খুঁজুন
                               
, ,
           

রোগী ও শিক্ষার্থীদের সহায়তা দিলেন প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
রোগী ও শিক্ষার্থীদের সহায়তা দিলেন প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর

Oplus_131072

পটুয়াখালীর গলাচিপায় দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত, দুস্থ ও হতদরিদ্র মানুষের মাঝে আর্থিক সহায়তার চেক ও শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে।

শনিবার (৪ জুলাই) সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর উপজেলার ৬৭ জন উপকারভোগীর হাতে আর্থিক সহায়তার চেক ও শুকনো খাবার তুলে দেন।

এদিকে, স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেটিভ আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম-২০২৬-এ জাতীয় পর্যায়ে দেশের সেরা ১০ বিজয়ীর তালিকায় স্থান পাওয়া গলাচিপা এনজেড আলিম মাদ্রাসার তিন কৃতি শিক্ষার্থী আবু তালহা, তানজিম আহমেদ ও সোহাইবুর রহমানকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এ সময় প্রতিমন্ত্রী তাদের হাতে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে আর্থিক সহায়তা তুলে দেন।

অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর বলেন, “এই অর্জন শুধু শিক্ষার্থীদের নয়, পুরো এলাকার গর্ব। শিক্ষার মানোন্নয়নে সরকারের উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে সরকার ভবিষ্যতেও থাকবে।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবজুর মো. ইজাজুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রীর সহধর্মিণী মারিয়া আক্তার নুর, সহকারী পুলিশ সুপার (গলাচিপা সার্কেল) মো. সৈয়দউজ্জামান, গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ ইমতিয়াজ আহমেদ, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. জাফর রানা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় সাংবাদিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা সমাজের অসহায়, দরিদ্র ও দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত মানুষের পাশে সরকারি ও সামাজিক সহায়তা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর বলেন, “এই অর্জন শুধু শিক্ষার্থীদের নয়, পুরো এলাকার গর্ব। শিক্ষার মানোন্নয়নে সরকারের উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে সরকার ভবিষ্যতেও থাকবে।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবজুর মো. ইজাজুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রীর সহধর্মিণী মারিয়া আক্তার নুর, সহকারী পুলিশ সুপার (গলাচিপা সার্কেল) মো. সৈয়দউজ্জামান, গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ ইমতিয়াজ আহমেদ, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. জাফর রানা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় সাংবাদিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা সমাজের অসহায়, দরিদ্র ও দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত মানুষের পাশে সরকারি ও সামাজিক সহায়তা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

কালের আলো/এসএকে

ব্রাজিলকে বিদায় করে ইতিহাস গড়ে কোয়ার্টারে নরওয়ে

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬, ৪:১৫ পূর্বাহ্ণ
ব্রাজিলকে বিদায় করে ইতিহাস গড়ে কোয়ার্টারে নরওয়ে

পুরো ম্যাচের একের পর এক দারুণ আক্রমণ করে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। কিন্তু বারেবারে নরওয়ের গোলরক্ষকের কাছে গিয়ে পরাস্ত হন গুইমারেস-এন্দ্রিক। এভাবেই কেটে যায় ৭৮ মিনিট। পরের দশ মিনিটের গল্পটা আর্লিং হালান্ডের। এই সময়ের মধ্যে ব্রাজিলের জালে দুবার বল পাঠান এই ম্যানচেস্টার সিটি তারকা। যোগ করা সময়ে পেনাল্টি থেকে নেইমার একটি গোল পরিশোধ করলেও ২-১ ব্যবধানে ব্রাজিলকে হারায় নরওয়ে।

আর তাতে ব্রাজিলের হেক্সা জয়ের স্বপ্ন চূর্ণ করে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম বড় মহাকাব্য লিখল নরওয়ে। আর্লিং হালান্দের দানবীয় পারফরম্যান্সে নিজেদের ফুটবল ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার গৌরবময় ইতিহাস গড়ল নরওয়ে।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউজার্সি স্টেডিয়ামে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠার লড়াইয়ে মুখোমুখি হয়েছে ব্রাজিল-নরওয়ে। ম্যাচের শুরু থেকেই ছিল টানটান উত্তেজনা। ম্যাচের শুরুতেই ব্রাজিলের মনে ভয় ধরিয়ে দিয়েছিল ইউরোপের দলটি।

ম্যাচের চতুর্থ মিনিটেই ব্রাজিলের জালে বলও পাঠিয়ে দিয়েছিল নরওয়ে। সঙ্গে সঙ্গে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল পুরো স্টেডিয়াম। কিন্তু অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল করেন রেফালি। তাতেই যেন প্রাণ ফিরে পায় ব্রাজিলিয়ান সমর্থকরা। আলিসনকে ফাঁকি দিয়ে অফসাইডে দেওয়া গোলটি ছিল প্যাটট্রিক বার্গের।

এদিকে ম্যাচের দশম মিনিটে লিড নিতে পারতো নরওয়ে। ডি-বক্সের ভেতরে ম্যাথিউস কুনহাকে ফাউল করেন নরওয়ের এক ডিফেন্ডার। ভিএআরের মাধ্যমে ফাউল ঘোষণা করে পেনাল্টি দেন রেফারি। পেনাল্টি কিক নিতে আসেন ব্রুনো গুইমারেস। তার নেওয়া শটটি বীরত্ব দেখিয়ে ঠেকিয়ে দেন নরওয়ের গোলরক্ষক ওরইয়ান নাইল্যান্ড।

পেনাল্টি মিসের ধাক্কা সামলে প্রথমার্ধের শেষদিকে ম্যাথিউস কুনহা এবং মার্তিনেল্লি দূরপাল্লার শটে গোল করার চেষ্টা করলেও নরওয়ের ডিফেন্ডাররা তা প্রতিহত করেন। ফলে আক্রমণের পর আক্রমণ করেও গোলহীনভাবেই বিরতিতে যেতে হয় লাতিন আমেরিকার দলটিকে।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই একাদশে দুটি পরিবর্তন আনে নরওয়ে। মাঠে নামেন অস্কার বব ও আন্দ্রেয়াস শেলদেরুপ।

এদিকে ম্যাচের ৫৮তম মিনিটে কুনহা পরবির্তে এন্দ্রিককে মাঠে নামান কার্লো আনচেলত্তি। মাঠে নামার প্রথম মিনিটেই গোলে এক সুবর্ণ সুযোগ মিস করেন এই উদীয়মান ব্রাজিলিয়ান তারকা। বামপ্রান্ত থেকে আক্রমণে আসা ভিনিসিয়ুস এক দুর্দান্ত পাস দেন এন্দ্রিক করে। বল নিয়ে নরওয়ের বক্সের ভেতরে ঢুকে যান তিনি। সামনে ছিলেন কেবল গোলরক্ষক। টোকা দিয়ে বল জালে জড়াতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু বলটি চলে যায় গোলবার পাশ দিয়ে।

৬২তম মিনিটে বক্সের খানিক বাইরে থেকে দুর্দান্ত এক শট নিয়েছিলেন রায়ান। এবারও নরওয়ের ত্রাতা হয়ে উঠেন গোলরক্ষক নাইল্যান্ড। এক মিনিট পরেই দুর্দান্ত এক সুযোগ নষ্ট করেন গুইমারেস।

ম্যাচের ৬৭তম মিনিটে আসে সেই মাহেদ্রক্ষণ। না, কোনো গোল হয়নি। এসময় বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নামেন ব্রাজিলের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমার জুনিয়র। তার সঙ্গে দানিলোকেও মাঠে নামান কোচ আনচেলত্তি।

ম্যাচের ৭৯তম মিনিটে নিউজার্সির পুরো স্টেডিয়ামকে যেন স্তব্ধ করে দেন নরওয়ের ম্যানচেস্টার সিটি তারকা আর্লিং হালান্ড। দুর্দান্ত এক হেডে আলিসনকে পরাস্ত করেন তিনি। তাতেই ১-০ গোল ব্যবধানে এগিয়ে যায় নরওয়ে।

