খুঁজুন
                               
, ,
           

এবার ‘ওয়ান নাইট অনলি’ সিনেমাটির নগ্নতার দৃশ্যও বাদ দিলেন পরিচালক

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ণ
এবার ‘ওয়ান নাইট অনলি’ সিনেমাটির নগ্নতার দৃশ্যও বাদ দিলেন পরিচালক

বছরে মাত্র এক রাত। সেই রাতে বিয়ের আগে যৌন সম্পর্ক বৈধ। বছরের বাকি সময় তা নিষিদ্ধ। এমন অদ্ভুত এক সামাজিক নিয়মকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে নতুন রোমান্টিক কমেডি ‘ওয়ান নাইট অনলি’। উইল গ্লাক পরিচালিত সিনেমাটি মুক্তির পর থেকেই এর গল্প ও নির্মাণ নিয়ে আলোচনা চলছে।

‘ইজি এ’ ও ‘অ্যানিবডি বাট ইউ’–এর মতো সিনেমার পরিচালক উইল গ্লাক এবার এমন একটি গল্প বেছে নিয়েছেন, যার ধারণাটি শুনলেই দর্শকের মনে নানা প্রশ্ন তৈরি হতে পারে। বছরে একটি রাত কেন যৌন সম্পর্ক বৈধ? এই আইন কীভাবে কার্যকর হয়? কেউ আইন ভাঙলে কী হয়?—এমন অনেক প্রশ্নের উত্তর অবশ্য সিনেমাটির মূল বিষয় নয় বলে জানিয়েছেন পরিচালক।

ভ্যারাইটি অবলম্বনে জানা গেছে, গ্লাকের কাছে এই অদ্ভুত নিয়মটি মূলত গল্পের পটভূমি। তাঁর আসল আগ্রহ, এমন পরিস্থিতির মধ্যে মানুষ কীভাবে নিজেদের জীবন ও সম্পর্ক সামলায়, সেটি দেখানো।

‘ওয়ান নাইট অনলি’র কেন্দ্রীয় চরিত্র অ্যালি। অভিনয় করেছেন মনিকা বারবারো। অ্যালি একজন উঠতি গায়িকা। সংগীতজগতে বড় সুযোগ পাওয়ার অপেক্ষায় থাকা এই তরুণী আপাতত ওষুধের বিজ্ঞাপনের জিঙ্গেলে কণ্ঠ দিয়ে জীবিকা চালান।

অন্যদিকে ক্যালাম টার্নার অভিনীত ওয়েন একটি পিৎজার দোকানের মালিক। দীর্ঘদিনের প্রেমিকার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক স্থিতিশীল হলেও বিশেষ সেই রাতে তাঁর প্রেমিকা অন্য একজনের সঙ্গে যৌন সম্পর্কে জড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন।

এরপর নিউইয়র্ক শহরে শুরু হয় ১২ ঘণ্টার এক অদ্ভুত রাত। নানা বিশৃঙ্খলা ও হাস্যকর পরিস্থিতির মধ্যে অ্যালি ও ওয়েন—দুই অপরিচিত মানুষ—বারবার একে অপরের মুখোমুখি হতে থাকেন। এই অস্বাভাবিক পরিস্থিতিই সিনেমাটির রোমান্স ও কৌতুকের মূল ভিত্তি।

গ্লাকের মতে, ছবির কাল্পনিক নিয়মগুলো নিয়ে অতিরিক্ত ব্যাখ্যায় গেলে সিনেমার মূল আনন্দ নষ্ট হতে পারে। অভিনেতারা বিভিন্ন টক শোতে গেলে তাঁদের অনেক সময় সিনেমার নিয়মকানুন ব্যাখ্যা করতে হয়। অথচ পরিচালকের ভাষ্য অনুযায়ী, সিনেমাটি আসলে সেই নিয়ম নিয়ে নয়।

গ্লাকের লক্ষ্য ছিল এমন একটি পৃথিবী তৈরি করা, যেটি দর্শক অনুভব করবেন; কিন্তু সেই অদ্ভুত নিয়ম যেন গল্পের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে না ওঠে।

সিনেমাটির আরেকটি আলোচিত বিষয় যৌনতা ও নগ্নতার ব্যবহার। ভ্যারাইটি জানিয়েছে, শুটিংয়ের সময় ছবিতে আরও অনেক নগ্ন দৃশ্য ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু সম্পাদনার সময় সেগুলোর বড় অংশ বাদ দেন গ্লাক।

পরিচালকের পর্যবেক্ষণ, অতিরিক্ত যৌনতা বা নগ্নতা অনেক সময় দর্শকের মনোযোগ গল্প থেকে সরিয়ে দেয়। বিশেষ করে এখন ব্যক্তিগত ফোন ও ঘরে বসে যৌন কনটেন্ট দেখার সুযোগ থাকায় সিনেমা হলে এ ধরনের দৃশ্যের দর্শক-অভিজ্ঞতাও বদলে গেছে বলে মনে করেন তিনি।

গ্লাকের ভাষ্য অনুযায়ী, দর্শক যখন চরিত্রের গল্পে মনোযোগী, তখন হঠাৎ অতিরিক্ত নগ্ন বা যৌন দৃশ্য দেখানো হলে তাঁদের মনোযোগ গল্প থেকে সরে যেতে পারে। দর্শকের এমন প্রতিক্রিয়া দেখেই একের পর এক দৃশ্য বাদ দিয়েছেন তিনি।

এর মধ্যে নিউইয়র্কের রাস্তায় ধারণ করা বেশ কিছু নগ্ন দৃশ্যও ছিল। পরিচালকের ধারণা ছিল, এসব দৃশ্য ছবির কাল্পনিক পৃথিবীকে আরও বাস্তব করে তুলবে। কিন্তু দর্শকের প্রতিক্রিয়া দেখে শেষ পর্যন্ত সেগুলোর অনেকটাই বাদ দেওয়া হয়।

যৌনতা গল্পের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলেও সিনেমার অন্তরঙ্গ দৃশ্যগুলো নিরাপদ ও পেশাদার পরিবেশে ধারণ করা হয়েছে। এ জন্য সেটে একজন ইনটিমেসি কো-অর্ডিনেটর রাখা হয়েছিল।

এ ছাড়া ব্যাকগ্রাউন্ডের বিভিন্ন অন্তরঙ্গ দৃশ্যে বাস্তব জীবনের দম্পতিদেরও অভিনয়ের জন্য নেওয়া হয়। তাঁদের কেউ বিবাহিত ছিলেন, কেউ শুটিংয়ের সময় সম্পর্কের মধ্যে ছিলেন, আবার কেউ কেউ সিনেমায় কাজ করতে গিয়ে পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন।

‘ওয়ান নাইট অনলি’র বেশ কিছু দৃশ্য নিউইয়র্কের বাস্তব লোকেশনে ধারণ করা হয়েছে। ফলে শুটিংয়ের সময় অভিনয়শিল্পীদের নানা অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে।

কখনো গাড়ির ভেতরে অভিনেতাদের অর্ধনগ্ন অবস্থায় অভিনয় করতে হয়েছে। বাইরে থাকা পথচারীরা তখন স্বাভাবিকভাবেই থেমে দৃশ্য দেখতে থাকতেন। গ্লাকের কাছে এটিও ছিল সিনেমার বাস্তবতার অংশ। তাঁর যুক্তি, এমন ঘটনা সত্যিই ঘটলে নিউইয়র্কের মানুষও কৌতূহলী হয়ে তাকিয়ে থাকতেন।

ছবির কাল্পনিক পৃথিবীকে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে শহরের বিভিন্ন স্থানে পোস্টার, বিজ্ঞাপন ও গ্রাফিতিও তৈরি করে শুট করা হয়েছে। এগুলো পরে কম্পিউটারে যুক্ত করা হয়নি।

ডানকিন, ডিউরেক্স, রেড বুল ও ইকুইনক্সের মতো ব্র্যান্ডের নামও সিনেমায় দেখা যায়। তবে এসব ব্র্যান্ডের কাছ থেকে অর্থ নেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন গ্লাক। বরং ছবির গল্প অনুযায়ী ব্র্যান্ডের নাম ও বিজ্ঞাপনের পরিবর্তিত সংস্করণ ব্যবহারের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর অনুমতি নিতে হয়েছে।

অ্যালি চরিত্রটি শুরু থেকেই গায়িকা ছিল না। মনিকা বারবারোকে চূড়ান্ত করার পর চরিত্রটিকে গায়িকা হিসেবে নতুন করে গড়ে তোলেন গ্লাক।

পরিচালকের অভ্যাস হলো, কোনো অভিনেতাকে চূড়ান্ত করার পর তাঁর বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী চিত্রনাট্যে পরিবর্তন আনা। বারবারোর সঙ্গে কথা বলার পর তাঁর মনে হয়, অ্যালির গায়িকা হওয়াই চরিত্রটির জন্য উপযুক্ত।

মজার বিষয়, বাস্তবে বারবারোর মঞ্চভীতি রয়েছে। তবে তাঁর কণ্ঠ ভালো হওয়ায় সেই বৈশিষ্ট্যও চরিত্রে ব্যবহার করেছেন পরিচালক।

ওয়েন চরিত্রটি একজন পিৎজা দোকানের মালিক হওয়ায় ক্যালাম টার্নারকে বাস্তবেই পিৎজা বানানো শিখতে হয়েছে। গ্লাক জানিয়েছেন, ক্যালাম টানা পাঁচ দিন একটি পিৎজার দোকানে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন।

তবে শুটিংয়ের সময় পিৎজা নিয়ে নতুন সমস্যায় পড়তে হয় নির্মাতা দলকে। পিৎজা দ্রুত ঠান্ডা হয়ে যাওয়ায় ক্যামেরায় ভালো দেখানোর জন্য বারবার নতুন পিৎজা বানাতে হয়েছে। অভিনেতারাও শুটিংয়ের সময় সত্যিকারের পিৎজা খেয়েছেন। একপর্যায়ে মনিকা ও ক্যালামকে বলতে হয়েছে, তাঁরা আর খেতে পারছেন না।

উইল গ্লাকের আগের সিনেমা ‘অ্যানিবডি বাট ইউ’তে অভিনয় করেছিলেন সিডনি সুইনি ও গ্লেন পাওয়েল। বক্স অফিসে ভালো সাড়া পাওয়া ওই সিনেমার দুই তারকার উপস্থিতিও রয়েছে ‘ওয়ান নাইট অনলি’তে।

তবে তাঁরা সরাসরি ক্যামিও করেননি। ব্যস্ত সময়সূচির কারণে তাঁদের দিয়ে প্রচলিত ক্যামিও করানো সম্ভব হয়নি। তাই ভিন্ন কৌশলে সিনেমায় তাঁদের যুক্ত করেছেন গ্লাক। বিষয়টি দর্শকের জন্য একটি মজার চমক হিসেবেই রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।

ভ্যারাইটি অবলম্বনে

কালের আলো/এসএ

রাজশাহীতে বিএসটিআই’র অনুমোদনহীন জন্মদিনের কেক উৎপাদনকারীকে জরিমানা

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ২:৪৬ অপরাহ্ণ
রাজশাহীতে বিএসটিআই’র অনুমোদনহীন জন্মদিনের কেক উৎপাদনকারীকে জরিমানা

বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) বিভাগীয় কার্যালয়, রাজশাহীর উদ্যোগে অদ্য সোমবার দুপুর ১২.৩০ ঘটিকায় রাজশাহী মহানগরীতে একটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। এতে বিএসটিআই’র গুণগত মানসনদ গ্রহণ ছাড়াই অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে এবং নন-ফুডগ্রেড উপাদান ব্যবহার করে ‘ডেকোরেটেড কেক (জন্মদিনের কেক)’ উৎপাদন ও বিক্রি-বিতরণ করায় বিসিক শিল্প নগরী এলাকায় অবস্থিত রোজা বেকারী প্রতিষ্ঠানটিকে ১০,০০০/- (দশ হাজার টাকা মাত্র) জরিমানা করা হয়।

রাজশাহী জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোসা: ফারহানা হোসেন এর নেতৃত্বে পরিচালিত উক্ত মোবাইল কোর্টে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিএসটিআই বিভাগীয় অফিস, রাজশাহীর সার্টিফিকেশন মার্কস উইং কর্মকর্তা প্রকৌশলী জুনায়েদ আহমেদ।

এসময় রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। জনস্বার্থে ভেজাল প্রতিরোধ এবং গুণগত মানসম্পন্ন খাদ্যপণ্য সরবরাহ নিশ্চিতকল্পে বিএসটিআই, রাজশাহীর এধরণের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

এসডিজি ভিলেজ পাইলট প্রকল্পের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ২:২৯ অপরাহ্ণ
এসডিজি ভিলেজ পাইলট প্রকল্পের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী

দেশের তিনটি গ্রামকে ‘এসডিজি ভিলেজ’ প্রকল্প হিসেবে উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টায় চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এ উদ্বোধন করেন তিনি।

গ্রামগুলো হচ্ছে—রাঙামাটি কাপ্তাইয়ের মিতিঙ্গাছড়ি, খুলনা দাকোপ উপজেলার পানখালী ও দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার নাফানগর। বর্তমান সরকার দেশের টেকসই উন্নয়নে অর্থনৈতিক কৌশল পুনর্নির্ধারণ শীর্ষক প্রকল্পের অধীনে এ প্রকল্পটি গ্রহণ করেছে।

এসডিজির ১৭টি লক্ষ্যের আলোকে গ্রামে দারিদ্র্য হ্রাস, জলাবদ্ধতা নিরসন, মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণ, স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন, শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার কমানো, বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশনের ব্যবস্থা থাকছে এই প্রকল্পে। এমন সুযোগ পাওয়ায় উচ্ছ্বাস ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন রাঙামাটির মিতিঙ্গাছড়ির গ্রামবাসী।

কালের আলো/এসএকে

গণতান্ত্রিক দেশে ইস্যু থাকবে, আলোচনায় সমাধান হবে: ভারতের হাইকমিশনার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ২:০২ অপরাহ্ণ
গণতান্ত্রিক দেশে ইস্যু থাকবে, আলোচনায় সমাধান হবে: ভারতের হাইকমিশনার

বাংলাদেশ-ভারতের গণতান্ত্রিক ইস্যু আছে, থাকবে; এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। এর মধ্যেই দুই দেশের সম্পর্ক আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।

সোমবার (১০ আগস্ট) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, গণতান্ত্রিক দেশে বিভিন্ন ধরনের ইস্যু থাকবে, ইস্যু আসবে সেগুলো সমাধান করতে হবে।

ভারতের জনগণ চায় দুই দেশের মধ্যে সুন্দর সম্পর্ক, আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রীও চায় সুন্দর সম্পর্ক। ভবিষ্যতে ভালো কিছু হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে খুব ভালো লাগলো। খুবই আন্তরিকভাবে আলোচনা হয়েছে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি