খুঁজুন
                               
, ,
           

আওয়ামী লীগের পথে জামায়াতও হাঁটছে: আবদুস সালাম

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৪ অপরাহ্ণ
আওয়ামী লীগের পথে জামায়াতও হাঁটছে: আবদুস সালাম

আওয়ামী লীগ বিগত ১৭ বছরে যে পথে হেঁটেছে, জামায়াতে ইসলামীও সেই পথে হাঁটছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম।

স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকালে রাজধানীতে সাংস্কৃতিক দল আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এই মন্তব্য করেন তিনি।

আব্দুস সালাম বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া মুক্তিযুদ্ধকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় গঠন করে। তারেক রহমানের দেশে ফেরা ও জনগণ তাকে বরণ করা প্রমাণ করেছে দেশের মানুষ তাকে কতটা ভালবাসে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আওয়ামী লীগ হাজার কোটি টাকা খরচ করেছে তারেক রহমানকে ছোট করার জন্য। আরেকটি দলও (জামায়াত) একই চেষ্টা করছে। দুটি শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপি টিকে রয়েছে। সংসদ ও সরকারকে তারা অসহযোগিতা করছে। দেশকে অস্থির করার চেষ্টা করছে।’

ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ‘প্রতিটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান আজ ধ্বংস। সংসদে জাতীয় সঙ্গীত যখন বাজল, তখন তাদের ভূমিকা কী ছিল তা আমরা দেখেছি। তাদের মনে পাকিস্তান। দুটি দলই পাকিস্তানকে নিয়ে স্বপ্ন দেখছে। একজন শেখ মুজিব পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে চেয়েছিলেন আর জামায়াত পাকিস্তানকে টিকিয়ে রাখতে চেয়েছে।’

নতুন সরকার নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, খেলোয়াড়দের সম্মাননা দিচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘জিয়াউর রহমান বলেছিলেন টাকা কোনো ব্যাপার না, শুধু দুর্নীতিটা বন্ধ করতে হবে। তারেক রহমানও সেই একই পথে হাঁটছেন।’

অভিযোগ করে আব্দুস সালাম বলেন, ‘তবে আওয়ামী লীগ যে পথে হেঁটেছে জামায়াতও সেই পথে হাঁটছে। ১৭ বছরে দেশটাকে আধিপত্যবাদের হাতে তুলে দেওয়ার চেষ্টা করেছে। কিন্তু তারেক রহমানের কারণে পারেনি। রাজনীতি দিয়ে আমরা আওয়ামী লীগকে মোকাবিলা করেছি। রাজনীতি দিয়েই জামায়াতকেও মোকাবিলা করব।’

কালের আলো/ এসাআর/এএএন 

সরকারের পদত্যাগের দাবি নিয়ে প্রশ্ন তুললেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

পঞ্চগড় সংবাদদাতা
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৩০ অপরাহ্ণ
সরকারের পদত্যাগের দাবি নিয়ে প্রশ্ন তুললেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

বিরোধী দলের বিভিন্ন দফা ও সরকারের পদত্যাগের দাবির প্রসঙ্গে প্রশ্ন তুলেছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। তিনি বলেছেন, দফা বাড়তে বাড়তে আট থেকে ১০, ১০ থেকে ১৬ দফা হবে; তাহলে এক দফা কেন হবে?

শুক্রবার (২ অক্টোবর) দুপুরে পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার বোয়ালমারী বারুনী ঘাটে করতোয়া নদীর তীর রক্ষা বাঁধের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনে জয়লাভের সাত মাসের মধ্যে সরকার নির্বাচনী ইশতেহারের বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নিয়ে বিরোধী দলের কোনো প্রশ্ন বা আপত্তি থাকলে তা তুলে ধরার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, সরকারের কর্মসূচিতে কোনো সমস্যা থাকলে তা সংশোধনের সুযোগ রয়েছে। কিন্তু সাত মাসের মাথায় কখনো আট দফা, আবার তা বাড়তে বাড়তে এক দফায় গিয়ে সরকারের পদত্যাগের দাবি তোলা হচ্ছে।

ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, জনগণ পাঁচ বছরের জন্য সরকারকে ভোট দিয়েছে। সরকারের কাজের দুর্বলতা, ত্রুটি, দুর্নীতি বা অনিয়ম থাকলে তা জনগণের সামনে তুলে ধরে সমালোচনা করা উচিত। তবে কোনো নির্দিষ্ট কর্মসূচি বা কারণ ছাড়াই সাত মাসের মধ্যে সরকারের পদত্যাগ দাবি করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

জুলাই আন্দোলন ও নির্বাচন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ভোটাধিকার প্রয়োগের ক্ষেত্রে দেশের মানুষ বিভিন্ন বাধার মুখে ছিল। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ভোটাধিকার নিশ্চিত হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচিত সরকারকে পাঁচ বছরের মেয়াদে কাজ করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নিয়ে বিরোধী দলের প্রশ্ন থাকলে সংসদে আলোচনা করে ভুলত্রুটি তুলে ধরার আহ্বান জানান তিনি।

সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকারের উন্নয়ন কর্মসূচিকে প্রশ্নবিদ্ধ করতেই এসব করা হচ্ছে বলে তিনি মনে করেন।

সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, ইমাম-মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের ভাতা, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম, তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা এবং খাল খনন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

খাল খনন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৭ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান খাল খনন কর্মসূচি নিয়েছিলেন। এরপর বাংলাদেশের পানি সংরক্ষণ ও পানির স্তর ধরে রাখার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে সেভাবে কাজ হয়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি।

পঞ্চগড়ে পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, একসময় ২৫ থেকে ৩০ ফুট গভীরতায় টিউবওয়েলে পানি পাওয়া গেলেও বর্তমানে ২০০ থেকে ২৫০ মিটার পর্যন্ত খনন করেও কোথাও কোথাও পানি পাওয়া যাচ্ছে না। পানির স্তর ধরে রাখতে খাল খনন ও পানি সংরক্ষণ প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বিরোধী দলকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, জনগণ সরকারকে পাঁচ বছরের ম্যান্ডেট দিয়েছে। পাঁচ বছর পর সরকারের কর্মকাণ্ড মূল্যায়ন করে জনগণই সিদ্ধান্ত নেবে ভবিষ্যতে কাকে ভোট দেবে।

সরকারের কোনো কর্মকাণ্ডে ভুলত্রুটি থাকলে তা সংসদে আলোচনা করে ধরিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এর মধ্য দিয়েই গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

বিমানবন্দরে হুমকি-হামলার মামলায় গ্রেপ্তার জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:১৯ অপরাহ্ণ
বিমানবন্দরে হুমকি-হামলার মামলায় গ্রেপ্তার জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালককে (ইডি) হুমকি ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগে মামলা হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই জামায়াত নেতা ও অবসরপ্রাপ্ত মেজর আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট এলাকার নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে বিমানবন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। ডিবির প্রধান শফিকুল ইসলাম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

  • বিমানবন্দরের ইডিকে হুমকি
  • নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগ

লাগেজ-ট্রলি নিয়ে উত্তেজনা
মামলার এজাহার অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে মদিনা থেকে বাংলাদেশ বিমানের বিজি-৩৩৮ ফ্লাইটের যাত্রীরা শাহজালাল বিমানবন্দরে পৌঁছান। ৮ নম্বর লাগেজ বেল্ট এলাকায় ট্রলির সংকটে লাগেজ পেতে দেরি হওয়ায় যাত্রীদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে যান বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ। এজাহারে অভিযোগ, সেখানে আখতারুজ্জামান তার সঙ্গে উত্তপ্ত আচরণ করেন এবং গালিগালাজ ও হুমকি দেন।

নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগ
এজাহারে আরও বলা হয়েছে, আখতারুজ্জামানের সঙ্গে থাকা প্রটোকল সহকারীরা বিমানবন্দরের সংরক্ষিত এলাকায় মোবাইল ফোনে ভিডিও করছিলেন। নিরাপত্তা সুপারভাইজার ওয়ারেন্ট অফিসার মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন এতে বাধা দিলে আখতারুজ্জামান তার সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন এবং একপর্যায়ে তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ ছাড়া যাত্রীদের ট্রলিতে থাকা জমজমের পানির বোতল ফেলে দিয়ে ক্ষতিসাধন এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এক প্রতিনিধির সঙ্গে মারমুখী আচরণের অভিযোগও রয়েছে।