এখানেই থামেননি হালান্ড। প্রথম গোলের ঠিক দশ মিনিট পর আরও একবার ব্রাজিলের জালে বল পাঠান তিনি। ম্যাচের ৮৯তম মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে থেকে এক বুলেট গতির শট নেন তিনি। যা আটকাতে পারেননি ব্রাজিলিয়ান গোলরক্ষক আলিসন বেকার। ম্যাচের শেষদিকে পেনাল্টি থেকে একটি গোল করলেও দলের হার এড়াতে পারেননি নেইমার। ম্যাচটি শেষ হয় ২-১ ব্যবধানে।

কালের আলো/এম/এএইচ

হালান্ডের গোলে এগিয়ে গেল নরওয়ে

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬, ৩:৫০ পূর্বাহ্ণ
হালান্ডের গোলে এগিয়ে গেল নরওয়ে

প্রথমার্ধ গোলশূন্যতে শেষ হওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের ধার বাড়িয়ে দেয় ব্রাজিল। কিন্তু গোলের সুবর্ণ সুযোগ পেয়েও লিড নিতে পারেনি সেলেসাও। এদিকে ম্যাচের ৭৯তম মিনিটে ব্রাজিলের জালে এক গোল দিয়ে বসেন আর্লিং হালান্ড। তাতেই এগিয়ে গেল নরওয়ে।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউজার্সি স্টেডিয়ামে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠার লড়াইয়ে মুখোমুখি হয়েছে ব্রাজিল-নরওয়ে। ম্যাচের শুরু থেকেই ছিল টানটান উত্তেজনা। ম্যাচের শুরুতেই ব্রাজিলের মনে ভয় ধরিয়ে দিয়েছিল ইউরোপের দলটি।

ম্যাচের চতুর্থ মিনিটেই ব্রাজিলের জালে বলও পাঠিয়ে দিয়েছিল নরওয়ে। সঙ্গে সঙ্গে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল পুরো স্টেডিয়াম। কিন্তু অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল করেন রেফালি। তাতেই যেন প্রাণ ফিরে পায় ব্রাজিলিয়ান সমর্থকরা। আলিসনকে ফাঁকি দিয়ে অফসাইডে দেওয়া গোলটি ছিল প্যাটট্রিক বার্গের।

এদিকে ম্যাচের দশম মিনিটে লিড নিতে পারতো নরওয়ে। ডি-বক্সের ভেতরে ম্যাথিউস কুনহাকে ফাউল করেন নরওয়ের এক ডিফেন্ডার। ভিএআরের মাধ্যমে ফাউল ঘোষণা করে পেনাল্টি দেন রেফারি। পেনাল্টি কিক নিতে আসেন ব্রুনো গুইমারেস। তার নেওয়া শটটি বীরত্ব দেখিয়ে ঠেকিয়ে দেন নরওয়ের গোলরক্ষক ওরইয়ান নাইল্যান্ড।

পেনাল্টি মিসের ধাক্কা সামলে প্রথমার্ধের শেষদিকে ম্যাথিউস কুনহা এবং মার্তিনেল্লি দূরপাল্লার শটে গোল করার চেষ্টা করলেও নরওয়ের ডিফেন্ডাররা তা প্রতিহত করেন। ফলে আক্রমণের পর আক্রমণ করেও গোলহীনভাবেই বিরতিতে যেতে হয় লাতিন আমেরিকার দলটিকে।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই একাদশে দুটি পরিবর্তন আনে নরওয়ে। মাঠে নামেন অস্কার বব ও আন্দ্রেয়াস শেলদেরুপ।

এদিকে ম্যাচের ৫৮তম মিনিটে কুনহা পরবির্তে এন্দ্রিককে মাঠে নামান কার্লো আনচেলত্তি। মাঠে নামার প্রথম মিনিটেই গোলে এক সুবর্ণ সুযোগ মিস করেন এই উদীয়মান ব্রাজিলিয়ান তারকা।

বামপ্রান্ত থেকে আক্রমণে আসা ভিনিসিয়ুস এক দুর্দান্ত পাস দেন এন্দ্রিক করে। বল নিয়ে নরওয়ের বক্সের ভেতরে ঢুকে যান তিনি। সামনে ছিলেন কেবল গোলরক্ষক। টোকা দিয়ে বল জালে জড়াতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু বলটি চলে যায় গোলবার পাশ দিয়ে।

৬২তম মিনিটে বক্সের খানিক বাইরে থেকে দুর্দান্ত এক শট নিয়েছিলেন রায়ান। এবারও নরওয়ের ত্রাতা হয়ে উঠেন গোলরক্ষক নাইল্যান্ড। এক মিনিট পরেই দুর্দান্ত এক সুযোগ নষ্ট করেন গুইমারেস।

ম্যাচের ৬৭তম মিনিটে আসে সেই মাহেদ্রক্ষণ। না, কোনো গোল হয়নি। এসময় বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নামেন ব্রাজিলের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমার জুনিয়র। তার সঙ্গে দানিলোকেও মাঠে নামান কোচ আনচেলত্তি।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

দেশে ফিরে বীরোচিত সংবর্ধনা পেলেন কেপ ভার্দের ফুটবলাররা

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬, ৩:০৪ পূর্বাহ্ণ
দেশে ফিরে বীরোচিত সংবর্ধনা পেলেন কেপ ভার্দের ফুটবলাররা

ফিফা বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম অংশগ্রহণেই বিশ্ববাসীকে তাক লাগিয়ে দিয়ে দেশে ফিরে বীরোচিত সংবর্ধনা পেলেন কেপ ভার্দের ফুটবল দল। রবিবার দেশটির রাজধানী প্রেইয়াতে বিমান থেকে নামার পর আবেগে আপ্লুত সমর্থকরা তাদের প্রিয় ব্লু শার্কস ফুটবলারদের রাজকীয় অভ্যর্থনা জানায়।

বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে মাঠের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করে টাইব্রেকারের মাত্র ১০ মিনিট আগে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিলেও দেশের মানুষের কাছে তারা এখন একেকজন জাতীয় বীর।

রবিবার প্রেইয়া বিমানবন্দরের চারপাশ রূপ নিয়েছিল এক টুকরো উৎসবে। ড্রামের আওয়াজ, নাচ, স্লোগান আর জাতীয় পতাকা হাতে হাজারো মানুষের ভিড় বিমানবন্দর এলাকাকে একটি কার্নিভালে পরিণত করে।

পুরো টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত পারফর্ম করে বিশ্বজুড়ে কোটি ভক্তের মন জয় করা অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ভোজিনহা বলেন, ‘আমাদের দেশের মানুষের মাঝে এভাবে ফিরে আসতে পারাটা সত্যিই এক অসাধারণ মুহূর্ত। আমরা আরও বড় কিছুর আশা নিয়ে গিয়েছিলাম, পরের রাউন্ডে যেতে পারিনি ঠিকই, তবে এখন আমরা মানুষের সঙ্গে এই বিশেষ অর্জনটি উদযাপন করতে চাই।’

বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম দেশ হিসেবে অংশ নেওয়া কেপ ভার্দে এবারই প্রথম বিশ্বমঞ্চে খেলার সুযোগ পায়। তারা গ্রুপ পর্বেই স্পেন ও উরুগুয়েকে রুখে দিয়ে ইতিহাস গড়েছিল।

এই অবিশ্বাস্য উদযাপনের আনন্দ আরও দ্বিগুণ হয়ে গেছে। কারণ এদিন কেপ ভার্দের জাতীয় স্বাধীনতা দিবস ছিল। পর্তুগিজ উপনিবেশ থেকে মুক্ত হওয়ার ৫১তম বার্ষিকীতেই ফুটবলারদের এই ঐতিহাসিক সাফল্য পুরো দ্বীপরাষ্ট্র জুড়েই যেন উৎসবের রঙ ছড়িয়ে দিয়েছে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি