খুঁজুন
                               
শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ, উৎসবমুখর ঢাকা সেনানিবাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ মার্চ, ২০২১, ৭:৫৬ অপরাহ্ণ
স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ, উৎসবমুখর ঢাকা সেনানিবাস

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো :

স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে জাতিসংঘের চূড়ান্ত সুপারিশ পেয়েছে বাংলাদেশ। উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা লাভকে মাইলফলক অর্জন হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বঙ্গবন্ধু কন্যা স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের গৌরব ইতোমধ্যেই নতুন প্রজন্মকে উৎসর্গও করেছেন।

মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনের মুহুর্তে সমগ্র জাতির জন্য আনন্দ ও গর্বের এই প্রাপ্তিকে এবার সাড়ম্বরেই উদযাপন করেছে দেশপ্রেমিক বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ড.আজিজ আহমেদের নির্দেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বহ্নিশিখায় নবজাগরণ তৈরির সময়টিতে জাঁকালো আয়োজনের মধ্যে দিয়ে রোববার (২৮ মার্চ) উৎসবমুখর পরিবেশে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা করেছেন দেশপ্রেমিক সেনারা।

ঢাকা সেনানিবাসে লগ এরিয়ার সার্বিক ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ এর স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়শীল দেশে উত্তরণ উদ্যাপন উপলক্ষে এদিন বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার নেতৃত্ব দিয়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল (কিউএমজি) লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, শোভাযাত্রাটি ঢাকা সেনানিবাসের সিগন্যাল গেইট ও লজিস্টিকস্ এরিয়া এমপি ইউনিটের সামনে থেকে দু’টি দলে বিভক্ত হয়ে শুরু হয়। এরপর সেনানিবাসের প্রধান সড়ক হয়ে সেনাকুঞ্জে গিয়ে শেষ হয।

শোভাযাত্রায় সেনাবাহিনীর চীফ অব জেনারেল স্টাফ (সিজিএস) লেফটেন্যান্ট জেনারেল আতাউল হাকিম সারওয়ার হাসান, ঢাকা লগ এরিয়ার জিওসি মেজর জেনারেল মো. হুমায়ুন কবিরসহ ঢাকা সেনানিবাসে কর্মরত সামরিক অসামরিক কর্মকর্তা, জেসিও এবং অন্যান্য পদবীর সৈনিকরা স্বতঃস্ফুর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।

প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্বে দেশ আরও এগিয়ে যাবে
শোভাযাত্রা শেষে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল (কিউএমজি) লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘সকল বাধা পেরিয়ে মুক্তিযুদ্ধের মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে বাংলাদেশ আজ এগিয়ে চলছে উন্নতি আর সমৃদ্ধির পথে।

দেশকে মধ্যম আয়ের ডিজিটাল বাংলাদেশে পরিণত করার প্রত্যয়ে গৃহীত ‘রূপকল্প ২০২১’র সফল পরিসমাপ্তি হতে চলেছে। স্বাধীনতার এই সুবর্ণ জয়ন্তীতে এবং মুজিব শতবর্ষে এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত খুশির, আনন্দের এবং গৌরবের সংবাদ। এটি সেই সাথে আমাদের একটি ঐতিহাসিক অর্জন।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে স্বাধীনতার পর থেকেই দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও যুদ্ধ পরবর্তী দেশ পুর্নগঠনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আত্নত্যাগ অসামান্য। দেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে বলিষ্ঠ পদক্ষেপ, দুর্যোগ মোকাবেলায় অনন্য অবদান, জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী হিসেবে সম্মান ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের সার্বিক উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে আসছে, যা নি:সন্দেহে প্রশংসনীয়। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতিটি সদস্য এই গৌরবের অংশীদার।’

লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, ‘আমি গভীরভাবে বিশ্বাস করি বাংলাদেশের উন্নয়নের এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল ও দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণে সকল প্রতিকূলতা মোকাবেলা করে এই দেশ আরও অনেক দূর এগিয়ে যাবে।’

এর আগে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদায় উন্নীত হওয়ায় গত শনিবার (২৬ মার্চ) ঢাকার মিরপুর সেনানিবাস, খুলনা, সিলেট, বগুড়া, মুন্সিগঞ্জ ও জাহাঙ্গীরাবাদ সেনানিবাসে নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এসব অনুষ্ঠানে স্বাধীন বাংলার স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করা হয়।

ওইদিন বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনায় জাঁকজমকপূর্ণ ৬ স্বতন্ত্র এডিএ ব্রিগেডের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠিত বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের (এনডিসি) কমান্ড্যান্ট লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. আকবর হোসেন।

একই দিনে উন্নয়নশীল দেশ হিসাবে জাতিসংঘের স্বীকৃতি অর্জন করায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করে সিলেট সেনানিবাস। শনিবার (২৭ মার্চ) ১৭ পদাতিক ডিভিশন সদর দপ্তর ও এরিয়া সদর দপ্তর সিলেট এই আয়োজন করে। এতে নেতৃত্ব দেন সিলেটের এরিয়া কমান্ডার ও ১৭ পদাতিক ডিভিশন জিওসি মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মুহাম্মদ খায়রুল বাশার।

কালের আলো/এমএ/জিকে

এমন কোনো লোভ ছিল না, যা শেখ হাসিনা আমাকে দেখাননি: স্পিকার

ভোলা প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:৪৬ অপরাহ্ণ
এমন কোনো লোভ ছিল না, যা শেখ হাসিনা আমাকে দেখাননি: স্পিকার

‘এমন কোনো লোভ ছিল না, যা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (ভারতে পলাতক) আমাকে দেখাননি। আমি যদি তার কথা শুনতাম, তাহলে তার পরেই আমার অবস্থান হতো’ বলে মন্তব্য করেছেন-জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকালে ভোলার সার্কিট হাউসে জেলার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় একথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘আমি বলেছি, আমার বয়স ৮০ বছর হয়ে গেছে এখন আর এগুলো করার সময় নেই।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন বলেন, ‘জেনারেল জিয়াউর রহমানের অধীনে আমি যুদ্ধ করেছি এবং বেগম জিয়া আমাকে অনেক স্নেহ করতেন। আমি জেনারেল জিয়া ও বেগম জিয়ার প্রতি সব সময় অনুগত ছিলাম। আমি এই দলের (বিএনপি) অনেক সিনিয়র ছিলাম। কিন্তু সবাই আমাকে ক্রস করে ওপরে চলে গেছে এবং আমার আগে স্থায়ী কমিটির সদস্য হয়েছে।’

স্পিকার বলেন, ‘একমাত্র ড. মোশাররফ হোসেন ছাড়া সবার সিনিয়র ছিলাম আমি। তা-ও স্থায়ী কমিটিতে স্থান হয়নি। আমি এগুলো নিয়ে কখনো মাথা ঘামাইনি। আমার নজর ছিল এলাকা থেকে জনগণ যাতে ভোট দেয়, আমি যেন জাতীয় সংসদে যেতে পারি। এবারও ভোট দেওয়ার পর লোকজন আশা করেছিল আমি যেন একটা প্ল্যাগ নিয়ে আসতে পারি। আল্লাহর রহমতে দুই দুইটা প্ল্যাগ নিয়ে এসেছি।’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন বলেন, ‘আমি গভীর কৃতজ্ঞতা জানাই বিএনপির চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের কাছে। তার সঙ্গে আমি জীবনে কথা বলেছি দুই দিন। এ ছাড়া কোনো দিন টেলিফোন হয়নি, দেখাও হয়নি, কথাও হয়নি। কিন্তু তিনি আমাকে দেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ পদে অভিহিত করেছেন। এ জন্য আমি তার কাছে ও আমার দল বিএনপির কাছে খুবই কৃতজ্ঞ।’

মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমানের সভাপতিত্বে জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম নবী আলমগীর, পুলিশ সুপার মো. শহীদুল্লাহ কাওছার, জেলা বিএনপির সদস্যসচিব মো. রাইসুল আলমসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও জেলা বিএনপির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসআর/ এএএন

 

রোহিঙ্গা সংকট একটি সমাধানযোগ্য সমস্যা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৩৬ অপরাহ্ণ
রোহিঙ্গা সংকট একটি সমাধানযোগ্য সমস্যা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেছেন, রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই ও কার্যকর সমাধান রাখাইন রাজ্যেই নিহিত এবং এক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে শুধু মানবিক সহায়তার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, সম্মানজনক ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে আরও সক্রিয় ও ফলপ্রসূ ভূমিকা নিতে হবে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে তুরস্কে চলমান আন্তালিয়া ডিপ্লোম্যাসি ফোরামে প্যানেল আলোচনায় বক্তব্য প্রদানকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের জন্য আন্তর্জাতিক দাতা সহায়তা কমে যাওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি এই প্রেক্ষাপটে অর্থায়ন বৃদ্ধি, রাখাইনে স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং মানবাধিকার সুরক্ষায় জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।
তিনি জানান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর মিয়ানমার সরকার এবং আরাকান আর্মি—উভয় পক্ষই তাঁকে স্বাগত জানিয়েছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা সংকট একটি সমাধানযোগ্য সমস্যা—তবে এর জন্য প্রয়োজন সমন্বিত বৈশ্বিক উদ্যোগ ও ধারাবাহিক আন্তর্জাতিক সহযোগিতা।
কালের আলো/এসআর/ এএএন 

ফের হরমুজ বন্ধ করল ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৩১ অপরাহ্ণ
ফের হরমুজ বন্ধ করল ইরান

পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি ফের বন্ধ ঘোষণা করেছে ইরান। যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ অব্যাহত থাকায় আজ শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে এই ঘোষণা দিয়েছে দেশটির রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।

আইআরজিসির যৌথ সামরিক কমান্ড এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলো অবরোধ করে যাওয়ায় হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ‘আবার আগের অবস্থায় ফিরে গেছে’।

আইআরজিসির বরাত দিয়ে ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবির খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ‘অবরোধের নামে জলদস্যুতা ও সামুদ্রিক চুরি চালিয়ে যাচ্ছে’।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘এই কারণে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ আবার আগের অবস্থায় ফিরে এসেছে এবং এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ এখন সশস্ত্র বাহিনীর কঠোর তত্ত্বাবধানে রয়েছে।’

এতে বলা হয়, ‘যুক্তরাষ্ট্র যতদিন না ইরান থেকে জাহাজগুলো স্বাভাবিকভাবে তাদের গন্তব্যে যাতায়াতের পূর্ণ স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিচ্ছে, ততদিন হরমুজ প্রণালির অবস্থা কঠোর নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং আগের মতোই থাকবে।’

এর কয়েক ঘণ্টা আগেই ইরান হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোতে নৌ অবরোধ অব্যাহত রাখলে হরমুজ প্রণালি আবারও বন্ধ করে দেওয়া হবে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেন, ‘অবরোধ অব্যাহত থাকলে হরমুজ প্রণালি খোলা থাকবে না। এই জলপথ দিয়ে জাহাজ চলাচল ইরানের অনুমোদনের ওপর নির্ভর করবে।’

বিশ্বব্যাপী নৌপরিবহণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের এক-পঞ্চমাংশ তেল ও এলএনজি পরিবহন করা হয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক আগ্রাসনের প্রেক্ষিতে পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি বন্ধ করে দিয়েছিল ইরান।

এর ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট দেখা দেয়। যার প্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্র এই নৌপথের নিয়ন্ত্রণ নিতে মরিয়া হয়ে ওঠে। কিন্তু শত চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। তেহরান নৌপথটি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি পুরো অঞ্চলজুড়ে অত্যাবশ্যকীয় অবকাঠামোতে আঘাত হানার সক্ষমতা ও ইচ্ছা উভয়ই প্রদর্শন করেছে, যা উপসাগরীয় দেশগুলোর তেল ও গ্যাসভিত্তিক অর্থনীতিকে বিপন্ন করেছে।

লেবানন ও ইসরাইলের মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে দীর্ঘ প্রায় ছয় সপ্তাহ পর শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) হরমুজ প্রণালি খুলে দিয়েছিল ইরান। ওই দিন বিকেলে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এক ঘোষণায় জানান, যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকাকালে প্রণালি দিয়ে সব বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল উন্মুক্ত থাকবে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ অব্যাহত থাকায় মাত্র এক দিনের মাথায় ফের বন্ধ করে দিলো তেহরান।

কালের আলো/এসআর/ এএএন