খুঁজুন
                               
সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

বাজেটে ঋণ খাতে বড় অঙ্কের ব্যয়, ১১টি গুরুত্বপূর্ণ খাতকে অগ্রাধিকার

বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:০৭ অপরাহ্ণ
বাজেটে ঋণ খাতে বড় অঙ্কের ব্যয়, ১১টি গুরুত্বপূর্ণ খাতকে অগ্রাধিকার

জাতীয় সংসদে নতুন বাজেট ঘোষণা হতে পারে আগামী ১১ জুন। অর্থনীতির এত সংকটের মাঝে বাজেট দিয়ে প্রথম বলেই ছক্কা হাঁকানোর সুযোগ রয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের সামনে। দুর্নীতি কমিয়ে অর্থনীতিতে আস্থা ফেরানো মূল লক্ষ্য আসছে বাজেটে। কর আদায়ে আসবে একাধিক নতুন কৌশল। সব নাগরিককে আনা হবে ব্যাংক অ্যাকাউন্টের আওতায়। এছাড়াও আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সুদ পরিশোধ, ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নগদ ঋণ খাতে বড় অঙ্কের ব্যয় নির্ধারণ করতে যাচ্ছে সরকার। এসব খাতে ২ লাখ ৫৯ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের পরিকল্পনা করা হচ্ছে, যা ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার বাজেটের প্রায় ২৭ দশমিক ৮৫ শতাংশ। অর্থ বিভাগ সূত্র জানায়, চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে এ খাতে বরাদ্দ ছিল ২ লাখ ৩৯ হাজার কোটি টাকা। সেই তুলনায় আগামী অর্থবছরে ব্যয় বাড়ছে ২০ হাজার কোটি টাকা বা ৮ দশমিক ৩৭ শতাংশ।

বাজেটে ১১টি গুরুত্বপূর্ণ খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা এবং দেশীয় ও প্রবাসী শ্রমবাজার সম্প্রসারণ। তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে বিশেষ প্রণোদনা ও সহায়তা কর্মসূচি অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। একই সঙ্গে বড় প্রকল্প বাস্তবায়নে বরাদ্দ বাড়ানো এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে নীতিগত ও আর্থিক শৃঙ্খলা জোরদারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় প্রাক্কলিত বাজেট উপস্থাপন করা হয়। এতে বিএনপি সরকারের প্রথম বাজেটে নির্বাচনি ইশতেহারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড-এর মতো কল্যাণমূলক কর্মসূচিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। বৈঠকের নথি অনুযায়ী, আগামী অর্থবছরে বাজেট ঘাটতি ধরা হতে পারে ২ লাখ ৩৫ হাজার কোটি টাকা, যা জিডিপির ৩ দশমিক ৪ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে এ ঘাটতি ছিল ২ লাখ কোটি টাকা বা জিডিপির ৩ দশমিক ৩ শতাংশ। ঘাটতি মোকাবিলায় সরকার অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি এবং বৈদেশিক উৎস থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা করছে। যা চলতি অর্থবছরের তুলনায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা বা সাড়ে ১৭ শতাংশ বেশি।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ভর্তুকি কমানোর শর্ত থাকলেও মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে এ খাতে বরাদ্দ বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার কারণে জ্বালানি তেল আমদানির ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে ভর্তুকি বরাদ্দ পুরোপুরি প্রাক্কলন করা হয়নি। আগামী অর্থবছর বিদ্যুৎ খাতে ৩৭ হাজার কোটি টাকা, এলএনজিতে ৬ হাজার ৫০০ কোটি টাকা, সারে ২৭ হাজার কোটি টাকা ও খাদ্য সহায়তায় ৯ হাজার ৬০০ কোটি টাকা ভর্তুকি বরাদ্দসহ মোট ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নগদ ঋণে ১ লাখ ১৬ হাজার ১২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হচ্ছে। চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে এখাতে বরাদ্দ রয়েছে ১ লাখ ১২ হাজার ৪৫৫ কোটি টাকা।

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর  জানান, ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হওয়ার চেষ্টা চলছে জোরেশোরে। তিনি বলেন, প্রথম কাজ হচ্ছে অর্থনীতির চাকা সচল রাখা। একইসঙ্গে যাতে দারিদ্র্য না বাড়ে সেজন্য সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা করা। তারপর অর্থনীতির গতি বৃদ্ধি করা। আমরা অতীতে বিএনপি সরকারের সময় দেখেছি, ২ শতাংশীয় পয়েন্ট আকারে প্রবৃদ্ধি হয়েছে। যেটা অন্য সরকারের সময় হয়নি।

কালের আলো/এম/এএইচ

বিচার বিভাগ নিয়ে বিএনপি আ.লীগের পথেই হাঁটছে : হাসনাত আব্দুল্লাহ

ঝিনাইদহ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬, ৮:২৭ অপরাহ্ণ
বিচার বিভাগ নিয়ে বিএনপি আ.লীগের পথেই হাঁটছে : হাসনাত আব্দুল্লাহ

বিচার বিভাগ নিয়ে বিএনপি আওয়ামী লীগের পথেই হাঁটছে বলে মন্তব্য করেছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিঞ্চালের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ।

সোমবার (২৫ মে) বিকেলে ঝিনাইদহ শহরের পায়রা চত্বরে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা, এনসিপি ও ছাত্রদলের পাল্টাপাল্টি মামলা ও গ্রেপ্তারের বিষয়ে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, বর্তমান বিএনপি সরকার আওয়ামী লীগের পথে হাঁটতে শুরু করেছে। তারা পুলিশকে দলীয় লাঠিয়াল বাহিনীর মতো ব্যবহার করতে চাইছে। বিচার বিভাগ নিয়ে বিএনপি আওয়ামী লীগের পথেই হাঁটছে।

স্বাধীন বিচার ব্যবস্থার ওপর সরকারের হস্তক্ষেপ শুরু হয়েছে। জেলা আদালতগুলোতে কী রায় হবে, কী বিচার হবে, কে জামিন পাবে সব কিছু রিমোর্ট কন্ট্রোলের মতো ঢাকা থেকে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, আইনমন্ত্রীর জেলা ঝিনাইদহ। দুঃখের বিষয়, সেখানেই আজ আইন-আদালত সরকারের একটি মহলের হাতে বন্দী। সরকার পুলিশ ও বিচার বিভাগকে নিজেদের দলীয় এজেন্ডা দ্বারা পরিচালিত করছে।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পরে আমাদের আশা ছিল, পুলিশ জনগণের বাহিনী হবে। কিন্তু আমরা দেখছি, পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকতারা সরকারের দলীয় সমর্থক হিসেবে নিজেদেরকে পরিচয় দিচ্ছে। এটা লজ্জাজনক।

হাসনাত আবদুল্লাহ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সরকার আওয়ামী লীগের পথে হাঁটছে। আওয়ামী লীগের মতো বিচার, আদালত ও পুলিশকে দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়নের হাতিয়ার বানাচ্ছে। আওয়ামী লীগ এইসব কারণে জনরোষে পড়ে বিদায় নিয়েছে।

এই সরকার যদি আওয়ামী লীগের মতো হওয়ার চেষ্টা করে, তাহলে আমরা তা মেনে নেবো না। জেল, জুলুম, নির্যাতন করে মানুষকে দমিয়ে রাখা যাবে না।

তিনি আরও বলেন, আজ আমরা (বিএনপি-এনসিপি-জামায়াত) যখন একে অপরের বিরুদ্ধে লড়ছি, তখন ভারতে বসে আওয়ামী লীগ হাসছে। আমরা নিজেরা লড়ছি কিন্তু জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পরে এটা হওয়ার কথা ছিল না।

সংবাদ সম্মেলন শেষে শহরের পায়রা চত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন এনসিপি নেতাকর্মীরা। মিছিলটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

কালশী বস্তিতে আগুন, কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৫ ইউনিট

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬, ৮:১৭ অপরাহ্ণ
কালশী বস্তিতে আগুন, কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৫ ইউনিট

রাজধানীর কালশী বস্তিতে আগুন লেগেছে। খবর পেয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট।

সোমবার (২৫ মে) সন্ধ্যা ৭টা ২৩ মিনিটে মিরপুরের কালশী বস্তিতে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স। বিষয়টি নিশ্চিত করেন ফায়ার সার্ভিস সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন।

তিনি বলেন, সন্ধ্যা ৭টা ২৩ মিনিটে কালশী বস্তিতে আগুন লাগার খবর পাওয়া যায়। খবর পেয়ে প্রথমে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে কাজ শুরু করে। পরে আরও তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। বর্তমানে পাঁচটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি। এছাড়া এখন পর্যন্ত হতাহতের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

কালের আলো/এম/এএইচ

ফোন নম্বর ছাড়াই কথা বলা যাবে হোয়াটসঅ্যাপে

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬, ৭:০৬ অপরাহ্ণ
ফোন নম্বর ছাড়াই কথা বলা যাবে হোয়াটসঅ্যাপে

ব্যবহারকারীদের গোপনীয়তা বাড়াতে নতুন ইউজারনেম ফিচার নিয়ে আসছে হোয়াটসঅ্যাপ। এই সুবিধা চালু হলে ফোন নম্বর না দিয়েও অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাবে। অনেকটা টেলিগ্রাম বা ইনস্টাগ্রামের ইউজারনেম ব্যবস্থার মতোই কাজ করবে নতুন ফিচারটি।

মেটার মালিকানাধীন মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম হোয়াটসঅ্যাপ নতুন একটি ইউজারনেম ফিচার চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা নিজেদের জন্য আলাদা একটি ইউনিক ইউজারনেম তৈরি করতে পারবেন। কেউ সেই ইউজারনেম দিয়ে যোগাযোগ করলে ফোন নম্বরের বদলে শুধু ওই হ্যান্ডেল বা ইউজারনেমই দেখা যাবে।

বর্তমানে হোয়াটসঅ্যাপে কারও সঙ্গে যোগাযোগ করতে হলে ফোন নম্বর প্রয়োজন হয়। নতুন এই ফিচার চালু হলে অপরিচিত ব্যক্তি বা নতুন যোগাযোগের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত নম্বর গোপন রাখা সহজ হবে।

প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, ফিচারটি পুরোপুরি ঐচ্ছিক বা অপশনাল হবে। অর্থাৎ কেউ চাইলে আগের মতো ফোন নম্বর ব্যবহার করেই হোয়াটসঅ্যাপ চালিয়ে যেতে পারবেন। আবার চাইলে ইউজারনেম ব্যবহার করে পরিচয় গোপন রেখেও যোগাযোগ করা যাবে।

প্রতিটি অ্যাকাউন্টে একটি করে ইউজারনেম ব্যবহার করা যাবে। পরে সেটি পরিবর্তনও করা সম্ভব হবে। তবে ইউজারনেম বদলালেও পুরোনো চ্যাট বা অ্যাকাউন্ট সেটিংসে কোনো প্রভাব পড়বে না। যদিও অ্যাকাউন্ট লগইন ও পুনরুদ্ধারের জন্য ফোন নম্বর আগের মতোই যুক্ত থাকবে।

হোয়াটসঅ্যাপ জানিয়েছে, ইউজারনেম তৈরির ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম মানতে হবে। ইউজারনেমের দৈর্ঘ্য ৩ থেকে ৩৫ অক্ষরের মধ্যে হতে হবে। এতে অন্তত একটি ইংরেজি বর্ণ থাকতে হবে। শুধু ইংরেজি অক্ষর, সংখ্যা, আন্ডারস্কোর ও ডট ব্যবহার করা যাবে।

তবে কিছু সীমাবদ্ধতাও থাকবে। ইউজারনেম www দিয়ে শুরু করা যাবে না। শুরু বা শেষে ডট রাখা যাবে না। পাশাপাশি টানা দুটি ডট ব্যবহার করা যাবে না। আবার .com, .org বা .in-এর মতো ডোমেইন এক্সটেনশন দিয়েও ইউজারনেম শেষ করা যাবে না।

নতুন ফিচার ব্যবহারের জন্য প্রথমে হোয়াটসঅ্যাপের সেটিংসে যেতে হবে। এরপর প্রোফাইল অপশনে গিয়ে ‘ইউজারনেম’ সুবিধা চালু হলে পছন্দের নাম নির্বাচন করা যাবে। নামটি বৈধ ও খালি থাকলে সেটি সংরক্ষণ করা যাবে।

প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, এই ফিচার বিশেষভাবে কাজে আসবে অনলাইন ব্যবসা, কমিউনিটি গ্রুপ বা অপরিচিত মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে। যেমন ক্রেতা-বিক্রেতা বা নতুন কোনো গ্রুপে যুক্ত হওয়ার সময় ব্যক্তিগত নম্বর না দিয়েও যোগাযোগ করা সম্ভব হবে।

হোয়াটসঅ্যাপ ইতিমধ্যে সীমিত আকারে অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএসের কিছু ব্যবহারকারীর জন্য ফিচারটি পরীক্ষামূলকভাবে চালু করেছে। ধাপে ধাপে এটি আরও বেশি ব্যবহারকারীর কাছে পৌঁছাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, টেলিগ্রাম ও ডিসকর্ডের মতো প্ল্যাটফর্মে দীর্ঘদিন ধরেই ইউজারনেমভিত্তিক যোগাযোগ জনপ্রিয়। হোয়াটসঅ্যাপেও একই সুবিধা যুক্ত হওয়ায় ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা আরও বাড়তে পারে।

কালের আলো/এম/এএইচ