খুঁজুন
                               
, ,
           

মেডিকেল কলেজে ‘ক্রিটিক্যাল কেয়ার’ কোর্স চালু করা উচিত: ডা. জাহিদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬, ২:২৮ অপরাহ্ণ
মেডিকেল কলেজে ‘ক্রিটিক্যাল কেয়ার’ কোর্স চালু করা উচিত: ডা. জাহিদ

দেশের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্রত্যেকটি পুরোনো মেডিকেল কলেজে দ্রুত ‘ক্রিটিক্যাল কেয়ার’ (নিবিড় পরিচর্যা) কোর্স চালু করার আহ্বান জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন।

বুধবার (১ জুলাই) বাংলাদেশ সোসাইটি অব ক্রিটিক্যাল কেয়ার মেডিসিনের (বিএসসিসিএম) জাতীয় সম্মেলন ২০২৬ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ আহ্বান জানান তিনি।

চিকিৎসা খাতের অগ্রগতি ও বিভিন্ন বিভাগের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, সময়ের প্রয়োজনে এবং মানুষের কল্যাণে প্রতিটি চিকিৎসা বিভাগকে নিজস্বভাবে বিকশিত হওয়ার সুযোগ দিতে হবে।

২০০৪ সালের স্মৃতিচারণ করে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, তৎকালীন বিএনপি সরকারের আমলে যখন দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ ও পোস্ট গ্রাজুয়েট ইনস্টিটিউটে নতুন নতুন সাবজেক্টের ওপর কোর্স খোলা হয়েছিল, তখন অনেকেই সমালোচনা করেছিলেন। কিন্তু আজ ২২-২৪ বছর পরের বাস্তবতা হচ্ছে—সেদিন যদি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক তৈরির এই উদ্যোগ নেওয়া না হতো, তবে আজকের দিনে এসে দেশের বিশাল জনগোষ্ঠীর চিকিৎসা সেবা দেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ত। এমনকি কোভিড মহামারির সময়েও আমরা যে সফলভাবে চিকিৎসা দিতে পেরেছি, তা মূলত ওই সময়ে দক্ষ জনবল তৈরি হয়েছিল বলেই সম্ভব হয়েছে।

তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আমলেই বাংলাদেশে প্রথম ক্রিটিক্যাল কেয়ার কোর্স চালু করার দূরদর্শী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

তৎকালীন সময়ে নিজের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে অধ্যাপক ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, দেশনেত্রীর নির্দেশে আমি আমেরিকার মেও ক্লিনিক, সিডিসি আটলান্টা, জনস হপকিন্সসহ ১৪টি বিশেষায়িত হাসপাতাল পরিদর্শন করি। সেখান থেকে ফিরে এসে নার্সিং ব্যবস্থার উন্নয়ন, উন্নত ইমার্জেন্সি ডিপার্টমেন্ট এবং ক্রিটিক্যাল কেয়ারের ঘাটতি পূরণের ওপর জোর দিই, যা পরবর্তীতে বাস্তবায়ন করা হয়।

চিকিৎসকদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, অ্যানাস্থেসিওলজি এবং ক্রিটিক্যাল কেয়ার একে অপরের প্রতিযোগী নয়, বরং পরিপূরক ও সম্পূরক। চিকিৎসাক্ষেত্রে কোনো একটি বিভাগ এককভাবে চলতে পারে না, সব ডিপার্টমেন্টের সমন্বিত সহযোগিতাই হচ্ছে ‘হেলথ’। তাই যখন যার সময় আসবে, তাকে তার কাজের ক্ষেত্র ও বড় হওয়ার সুযোগ করে দিতে হবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন— শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের সহ-সভাপতি ডা. জোবায়দা রহমান, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) প্রধান উপদেষ্টা ফরহাদ হালিম ডোনার ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাসসহ প্রমুখ।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে ইতালির রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ৫:০৯ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে ইতালির রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত অ্যান্তোনিও আলেসান্দ্রো। সাক্ষাতে দুই দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, সামরিক প্রশিক্ষণ এবং সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

বুধবার (৮ জুলাই) দুপুরে ঢাকা সেনানিবাসে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ হয়।

বৈঠকে উভয়পক্ষ বাংলাদেশ ও ইতালির দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করেন এবং বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বিশেষ করে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বৃদ্ধি, সামরিক প্রশিক্ষণের আধুনিকায়ন এবং বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের ইতালির সামরিক প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা হয়।

এছাড়া বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নে ইতালির সম্ভাব্য সহযোগিতা এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দুই দেশের অবদান ও ভবিষ্যতে বিশ্বশান্তি ও বৈশ্বিক নিরাপত্তা রক্ষায় যৌথভাবে কাজ করার বিষয়েও মতবিনিময় করেন তারা।

সাক্ষাতে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ ইতালির সঙ্গে সামরিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে মূল্যায়ন করে।

জবাবে ইতালির রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারত্বের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সম্পর্ক আরও নিবিড় হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

কালের আলো/এম/এএইচ

বগুড়ায় সংস্কারকৃত হেলিপ্যাডে প্রথম অবতরণ করলেন সেনাপ্রধান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ৪:৫৯ অপরাহ্ণ
বগুড়ায় সংস্কারকৃত হেলিপ্যাডে প্রথম অবতরণ করলেন সেনাপ্রধান

সংস্কারকৃত বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার হেলিপ্যাডে প্রথম অবতরণ করছেন প্রথমবারের মতো অবতরণ করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামান।

বুধবার (৮ জুলাই ) দুপুর ১টা ২০ মিনিটে সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া পর্যবেক্ষণের উদ্দেশে শিবগঞ্জে এসে তিনি এই হেলিপ্যাডে অবতরণ করেন।

শিবগঞ্জ উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরেই একটি হেলিপ্যাডের স্থান নির্ধারিত থাকলেও বছরের পর বছর তা অযত্নে পড়েছিল। সংস্কারের কোনো উদ্যোগও নেওয়া হয়নি। অবশেষে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপির উদ্যোগে হেলিপ্যাডটি সংস্কার করা হয়।

সংস্কারকৃত এই হেলিপ্যাডেই প্রথমবারের মতো অবতরণ করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিনের অবহেলায় পড়ে থাকা হেলিপ্যাডটি আবারও কার্যকরভাবে ব্যবহারের সূচনা হল।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি

রামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কয়েদির মৃত্যু

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ৪:০৬ অপরাহ্ণ
রামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কয়েদির মৃত্যু

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিরাজুল ইসলাম (৫০) নামের এক কয়েদির মৃত্যু হয়েছে। তিনি পাবনা জেলা কারাগারের বন্দী ছিলেন। বাড়ি পাবনা সদরের দাপুলিয়া গ্রামে। রামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার সকাল ৯টায় তিনি মারা যান।

রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার আখেরুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মারামারির মামলায় দুই বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন সিরাজুল। পাবনা কারাগারে তিনি অসুস্থ হলে চিকিৎসার জন্য রাজশাহী পাঠানো হয়েছিল। মঙ্গলবার দিবাগত মধ্যরাতে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সকাল ৯টার দিকে তিনি মারা যান।

তিনি জানান, সিরাজুল ইসলাম ডায়াবেটিসসহ কয়েকটি অসুখে ভুগছিলেন। তার মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হচ্ছে। এরপর আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি