খুঁজুন
                               
শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৬ আষাঢ়, ১৪৩৩
           

এখনও ফেরারি ৬৯৭ বন্দি, ঝুঁঁকিপূর্ণ ৫৩

কালের আলো রিপোর্ট
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ১১:৪৩ পূর্বাহ্ণ
এখনও ফেরারি ৬৯৭ বন্দি, ঝুঁঁকিপূর্ণ ৫৩

ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের সময় ও পরে দেশের বিভিন্ন কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া বন্দিদের মধ্যে এখনো ৬৯৭ জন ফেরারি। এসব বন্দির মধ্যে দুর্ধর্ষ অপরাধীও রয়েছেন। পালিয়ে যাওয়া বন্দিদের মধ্যে ৫৩ জন ঝুঁঁকিপূর্ণ। এর মধ্যে ছয়জন জঙ্গি, চারজন মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত বিডিআর সদস্য এবং ৪৩ জন যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত।

কারা অধিদপ্তরের জানায়, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে সরকার পতনের আগে-পরে দেশের ১৭টি কারাগারের বন্দিরা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন। পালিয়ে যান নরসিংদী, শেরপুর ও সাতক্ষীরা কারাগারের সব বন্দি। নরসিংদী কারাগার থেকে ৮২৬, শেরপুর থেকে ৫০০, সাতক্ষীরা থেকে ৬০০, কুষ্টিয়া কারাগার থেকে ১০৫ ও কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগার থেকে ঝুঁকিপূর্ণ ২০০ বন্দি পালিয়ে যান। এর বাইরে জামালপুর কারাগারে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও সেখান থেকে বন্দি পালিয়ে যাওয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি। সব মিলিয়ে দেশের কারাগার থেকে সে সময় ২ হাজার ২৪৭ জন বন্দি পালিয়ে যান। পলাতক এক হাজার ৫৫০ বন্দিকে বিভিন্ন সময়ে কারাগারে ফিরিয়ে আনা (কেউ আত্মসমর্থন করেছে, কেউ গ্রেপ্তার হয়েছে) সম্ভব হয়েছে। ফিরিয়ে আনাদের এক হাজার ৩০০ জনের জামিন হয়েছে। এখনো ৬৯৭ বন্দি পলাতক রয়েছে।

সেই ঘটনায় মোট ৬টি মামলা করেছিল সংশ্লিষ্ট কারা কর্তৃপক্ষ। বন্দি পালানোর ঘটনায় একটি করে মোট পাঁচটি, আর নরসিংদী কারাগার থেকে আগ্নেয়াস্ত্র লুটের ঘটনায় আরও একটি মামলা করা হয়। ঘটনার পর প্রশাসন ঘোষণা করে, যারা আত্মসমর্পণ করবে, তাদের বিরুদ্ধে মামলা হবে না। এতে অনেকে আত্মসমর্পণ করেছে। অনেককে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গ্রেপ্তার করেছে।

অপরাধ বিশ্লেষকরা মনে করেন, পলাতক বন্দিদের বিরুদ্ধে ডাকাতি, হত্যা, অস্ত্র, মাদক, ধর্ষণ, নারী নির্যাতনসহ বিভিন্ন অভিযোগে ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা রয়েছে। বন্দিদের মধ্যে দুর্ধর্ষরা আবার নানা ধরনের অপরাধ সংঘটিত করতে পারেন, যা আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণ হতে পারে। বিশেষ করে কারাগার ভেঙে পালিয়ে যাওয়া বন্দিরা দেশের নিরাপত্তার জন্য হুমকি। তারা বিভিন্ন মামলার আসামি ছিলেন। জেল ভেঙে পালিয়ে তারা আরো বেশি অপরাধ করার সুযোগ পেয়েছেন। দেশে চলমান অপরাধগুলোর পেছনে পালিয়ে যাওয়া অপরাধীদের সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে পালানো এসব বন্দিকে আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন।

কারা অধিদপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) মো. জান্নাত-উল ফরহাদ বলেন, পলাতক বন্দিদের গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান অব্যাহত আছে।

র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এমজেডএম ইন্তেখাব চৌধুরী বলেন, ‘আমরা বেশ কিছু পলাতক বন্দিকে গ্রেপ্তার করে যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কারা কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেছি। বাকি পলাতকদের অবস্থান শনাক্ত করণ ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। আমাদের গোয়েন্দারাও কাজ করছে।’

কালের আলো/এম/এএইচ

রাজশাহীতে তায়কোয়ানডো দোজাং এর ২৬ তম বেল্ট বিতরণী আগামীকাল

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৪:২৩ অপরাহ্ণ
রাজশাহীতে তায়কোয়ানডো দোজাং এর ২৬ তম বেল্ট বিতরণী আগামীকাল

রাজশাহী তায়কোয়ানডো দোজাং এর আয়োজনে আগামীকাল রোববার ( ২১ জুন)   বিকাল ৫ টায় রাজশাহীর শহীদ আবুল হাসনাত মোহাম্মদ কামারুজ্জামান সরকারি ডিগ্রি কলেজ মাঠ প্রাঙ্গনে ২৬তম বেল্ট বিতরণী অনুষ্ঠান ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হবে।

অনুষ্ঠানে  প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন  রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন

শহীদ আবুল হাসনাত মোহাম্মদ কামারুজ্জামান সরকারী ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহা: আব্দুল খালেক, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কাউন্সিলর  ও  রাজশাহী বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মো: মোজাদ্দেদ জামানী সুমন, রাজশাহী জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মোঃ মোজাম্মেল হক  ও রাজশাহী জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য মোঃ সাইফুদ্দিন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন রাজশাহী তায়কোয়ানডো দোজাং এর সভাপতি মোঃ শরফুজ্জামান শামীম। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন প্রায় ২০০ জন তায়কোয়ানডো প্রশিক্ষনাথী, অভিভাবকবৃন্দ, রাজশাহী তায়কোয়ানডো দোজাং-এর কার্যনির্বাহী কমিটির  সদস্যবৃন্দ এবং রাজশাহীর ক্রীড়াঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরকে কেন্দ্র করে উসকানির আভাস পাচ্ছি: রিজভী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৪:২১ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরকে কেন্দ্র করে উসকানির আভাস পাচ্ছি: রিজভী

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক দুটি বিদেশ সফরকে ঘিরে দেশে বিভিন্ন ধরনের উসকানির একটা আবছা ইঙ্গিত পাচ্ছি।

শনিবার (২০ জুন) রাজধানীর রমনায় বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে ন্যাশনালিস্ট আইসিটি ফোরাম আয়োজিত ‘বাংলাদেশ আইসিটি শিল্প ২০৩০: চ্যালেঞ্জ, সুযোগ ও কৌশলগত সংস্কার’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন তিনি।

রিজভী বলেন, ‘বহুদিন সংগ্রামের মধ্যদিয়ে নির্বাচিত সরকার এসেছে। মানুষের প্রত্যাশা অনেক এ সরকারের কাছে। সরকারের যে রাজনৈতিক দল, তার নামের আগে একটি জাতীয়তাবাদী শব্দ আছে। অর্থাৎ যে শব্দটির সঙ্গে মিশে আছে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং গণতন্ত্র। অর্থাৎ এ সরকার এমন কিছু করবে না, যেখানে আমাদের স্বাধীনতা বিপন্ন হয়। এ জাতীয়তাবাদী শব্দ থাকার কারণে এই সরকারের প্রকৃতিটা এমনই— এমন কিছু করবে না, যাতে আমাদের সার্বভৌমত্ব প্রতিদিন একটু একটু করে দুর্বল হয়। সে কাজ তো করবে না। সুতরাং এ সরকারকে অনেক চক্রান্ত, অনেক ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেই এগোতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ‘আপনারা লক্ষ্য করেছেন যে বর্তমান সরকার তার প্রথম বিদেশসফরে যাচ্ছে। হয়তো আজকেই যাত্রা শুরু করবেন। এর মধ্যে একটি দেশে আগামীকাল যাবে। তো এর সঙ্গে দুই-একটি দেশসফর করবেন। কিন্তু এ সফরকে কেন্দ্র করে কেন জানি আমার মনে হচ্ছে, দেশের অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের উসকানি এবং এক ধরনের নেতিবাচক পরিবেশ-পরিস্থিতি তৈরি করার প্রচেষ্টা চলছে। এটা কিন্তু খুবই ইঙ্গিতপূর্ণ।’

