খুঁজুন
                               
, ,
           

ইতালি যাওয়ার পথে তিউনিসিয়ায় নৌকাডুবি, নিহত ১১ নিখোঁজ ৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ১:৫৩ অপরাহ্ণ
ইতালি যাওয়ার পথে তিউনিসিয়ায় নৌকাডুবি, নিহত ১১ নিখোঁজ ৬

ইতালি যাওয়ার পথে তিউনিসিয়ার উপকূলে অভিবাসীবাহী একটি নৌকা ডুবে অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও ছয়জন নিখোঁজ রয়েছেন। রোববার (২৩ আগস্ট) তিউনিসিয়ার ন্যাশনাল গার্ডের এক মুখপাত্র এ তথ্য জানিয়েছেন।

নিখোঁজদের উদ্ধারে কোস্টগার্ড, সেনাবাহিনী ও সিভিল প্রোটেকশন বিভাগের সদস্যরা অভিযান চালাচ্ছেন। দুইটি হেলিকপ্টারও উদ্ধার অভিযানে যুক্ত করা হয়েছে।

নৌকাটি গত বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ভোরে তিউনিসিয়া থেকে ইতালির উদ্দেশে রওনা হয়েছিল। এতে বেশিরভাগই তরুণ অভিবাসী ছিলেন।

তিউনিসিয়ার মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ সংস্থার প্রধান জানিয়েছেন, নৌকাটিতে একই পরিবারের সাতজন সদস্য ছিলেন। এ ছাড়া এক ব্যক্তি তাঁর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে নিয়ে নৌকায় উঠেছিলেন।

দুর্ঘটনার পর মাত্র একজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, উদ্ধারের আগে প্রায় ৪৮ ঘণ্টা সাগরে ভেসে ছিলেন। পরে একটি বাণিজ্যিক জাহাজ তাঁকে উদ্ধার করে।

নৌকায় থাকা সবাই তিউনিসিয়ার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বেন গেরদানে এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। নিখোঁজদের উদ্ধারে অভিযান জোরদারের দাবিতে শনিবার রাতে শহরটিতে কয়েক ডজন তরুণ বিক্ষোভ করেন। পরে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছুড়ে তাঁদের ছত্রভঙ্গ করে।

নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। উদ্ধারকাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন

কালের আলো/এসএ

জাপান সফরে বাণিজ্য বিনিয়োগে গুরুত্ব দেবেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৫৯ অপরাহ্ণ
জাপান সফরে বাণিজ্য বিনিয়োগে গুরুত্ব দেবেন প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ ও জাপানের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার, জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ্য নিয়ে চার দিনের সরকারি সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে এ সফরে বাণিজ্য, অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও মানবসম্পদ উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনার কথা রয়েছে।

রোববার (২৫ অক্টোবর) দিনগত রাত ১২টা ১০ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে টোকিওর উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।

টোকিওতে উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক
সফরের দ্বিতীয় দিন মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) টোকিওতে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসবেন তারেক রহমান। বৈঠকে দুই দেশের বিদ্যমান সহযোগিতার অগ্রগতি পর্যালোচনার পাশাপাশি অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও বিস্তৃত করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ আকর্ষণ, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতার বিষয়গুলো বৈঠকে গুরুত্ব পেতে পারে। পাশাপাশি দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও কার্যকর অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে রূপ দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

জাপানের ব্যবসায়ী ও উন্নয়ন সংস্থার সঙ্গে বৈঠক
জাপান সফরকালে জাপান-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ফোরামে মূল বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। এ ছাড়া জাপানের ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের সম্ভাবনা, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বিভিন্ন খাতে ব্যবসায়িক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয় তুলে ধরা হতে পারে।

সফরের কর্মসূচিতে জাপানের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা জাইকা, জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশন (জেট্রো), জাপান ব্যাংক ফর ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন (জেবিআইসি) এবং সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের সম্ভাবনাও রয়েছে। এ ছাড়া এলএনজি টার্মিনাল, বিদ্যুৎকেন্দ্র, ইউনিক্লোর সদরদপ্তর ও টয়োটার কারখানা পরিদর্শনের কর্মসূচি রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়ানোর লক্ষ্য
বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানো, নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি এবং চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করা এ সফরের অন্যতম লক্ষ্য। দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি শিল্প, প্রযুক্তি ও অবকাঠামো খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের সুযোগ নিয়েও আলোচনা হতে পারে।

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে সই হওয়া বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) বাস্তবায়নের বিষয়টিও আলোচনায় গুরুত্ব পেতে পারে। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, চুক্তিটি কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব জোরদারের নতুন সুযোগ তৈরি হবে।

বিভিন্ন খাতে সমঝোতা স্মারকের সম্ভাবনা
পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরে কৃষি, মৎস্য, দক্ষতা উন্নয়ন, বাণিজ্য, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং স্থানীয় সরকারব্যবস্থার আধুনিকায়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সমঝোতা স্মারক সই কিংবা সহযোগিতার বিষয়ে ঘোষণা আসতে পারে। তবে এসব বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা সমঝোতা স্মারক সইয়ের বিষয়টি সফরকালে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর আলোচনার ওপর নির্ভর করবে।

রোহিঙ্গা সংকট ও জ্বালানি নিরাপত্তাও আলোচনায়
দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতার পাশাপাশি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ও আলোচনায় স্থান পেতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে রোহিঙ্গা সংকট, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা। সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রধানমন্ত্রীর এ সফরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও জাপানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও গভীর করার সুযোগ তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে বিনিয়োগ, বাণিজ্য, প্রযুক্তি ও উন্নয়ন সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র উন্মোচিত হলে তা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতেও ভূমিকা রাখতে পারে।

কালের আলো/এএএন/এমএসআইপি

সম্পর্কের ইতি টানার সময় হয়েছে কি না, বুঝবেন যে ৬ লক্ষণে

লাইফস্টাইল ডেস্ক, কালের আলো
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৫৮ অপরাহ্ণ
সম্পর্কের ইতি টানার সময় হয়েছে কি না, বুঝবেন যে ৬ লক্ষণে

ভালোবাসা, বিশ্বাস ও পারস্পরিক সম্মান—একটি সুস্থ সম্পর্কের মূল ভিত্তি। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেই সম্পর্কে যদি জমতে থাকে অবহেলা, সন্দেহ, অসম্মান আর মানসিক দূরত্ব, তাহলে একসময় প্রশ্ন জাগে—সম্পর্কটি কি আর টিকিয়ে রাখা উচিত? দীর্ঘদিনের সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসার সিদ্ধান্ত সহজ নয়। তবু কখনো কখনো নিজের মানসিক শান্তি, আত্মসম্মান ও নিরাপত্তার কথা ভেবে সম্পর্কটি নতুন করে মূল্যায়ন করা জরুরি হয়ে পড়ে।

সম্পর্কে মতবিরোধ বা কঠিন সময় আসতেই পারে। তাই সাময়িক ঝগড়া কিংবা ভুল-বোঝাবুঝি মানেই সম্পর্ক শেষ করে দেওয়া নয়। তবে একই সমস্যা বারবার ফিরে এলে, আলোচনা করেও কোনো পরিবর্তন না হলে এবং সম্পর্কটি ক্রমাগত মানসিক কষ্টের কারণ হয়ে উঠলে কিছু লক্ষণ গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন।

১. সম্মান হারিয়ে গেছে সম্পর্কে
ভালোবাসার পাশাপাশি পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ একটি সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার অন্যতম শর্ত। সঙ্গী যদি নিয়মিত আপনাকে অপমান করেন, আপনার মতামতকে তুচ্ছ করেন কিংবা অন্যের সামনে ছোট করে দেখান, তাহলে বিষয়টি উপেক্ষা করা ঠিক নয়।

মতপার্থক্য থাকতেই পারে, কিন্তু তার অজুহাতে কাউকে অসম্মান করার সুযোগ নেই। যে সম্পর্কে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে ভয় লাগে কিংবা বারবার আত্মসম্মানে আঘাত সহ্য করতে হয়, সেই সম্পর্কের সুস্থতা নিয়ে ভাবা জরুরি।

২. ভালো থাকার চেয়ে কষ্টই বেশি
একটি সম্পর্ক সব সময় আনন্দের হবে, এমন প্রত্যাশা বাস্তবসম্মত নয়। কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে যদি সম্পর্কের কারণে উদ্বেগ, মন খারাপ, হতাশা কিংবা মানসিক অস্থিরতা বাড়তে থাকে, তাহলে এর প্রভাব জীবনের অন্য ক্ষেত্রেও পড়তে পারে।

নিজেকে প্রশ্ন করুন—এই সম্পর্কে আপনি কি নিরাপদ ও স্বস্তিতে থাকতে পারেন? নাকি সঙ্গীর প্রতিক্রিয়ার ভয়ে সব সময় সতর্ক থাকতে হয়? সম্পর্কটি যদি নিয়মিত আপনার মানসিক শান্তি কেড়ে নেয় এবং সমস্যার সমাধানে দুজনের কেউই কার্যকর উদ্যোগ না নেন, তবে পরিস্থিতি নতুন করে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

৩. কথা বললেই বাড়ে দূরত্ব
সম্পর্কে সমস্যা সমাধানের জন্য খোলামেলা আলোচনা জরুরি। কিন্তু নিজের কষ্টের কথা বলতে গেলেই যদি ঝগড়া শুরু হয়, সঙ্গী যদি আপনার অনুভূতি শুনতে না চান কিংবা প্রতিটি আলোচনাকে দোষারোপে পরিণত করেন, তাহলে দূরত্ব বাড়তে পারে।

কখনো কখনো একই ছাদের নিচে থেকেও দুজন মানুষের মধ্যে গভীর মানসিক বিচ্ছিন্নতা তৈরি হয়। একে অপরের সঙ্গে কথা বলার আগ্রহ কমে যায়, ব্যক্তিগত অনুভূতি ভাগ করে নেওয়া বন্ধ হয়ে যায়। এমন পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে দুজনের আন্তরিক আলোচনা প্রয়োজন। পরিবর্তনের কোনো সদিচ্ছা না থাকলে সম্পর্কটি ধরে রাখার বাস্তবতা নিয়েও ভাবতে হতে পারে।

৪. বিশ্বাস ভেঙে গেছে, সন্দেহ কমছে না
বিশ্বাস ছাড়া দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা কঠিন। মিথ্যা বলা, প্রতারণা কিংবা বারবার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের কারণে আস্থায় ফাটল ধরতে পারে। এরপর প্রতিনিয়ত সন্দেহ, জবাবদিহি নিয়ে দ্বন্দ্ব এবং ব্যক্তিগত গোপনীয়তা নিয়ে টানাপোড়েন তৈরি হতে পারে।

বিশ্বাস একবার নষ্ট হলে তা পুনর্গঠন অসম্ভব নয়। তবে এর জন্য ভুল স্বীকার, স্বচ্ছতা এবং দুজনের আন্তরিক চেষ্টা প্রয়োজন। বারবার একই আচরণ ঘটলে কিংবা বিশ্বাস ফিরিয়ে আনার কোনো উদ্যোগ না থাকলে সম্পর্কটি আপনাদের জন্য কতটা স্বাস্থ্যকর, তা ভেবে দেখা দরকার।

৫. সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার চেষ্টা শুধু আপনার
একটি সম্পর্কের দায়িত্ব দুজনের। কিন্তু যদি প্রতিবার আপনাকেই মানিয়ে নিতে হয়, নিজের প্রয়োজন ও ইচ্ছা বিসর্জন দিতে হয়, কিংবা প্রতিটি সমস্যার সমাধানের দায়িত্ব একাই নিতে হয়, তাহলে একসময় ক্লান্তি তৈরি হওয়া স্বাভাবিক।

সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে দুজনেরই ভুল স্বীকার, আলোচনা এবং পরিবর্তনের মানসিকতা থাকা প্রয়োজন। একজন বারবার চেষ্টা করছেন, আর অন্যজন কোনো উদ্যোগই নিচ্ছেন না—এমন পরিস্থিতিতে শুধু পুরোনো স্মৃতি কিংবা বিচ্ছেদের ভয় থেকে সম্পর্ক ধরে রাখা আপনাকে আরও অসুখী করে তুলতে পারে।

৬. ভবিষ্যৎ নিয়ে দুজনের ভাবনা সম্পূর্ণ আলাদা
দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কে জীবনের লক্ষ্য, মূল্যবোধ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা গুরুত্বপূর্ণ। ক্যারিয়ার, সন্তান, পরিবার, কোথায় বসবাস করবেন কিংবা কীভাবে জীবন কাটাতে চান—এসব বিষয়ে মতভেদ থাকতেই পারে।

সব বিষয়ে একমত হওয়া জরুরি নয়। তবে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে দুজনের অবস্থান যদি সম্পূর্ণ বিপরীত হয় এবং আলোচনা বা সমঝোতার কোনো পথ না থাকে, তাহলে সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত প্রয়োজন। একে অপরকে বদলে দেওয়ার প্রত্যাশায় দীর্ঘদিন অপেক্ষা করার বদলে নিজেদের চাহিদা ও সীমাবদ্ধতা নিয়ে সৎ আলোচনা করা ভালো।

নির্যাতন থাকলে নিরাপত্তাই প্রথম
শারীরিক আঘাত, হুমকি, ভয় দেখানো, জোরপূর্বক নিয়ন্ত্রণ কিংবা নিয়মিত মানসিক নির্যাতনকে সাধারণ দাম্পত্য কলহ ভেবে উপেক্ষা করা উচিত নয়। ভালোবাসা বা সম্পর্কের অজুহাতে এসব আচরণ গ্রহণযোগ্য হয়ে যায় না।

এমন পরিস্থিতিতে নিজের নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিন। প্রয়োজন হলে বিশ্বস্ত মানুষ, পেশাদার সহায়তাকারী বা সংশ্লিষ্ট সেবার সাহায্য নিন। সম্পর্ক ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় সহিংসতার আশঙ্কা থাকলে নিরাপদ পরিকল্পনা করে এগোনো জরুরি। তাৎক্ষণিক বিপদের মুখে থাকলে নিরাপদ স্থানে সরে গিয়ে জরুরি সহায়তা নিন।

বিচ্ছেদের আগে নিজেকে যে প্রশ্নগুলো করবেন
সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে কয়েকটি বিষয় ভেবে দেখতে পারেন—

সমস্যাগুলো কি সাময়িক, নাকি দীর্ঘদিন ধরে একই ঘটনা ঘটছে?

দুজনেই কি সম্পর্কের সমস্যা স্বীকার করছেন?

পরিবর্তনের জন্য কথার পাশাপাশি বাস্তব উদ্যোগও দেখা যাচ্ছে?

এই সম্পর্কে নিজের অনুভূতি ও প্রয়োজন প্রকাশ করতে পারছেন?

সম্পর্কটিতে কি আপনার আত্মসম্মান ও নিরাপত্তা বজায় থাকছে?

এসব প্রশ্নের উত্তর সম্পর্কের বর্তমান অবস্থা বুঝতে সাহায্য করতে পারে। পরিস্থিতি নিরাপদ হলে পারস্পরিক আলোচনা বা দাম্পত্য পরামর্শও কাজে আসতে পারে।

সম্পর্কের ইতি টানা সব সময় ব্যর্থতার পরিচয় নয়, আবার কঠিন সময় এলেই বিচ্ছেদ একমাত্র সমাধানও নয়। গুরুত্বপূর্ণ হলো—সম্পর্কটি দুজনের জন্য কতটা স্বাস্থ্যকর, সেখানে পরিবর্তনের বাস্তব সুযোগ আছে কি না এবং নিজের মানসিক শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় থাকছে কি না। সিদ্ধান্ত যা-ই হোক, তা যেন হয় নিজের মর্যাদা, প্রয়োজন ও সুস্থতাকে গুরুত্ব দিয়ে।

কালের আলো/ইএকে/জেএন

বিশ্বের শক্তিশালী সেনাবাহিনী গড়তে কিমের নির্দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক , কালের আলো
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৫৩ অপরাহ্ণ
বিশ্বের শক্তিশালী সেনাবাহিনী গড়তে কিমের নির্দেশ

উত্তর কোরিয়ার সামরিক বাহিনীকে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনীতে পরিণত করতে প্রশিক্ষণ ও যুদ্ধপ্রস্তুতি জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির নেতা কিম জং উন। সেনাবাহিনীর প্রতিটি ইউনিটকে আরও দক্ষ, প্রযুক্তিনির্ভর ও পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধক্ষমতাসম্পন্ন করে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। একই সময়ে নতুন নির্মিত একটি সেতু দিয়ে চীনের সীমান্তবর্তী শহর দানদংয়ে কিমের পৌঁছানোর খবর প্রকাশ করেছে দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদমাধ্যম। তবে তাঁর চীন সফরের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি (কেসিএনএ) জানায়, রাজধানী পিয়ংইয়ংয়ে অনুষ্ঠিত সেনাবাহিনীর কোম্পানি কমান্ডারদের দুই দিনের সম্মেলনে কিম এসব নির্দেশ দেন। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে দেশটির সামরিক বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রশিক্ষণ জোরদার এবং যুদ্ধপ্রস্তুতি উন্নয়নের বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

অন্যদিকে, দক্ষিণ কোরিয়ার সরকারি সূত্রের বরাতে বার্তা সংস্থা এএফপি ও ইয়োনহাপ জানিয়েছে, কিম নতুন ইয়ালু নদীর সেতু ব্যবহার করে চীনে প্রবেশ করে থাকতে পারেন। দুই দেশের সীমান্তসংযোগকারী এই সেতু দিয়ে তাঁর সম্ভাব্য যাত্রা উত্তর কোরিয়া ও চীনের মধ্যে যোগাযোগের বিষয়টিকে নতুন করে আলোচনায় এনেছে।

সামরিক বিপ্লবের আহ্বান কিমের
কোম্পানি কমান্ডারদের সম্মেলনে কিম জং উন উত্তর কোরিয়ার সামরিক বাহিনীকে আরও শক্তিশালী করতে ‘কোরীয় ধাঁচের সামরিক বিপ্লব’ গড়ে তোলার আহ্বান জানান। বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলার লক্ষ্যে একটি সুপরিকল্পিত কর্মপরিকল্পনা তৈরির নির্দেশ দেন তিনি।

কিমের বক্তব্যে সামরিক বাহিনীর তৃণমূল পর্যায়ের ইউনিটগুলোর সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। তাঁর মতে, প্রতিটি সেনা কোম্পানিকে সামরিক প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও যুদ্ধ পরিচালনার সক্ষমতার দিক থেকে আরও উন্নত করতে হবে।

সেনাবাহিনীর কোম্পানি পর্যায়ের ইউনিটগুলো সামরিক কাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এসব ইউনিটের প্রশিক্ষণ ও সমন্বয় উন্নত হলে সামগ্রিক যুদ্ধপ্রস্তুতি জোরদার হতে পারে। উত্তর কোরিয়ার নেতৃত্ব এখন সেই লক্ষ্যেই প্রশিক্ষণ ও সাংগঠনিক সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর জোর দিচ্ছে বলে রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

কিমের নির্দেশনায় শুধু সৈন্যদের শারীরিক ও সামরিক প্রশিক্ষণ নয়, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে। আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে অস্ত্র পরিচালনা, যোগাযোগ, নজরদারি এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহার ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। উত্তর কোরিয়ার সামরিক বাহিনীকে এসব ক্ষেত্রে আরও সক্ষম করে তোলাই নতুন পরিকল্পনার অন্যতম লক্ষ্য বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সেনাবাহিনীর সম্মেলন ঘিরে বিশেষ গুরুত্ব
কেসিএনএর ভাষ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ক্ষমতাসীন ওয়ার্কার্স পার্টির কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হওয়ার পর পুরো সেনাবাহিনীকে নিয়ে এ ধরনের সম্মেলন এই প্রথম। ফলে সামরিক বাহিনীর নেতৃত্ব ও প্রশিক্ষণব্যবস্থা নিয়ে কিমের বক্তব্যকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। ফেব্রুয়ারির দলীয় কংগ্রেসে কিম উত্তর কোরিয়ার প্রচলিত সামরিক শক্তি বৃদ্ধির পাশাপাশি পারমাণবিক অস্ত্র ও ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়নের পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার অঙ্গীকার করেছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় সামরিক বাহিনীর বিভিন্ন স্তরে প্রশিক্ষণ জোরদার এবং যুদ্ধক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ সামনে এসেছে।

উত্তর কোরিয়া দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোর কথা বলে আসছে। দেশটির সামরিক কর্মসূচিতে প্রচলিত অস্ত্রের পাশাপাশি পারমাণবিক অস্ত্র ও ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। নতুন সম্মেলনে কিমের নির্দেশনা থেকে বোঝা যায়, অস্ত্রের উন্নয়নের পাশাপাশি সেগুলো পরিচালনাকারী সেনাদের প্রশিক্ষণ ও যুদ্ধপ্রস্তুতিকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তবে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনী গড়ে তোলার লক্ষ্য অর্জনে উত্তর কোরিয়া কী ধরনের সময়সীমা বা নির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে, সে বিষয়ে কেসিএনএর প্রতিবেদনে বিস্তারিত জানানো হয়নি।

এআই প্রযুক্তির অস্ত্র পরীক্ষায় জোর দিচ্ছে পিয়ংইয়ং
সাম্প্রতিক সময়ে উত্তর কোরিয়া বেশ কয়েকটি অস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে নতুন ধরনের নির্ভুল লক্ষ্যভেদী টর্পেডো ব্যবস্থা এবং একটি মধ্যম পাল্লার হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র। দেশটির দাবি, এসব অস্ত্রের মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। নির্ভুল লক্ষ্যভেদী অস্ত্রের ক্ষেত্রে লক্ষ্য শনাক্ত করা, গতিপথ নির্ধারণ এবং আঘাতের নির্ভুলতা বাড়ানো গুরুত্বপূর্ণ।

অন্যদিকে, হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের উচ্চ গতি ও গতিপথের বৈশিষ্ট্য প্রতিরক্ষাব্যবস্থার জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। উত্তর কোরিয়া এসব প্রযুক্তির উন্নয়নের মাধ্যমে নিজেদের সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টা করছে। তবে অস্ত্রগুলোতে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার এবং সেগুলোর কার্যকারিতা সম্পর্কে উত্তর কোরিয়ার দাবিগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে প্রতিবেদনে বিস্তারিত তথ্য নেই। সামরিক বাহিনীর প্রশিক্ষণ জোরদার, প্রযুক্তিনির্ভর অস্ত্রের পরীক্ষা এবং প্রচলিত ও কৌশলগত সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগগুলো একসঙ্গে বিবেচনা করলে দেখা যায়, পিয়ংইয়ং তার সামরিক কর্মসূচির বিভিন্ন দিক এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে।

নতুন ইয়ালু নদীর সেতু দিয়ে চীনে কিম
সামরিক বাহিনীকে শক্তিশালী করার নির্দেশ দেওয়ার খবরের পাশাপাশি কিম জং উনের সম্ভাব্য চীন সফর নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার সরকারি সূত্রের বরাতে এএফপি জানিয়েছে, কিম চীনের সীমান্তবর্তী শহর দানদংয়ে পৌঁছে থাকতে পারেন। নতুন নির্মিত নিউ ইয়ালু নদীর সেতু দিয়ে তিনি চীনে প্রবেশ করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) দক্ষিণ কোরিয়ার একটি সরকারি সূত্র এএফপিকে জানায়, কিম ওই সেতু ব্যবহার করে দানদংয়ে পৌঁছেছেন বলে মনে হচ্ছে। তবে তাঁর যাত্রার উদ্দেশ্য, সফরের সময়সূচি কিংবা চীনে তাঁর সম্ভাব্য কর্মসূচি সম্পর্কে সূত্রটি বিস্তারিত কিছু জানায়নি।

পরে দক্ষিণ কোরিয়ার বার্তা সংস্থা ইয়োনহাপও অজ্ঞাত সরকারি সূত্রের বরাতে জানায়, দিনের শুরুতে কিম নতুন সেতু দিয়ে চীনে প্রবেশ করেন। এ খবর প্রকাশের পর তাঁর সম্ভাব্য সফর নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। তবে কিমের চীন সফর এবং সেতু দিয়ে তাঁর যাত্রার বিষয়ে উত্তর কোরিয়া বা চীনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণের তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। এএফপি এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়ার জন্য চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে বলে জানানো হয়েছে।

উত্তর কোরিয়া-চীন যোগাযোগ নিয়ে বাড়তি আগ্রহ
উত্তর কোরিয়া ও চীনের মধ্যে সীমান্তসংযোগ দুই দেশের যাতায়াত ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। সীমান্তবর্তী দানদং দীর্ঘদিন ধরেই দুই দেশের বাণিজ্যিক ও পরিবহন যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। নতুন সেতু দিয়ে কিমের সম্ভাব্য যাত্রার খবর তাই শুধু তাঁর সফরসংক্রান্ত বিষয়েই সীমাবদ্ধ নয়। এর মধ্য দিয়ে দুই দেশের সীমান্ত যোগাযোগ এবং উচ্চপর্যায়ের সম্ভাব্য যাতায়াত নিয়েও আগ্রহ তৈরি হয়েছে। তবে কিমের সফরের উদ্দেশ্য সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য না থাকায় এটিকে সামরিক বা কূটনৈতিক কোনো নির্দিষ্ট উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত করার সুযোগ নেই। সফরটি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হলে এর কর্মসূচি ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যেতে পারে।

সামরিক শক্তি বৃদ্ধি ও সম্ভাব্য সফর ঘিরে নজরদারি
একদিকে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলার লক্ষ্যে সেনাদের প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন কিম জং উন। অন্যদিকে, নতুন সেতু দিয়ে তাঁর চীনে প্রবেশের খবর প্রকাশিত হয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদমাধ্যমে।

এই দুই ঘটনা একই সময়ে সামনে এলেও এগুলোর মধ্যে সরাসরি কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। সামরিক সম্মেলনের বক্তব্য উত্তর কোরিয়ার প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধির পরিকল্পনার ওপর আলোকপাত করছে। আর সম্ভাব্য চীন সফরের খবর দুই দেশের যোগাযোগ নিয়ে নতুন আগ্রহ তৈরি করেছে। কিমের সামরিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয় এবং তাঁর চীন সফরের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কী তথ্য প্রকাশ করা হয়, তা এখন পর্যবেক্ষণের বিষয়। সূত্র:কেসিএনএ, এএফপি, রয়টার্স, ইয়োনহাপ

কালের আলো/এসএ/এএইচ