আট ধারায় মামলা, তারপরই গ্রেপ্তার
শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিমানবন্দর থানায় আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা করেন বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. শাহরিয়ার আলম সজিব। মামলায় দণ্ডবিধির ১৮৬, ১৮৯, ২৯৪, ৩২৩, ৩৫২, ৩৫৩, ৫০৪ ও ৫০৬ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।সরকারি কাজে বাধা, আঘাত, অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ, ইচ্ছাকৃত অপমান ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মতো অভিযোগের বিষয় রয়েছে এসব ধারায়। মামলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ক্যান্টনমেন্টের বাসা থেকে আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে ডিবি। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্যসহ অন্যান্য আলামত সংগ্রহ করে তদন্ত করা হবে। তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে জাপানের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:১২ অপরাহ্ণ
স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে জাপানের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ

স্বাস্থ্যখাতে সহযোগিতা ও বিনিয়োগ বাড়াতে বাংলাদেশ ও জাপান একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। জাপানের ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী ও স্বাস্থ্যখাতের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে টোকিওস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে শুক্রবার (২ অক্টোবর) বাংলাদেশ হেলথকেয়ার বিজনেস সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বাংলাদেশ দূতাবাস, জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) ও জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশনের (জেট্রো) যৌথ উদ্যোগে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

সেমিনারে পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত স্বাস্থ্যখাতের মানোন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরেন। তিনি সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এবং দেশের স্বাস্থ্যখাতকে টেকসই ও ভবিষ্যৎমুখী করতে জাপানের সহযোগিতা ও প্রযুক্তিগত অংশীদারিত্ব কামনা করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে স্বাস্থ্যখাতের আধুনিকায়ন এবং আন্তর্জাতিক মানের সেবা নিশ্চিত করতে জাপানি বিনিয়োগ ও অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলী বলেন, জাপান দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান উন্নয়ন অংশীদার। মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য, কমিউনিটি স্বাস্থ্যসেবা, টিকাদান কর্মসূচি, স্বাস্থ্য অবকাঠামো ও মানবসম্পদ উন্নয়নে জাইকা ও জেট্রোর মাধ্যমে জাপানের সহযোগিতার জন্য তিনি ধন্যবাদ জানান।

রাষ্ট্রদূত বলেন, ১৭ কোটির বেশি মানুষের বাংলাদেশে বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা, আধুনিক হাসপাতাল অবকাঠামো, রোগনির্ণয়, চিকিৎসা প্রযুক্তি ও দক্ষ মানবসম্পদের চাহিদা বাড়ছে।

জাপানের প্রবীণ জনগোষ্ঠীর সেবা ও চিকিৎসা খাতে নার্স ও কেয়ার গিভারের চাহিদা পূরণে প্রশিক্ষিত বাংলাদেশি স্বাস্থ্যকর্মীরা ভূমিকা রাখতে পারে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এ ছাড়া বাংলাদেশে ওষুধ, বায়োটেকনোলজি, ভ্যাকসিন ও এপিআই উৎপাদনে জাপানি বিনিয়োগ এবং যৌথ উদ্যোগের আহ্বান জানান রাষ্ট্রদূত।

সেমিনারে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব শাহ ইমাম আলী রেজা ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতের বর্তমান অবস্থা ও সম্ভাবনা নিয়ে দুটি প্রেজেন্টেশন দেন।

এ সময় জাইকার দক্ষিণ এশিয়া বিভাগের মহাপরিচালক তেতসুয়া ইয়ামাদা, দক্ষিণ এশিয়া বিভাগ-৪-এর উপপরিচালক হিরোকি সাসাকি এবং জেট্রোর সিনিয়র ডিরেক্টর ফর গ্লোবাল স্ট্র্যাটেজি (সাউথ ওয়েস্ট এশিয়া) ইউজি আন্দো বাংলাদেশ-জাপান স্বাস্থ্য সহযোগিতা, স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়ন ও বিনিয়োগের সুযোগ নিয়ে আলোচনা করেন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি