খুঁজুন
                               
শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ৫ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

হরমুজে ৬০ দিন জাহাজ চলাচলে কোনো ফি নেবে না ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ৬:০৯ অপরাহ্ণ
হরমুজে ৬০ দিন জাহাজ চলাচলে কোনো ফি নেবে না ইরান

আগামী ৬০ দিনের জন্য হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজের কাছ থেকে কোনো ট্রানজিট ফি নেওয়া হবে না বলে ঘোষণা দিয়েছে ইরান। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দেশটি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) সন্ধ্যায় প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হরমুজ প্রণালি ব্যবহারকারী সব বাণিজ্যিক জাহাজকে ফি ছাড় দেওয়া হবে।

পরিষদের ভাষ্য অনুযায়ী, এই সময়ের জন্য প্রণালি ব্যবহারে যে ব্যয় সাধারণত নেওয়া হয়, তা ইরান সরকার নিজেই বহন করবে।

বিবৃতিতে বলা হয়, আগামী ৬০ দিনের জন্য আবেদনকারী জাহাজগুলোর কাছ থেকে কোনো ধরনের ট্রানজিট ফি নেওয়া হবে না। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল আরও সহজ হবে বলে আশা করছে তেহরান।

মাসের পর মাস ধরে চলা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনার কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও আন্তর্জাতিক নৌপথে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, এই সিদ্ধান্তকে তা কাটিয়ে ওঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বুধবার (১৭ জুন) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের মধ্যে ইলেকট্রনিকভাবে স্বাক্ষরিত ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক কার্যকর হওয়ার পরই এই ঘোষণা আসে। জাহাজ চলাচলের আগে নিতে হবে অনুমতি

ইরান জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করতে আগ্রহী সব বাণিজ্যিক জাহাজকে আগে পারস্য উপসাগর জলপথ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করতে হবে।

সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত আবেদন নিষ্পত্তি করতে এবং সমঝোতা স্মারকের আওতায় সেগুলোকে অগ্রাধিকার দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এই কর্তৃপক্ষই জাহাজগুলোর জন্য চলাচলের অনুমতিপত্র, নির্ধারিত সময়সূচি এবং রুট নির্ধারণ করবে। নিরাপত্তার কারণে বিশেষ বিধিনিষেধ

ইরান বলেছে, সামুদ্রিক করিডোরে এখনো কিছু নিরাপত্তা ঝুঁকি রয়েছে। তাই জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রিতভাবে পরিচালনা করা হবে।

কর্মকর্তাদের মতে, নির্ধারিত রুট ও সময়সূচি মেনে চললে নিরাপদ নৌযাত্রা নিশ্চিত করা, দুর্ঘটনা প্রতিরোধ করা এবং ধীরে ধীরে হরমুজ প্রণালিতে স্বাভাবিক জাহাজ চলাচল ফিরিয়ে আনা সহজ হবে।

এ কারণে অনুমোদন পাওয়া সব জাহাজকে নির্ধারিত সময় ও নির্দিষ্ট পথ অনুসরণ করেই হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে হবে বলে জানিয়েছে ইরানি কর্তৃপক্ষ।

বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, জ্বালানি সরবরাহ এবং বৈশ্বিক নৌপরিবহনে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

সূত্র: সামা টিভি

কালের আলো/এসআর/এএএন

যুদ্ধবিরতিতে রাজি ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ, আজ থেকেই কার্যকর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ৯:৪৮ অপরাহ্ণ
যুদ্ধবিরতিতে রাজি ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ, আজ থেকেই কার্যকর

অবশেষ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে ইসরায়েল ও লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। শুক্রবার (১৯ জুন) স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা থেকে এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে নিশ্চিত করেছেন মার্কিন ও ইসরায়েলি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, দিনের শুরুতে চরম উত্তেজনার পর ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহ উভয় পক্ষই যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও কাতারের মধ্যস্থতাকারীরা ইরানের সহায়তায় এই সমঝোতায় পৌঁছেছেন।

অন্যদিকে ইসরায়েলি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও ইসরায়েলি সৈন্যরা দক্ষিণ লেবাননের ‘বাফার জোনে’ অবস্থান করবে, যেখানে তারা বর্তমানে একটি বিশাল এলাকা দখল করে রেখেছে।

তিনি সতর্ক করে বলেছেন, হিজবুল্লাহ যদি ইসরায়েলে হামলা করে, তাহলে তারা আবারো যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে পড়বে।’

মূলত, যুদ্ধের অবসানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকে লেবাননে স্থায়ী যুদ্ধবিরতির কথা উল্লেখ থাকলেও সেখানে হামলা অব্যাহত রাখে ইসরায়েল। এর প্রতিবাদে শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নে আজ শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে মার্কিন আলোচকদের সঙ্গে নির্ধারিত বৈঠকে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরানি প্রতিনিধি দল।

ইরান বরাবরই বলে আসছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতায় লেবাননে ইসরায়েলের হামলা বন্ধ চুক্তির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।

এদিকে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে দক্ষিণ লেবাননের কাফার তেবনিতের কাছে একটি অভিযান চলাকালে তাদের ট্যাংকে হামলা হলে চারজন সৈন্য নিহত হয়েছেন। এর কয়েক ঘণ্টা পর একই এলাকায় আরও পাঁচ সেনা আহত হয়েছে। জবাবে ইসরায়েল দক্ষিণ লেবাননে ব্যাপক বিমান হামলা চালায়।

লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, শুক্রবার ভোরে নাবাতিয়া শহর ও তার পার্শ্ববর্তী শহরগুলোতে ইসরায়েলি বোমা হামলায় অন্তত ২৪ জন নিহত এবং আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল একযোগে ইরানে হামলা শুরু করার পর ২ মার্চ থেকে হিজবুল্লাহ ইরানের পক্ষে ইসরায়েলে পাল্টা হামলা চালায়। এরপর থেকে চলমান ইসরায়েলি হামলায় লেবাননে তিন হাজারের বেশি মানুষ নিহত এবং প্রায় ১২ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

চাঁদাবাজি থামাতে না পারলে দেশ চালানোর অধিকার নেই: জামায়াত আমির

মুন্সীগঞ্জ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ৯:৪২ অপরাহ্ণ
চাঁদাবাজি থামাতে না পারলে দেশ চালানোর অধিকার নেই: জামায়াত আমির

রাজনৈতিক প্রশ্রয়ে সারাদেশে চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেট ব্যবস্থা টিকে আছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। সরকারি দলের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, কোনো দল যদি তাদের কর্মীদের সামাজিক অপকর্ম থেকে বিরত রাখতে না পারে, তবে সেই দলের দেশ পরিচালনার নৈতিক অধিকার থাকে না।

শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেলে সাড়ে ৫টার দিকে মুন্সীগঞ্জের পুরাতন কাচারি চত্বর এলাকায় এক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন জামায়াত আমির। রয়েল পার্টি সেন্টারে জেলা জামায়াতের বার্ষিক সদস্য (রুকন) সম্মেলন উপলক্ষে এ আয়োজন করা হয়।

জামায়াত আমির বলেন, অতীতের তিন বার সংবিধান উপেক্ষা করে জিয়াউর রহমান, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ও বেগম খালেদা জিয়ার গণভোটের স্বীকৃতি দেওয়া হলেও- ২০২৬-এর নির্বাচনের গণভোটকে বিএনপি অস্বীকার করছে।

শফিকুর রহমান বলেন, রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য গণভোটে দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ রায় দিলেও বিএনপি সরকার গঠনের পরে যেভাবে প্রতারণা করেছে গণভোটকে অস্বীকার করে, তা দেশের মানুষকে ব্যথিত করেছে। ফলে দেশের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের জন্য শেষ লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।

ডা.শফিকুর রহমান বলেন, সারা দেশে চাঁদাবাজির মতো বিষফোঁড়া ধ্বংস করে দিলেই- সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের জীবনে স্বস্তি ফিরে আসবে। কারা চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত, তা জনগণ জানে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশে চাঁদাবাজি কমছে না, বরং বাড়ছে।

ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক প্রশ্রয়ে চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেট ব্যবস্থা টিকে আছে। কোনো দল যদি তাদের কর্মীদের সামাজিক অপকর্ম থেকে বিরত রাখতে না পারে, তবে সেই দলের দেশ পরিচালনার নৈতিক অধিকার থাকে না। তিনি বলেন, যে দল নিজেদের কর্মীদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, তারাই সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

জামায়াত আমির বলেন, সরকার বিভিন্ন পণ্যে কর কমালেও সাধারণ মানুষ তার সুফল পাচ্ছে না। কারণ বাজারের বিভিন্ন খাত সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয় ছাড়া কখনোই কোনো সিন্ডিকেট টিকে থাকতে পারে না বলে উল্লেখ করে।

ব্যবসায়ীদের দুরবস্থার কথা তুলে ধরে বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, কিছু গোষ্ঠীর কারণে অনেক ব্যবসায়ী স্বাভাবিকভাবে ব্যবসা পরিচালনার সুযোগ পাচ্ছেন না। চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেটের কারণে তারা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন।

গণমাধ্যম প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, সংবাদমাধ্যম রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ এবং সমাজের দর্পণ। সাংবাদিকদের উচিত সত্যকে সত্য এবং মিথ্যাকে মিথ্যা হিসেবে তুলে ধরা। গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারলে সমাজে অন্যায়, দুর্নীতি ও পেশিশক্তির আধিপত্য টিকতে পারে না।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে শফিকুর রহমান বলেন, সমাজের অসঙ্গতি, দুর্নীতি ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষভাবে ভূমিকা রাখতে হবে। কোনো ব্যক্তি বা দলের ভুল থাকলে তা সাহসের সঙ্গে তুলে ধরতে হবে।

ডা. শফিক বলেন, সাংবাদিকরা সৎ ও কর্মক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায় রাখলে, আগামীর বাংলাদেশ হবে মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন। সেখানে গরিব-ধনী নির্বিশেষে সবাই সমান বিচার পাবে। রাজনৈতিক দল, গণমাধ্যম ও জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এমন বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

জাতি গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ হলো শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বিনিয়োগ: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ৮:৫১ অপরাহ্ণ
জাতি গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ হলো শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বিনিয়োগ: প্রধানমন্ত্রী

Oplus_131072

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘জাতি গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ হলো শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বিনিয়োগ। একটি আত্মবিশ্বাসী, দক্ষ ও মানবিক প্রজন্ম গড়ে তোলার জন্য পাঠ্য বিষয় শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে গুরুত্ব অনস্বীকার্য।’

শনিবার (২০ জুন) অনুষ্ঠিতব্য ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) ২০২৬’ উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এটি অবশ্যই ইতিবাচক উদ্যোগ।

তিনি বলেন, সরকার ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ শীর্ষক নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে শিক্ষাখাতের আধুনিকায়ন ও পরিমার্জন এবং সময়োপযোগী করে তুলতে কাজ করছে। সেজন্য পাঠ্যক্রমে খেলাধুলাও অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে। চতুর্থ শ্রেণি থেকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে ফুটবল, ক্রিকেট, দাবা, কারাতে ও সাঁতার এসব খেলা পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু তাত্ত্বিক নয়, ব্যবহারিক ক্লাস ও মূল্যায়নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের এই ক্রীড়া কার্যক্রমে অংশ নিতে হবে। আমার বিশ্বাস, এর ফলে মাদকাসক্তি, মোবাইল ফোন আসক্তির মতো সামাজিক সমস্যা রুখে দিতে সহায়ক হবে।

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে সরকার ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) ২০২৬’ নীতিমালা প্রণয়ন করেছে। নীতিমালা অনুযায়ী, এ টুর্নামেন্টে দেশের সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় অর্থাৎ ৬৫ হাজার ৫৬৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মোট ৯৯ লাখ ৪৮ হাজার ৯৫৬ জন বালক ও বালিকা (বালক-৪৬ লাখ ৯১ হাজার ৯৯৬ জন, বালিকা-৫২ লাখ ৫৬ হাজার ৯৬০ জন) উভয় খেলায় অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছে।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, এ টুর্নামেন্টে বালক ও বালিকা দল সমান সুযোগ নিয়ে অংশগ্রহণ করেছে। এ বছর সারা দেশে বালক ও বালিকা দল মিলিয়ে মোট ১ লাখ ২৩ হাজার ৯৭৪টি খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট কলেবর বিবেচনায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল টুর্নামেন্ট হিসেবে বিবেচিত।

বর্তমান সরকার শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের সঙ্গে মনন বিকাশে লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণে গুরুত্বারোপ করছে। এর ফলে দেশে ও আন্তর্জাতিক আয়োজনে আমাদের ছেলেমেয়েরা খেলাধুলায়, বিশেষ করে ফুটবলে, সাফল্য অর্জন করছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, আমি বিশ্বাস করি, এই টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারীরা হবে আমাদের আগামীর উজ্জ্বল মুখ, যারা দেশকে আন্তর্জাতিক পরিসরে নতুনভাবে আলোকিত করবে। আমি ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) ২০২৬’-এর সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করি।

কালের আলো/এসএকে