খুঁজুন
                               
, ,
           

স্পোর্টস ডিপ্লোমেসিতে যুক্ত হচ্ছেন জাইমা রহমান: প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ২:৪২ অপরাহ্ণ
স্পোর্টস ডিপ্লোমেসিতে যুক্ত হচ্ছেন জাইমা রহমান: প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক

দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা এবং বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে ‘স্পোর্টস ডিপ্লোমেসি’ বা ক্রীড়া কূটনীতিতে যুক্ত হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীর কন্যা জাইমা রহমান।

রোববার (৩ মে) রাজধানীর মতিঝিলে বিএসজেএ মিডিয়া কাপ ফুটবলের উদ্বোধন শেষে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, স্পোর্টস ডিপ্লোমেসির মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করা সম্ভব এবং এই উদ্যোগে জাইমা রহমান যুক্ত হলে তা ক্রীড়াঙ্গনের জন্য বড় উৎসাহ হিসেবে কাজ করবে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, এ উদ্যোগকে গুরুত্ব দিয়ে ইতোমধ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি পৃথক স্পোর্টস উইং চালু করা হয়েছে। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যৌথভাবে এই কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

তিনি আরও বলেন, এশিয়া ও ইউরোপের দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের খেলাধুলার সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো এবং বিদ্যমান দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠাই সরকারের লক্ষ্য।

জাতীয় ফুটবল দলের কোচ নিয়োগ নিয়ে চলমান সংকট প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) যদি দক্ষ কোচ নিয়োগে আর্থিক সমস্যায় পড়ে, তাহলে সরকার আলোচনার মাধ্যমে সহযোগিতা করবে।

এছাড়া কক্সবাজারে ফিফার টেকনিক্যাল সেন্টার নির্মাণে জমি সংক্রান্ত জটিলতা দ্রুত সমাধানের আশ্বাসও দেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার তৃণমূল পর্যায়ে খেলাধুলার প্রসারে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রতিটি জেলা ও বিভাগে ক্রীড়ার পরিবেশ উন্নয়নে সংশ্লিষ্টদের জন্য কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেন, জিয়া পরিবার ঐতিহাসিকভাবেই ক্রীড়াপ্রেমী এবং বিভিন্ন ক্রীড়া কার্যক্রমে তাদের সম্পৃক্ততা রয়েছে।

কালের আলো/এসএকে

অনিয়মকারীদের সঙ্গে সিইসি ও ইসি সচিবের আঁতাত রয়েছে: গোলাম পরওয়ার

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৪০ অপরাহ্ণ
অনিয়মকারীদের সঙ্গে সিইসি ও ইসি সচিবের আঁতাত রয়েছে: গোলাম পরওয়ার

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তুলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন ও নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদের বিরুদ্ধে অনিয়মকারীদের সঙ্গে আঁতাতের অভিযোগ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

তিনি বলেছেন, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সচিব যদি নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেন, তাহলে বুঝতে হবে অনিয়মকারীদের সঙ্গে তাঁদের আঁতাত রয়েছে। সাংবিধানিক পদে থেকে তাঁরা সেই পদের প্রতি সুবিচার করেননি।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি। শনিবার ঢাকা থেকে খুলনা ও কুষ্টিয়ামুখী লংমার্চের প্রস্তুতি ও অগ্রগতি তুলে ধরতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

উপনির্বাচনে নানা অনিয়মের অভিযোগ

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে প্রিসাইডিং ও পোলিং কর্মকর্তাদের পরিচয়পত্র বা ব্যাজ ছাড়া দায়িত্ব পালনের অভিযোগ করেন গোলাম পরওয়ার। তাঁর দাবি, ১১-দলীয় ঐক্যের প্রার্থী এ বিষয়ে প্রশ্ন তুললে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা তড়িঘড়ি করে কাগজে কলম দিয়ে নিজেদের পরিচয় লিখে পকেটে রাখেন। তাঁরা কোনো নিয়োগপত্রও দেখাতে পারেননি। ফলে তাঁরা নির্বাচন কমিশনের নিয়োগ করা কর্মকর্তা কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার সুযোগ ছিল না।

এ ছাড়া ভোট গ্রহণের আগেই ব্যালট পেপারে সিল মারা, জাল ভোট দেওয়া এবং কেন্দ্র থেকে এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ করেন তিনি। কোনো কোনো কেন্দ্রে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ফলাফল ঘোষণা না করে পুলিশের গাড়িতে করে চলে যাওয়ার সময় দাঁড়িপাল্লার ভোটাররা গাড়ি থামিয়েছেন বলেও দাবি করেন জামায়াতের এই নেতা।

গোলাম পরওয়ার বলেন, এসব অভিযোগের পরও ইসি সচিব নির্বাচনে অনিয়মের কথা অস্বীকার করেছেন। তাঁর এমন বক্তব্য অনিয়মকে বৈধতা দেওয়ার শামিল।

তবে উপনির্বাচনের ফলাফল নিয়ে এখনই চূড়ান্ত কোনো মন্তব্য করতে চান না বলে জানান তিনি। তৃণমূল থেকে আরও তথ্য আসছে উল্লেখ করে সেগুলো পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণের পর এ বিষয়ে পরবর্তী বক্তব্য দেওয়া হবে বলে জানান।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার ভোট গ্রহণ শেষে ইসি সচিব আখতার আহমেদ নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হয়েছে এবং কমিশন নির্বাচনে সন্তুষ্ট বলে জানিয়েছিলেন। একই দিন সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দীন বলেছিলেন, ১১-দলীয় জোটের পক্ষ থেকে উত্থাপিত অভিযোগগুলো সমাধান করা হয়েছে।

গণভোটের রায় না মানলে সংঘাতের আশঙ্কা

সংবাদ সম্মেলনে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিও পুনর্ব্যক্ত করেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল। তিনি বলেন, সরকারকে গণভোটের রায় মানতে হবে। তা না হলে রাজনৈতিক সংকট নিরসনের বিকল্প থাকবে না। সরকার একদলীয় ও কর্তৃত্ববাদী মনোভাব নিয়ে চলতে থাকলে রাজনীতি সংঘাতের দিকে যাবে।

তিনি আরও বলেন, জামায়াত সংসদের মাধ্যমেই এ সংকটের সমাধান চায়। আগামী ৯ নভেম্বর সংসদের অধিবেশন রয়েছে। জনগণের আস্থার প্রতি সম্মান দেখাতে চাইলে সরকারকে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকতে হবে। এ জন্য বিশেষ কমিটির প্রয়োজন নেই।

গোলাম পরওয়ারের দাবি, গণভোটে প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে সংবিধান সংশোধনের প্রস্তাবের পক্ষে মত দিয়েছেন।

লংমার্চে দেড় হাজার গাড়ি যুক্ত করার লক্ষ্য

আগামী শনিবার জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যের খুলনামুখী লংমার্চের প্রস্তুতির বিষয়েও সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তুলে ধরেন গোলাম পরওয়ার।

তিনি জানান, রাজধানীর বায়তুল মোকাররম থেকে গাড়িবহর যাত্রা শুরু করবে। হানিফ ফ্লাইওভার হয়ে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়ক ধরে ফরিদপুরের ভাঙ্গা, গোপালগঞ্জ, খুলনা, রূপসা সেতু পার হয়ে যশোর ও কুষ্টিয়ার দিকে যাবে বহরটি। প্রায় ৪২৫ কিলোমিটারের এ যাত্রাপথে ১৯টি জেলা অতিক্রম করা হবে। পথে একাধিক পথসভাও অনুষ্ঠিত হবে।

গোলাম পরওয়ার বলেন, শুরুতে ৬৫০ থেকে ৭০০টি গাড়ি থাকবে। বিভিন্ন জেলা থেকে গাড়ি যুক্ত হয়ে খুলনায় পৌঁছানোর সময় বহরে প্রায় এক হাজার গাড়ি হবে। পরে যশোর, ঝিনাইদহ ও কুষ্টিয়া থেকে আরও গাড়ি যুক্ত হবে। কুষ্টিয়া জেলা স্টেডিয়াম পর্যন্ত বহরে প্রায় দেড় হাজার গাড়ি যুক্ত হওয়ার আশা তাঁদের।

লংমার্চ শান্তিপূর্ণ রাখতে নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, পথে কোথাও উসকানিমূলক বক্তব্য বা প্রতিপক্ষকে আঘাত করে এমন স্লোগান দেওয়া যাবে না। কোনো উসকানি বা বাধার মুখে পড়লেও গাড়ি থেকে না নেমে ধৈর্য ও সংযম বজায় রাখতে হবে। প্রশাসনের বিভিন্ন স্তর থেকে সহযোগিতার আশ্বাস পাওয়া গেছে বলেও জানান তিনি।

এদিকে বিমানবাহিনীর সাবেক এক কর্মকর্তার নিখোঁজ হওয়া এবং পরে তাঁর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ব্যর্থতা রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন গোলাম পরওয়ার।

সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান, হামিদুর রহমান আযাদ, মুয়াযযম হোসাইন হেলাল ও এহসানুল মাহবুব জুবায়েরসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

তাহসিফের মৃত্যুতে মামলা নয়, তদন্ত চান বাবা

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:২০ অপরাহ্ণ
তাহসিফের মৃত্যুতে মামলা নয়, তদন্ত চান বাবা

বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরির মৃত্যুর ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন তার বাবা কে এম এনায়েতুল করিম। তিনি বলেছেন, তার ছেলে দেশের একজন সুনাগরিক ছিলেন এবং সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এমন মৃত্যুর পেছনের প্রকৃত ঘটনা সামনে আসা প্রয়োজন।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এসব দাবি জানান তিনি।

মামলার চেয়ে তদন্তে গুরুত্ব পরিবারের
তাহসিফের মৃত্যুর ঘটনায় এখনো থানায় কোনো মামলা করা হয়নি বলে জানিয়েছেন তার বাবা। তবে এ মুহূর্তে মামলা করবেন কি না, সে বিষয়ে পরিবার কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। কে এম এনায়েতুল করিম বলেন, ‘আমরা পারিবারিকভাবে এখনও কোনও ধরনের মামলার সিদ্ধান্ত নিইনি। মামলা করবো কিনা, সে বিষয়েও সিদ্ধান্ত হয়নি। আজ আমাদের নানা ব্যস্ততা আছে। হয়তো আজ এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারবো না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার ছেলে দেশের একজন সুনাগরিক ছিল। সশস্ত্র বাহিনীর একজন সদস্য ছিল। তার এ ধরনের মৃত্যুর যেন সুষ্ঠু তদন্ত হয় এবং প্রকৃত কারণ বের হয়ে আসে।’ পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় গিয়ে মামলা করার বিষয়টিকে প্রধান বিবেচনা না করে সরকারের নিজস্ব আইন ও প্রক্রিয়া অনুযায়ী মৃত্যুর তদন্ত নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি। তার ভাষ্য, থানায় গিয়ে কয়েক লাইন লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলো কি না, সেটির ওপর গুরুত্ব না দিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া।

থানায় মামলা করতে বাবাকে ফোন পুলিশের
উত্তরখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান জানিয়েছেন, তাহসিফের বাবাকে ফোন করে থানায় মামলা করার জন্য বলা হয়েছে। তবে এখনো তিনি থানায় আসেননি। এদিকে তাহসিফের মৃত্যুর ঘটনা তদন্তে তার জুনিয়র বন্ধু দীপকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। নিখোঁজ হওয়ার আগে তাহসিফের সঙ্গে প্রায় ছয় ঘণ্টা সময় কাটিয়েছিলেন দীপ। তদন্তের স্বার্থে দীপকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তবে তাহসিফের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ বা এ ঘটনায় কারও দায় রয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।

প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনের অপেক্ষায় পরিবার
তাহসিফের মৃত্যুর ঘটনায় পরিবারের প্রধান দাবি এখন সুষ্ঠু তদন্ত। কী পরিস্থিতিতে তার মৃত্যু হয়েছে এবং এর পেছনে কোনো কারণ বা দায় রয়েছে কি না, তা নিরপেক্ষভাবে খতিয়ে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন তার বাবা। পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো মামলা করার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না এলেও তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা প্রকাশের প্রত্যাশা করছেন তারা।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি

বঙ্গোপসাগর নিয়ে জাপানের সঙ্গে কোনো কথা হয়নি

কুটনৈতিক প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:০৬ অপরাহ্ণ
বঙ্গোপসাগর নিয়ে জাপানের সঙ্গে কোনো কথা হয়নি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফরে বঙ্গোপসাগরের রুট কিংবা বিকল্প নিরাপদ সমুদ্রপথ নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। তিনি বলেছেন, দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় নির্দিষ্ট বিষয়গুলো নিয়েই আলোচনা হয়েছে। এসব বিষয়ে অন্য রাষ্ট্রের সম্পৃক্ততা প্রয়োজন হলে আলাদাভাবে আলোচনা করতে হবে। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর শেষে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ
সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফরে রোহিঙ্গা সংকটের বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। এ সংকট সমাধানে জাপানকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় নিরাপত্তা ও নীতিগত ইস্যু। এ কারণে বহুপক্ষীয়সহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ফোরামে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাবে সরকার। হুমায়ুন কবির বলেন, আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতায় বাংলাদেশ ও জাপার উভয়েরই আগ্রহ রয়েছে। এ ক্ষেত্রে দুই দেশের ভূমিকা রাখার সুযোগ আছে। তবে সংকটের সমাধানে মিয়ানমারকেও এগিয়ে আসতে হবে।

৬ দশমিক ৩৪ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ প্রতিশ্রুতি
জাপানের সঙ্গে আগামী পাঁচ বছরে ৬ দশমিক ৩৪ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ প্রতিশ্রুতি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এখন শুধু সহজ শর্তের ঋণের ওপর নির্ভরশীল থাকতে চায় না। বরং বিনিয়োগ ও ব্যবসাভিত্তিক পারস্পরিক অংশীদারত্ব গড়ে তোলার দিকে এগোচ্ছে।

তার ভাষ্য, বাংলাদেশ সমমর্যাদার অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চায়, যেখানে কোনো পক্ষ অধস্তন থাকবে না; বরং উভয় দেশ যৌথভাবে কাজ করবে। জাপানের ঋণের সুদের হার বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, বিনিয়োগ গ্রহণের ক্ষেত্রে সাশ্রয়ী ও লাভজনক অর্থায়ন গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ বিবেচনায় যেসব বিনিয়োগ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে, সেগুলো অগ্রাধিকার পাবে। পাশাপাশি অন্যান্য আন্তর্জাতিক অর্থায়নের সুযোগের সঙ্গেও তুলনা করা হবে।

বিকল্প সমুদ্রপথ নিয়ে আলোচনার খবর নাকচ
জাপানের সঙ্গে বিকল্প নিরাপদ সমুদ্রপথ এবং ‘সি-ওপেন ইনিশিয়েটিভ ৩.০’ নিয়ে আলোচনা হয়েছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে হুমায়ুন কবির বলেন, বঙ্গোপসাগরের রুট কিংবা সমুদ্রপথ নিয়ে দুই দেশের আলোচনায় কোনো বিষয় ছিল না। তিনি বলেন, দ্বিপক্ষীয় নির্দিষ্ট বিষয়গুলোর বাইরে অন্য কিছু নিয়ে আলোচনা করা হয়নি। এসব বিষয়ে আলোচনা করতে হলে সংশ্লিষ্ট অন্য রাষ্ট্রগুলোক

কালের আলো/এএএন/এমএসআইপি