খুঁজুন
                               
বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণে জোর বিমান বাহিনীর, হেলিকপ্টারের মাধ্যমে পরিচালিত হবে সীডবল নিক্ষেপ কার্যক্রমও 

বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬, ৭:১৫ অপরাহ্ণ
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণে জোর বিমান বাহিনীর, হেলিকপ্টারের মাধ্যমে পরিচালিত হবে সীডবল নিক্ষেপ কার্যক্রমও 

বাংলা দিনপঞ্জির আষাঢ় মাস শুরুর সঙ্গে শুরু হয়েছে বৃক্ষরোপণের উপযুক্ত ঋতু বর্ষা। পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রাখতে একটি দেশের যে পরিমাণ বনভূমি প্রয়োজন বর্তমানে বাংলাদেশে আছে তার এক-তৃতীয়াংশ। পরিবেশ ও জীবজগতের সুরক্ষার জন্য অপরিহার্য বৃক্ষরোপণ। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নির্মল, সুন্দর ও সবুজ বাংলাদেশ গড়তে আগামী ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সরকারপ্রধানের এই মেগা কর্মসূচিকে সফল করার মাধ্যমে গৌরবদীপ্ত সহযাত্রী হতে চায় বাংলাদেশ বিমান বাহিনী। দেশের বৃক্ষসম্পদ বৃদ্ধি ও পরিবেশের ভারসাম্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে কার্যকর সবুজায়নের পথে হঁটছে তাঁরা। মঙ্গলবার (১৬ জুন) ঢাকা সেনানিবাসস্থ বিমান বাহিনী সদর দপ্তর প্রাঙ্গণে গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে চলতি বছরের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন। এই কর্মসূচির আওতায় বিমান বাহিনী বিভিন্ন ধরনের ফলজ, বনজ ও ঔষধি গুণাগুণ সম্পন্ন গাছের চারা রোপণ করবে।

চির সুন্দরের অভিবন্দনায় বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর বিভিন্ন ঘাঁটি ও ইউনিটসমূহ এবং বিমান বাহিনী পরিচালিত সকল স্কুল ও কলেজ প্রাঙ্গণে পালিত হবে এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিমান সদরের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসাররা বিভিন্ন গাছের চারা রোপণ করে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।

জানা যায়, দেশে সবুজ বৃক্ষরাজিই যে অস্তিত্বের অনুষঙ্গ সেই বিষয়ে সচেতনতা গড়ার পাশাপাশি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতেও নিজেদের এগিয়ে রেখেছে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী।

পরিবেশ সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিকে সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করতে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে নানামুখী প্রয়াস। পরিবেশবাদীরা বলছেন, বাংলাদেশ নাতিশীতোষ্ণ জলবায়ুর দেশ হিসেবে পরিচিত হলেও বৈশ্বিক উষ্ণায়ণের প্রভাব বাংলাদেশেও সমানভাবে প্রতীয়মান। ফলে বাংলাদেশে সবুজায়ন কর্মসূচির গুরুত্ব পরিবেশগত উদ্বেগের উর্ধ্বে এটি টেকসই উন্নয়ন ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন এর সার্বিক দিকনির্দেশনায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় বনায়নের লক্ষ্যে দেশের উপকূলীয় অঞ্চল ও পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টারের সাহায্যে আকাশ থেকে সীডবল (বীজ সমৃদ্ধ মাটির বল)  নিক্ষেপের মাধ্যমে বীজ ছিটানো কার্যক্রম পরিচালনা করবে। ইতোপূর্বেও দেশের বিভিন্ন প্রত্যন্ত উপকূলীয় অঞ্চলে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টারের মাধ্যমে সীডবল নিক্ষেপ কার্যক্রম পরিচালনা করেছে।

কালের আলো/এমএএএমকে 

জোড়া গোলে দুটি রেকর্ড ভাঙলেন এমবাপে, পেছনে পড়লেন মেসি

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৩:২৬ পূর্বাহ্ণ
জোড়া গোলে দুটি রেকর্ড ভাঙলেন এমবাপে, পেছনে পড়লেন মেসি

পেনাল্টি না পাওয়ার ঠিক কয়েক মুহূর্ত পরই ফ্রান্সকে এগিয়ে নিলেন কিলিয়ান এমবাপে। তাতে ফ্রান্সের শীর্ষ গোলদাতা হিসেবে অলিভার জিরুদের পাশে বসেন তিনি। ওখানেই শেষ নয়। দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি টাইমে আরেকটি গোল। তাতে এককভাবে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ গোলদাতাও হয়ে গেলেন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা।

এছাড়া বিশ্বকাপে নিজের ১৪তম গোলটি করে সাবেক ফরাসি লিজেন্ড জাস্ট ফন্টেইন ও আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসিকেও ছাড়িয়ে গেলেন তারকা স্ট্রাইকার। বলাবাহুল্য, বিশ্বমঞ্চে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ গোলদাতাও তিনি।

আর তিনটি গোল করলে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতা হবেন তিনি। ১৬ গোল করে জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসা সবার উপরে। বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোল করার তালিকায় এমবাপে যৌথভাবে তিন নম্বরে। ১৪ গোল করে গার্ড মুলারের পাশে তিনি।

ডি-বক্সের বাইরে থেকে মাইকেল অলিসের এক দারুণ অ্যাসিস্ট সেনেগালের রক্ষণব্যুহকে ভেঙে দেয়। আর ছয় গজ বক্সের প্রান্ত থেকে ডান পায়ের নিখুঁত শটে এদুয়ার মেন্দির পাশ দিয়ে বল জালে জড়ান এমবাপে।

ফ্রান্সের জার্সিতে এটি ছিল তার ৫৭তম গোল। তারপর বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের জাদুকরী শটে দ্বিতীয় গোল করেন তিনি

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

ফ্রান্সের গোলপোস্ট কাঁপিয়ে বিরতিতে সেনেগাল

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ২:১৩ পূর্বাহ্ণ
ফ্রান্সের গোলপোস্ট কাঁপিয়ে বিরতিতে সেনেগাল

শক্তিশালী ফ্রান্সের বিপক্ষে ২৪ বছর পর মাঠে নামল সেনেগাল। ২০০২ সালের সেই অঘটনের স্মৃতি অনুপ্রাণিত রেখেছিল তাদের। প্রথমার্ধে তারাই গোল করার সবচেয়ে ভালো সুযোগগুলো পেয়েছিল। দুর্ভাগ্য যে এগিয়ে যেতে পারল না। প্রথমার্ধ শেষে স্কোর গোলশূন্য।

নিকোলাস জ্যাকসন গোলের সবচেয়ে কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন। তার শট পোস্টে গিয়ে আঘাত করে। এছাড়া প্রথমার্ধের খেলা শেষের ঠিক আগমুহূর্তে ইসমাইলা সার-ও গোল করার একটি বিশাল সুযোগ হাতছাড়া করেন।

অন্যদিকে ফ্রান্সকে বেশ ক্লান্ত দেখা গেছে। সেনেগালের রক্ষণ ভাঙতে বেশ সংগ্রাম করেছে।

গত দুইবারের ফাইনালিস্ট কোনো ধরনের অঘটনে না পড়তে চাইলে দ্বিতীয়ার্ধে নিশ্চিতভাবেই আরও অনেক ভালো পারফরম্যান্স করতে হবে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

চট্টগ্রামে এমপির অনুদান পেলেন আত্মীয়, ঘনিষ্ঠজন ও কর্মচারীরা

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ২:০৫ পূর্বাহ্ণ
চট্টগ্রামে এমপির অনুদান পেলেন আত্মীয়, ঘনিষ্ঠজন ও কর্মচারীরা

চট্টগ্রাম-১২ আসনের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হকের ঐচ্ছিক তহবিল থেকে দেওয়া অনুদান বণ্টনকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের জন্য বরাদ্দকৃত এ তহবিলের অর্থ একই এলাকার বাসিন্দা, সংসদ সদস্যের আত্মীয়, ঘনিষ্ঠজন এবং তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের মধ্যে বণ্টন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

সংসদ সদস্যের ঐচ্ছিক তহবিলের ১ লাখ ৮৩ হাজার ৫০০ টাকা বিভিন্ন ব্যক্তির অনুকূলে অনুদান মঞ্জুরির প্রস্তাব করা হয়। তালিকা পর্যালোচনায় দেখা যায়, সুবিধাভোগীদের একটি বড় অংশ পটিয়া উপজেলার জিরি ইউনিয়নের কৈয়গ্রাম এলাকার বাসিন্দা এবং তারা একে অপরের সঙ্গে পারিবারিক ও আত্মীয়তাসহ ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের সঙ্গে যুক্ত।

তালিকায় থাকা বুলু আকতার (স্বামী: আহমদুল হক), হাসনা খাতুন (পিতা: আজিজুর রহমান), হোসনেরা বেগম (পিতা: আহমদ মিয়া), মুছাৎ হোসনেরা বেগম (পিতা: মোহাম্মদ ইউনুছ মিয়া), রাজিয়া আকতার (স্বামী: আমিরুল হক), হানিফাতুল মোজাহেবা (স্বামী: হাফেজ আজগর হোসেন), আজিজুল হক (পিতা: আব্দুল হক) এবং মরিয়ম বেগম (পিতা: মোহাম্মদ মুছা) একই এলাকার বাসিন্দা হিসেবে পরিচিত। স্থানীয় সূত্রে তাদের অনেককে সংসদ সদস্যের আত্মীয় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া, তালিকায় এমপি এনামের চাকতাই এলাকার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আলম ট্রেডিংয়ের সঙ্গে যুক্ত বেশ কয়েকজন কর্মচারীর নামও রয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন— জসিম উদ্দিন (পিতা: মোহাম্মদ ছৈয়দ), মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ (পিতা: নুরুল ইসলাম), মোহাম্মদ শাকেল (পিতা: মোহাম্মদ সেলিম), মো. ওমর ফারুক (পিতা: মো. নূরুল ইসলাম) এবং পিকলু চৌধুরী (পিতা: রতন চৌধুরী)।

এ ছাড়া, সংসদ সদস্যের বাড়ির কেয়ারটেকার জাহাঙ্গীর (পিতা: মোহাম্মদ আবুল কালাম) এবং বাড়ির টি-বয় তানজিমুল হক আহাদকে (পিতা: আহমদুল হক) তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, ঐচ্ছিক তহবিলের অর্থ বণ্টনে স্বজনপ্রীতি হয়েছে। একই গ্রাম ও ঘনিষ্ঠজনদের মধ্যে অধিকাংশ অর্থ বরাদ্দ দেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে জনমনে প্রশ্ন ও সমালোচনা তৈরি হয়েছে।

তবে এ বিষয়ে জানতে সংসদ-সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হক ও পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারহানুর রহমানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। খুদে বার্তা পাঠিয়েও কোনো সাড়া মেলেনি।

এ বিষয়ে দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি ইদ্রিস মিয়া  বলেন, আমি বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছি। তাছাড়া এটা আমাদের ঊর্ধ্বতন নেতাদের জানানো হবে

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি