খুঁজুন
                               
, ,
           

সিডনি ম্যারাথনে রেকর্ড গোবনার, ক্যানসার নিয়েও দৌড়ে অনন্য ফুলার

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ২:১৯ অপরাহ্ণ
সিডনি ম্যারাথনে রেকর্ড গোবনার, ক্যানসার নিয়েও দৌড়ে অনন্য ফুলার

একই পথে ছুটেছেন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন, অপেশাদার দৌড়বিদ, হুইলচেয়ার অ্যাথলেট এবং কেমোথেরাপি নেওয়া এক ক্যানসার রোগী। তবে সবার লক্ষ্য ছিল ভিন্ন। কেউ শিরোপার জন্য, কেউ নিজের সীমা ছাড়িয়ে যাওয়ার জন্য, আবার কেউ প্রমাণ করতে চেয়েছেন-কঠিন অসুস্থতাও মানুষের এগিয়ে যাওয়ার ইচ্ছাকে থামাতে পারে না।

গতি, রেকর্ড ও জীবনজয়ের এমন নানা গল্প নিয়ে রোববার সিডনিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ ম্যারাথন। এবারের আসরে ১৪০টির বেশি দেশের ৪০ হাজারেরও বেশি দৌড়বিদ অংশ নেন।

সিডনি সময় সকাল সাড়ে ৬টায় নর্থ সিডনি থেকে শুরু হয় মূল হাই-পারফরম্যান্স দৌড়। হারবার ব্রিজসহ শহরের বিভিন্ন পথ পেরিয়ে ৪২ দশমিক ২ কিলোমিটার দূরের সিডনি অপেরা হাউসে গিয়ে শেষ হয় প্রতিযোগিতা।

পুরুষদের দৌড়ের শেষ কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত ছিল তীব্র লড়াই। পাঁচজনের অগ্রবর্তী দল তখনও কাছাকাছি অবস্থানে ছিল। শেষ মুহূর্তে গতি বাড়িয়ে সবাইকে পেছনে ফেলেন ইথিওপিয়ার ২১ বছর বয়সী আদ্দিসু গোবনা।

২ ঘণ্টা ৪ মিনিট ৪২ সেকেন্ডে ফিনিশিং লাইন অতিক্রম করে শিরোপা জয়ের পাশাপাশি নতুন কোর্স রেকর্ড গড়েন গোবনা। গত বছর স্বদেশি হাইলেমারিয়াম কিরোসের গড়া ২ ঘণ্টা ৬ মিনিট ৬ সেকেন্ডের রেকর্ড তিনি ভাঙেন ১ মিনিট ২৪ সেকেন্ডের ব্যবধানে।

গত বছর সিডনি ম্যারাথনে দ্বিতীয় হয়েছিলেন গোবনা। সেই দৌড়ের ভুলগুলো বিশ্লেষণ করে এক বছর প্রস্তুতি নিয়ে এবার ফিরেছিলেন তিনি। প্রত্যাবর্তনের দৌড়েই শিরোপার সঙ্গে গড়লেন নতুন রেকর্ড।

মাত্র চার সেকেন্ড পর ২ ঘণ্টা ৪ মিনিট ৪৬ সেকেন্ডে দৌড় শেষ করে দ্বিতীয় হন গোবনার স্বদেশি চিমদেসা দেবেলে গুদেতা। লেসোথোর তেবেলো রামাকোঙ্গোয়ানা ২ ঘণ্টা ৪ মিনিট ৫৭ সেকেন্ডে তৃতীয় হন। পুরুষ বিভাগের প্রথম তিনজনই আগের কোর্স রেকর্ডের চেয়ে কম সময়ে দৌড় শেষ করেন।

নারীদের বিভাগে অবশ্য প্রতিদ্বন্দ্বীদের কোনো সুযোগ দেননি কেনিয়ার পেরেস জেপচিরচির। বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ও সাবেক অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন ২ ঘণ্টা ১৮ মিনিট ৩১ সেকেন্ডে দৌড় শেষ করে শিরোপা জেতেন।

কেনিয়ার ইরিন চেপতাই ২ ঘণ্টা ২২ মিনিট ১১ সেকেন্ডে দ্বিতীয় এবং ইথিওপিয়ার শুর ডিমাইজ ২ ঘণ্টা ২২ মিনিট ৩৩ সেকেন্ডে তৃতীয় হন। তবে মাত্র ৯ সেকেন্ডের জন্য নারীদের কোর্স রেকর্ড ভাঙতে পারেননি জেপচিরচির। গত বছর সিফান হাসানের গড়া রেকর্ডটি ছিল ২ ঘণ্টা ১৮ মিনিট ২২ সেকেন্ড।

হুইলচেয়ার বিভাগেও ছিল রেকর্ডের ছড়াছড়ি। পুরুষ বিভাগে যুক্তরাষ্ট্রের ড্যানিয়েল রোমানচুক ১ ঘণ্টা ২৬ মিনিট ৫০ সেকেন্ডে দৌড় শেষ করে গত বছরের মার্সেল হাগের রেকর্ড ভেঙে দেন।

নারীদের বিভাগে সুইজারল্যান্ডের প্যারালিম্পিয়ান ম্যানুয়েলা শার সময় নেন ১ ঘণ্টা ৪২ মিনিট ৪ সেকেন্ড। সুজান্না স্কারোনির আগের রেকর্ডের চেয়ে ২ মিনিট ৪৮ সেকেন্ড কম সময়ে দৌড় শেষ করেন তিনি। এর মাধ্যমে অ্যাবট ওয়ার্ল্ড ম্যারাথন মেজরসের আটটি কোর্সেই জয় পাওয়া প্রথম অ্যাথলেট হওয়ার কীর্তিও গড়েন শার।

স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার হয়ে পুরুষদের মধ্যে সবার আগে ফিনিশিং লাইনে পৌঁছান অ্যান্ডি বুকানন। তার সময় ছিল ২ ঘণ্টা ১০ মিনিট ১৪ সেকেন্ড। নারীদের মধ্যে প্রথম অস্ট্রেলিয়ান হিসেবে দৌড় শেষ করেন এলি প্যাশলি। তিনি সময় নেন ২ ঘণ্টা ২৮ মিনিট ২৮ সেকেন্ড।

তবে দিনের সবচেয়ে অনুপ্রেরণাদায়ী গল্পটি ছিল ফাইভ ডকের টবি ফুলারের। ২৩ বছর বয়সে মাল্টিপল মায়েলোমা নামের রক্তের ক্যানসারে আক্রান্ত হন তিনি। কেমোথেরাপির ধকল সামলেই এবারের ম্যারাথনের স্টার্ট লাইনে দাঁড়ান ফুলার।

তার লক্ষ্য ছিল না শিরোপা কিংবা রেকর্ড। লড়াইটা ছিল নিজের শরীর ও অসুস্থতার বিরুদ্ধে। সেই লড়াই ৩ ঘণ্টা ১৮ মিনিটে শেষ করেন তিনি। কেমোথেরাপি নেওয়া অবস্থায় দ্রুততম ম্যারাথন সম্পন্ন করার কীর্তি হিসেবে তার অর্জন গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের স্বীকৃতি পেয়েছে।

দৌড়টি তার জন্য অত্যন্ত কঠিন ছিল বলে জানান ফুলার। প্রত্যাশিত সময়ের চেয়ে বেশি সময় লাগলেও শেষ পর্যন্ত নিজের সর্বোচ্চটা দিতে পেরে উচ্ছ্বসিত তিনি। দৌড় শেষে প্রিয়জনদের সঙ্গে কারি খেয়ে এই অর্জন উদযাপনের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

অ্যাবট ওয়ার্ল্ড ম্যারাথন মেজরসের মর্যাদা পাওয়ার পর টানা দ্বিতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত হলো সিডনি ম্যারাথন। আয়োজকদের হিসাবে, এই ম্যারাথনকে ঘিরে বিভিন্ন সময়ে দাতব্য কর্মকাণ্ডের জন্য সংগৃহীত অর্থের পরিমাণ ৩৮ মিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার ছাড়িয়েছে।

রোববার সিডনি অপেরা হাউসের সামনে তাই শুধু বিজয়ীদের নাম ও সময়ের হিসাব হয়নি। একদিকে ২১ বছরের এক তরুণ গত বছরের ব্যর্থতা পেছনে ফেলে রেকর্ড গড়েছেন, অন্যদিকে হুইলচেয়ার অ্যাথলেটরা ভেঙেছেন নিজেদের সীমা। আর ক্যানসারের চিকিৎসা চলা এক তরুণ দেখিয়েছেন—কিছু জয় পদক দিয়ে নয়, শেষ পর্যন্ত লড়ে যাওয়ার সাহস দিয়ে মাপা হয়।

কালের আলো/এসএ

জ্যাকলিনের সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙাতে নোরা উসকানি দিতেন, দাবি সুকেশের

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ৪:০২ অপরাহ্ণ
জ্যাকলিনের সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙাতে নোরা উসকানি দিতেন, দাবি সুকেশের

বলিউড অভিনেত্রী নোরা ফাতেহিকে ঘিরে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন কারাবন্দি প্রতারক সুকেশ চন্দ্রশেখর। জ্যাকলিন ফার্নান্দেজের সঙ্গে তার সম্পর্ক ভেঙে দিতে নোরা তাকে উসকানি দিতেন—এমনই বিস্ফোরক দাবি করেছেন সুকেশ।

সম্প্রতি সুকেশের নামে ভাইরাল হওয়া একটি কথিত হাতে লেখা চিঠিকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই চিঠিতে নোরাকে নিয়ে একাধিক গুরুতর অভিযোগ করেছেন সুকেশ। তবে চিঠিটি সত্যিই তার লেখা কি না, তা এখনো স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ফলে চিঠিতে থাকা অভিযোগগুলোর সত্যতা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।

কথিত চিঠিতে সুকেশ দাবি করেছেন, মরক্কোর কাসাব্লাঙ্কায় একটি বাড়ি কেনার জন্য তিনি নোরাকে কয়েক কোটি টাকা দিয়েছিলেন। এর পাশাপাশি প্রসাধনী, বিদেশি ব্র্যান্ডের ব্যাগ, বিলাসবহুল গাড়িসহ বিভিন্ন দামি উপহার দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেছেন তিনি। নোরার সঙ্গে তার হোয়াটসঅ্যাপ কথোপকথনের কিছু তথ্যও চিঠিতে তুলে ধরার দাবি করা হয়েছে।

চিঠির বড় একটি অংশে জ্যাকলিন ফার্নান্দেজের সঙ্গে সুকেশের সম্পর্কের প্রসঙ্গ উঠে এসেছে। সুকেশের অভিযোগ, তাদের সম্পর্ক নিয়ে নোরা ঈর্ষান্বিত ছিলেন। এমনকি জ্যাকলিনের সঙ্গে তার সম্পর্ক ভেঙে দেওয়ার জন্য নোরা নিয়মিত তাকে উসকানি দিতেন।

এ ছাড়া নোরা তাকে বারবার ফোন করতেন এবং দিনে প্রায় ১০ বার পর্যন্ত যোগাযোগ করে বিলাসবহুল জীবনযাপনের জন্য অর্থ দাবি করতেন বলেও দাবি করেছেন সুকেশ।

কথিত চিঠির শেষদিকে নোরাকে সতর্ক করে সুকেশ লিখেছেন, ‘আমাকে উসকানি দিয়ো না।’ পাশাপাশি তার অভিযোগের পক্ষে প্রয়োজনীয় প্রমাণ রয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। প্রয়োজনে সেসব প্রমাণ প্রকাশ্যে আনার ইঙ্গিতও দিয়েছেন।

সুকেশ চন্দ্রশেখরকে ঘিরে নোরা ফাতেহি ও জ্যাকলিন ফার্নান্দেজের সঙ্গে সম্পর্কের আলোচনা এর আগেও একাধিকবার সামনে এসেছে। নতুন করে ভাইরাল হওয়া কথিত চিঠির কারণে সেই পুরোনো বিতর্ক আবারও আলোচনায় এসেছে। তবে চিঠিটির সত্যতা এবং এতে করা অভিযোগগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

কালের আলো/এসএ

বাড়ছে কাপ্তাই হ্রদের পানি, সতর্ক করা হলো তীরবর্তী বাসিন্দাদের

রাংগামাটি প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৫৬ অপরাহ্ণ
বাড়ছে কাপ্তাই হ্রদের পানি, সতর্ক করা হলো তীরবর্তী বাসিন্দাদের

কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা দ্রুত বাড়তে থাকায় অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশনে কাপ্তাই বাঁধের স্পিলওয়ের ১৬টি জলকপাটের খোলার পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে। রোববার (৩০ আগস্ট) সকালে গেটগুলোর ওপেনিং ২ ফুট থেকে বাড়িয়ে ৩ ফুট করা হয়।

কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে স্পিলওয়ের ১৬টি গেট দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৫৮ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে নিষ্কাশন করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিট চালু থাকায় সেখান থেকেও প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩২ হাজার কিউসেক পানি নদীতে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে হ্রদ থেকে কর্ণফুলী নদীতে মোট প্রায় ৯০ হাজার কিউসেক পানি নিষ্কাশিত হচ্ছে।

কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক (তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী) মাহমুদ হাসান জানান, হ্রদের পানির উচ্চতা দ্রুত বাড়তে থাকায় রোববার ভোর ৬টার দিকে ১৬টি জলকপাট ২ ফুট করে খোলা হয়। পরে পরিস্থিতি বিবেচনায় সকালে গেটগুলোর ওপেনিং আরও ১ ফুট বাড়িয়ে ৩ ফুট করা হয়েছে।

এর আগে শনিবার (২৯ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে ১৬টি জলকপাট ৬ ইঞ্চি করে খুলে পানি নিষ্কাশন শুরু হয়। তখন প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৯ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে ছাড়া হচ্ছিল। পরে রাত ১০টা ৩৫ মিনিটে গেটগুলোর খোলার পরিমাণ বাড়িয়ে ১ ফুট করা হয়। রোববার ভোরে তা ২ ফুট এবং সকাল ১০টার দিকে ৩ ফুট করা হয়।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হ্রদের পানি দ্রুত বাড়ায় বাঁধের ওপর চাপ কমানো এবং অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশনের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে গেটগুলোর ওপেনিং বাড়ানো হচ্ছে। কাপ্তাই হ্রদের সর্বোচ্চ পানি ধারণক্ষমতা ১০৯ ফুট এমএসএল।

মাহমুদ হাসান বলেন, হ্রদের পানির উচ্চতা, বৃষ্টিপাত এবং উজান থেকে আসা পানির পরিমাণ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় পানি নিষ্কাশনের পরিমাণ আরও বাড়ানো বা কমানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এদিকে স্পিলওয়ের গেট দিয়ে বিপুল পরিমাণ পানি কর্ণফুলী নদীতে প্রবাহিত হওয়ায় নদীর পানির উচ্চতা বাড়তে পারে। এ কারণে কাপ্তাই, রাঙামাটি ও চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

ভূমি ব্যবস্থার আধুনিকায়নে ইউএনডিপির সহযোগিতা চান ভূমিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৪২ অপরাহ্ণ
ভূমি ব্যবস্থার আধুনিকায়নে ইউএনডিপির সহযোগিতা চান ভূমিমন্ত্রী

ভূমি ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালু এবং ভূমিসেবায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) সহযোগিতা চেয়েছেন ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু।

রোববার (৩০ আগস্ট) ভূমি মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর দফতরে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি স্টিভেন রড্রিগেজের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ সহযোগিতা চান। এ সময় পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

ভূমিমন্ত্রী বলেন, ভূমি ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং জনগণের জন্য সহজ ও স্বচ্ছ ভূমিসেবা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। এক্ষেত্রে ইউএনডিপিসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে যৌথ অংশীদারত্ব বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

ভূমি ব্যবস্থাপনায় সর্বাধুনিক প্রযুক্তিগত সহযোগিতা, প্রশিক্ষণ ও গবেষণার ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ এবং সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য ইউএনডিপির প্রতি আহ্বান জানান ভূমিমন্ত্রী।

এ সময় ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বাংলাদেশের ভূমি ব্যবস্থাপনা ও এর ডিজিটালাইজেশনের বিভিন্ন পরিকল্পনা সম্পর্কে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধিকে অবহিত করেন।

ভূমিসেবা ডিজিটালাইজেশন বাংলাদেশের একটি অসাধারণ অর্জন হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেবা ডিজিটালাইজেশনের ফলে জনগণ আরও বেশি ক্ষমতায়িত হচ্ছে এবং সরকারি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা বাড়ছে। একই সঙ্গে এর মাধ্যমে ভূমিসেবায় মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্যও অনেকাংশে কমে এসেছে।

সাক্ষাৎকালে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি স্টিভেন রড্রিগেজ বলেন, অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা, দুর্যোগ সহনশীলতা জোরদার করা এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের গতি বাড়াতে বাংলাদেশ সরকার, উন্নয়ন সহযোগী, সুশীল সমাজ, বেসরকারি খাত ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সঙ্গে সম্মিলিতভাবে কাজ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নযাত্রায় অবদান রাখার সুযোগ পাওয়া আমার জন্য অত্যন্ত গর্বের। বাংলাদেশ সরকার, জনগণ ও উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে একযোগে কাজ করে আগের অর্জনগুলো ধরে রাখার পাশাপাশি মানুষের কল্যাণে নতুন, টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাধান তৈরি করতে হবে।

সাক্ষাৎকালে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ এবং ইউএনডিপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