খুঁজুন
                               
বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

স্যামসাং-অ্যাপলকে টেক্কা দিতে স্মার্টফোন আনছে টাটা?

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:৪২ অপরাহ্ণ
স্যামসাং-অ্যাপলকে টেক্কা দিতে স্মার্টফোন আনছে টাটা?

বিশ্বের টেক জায়ান্ট অ্যাপল এবং স্যামসাংয়ের একচেটিয়া বাজারে কি এবার হানা দিতে যাচ্ছে ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী শিল্পগোষ্ঠী টাটা? সম্প্রতি ‘এ-ওয়ান’ (A-1) নামে একটি সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তির স্মার্টফোন বাজারে আনার খবরে সরগরম হয়ে উঠেছে প্রযুক্তিবিশ্ব। বিশ্লেষকদের মতে, টাটা যদি সত্যিই এই খাতে নামে, তবে সাশ্রয়ী দাম ও টেকসই গুণের কারণে বিদেশি ব্র্যান্ডগুলো বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। তবে এই জল্পনার পেছনের আসল সত্যটি ঠিক কী, তা নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।

গত কয়েক বছর ধরে টাটা গোষ্ঠী অ্যাপলের সাথে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে আইফোন তৈরির (অ্যাসেম্বলিং) কাজে যুক্ত হয়েছে। ভারতের কারখানায় আইফোন নির্মাণের এই বিশাল অভিজ্ঞতাই মূলত সাধারণ মানুষের মনে জল্পনা উসকে দিয়েছে যে, টাটা এবার নিজস্ব ব্র্যান্ডের ফোন আনছে। তবে বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, স্মার্টফোন উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রাথমিক অবকাঠামো বা বাণিজ্যিক ঘোষণার কোনো লক্ষণই এখন পর্যন্ত টাটা গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে পাওয়া যায়নি।

টাটার পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত স্মার্টফোন তৈরির কোনো আনুষ্ঠানিক পরিকল্পনা প্রকাশ করা হয়নি। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আইফোন তৈরির সফলতাই সম্ভবত এই ‘এ-ওয়ান’ ফোনের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ার মূল কারণ। ঠিক যেমন কিছুদিন আগে ইলন মাস্কের টেসলা ফোন ‘পাই’ নিয়ে গুজব ছড়িয়েছিল, পরে যা টেসলা কর্তৃপক্ষ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেয়। টাটার ক্ষেত্রেও বর্তমান পরিস্থিতিকে বিশ্লেষকদের একাংশ ‘গুজব’ হিসেবেই দেখছেন।

যদিও এটি এখনো গুজবের পর্যায়ে, তবুও টাটার প্রতি সাধারণ মানুষের অগাধ আস্থা রয়েছে। গ্যাজেট বিশেষজ্ঞদের মতে, টাটা যদি ভবিষ্যতে সত্যিই স্মার্টফোন বাজারে আনে, তবে তাদের মূল অস্ত্র হবে ‘সাশ্রয়ী মূল্যে প্রিমিয়াম কোয়ালিটি’। দেশীয় ব্র্যান্ড হিসেবে টাটার স্মার্টফোন বিদেশি কোম্পানিগুলোর একাধিপত্য কমিয়ে দেশীয় বাজার দখলে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

কালের আলো/এম/এএইচ

 

রামিসার বাসায় প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ১০:১২ অপরাহ্ণ
রামিসার বাসায় প্রধানমন্ত্রী

রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণ ও নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা আক্তারের বাসায় গেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষ করে রাত পৌনে ১০টার দিকে রাজধানীর পল্লবীতে রামিসার বাসায় যান প্রধানমন্ত্রী।

সেখানে নিহত রামিসার মা-বাবা ও স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাদের সান্ত্বনা দেন তিনি।

এরআগে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল ইসলাম হক রামিসাদের বাসায় গিয়ে সমবেদনা জানিয়েছেন। আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রামিসা হত্যার বিচার দ্রুত নিশ্চিত করার কথা জানিয়েছেন।

রামিসা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেফতার আসামির দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ হচ্ছে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্নস্থানে।

গত মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে মিরপুরের পল্লবীর একটি ফ্ল্যাটের খাটের নিচ থেকে রামিসার মস্তকবিহীন দেহ এবং পরে বাথরুম থেকে খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।

পুলিশ প্রথমে প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করে। পরে মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার বিষয়ে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন ঘাতক সোহেল রানা।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

প্রধানমন্ত্রী ময়মনসিংহে যাচ্ছেন শনিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ১০:০৪ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রী ময়মনসিংহে যাচ্ছেন শনিবার

আগামী শনিবার (২৫ মে) ময়মনসিংহ জেলা সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব সুজাউদ্দৌলা সুজন মাহমুদ এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, শনিবার সকাল ৯ টায় ময়মনসিংহ ত্রিশালের উদ্দেশে যাত্রা (সড়ক পথে) শুরু করবেন। দুপুর ১২টায় ত্রিশালের বৈলর ইউনিয়নের ধরার খাল পুনঃখনন অনুষ্ঠানে উপস্থিতি ও খাল খননের উদ্বোধন করবেন।

দুপুর ২টায় ত্রিশাল নজরুল ডাক বাংলোতে বিরতি শেষে বিকেল ৩টায় জাতীয় কবির ১২৭তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষ্যে ত্রিশালের নজরুল মঞ্চে আয়োজিত নজরুল জন্মজয়ন্তীর জাতীয় অনুষ্ঠানে যোগদান ও তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন।

বিকেল ৫টায় ত্রিশাল নজরুল অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ময়মনসিংহ উত্তর, দক্ষিণ ও মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সভায় যোগদান শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা (সড়ক পথে) করবেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী হতে চান ট্রাম্প!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ৯:৪৯ অপরাহ্ণ
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী হতে চান ট্রাম্প!

মার্কিন প্রেসিডেন্টের মেয়াদ শেষে ইসরায়েলে প্রধানমন্ত্রী পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, ৯৯ শতাংশ ইসরায়েলি তাকে সমর্থন করে।

বুধবার (২০ মে) মার্কিন কোস্ট গার্ড একাডেমির স্নাতক সমাপনী অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আগে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।

ইসরায়েলে নিজের বিপুল জনপ্রিয়তার কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, ‘এই কাজ (মার্কিন প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব) শেষ করার পর হয়তো আমি ইসরায়েলে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারি। আজ সকালে আমি একটি জনমত জরিপ করেছি। দেশটিতে আমার সমর্থন ৯৯ শতাংশ।’ তবে তিনি কোন জরিপের কথা বলছেন তা স্পষ্ট করেননি।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে ট্রাম্প আধিপত্যের সুরে বলেন, ‘তিনি খুব ভালো মানুষ এবং আমি যা বলব তিনি সেটাই করবেন। তিনি একজন অসাধারণ ব্যক্তি।’

ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নেতানিয়াহুকে যথাযথ মূল্যায়ন করা হচ্ছে না অভিযোগ করে ট্রাম্প আরও বলেন, ‘ভুলে যাবেন না যে তিনি একজন যুদ্ধকালীন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। কিন্তু তার সঙ্গে সঠিক আচরণ করা হয় না।’

এদিকে ইসরায়েলের গণমাধ্যম ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে তার এই বক্তব্য ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এটিকে ট্রাম্পের স্বভাবসুলভ রাজনৈতিক রসিকতা হিসেবে দেখা হলেও নেতানিয়াহুর ওপর তার মার্কিন নিয়ন্ত্রণ প্রকাশের ধরনটি নিয়ে নানা মহলে চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে।

ট্রাম্পের সমর্থকরা এই মন্তব্যকে তার স্বভাবসুলভ কৌতুক ও আত্মবিশ্বাসের অংশ হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া এবং আব্রাহাম অ্যাকর্ডস চুক্তির মতো ঐতিহাসিক পদক্ষেপের কারণে ট্রাম্প আসলেই ইসরায়েলিদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়।

অন্যদিকে ট্রাম্পের সমালোচকরা এটিকে একটি ‘রাজনৈতিক থিয়েটার’ এবং মনোযোগ আকর্ষণের সস্তা কৌশল হিসেবে বর্ণনা করেছেন। অনেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যঙ্গ করে লিখেছেন, ‘ট্রাম্প এখনই হোয়াইট হাউস ছেড়ে ইসরায়েলে চলে যান না কেন?’

এছাড়াও ‘নেতানিয়াহুকে আমি যা বলব তিনি সেটাই করবেন’— ট্রাম্পের এমন মন্তব্যও মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইরান ও গাজা সংকটের মধ্যে এই বক্তব্য ইসরায়েলি সার্বভৌমত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, নেতানিয়াহুকে একজন স্বাধীন রাষ্ট্রপ্রধানের চেয়ে ট্রাম্পের অনুগত হিসেবে উপস্থাপন করায় ইসরায়েলের ভেতরের অনেক ডানপন্থী নেতা ক্ষুব্ধ হয়েছেন।

সূত্র: ইউএস টুডে, এনডিটিভি

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