খুঁজুন
                               
শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৬ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

দুপুরের মধ্যে ১২ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ৯:৪০ পূর্বাহ্ণ
দুপুরের মধ্যে ১২ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা

দেশের ১২টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে দুপুরের মধ্যে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। এসব এলাকায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিরও সম্ভাবনা রয়েছে। এ কারণে সংশ্লিষ্ট নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর (পুন.) সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

বুধবার (১০ জুন) দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমানের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রংপুর, দিনাজপুর, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।

এদিকে আবহাওয়া অধিদফতরের পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু (বর্ষা) এরই মধ্যে বরিশাল, চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগ পর্যন্ত অগ্রসর হয়েছে। আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে দেশের বাকি অংশেও বর্ষা বিস্তারের অনুকূল পরিস্থিতি রয়েছে।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, আজ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণেরও আশঙ্কা রয়েছে।

আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকায় সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

তারপরও থামে না ভয়ংকর যাত্রা

বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৮:০১ অপরাহ্ণ
তারপরও থামে না ভয়ংকর যাত্রা

প্রতি বছর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশি সাগরপথে বিদেশ যাওয়ার পথে নৌকাডুবিতে মারা যায়। অনেককে বিদেশে আটকে রেখে দেশ থেকে আদায় করা হয় মুক্তিপণ। কিন্তু তারপরও থামে না এই ভয়ংকর যাত্রা। আর প্রকৃত অপরাধীরা বরাবরই থেকে যায় রহস্যের অন্ধকারে। সাগরপথে অবৈধভাবে ইউরোপে মানব পাচারের ক্ষেত্রে বর্তমানে বাংলাদেশিরা শীর্ষ তালিকায় অবস্থান করছেন।

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) ‘মিসিং মাইগ্রেন্টস প্রজেক্ট’-এর তথ্য অনুযায়ী, ভূমধ্যসাগর ও পশ্চিম আফ্রিকার রুট দিয়ে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টায় প্রতি বছর হাজার হাজার অভিবাসী প্রাণ হারান। এর মধ্যে বাংলাদেশি অভিবাসীদের একটি বড় অংশ রয়েছে।

অবৈধভাবে সাগরপথে বিদেশে বিশেষ করে ইউরোপ ও মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে প্রতি বছর কত সংখ্যক বাংলাদেশি প্রাণ হারায় তার সুনির্দিষ্ট কোনো সরকারি পরিসংখ্যান জানা যায়নি। তবে বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে এই বছরে এ সংখ্যা অর্ধ সহস্রাধিক। অন্যদিকে জাতিসংঘের তথ্যমতে, প্রকৃত সংখ্যা ও নিখোঁজের হার আরও অনেক বেশি।

আইওএম দেওয়া তথ্যমতে, ২০২৫ সালে সাড়ে ৬ হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশ এবং মিয়ানমার থেকে বিপজ্জনক সমুদ্রযাত্রা করে, যাদের মধ্যে ৮৯০ জনেরও বেশি প্রাণ হারায়। বিশেষ করে আন্দামান সাগর এবং বঙ্গোপসাগরে ২০২৪ সালে মারা যান ৫৯৮ জন এবং ২০২৫ সালে মারা যান ৮৬০ জন। এক বছরে মৃত্যু এবং নিখোঁজ হওয়ার সংখ্যা ৪০ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি পায়। চলতি বছরের এপ্রিল মাসে আন্দামান সাগরে নৌকাডুবির ঘটনায় রোহিঙ্গা শরণার্থী ও বাংলাদেশি নাগরিকসহ প্রায় ২৫০ জন নিখোঁজ হয় বলে জানায় জাতিসংঘ। গত ১৪ এপ্রিল প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার (ইউএনএইচসিআর) এ তথ্য জানায়। বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, কোস্ট গার্ডের একটি জাহাজ গত ৯ এপ্রিল সাগর থেকে ৯ জনকে জীবিত উদ্ধার করে, যার মধ্যে একজন নারীও ছিলেন।

জানা যায় ঢাকা, সিলেট, সুনামগঞ্জ, শরীয়তপুর ও মাদারীপুর অঞ্চলের তরুণরা সাধারণত এসব ঝুঁকিপূর্ণ পথে বেশি পাড়ি জমান। সমুদ্রযাত্রায় মৃত্যুর পাশাপাশি এসব রুটে মানব পাচারকারী চক্রের হাতে অপহরণ ও ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হওয়ার হারও অনেক বেশি।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানে মানব পাচারের সঙ্গে জড়িতদের কাউকে কাউকে মাঝেমধ্যে গ্রেফতার করা হলেও মূল হোতারা সবসময়ই রয়ে যায় আড়ালে। আবার গ্রেফতারের পর অনেক সময় যথাযথ সাক্ষী না পাওয়া, মামলার দীর্ঘসূত্রতা, বাদীকে হুমকি-ধমকি কিংবা আদালতের বাইরে আপস-মীমাংসার মাধ্যমে মামলা আর শেষ পরিণতি পায় না।

কালের আলো/এম/এএইচ

বাংলাদেশের সমর্থনকে বিশ্বব্যাপী প্রচার করতে চায় আর্জেন্টিন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৭:৫৭ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশের সমর্থনকে বিশ্বব্যাপী প্রচার করতে চায় আর্জেন্টিন

Oplus_131072

ফুটবল বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার প্রতি বাংলাদেশের মানুষের ব্যাপক সমর্থন ও আগ্রহকে বিশ্বব্যাপী প্রচার করতে চায় আর্জেন্টিনা। বাংলাদেশে নিযুক্ত আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত মার্সেলো কার্লোস সেসা এ আগ্রহের কথা জানিয়েছেন।

শনিবার (২০ জুন) বিকেলে পুলিশ সদর দপ্তরে ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) আলী হোসেন ফকিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও আর্জেন্টিনার মধ্যে নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদার এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

রাষ্ট্রদূত মার্সেলো কার্লোস সেসা বলেন, বিশ্বকাপ ফুটবলকে ঘিরে বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে আর্জেন্টিনার প্রতি যে ভালোবাসা ও সমর্থন দেখা যায়, সেটি অনন্য। তিনি এ বিষয়টি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও ব্যাপকভাবে তুলে ধরার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

এ সময় তিনি বাংলাদেশ পুলিশের সঙ্গে নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও জোরদারের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

আইজিপি আলী হোসেন ফকির রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানিয়ে দুই দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় ও সহযোগিতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। পাশাপাশি বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেম এবং আর্জেন্টিনার প্রতি মানুষের আগ্রহ বিশ্বব্যাপী প্রচারের উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসএকে

বিপৎসীমার কাছাকাছি তিস্তার পানি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৭:৩৬ অপরাহ্ণ
বিপৎসীমার কাছাকাছি তিস্তার পানি

উজানে ঢলে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমা ছুঁই ছুঁই করছে।

শনিবার (২০ জুন) সকাল ৬টায় ডালিয়ায় তিস্তা ব্যারাজ পয়েণ্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ৫ সেণ্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও বিকেল ৩টায় তা বিপৎসীার ১৫ সেণ্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। তবে এই মুহুর্তে বন্যার কোনো সম্ভাবনা নেই বলে জানায় পানি উন্নয়ন বোর্ড।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র সূত্র জানা গেছে, উজানের ঢলে শনিবার সকাল ৬টায় তিস্তা ব্যারাজ পয়েণ্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ৫ সেণ্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। এরপর কিছুটা কমে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২ট পর্যন্ত ১৩ সেণ্টিমিটার এবং বেলা ৩ টায় ১৫ সেণ্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। এর আগে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা ৬ টায় ওই পয়েণ্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ২০ সেণ্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছিল। সেখানে নদীর পানির বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ সেণ্টিমিটার।

এদিকে, তিস্তার পানি বৃদ্ধির ফলে বন্যার আশঙ্কায় রয়েছে তিস্তাপাড়ের নিমঞ্চলের মানুষ।

জেলার ডিমলা উপজেলার টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রবিউল ইসলাম বলেন, পানি বৃদ্ধি পেয়ে তিস্তাপাড়ের নিম্নাঞ্চল গ্রামে পানি বাড়ছে। তবে এখনো চরাঞ্চলের বাড়ি ঘরে পানি ওঠেনি। যে কোনো সময়ে পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে বন্যার আশঙ্কায় রয়েছে মানুষ।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন,উজানের ঢলে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। আজ শনিবার সকাল ৬টায় বিপৎসীমার ৫ সেণ্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও বেলা ৩টায় বিপৎসীমার ১৫ সেণ্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি প্রবাহিত হলেও এই মুহুর্তে বন্যার আশঙ্কা নেই।

কালের আলো/এসএকে