তিনি বলেন, ‘দেশের স্বার্থে, কল্যাণে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশগুলোর মধ্যে আমাদের কেউ শত্রু নেই, আবার কেউ প্রভুও নেই। সবাই আমাদের বন্ধু। এটি হচ্ছে মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার একটি ঘোষিত নীতি। সেই নীতির ওপর ভিত্তি করেই বর্তমান সরকারপ্রধান তার কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন। দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং বিশ্বের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ ও সম্পৃক্ততা বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন দেশের সঙ্গে কথা বলা এবং আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্য, যোগাযোগ— সবকিছু ক্রমবর্ধমানভাবে বাড়িয়ে তোলার জন্য একটি শক্তিশালী পররাষ্ট্রনীতি থাকতে হবে। সেই নীতির ওপর ভিত্তি করেই বিভিন্ন দেশে আমাদের কার্যক্রম বৃদ্ধি করতে হবে। তারই অংশ হিসেবে দেশের প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল দুটি দেশ সফরে যাচ্ছেন। এটা আমি আগেই বলেছি।’

রিজভী বলেন, ‘কেন জানি আমার কাছে মনে হচ্ছে যে বাংলাদেশে নানাভাবে বিভিন্ন ধরনের উসকানির একটা আবছা ইঙ্গিত পাচ্ছি। বিভিন্ন কথাবার্তায়, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মধ্যে দিয়ে। যাই হোক, আমি ওই প্রসঙ্গে যাব না। আমি শুধু এটুকুই বলতে চাই যে এবারের বাজেটে আমি যেটা দেখলাম, একটি ঘোষিত নীতি নেওয়া হয়েছে সফটওয়্যার এবং আইটি খাতকে কেন্দ্র করে। সেটা হচ্ছে ‘ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান আইডি’ এবং ‘ওয়ান ডিজিটাল, ওয়ান ওয়ালেট’। এটি সরকারের একটি ঘোষিত নীতি। সেখানে বলা হয়েছে যে পৃথিবীর অন্য কোনো দেশের মডেল থেকে নয়, বরং আমরা পুরো রাষ্ট্রব্যবস্থাটাকেই তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির একটি কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসব। এটাই ঘোষিত নীতি।’

সেমিনারে আরও বক্তব্য দেন এনসিএফটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাফায়েল কবির, উপদেষ্টা ডা. মারুফ মল্লিক, ডা. শাহ জেড মিয়া প্রমুখ।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

কল্পনা না থাকলে, স্বপ্ন বাস্তবায়ন সম্ভব নয়: প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন

পঞ্চগড় প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৪:১৯ অপরাহ্ণ
কল্পনা না থাকলে, স্বপ্ন বাস্তবায়ন সম্ভব নয়: প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন

পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, এবারের বাজেট বাংলাদেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ বাজেট।

তিনি আরও বলেন, বিরোধী দল বলছে-এটা কল্পনা ও স্বপ্নের বাজেট। তবে এই কল্পনা না থাকলে, স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয় বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।

শনিবার (২০ জুন) সকাল ১১টার দিকে পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলা পরিষদ চত্বরে বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ টাকা, চাল ও ছাগল বিতরণ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

এসময় প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, প্রতি বছর বাজেটের পর নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ার অভিযোগ থাকলেও এবারের বাজেটে এমন কোনো চাপ সৃষ্টি হয়নি। তাই এটিকে আমরা জনবান্ধব বাজেট বলছি।

একইসঙ্গে তিনি বলেন, সরকার গঠনের মাত্র চার মাস হচ্ছে। এই চার মাসে আমরা দেশের সাধারণ মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি।

নিজস্ব তহবিলসহ সরকার দেশের মানুষের জন্য বরাদ্দ দিচ্ছে আমরা তা সংসদ সদস্য হিসেবে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছি। একইসঙ্গে মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার চেষ্টা করছি।
পরে পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে আটকে থাকা অর্থনৈতিক অঞ্চলের কার্যক্রম শুরু করতে পর্যায়ক্রমে কাজ চলমান রয়েছে বলেও জানান তিনি।

এর আগে মানবিক সহায়তা বিতরণ অনুষ্ঠানে উপজেলার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ১ লাখ ৬৮ হাজার টাকা, ৪১ মেট্রিক টন চাল ও পরিবারগুলোকে স্বাবলম্বী করতে ৬০টি পরিবারের মাঝে ছাগল বিতরণ করা হয়।

এ সময় বোদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল মান্নান, সাধারণ সম্পাদক আসাদুল্লাহ আসাদ, পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুস সামাদ তারা, সাধারণ সম্পাদক দিলরেজা ফেরদৌস চিন্ময় প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান শেষে প্রতিমন্ত্রী বোদা ও দেবীগঞ্জ উপজেলার নদী ভাঙন এলাকা পরিদর্শন ও বাঁধের সম্ভাব্য এলাকা যাচাই, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নমূলক কার্যক্রম উদ্বোধন প্রোগ্রাম এ অংশগ্রহণ করেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন