খুঁজুন
                               
সোমবার, ১ জুন, ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

ফের পিছিয়েছে নানক-তাপসসহ ২৮ জনের অভিযোগ গঠন শুনানি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৫১ অপরাহ্ণ
ফের পিছিয়েছে নানক-তাপসসহ ২৮ জনের অভিযোগ গঠন শুনানি

জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালীন রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ৯ জনকে হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দ্বিতীয় দফায় পিছিয়েছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের শুনানির তারিখ। প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আগামী ২৬ এপ্রিল দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর সদস্য বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর একক বেঞ্চ এ দিন ধার্য করেন।

এ মামলায় সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানকসহ মোট আসামি ২৮ জন। এর মধ্যে গ্রেপ্তার রয়েছেন চারজন। অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি থাকায় তাদের আজ সকালে কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

তারা হলেন- নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মোহাম্মদপুর থানা শাখা সভাপতি নাঈমুল হাসান রাসেল, সহ-সভাপতি সাজ্জাদ হোসেন, ওমর ফারুক ও ফজলে রাব্বি।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে এক সপ্তাহ সময় চান প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম। তিনি ট্রাইব্যুনালকে বলেন, আমরা এক সপ্তাহ সময়ের আবেদন করছি। পরবর্তী তারিখে প্রথমে প্রসিকিউশন, পরে আসামিপক্ষ শুনানি উপস্থাপন করবে।

এ সময় আসামিপক্ষের কথা শুনতে চান ট্রাইব্যুনাল। তারা ডিসচার্জ চেয়ে আবেদন করবেন বলে জানান। পরে অভিযোগ গঠন নিয়ে শুনানির জন্য আগামী ২৬ এপ্রিল দিন ধার্য করেন আদালত। ওই দিন উভয়পক্ষকেই শুনানির জন্য বলা হয়।

এ মামলায় পলাতক আসামিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন- ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের তৎকালীন মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, ডিএমপির তৎকালীন কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক অ্যাডিশনাল ডিআইজি প্রলয় কুমার জোয়ারদার, ডিএমপির সাবেক যুগ্ম পুলিশ কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার ও ডিএনসিসির ৩২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সৈয়দ হাসান নূর ইসলাম রাষ্ট্রন। তাদের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স নিয়োগ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

এর আগে, ৮ এপ্রিল শুনানির কথা ছিল। তবে প্রসিকিউশন থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সরবরাহ করা হয়নি বলে জানিয়েছেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। এজন্য সময় চাইলে আজকের দিন ঠিক করা হয়। তবে আজও হয়নি চার্জ গঠনের শুনানি। সবমিলিয়ে দুবার পিছিয়েছে এ তারিখ।

চলতি বছরের ১৮ জানুয়ারি প্রসিকিউশনের দেওয়া আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়ে ২৮ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

এ মামলায় আনা তিনটি অভিযোগে প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৮ ও ১৯ জুলাই ছাত্র-জনতার আন্দোলনে নৃশংসতা চালায় আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। আসামিদের উসকানি-প্ররোচনা ও প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ উপস্থিতিতে জুলাই আন্দোলনে নিরীহ ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালানো হয়। এতে মাহমুদুর রহমান সৈকত, ফারহান ফাইয়াজসহ ৯ জন নিহত হন। আহত হন আরও অনেকে।

কালের আলো/এসএকে

মরণোত্তর জাতিসংঘ পদক পাচ্ছেন ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১ জুন, ২০২৬, ১:২৪ পূর্বাহ্ণ
মরণোত্তর জাতিসংঘ পদক পাচ্ছেন ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী

আবেইতে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় প্রাণ হারানো ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীকে মরণোত্তর ‘ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদক’ প্রদান করা হবে। আগামী ৫ জুন নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে এ পদক দেওয়া হবে।

জাতিসংঘের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এই পদক দেবেন।

পদকপ্রাপ্ত বাংলাদেশি ছয় শান্তিরক্ষী হলেন- মো. জাহাঙ্গীর আলম, মো. সবুজ মিয়া, মো. মাসুদ রানা, মো. মোমিনুল ইসলাম, শামীম রেজা ও সান্ত মণ্ডল।

২০২৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর আবেইতে জাতিসংঘের অন্তর্বর্তী নিরাপত্তা বাহিনীতে (ইউএনআইএসএফএ) দায়িত্ব পালনকালে এক ড্রোন হামলায় তারা নিহত হন।

অনুষ্ঠানে ১৯৪৮ সাল থেকে দায়িত্ব পালনকালে প্রাণ হারানো প্রায় সাড়ে ৪ হাজার শান্তিরক্ষীর স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন জাতিসংঘ মহাসচিব। এছাড়া গত বছর নিহত ৫৯ জনসহ মোট ৬৮ জন সামরিক, পুলিশ ও বেসামরিক শান্তিরক্ষীকে মরণোত্তর ‘ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদক’ প্রদান করা হবে।

বর্তমানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সামরিক ও পুলিশ সদস্য প্রেরণে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম দেশ বাংলাদেশ। আবেই, মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র, সাইপ্রাস, গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, লেবানন, লিবিয়া, দক্ষিণ সুদান ও পশ্চিম সাহারায় পরিচালিত মিশনগুলোতে ২৭৭ জন নারীসহ ৪ হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি সদস্য কর্মরত আছেন।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সবচেয়ে জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে ৫০ হাজারেরও বেশি বেসামরিক, সামরিক ও পুলিশ শান্তিরক্ষী কাজ করছেন। মোট ১১৮টি দেশ ১১টি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে জনবল সরবরাহ করছে।

সংস্থাটির সাধারণ পরিষদ ২০০২ সালে ‘জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস’ ঘোষণা করে। ১৯৪৮ সালে প্রথম জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন ‘ইউনাইটেড নেশনস ট্রুস সুপারভিশন অর্গানাইজেশন’ গঠনের স্মরণে ২৯ মে এই দিবসটি পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এ বছর দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল ‘শান্তিতে বিনিয়োগ’। যা শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে টেকসই রাজনৈতিক ও আর্থিক সহায়তার গুরুত্ব তুলে ধরেছে। বিশেষ করে বৈশ্বিক সংঘাত বাড়তে থাকা এবং সম্পদ সংকোচনের এ সময়ে এ সহায়তা অত্যন্ত জরুরি বলে এতে উল্লেখ করা হয়েছে।

দিবসটি উপলক্ষ্যে দেওয়া বাণীতে অতীত ও বর্তমান সকল শান্তিরক্ষীকে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। এছাড়া শান্তিরক্ষীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিতে আরও জোরালো পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, ‘শান্তিরক্ষা স্থিতিশীলতা ও আশার পুনঃপ্রতিষ্ঠায় পরীক্ষিত ও সাশ্রয়ী উপায়, তবে এর জন্য ধারাবাহিক রাজনৈতিক সমর্থন ও নির্ভরযোগ্য আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন।’

জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমবিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল জ্যঁ-পিয়েরে লাক্রোয়া বলেন, বিশ্বের সবচেয়ে কঠিন পরিবেশেও শান্তিরক্ষীরা বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা দিচ্ছেন এবং সহিংসতা প্রতিরোধ করছেন। পাশাপাশি আশার আলোও জিইয়ে রাখছেন। তিনি বলেন, শান্তিরক্ষায় বিনিয়োগ মানে স্থিতিশীলতা, সংঘাত প্রতিরোধ এবং শান্তির সম্ভাবনায় বিনিয়োগ করা।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অবদান রাখা শান্তিরক্ষা কর্মীদের ‘ক্যাপ্টেন এমবায়ে দিয়াগনে মেডেল ফর এক্সেপশনাল কারেজ’, মিলিটারি জেন্ডার অ্যাডভোকেট অব দ্য ইয়ার অ্যাওয়ার্ড’ এবং ‘ইউএন উইমেন পুলিশ অফিসার অব দ্য ইয়ার অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করা হবে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ভোক্তাপর্যায়ে ফের দাম বাড়ল পেট্রোল-অকটেনের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ণ
ভোক্তাপর্যায়ে ফের দাম বাড়ল পেট্রোল-অকটেনের

ভোক্তাপর্যায়ে জ্বালানি তেলের দাম ফের বাড়িয়েছে সরকার। জুন মাসের জন্যপেট্রোল-অকটেন ও কেরোসিনের দাম লিটারপ্রতি ৫ টাকা বাড়ানো হয়েছে।

রোববার (৩১ মে) এক বার্তায় এ তথ্য জানায় বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়।

এতে বলা হয়, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য হ্রাস/বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশে ভোক্তাপর্যায়ে বিক্রয়মূল্য ডিজেল ১১৫ টাকা, অকটেন ১৪৫ টাকা, পেট্রোল ১৪০ টাকা এবং কেরোসিন ১৩৫ টাকায় পুনর্নির্ধারণ করা হলো। যা আগামীকাল (১ জুন) থেকে কার্যকর হবে।

এর আগে গত ৩০ এপ্রিলে মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মে মাসে প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১১৫ টাকা, অকটেনের দাম ১৪০ টাকা, পেট্রোলের দাম ১৩৫ টাকা ও কেরোসিনের দাম ১৩০ টাকা ছিল।

এছাড়া, গত ১৮ এপ্রিল দেশে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি করে সরকার। সাধারণত প্রতি মাসে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে দেশের বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণ করা হয়।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

বিএনপি নেতাকর্মীদের মতো জামায়াত চাঁদাবাজি আর পাথর দিয়ে হত্যা করে না’

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬, ১০:২৯ অপরাহ্ণ
বিএনপি নেতাকর্মীদের মতো জামায়াত চাঁদাবাজি আর পাথর দিয়ে হত্যা করে না’

জামায়াতে ইসলামী বিএনপির নেতা-কর্মীদের মতো জোরপূর্বক চাঁদাবাজি, ব্যবসায়ীদের জিম্মি করা কিংবা পাথর দিয়ে মানুষ হত্যা করে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে না বলে জানিয়েছেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।

রোববার (৩১ মে) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন। বিবৃতিতে এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, রিজভী জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভায় জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক কার্যক্রম ও ‘ইয়ানত’ নিয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তিকর এবং অসৎ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। জামায়াতের ঐতিহ্যবাহী ও নিয়মতান্ত্রিক সাংগঠনিক কার্যক্রমকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

তিনি বলেন, ‘ইয়ানত’ কোনো চাঁদাবাজি নয়, এটি একটি পবিত্র আমানত। জামায়াতের সকল স্তরের জনশক্তি স্বেচ্ছায় ও সাগ্রহে প্রতি মাসে সংগঠনের তহবিলে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রদান করেন। এটি কোনো জোর-জবরদস্তির বিষয় নয়; বরং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন এবং একটি কল্যাণকামী সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে কর্মীদের আত্মত্যাগের বহিঃপ্রকাশ।

জুবায়ের বলেন, রিজভী ‘ইয়ানত’-এর মতো একটি নিয়মতান্ত্রিক সাংগঠনিক ব্যবস্থাকে ‘হাদিয়াবাজি’ বা ‘ইয়ানতবাজি’ বলে আখ্যায়িত করে ধর্মপ্রাণ মানুষের অনুভূতি ও রাজনৈতিক শিষ্টাচারকে অপমান করেছেন।

বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, ‘জোরপূর্বক চাঁদাবাজির সংস্কৃতি জামায়াতের নয়। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কখনো ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে বা জোর করে মানুষের কাছ থেকে অর্থ আদায় করে না। বিএনপির নেতা-কর্মীদের মতো জোরপূর্বক চাঁদা আদায়, বুকে পিস্তল ঠেকিয়ে ব্যবসায়ীদের জিম্মি করা কিংবা পাথর দিয়ে আঘাত করে নৃশংসভাবে মানুষ হত্যা করে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করার কোনো ইতিহাস জামায়াতের নেই।’

তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী একটি সুশৃঙ্খল দল। কোনো পর্যায়ের কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ এলে দল তা গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখে এবং প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে। বিচ্ছিন্ন কোনো অভিযোগকে কেন্দ্র করে পুরো সংগঠনকে দায়ী করা রাজনৈতিক দেউলিয়াত্বের বহিঃপ্রকাশ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এহসানুল মাহবুব জুবায়ের আরও বলেন, দেশের মানুষ ধর্মভীরু এবং তারা জামায়াতে ইসলামীর সৎ, যোগ্য ও দেশপ্রেমিক নেতৃত্বকে ভালোবাসে। জামায়াতের ক্রমবর্ধমান জনসমর্থনে ঈর্ষান্বিত হয়ে এবং নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিশৃঙ্খলা ও জনবিচ্ছিন্নতা আড়াল করতেই বিএনপি নেতা এ ধরনের মনগড়া ও কাল্পনিক বক্তব্য দিয়েছেন।

বিবৃতিতে বিএনপির মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও উসকানিমূলক অপপ্রচারে কান না দেওয়ার জন্য দেশবাসী ও রাজনৈতিক সচেতন মহলের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে রুহুল কবির রিজভীকে এ ধরনের অরাজনৈতিক ও শিষ্টাচারবহির্ভূত বক্তব্য দেওয়া থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানায় জামায়াতে ইসলামী।

কালের আলো/এসআর/এএএন