুয়ারিতে কার্যকর হওয়া ওই নীতির আওতায় ৭৫ দেশের নাগরিকদের অভিবাসী ভিসা দেওয়া স্থগিত করা হয়েছিল। তালিকায় বাংলাদেশের পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়ার পাকিস্তান, লাতিন আমেরিকার ব্রাজিল, কলম্বিয়া ও উরুগুয়ে এবং বলকান অঞ্চলের বসনিয়া ও আলবেনিয়াও ছিল। আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের বেশ কয়েকটি দেশও তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ছিল।

ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, এসব দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সহায়তা ও বিভিন্ন সরকারি সুযোগ-সুবিধার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি। এ কারণেই তাঁদের অভিবাসী ভিসা স্থগিত করা হয়েছিল।

তবে আদালত এই যুক্তিকে গ্রহণ করেননি। বিচারক ভার্গাস তাঁর রায়ে বলেন, জাতীয়তার ভিত্তিতে এভাবে অভিবাসী ভিসা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত আইনসঙ্গত নয়।

এই মামলাটি করেছে অভিবাসী অধিকার নিয়ে কাজ করা ‘ক্যাথলিক লিগ্যাল ইমিগ্রেশন নেটওয়ার্ক’ ও ‘আফ্রিকান কমিউনিটিজ টুগেদার’। মামলায় তালিকাভুক্ত ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসা আবেদনকারীদের পাশাপাশি তাঁদের পরিবারের সদস্যদের যুক্তরাষ্ট্রে আনার জন্য আবেদন করা কয়েকজন মার্কিন নাগরিকও ছিলেন।

রায়ের বিষয়ে জানতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে ব্যাপক কড়াকড়ি আরোপ করেছে তাঁর প্রশাসন। প্রশাসনের দাবি, এসব পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা জোরদার করা।

তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলো দীর্ঘদিন ধরে এসব নীতির সমালোচনা করে আসছে। তাদের অভিযোগ, কঠোর অভিবাসন নীতির ফলে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মানুষ বৈষম্য, সন্দেহ ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন এবং তাঁদের আইনি অধিকারও ক্ষুণ্ন হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

সূত্র: রয়টার্স

কালের আলো/এসএ

সোনা-রুপার দাম বাড়ল, আজ থেকেই নতুন দর কার্যকর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬, ১১:২৩ পূর্বাহ্ণ
সোনা-রুপার দাম বাড়ল, আজ থেকেই নতুন দর কার্যকর

দেশের বাজারে আবারও বাড়ানো হয়েছে সোনা ও রুপার দাম। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ৫ হাজার ৪৮২ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৬ হাজার ১১০ টাকা। নতুন এই দাম শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের বৈঠকে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে নতুন দামের বিষয়টি জানানো হয়।

নতুন তালিকা অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ৫ হাজার ২৪৯ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৩৫ হাজার ২৯ টাকা করা হয়েছে। ১৮ ক্যারেটের দাম বেড়েছে ৪ হাজার ৪৯০ টাকা, ফলে এর নতুন দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১ হাজার ৮৪৫ টাকা।

এ ছাড়া সনাতন পদ্ধতির এক ভরি সোনার দাম ৩ হাজার ৬১৬ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৮১২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সোনার পাশাপাশি রুপার দামও বাড়িয়েছে বাজুস। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১৭৫ টাকা বাড়িয়ে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা, ২১ ক্যারেট ৫ হাজার ২৪৯ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪ হাজার ৪৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৩ হাজার ৩৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে গত ২০ আগস্টও সোনা ও রুপার দাম বাড়ানো হয়েছিল। চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১০৬ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫৪ দফায় দাম বেড়েছে এবং ৫২ দফায় কমেছে।

বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৯ জানুয়ারি ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৮৬ হাজার ১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল, যা দেশের ইতিহাসে সোনার সর্বোচ্চ দাম হিসেবে রেকর্ড গড়ে।

কালের আলো/এমএসআইপি/এমএসআইপি