খুঁজুন
                               
, ,
           

শিক্ষার মানে অনন্য, স্বীকৃতিতেও সেরা ময়মনসিংহ কমার্স কলেজ

ময়মনসিংহ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০২ অপরাহ্ণ
শিক্ষার মানে অনন্য, স্বীকৃতিতেও সেরা ময়মনসিংহ কমার্স কলেজ

জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৬-এ শিক্ষার মান, সুশৃঙ্খল পরিবেশ ও শিক্ষা কার্যক্রমে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত হয়েছে ময়মনসিংহ কমার্স কলেজ। একই সঙ্গে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিত হয়েছেন কলেজটির অধ্যক্ষ এখলাস উদ্দিন খান।

একই সঙ্গে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও প্রতিষ্ঠান প্রধানের শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে। প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্টদের মতে, দীর্ঘদিনের মানসম্মত শিক্ষা কার্যক্রম, শিক্ষকদের আন্তরিকতা, শিক্ষার্থীদের সাফল্য এবং সুশৃঙ্খল পরিবেশের ধারাবাহিক ফল হিসেবেই এ স্বীকৃতি এসেছে।

এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছ থেকে পুরস্কার ও সনদপত্র গ্রহণ করেন ময়মনসিংহ কমার্স কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান আবু মোহাম্মদ সায়েম এবং অধ্যক্ষ এখলাস উদ্দিন খান।

অধ্যক্ষ এখলাস উদ্দিন খান বলেন, জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিষ্ঠান শ্রেষ্ঠ এবং তিনি শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিত হওয়ায় তারা আনন্দিত ও গর্বিত। এ অর্জন শুধু ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নয়; শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল।

তিনি বলেন, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য শুধু ভালো ফলাফল অর্জন নয়; শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, নৈতিকতা, শৃঙ্খলা, সৃজনশীলতা ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকশিত করাও গুরুত্বপূর্ণ। এ স্বীকৃতি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ভবিষ্যতে শিক্ষার মান আরও উন্নত করে শিক্ষার্থীদের যুগোপযোগী জ্ঞান ও দক্ষতায় গড়ে তুলতে কাজ করা হবে।

২০০৭ সালে প্রতিষ্ঠিত ময়মনসিংহ কমার্স কলেজটি শহরের প্রাণকেন্দ্র নতুন বাজারে অবস্থিত। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই মানসম্মত শিক্ষা ও আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থার সমন্বয়ে শিক্ষার্থীদের গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি।

কলেজটিতে এইচএসসির পাশাপাশি বিজ্ঞান, মানবিক, ব্যবসায় শিক্ষা ও বিএমটি শাখায় পাঠদান করা হয়। শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে সুসজ্জিত শ্রেণিকক্ষ, সমৃদ্ধ লাইব্রেরি ও আধুনিক কম্পিউটার ল্যাব। পাশাপাশি খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক চর্চা এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন দিবস পালনসহ নানা সহশিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্টরা জানান, শুধু পরীক্ষার ফলাফলের দিকে নজর না দিয়ে শিক্ষার্থীদের মেধা, মনন, সৃজনশীলতা ও আত্মবিশ্বাস বিকাশে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরিতেও বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

প্রায় দুই দশকের পথচলায় ময়মনসিংহ কমার্স কলেজের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন ও সাফল্যের গল্প। সাবেক শিক্ষার্থীদের অনেকেই দেশের বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়ন করছেন এবং কর্মক্ষেত্রেও সাফল্যের স্বাক্ষর রাখছেন।

জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৬-এ বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং একই সঙ্গে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিত হওয়ায় ময়মনসিংহ কমার্স কলেজের শিক্ষা কার্যক্রমে নতুন অনুপ্রেরণা সৃষ্টি হয়েছে। এ সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে শিক্ষার মানোন্নয়ন ও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রতিষ্ঠানটির সংশ্লিষ্টরা।

পে-স্কেল কার্যকর হলে ওয়েজ বোর্ডের কাজও এগোবে: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩৯ পূর্বাহ্ণ
পে-স্কেল কার্যকর হলে ওয়েজ বোর্ডের কাজও এগোবে: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

নতুন জাতীয় বেতনস্কেল কার্যকর হলে সাংবাদিকদের জন্য গঠিত ওয়েজ বোর্ডের কার্যক্রমেও গতি আসবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি।

সোমবার (৩১ আগস্ট) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে জাতীয় বেতনস্কেল ২০২৬ অনুমোদনের পর সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

ওয়েজ বোর্ডের কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন করা হলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, নতুন বেতনস্কেল কার্যকর হওয়ার পর এ কার্যক্রমে গতি আসবে। তিনি বলেন, বিষয়টি আর আগের মতো স্থবির অবস্থায় পড়ে থাকবে না।

সরকারি চাকরিজীবীরা প্রায় এক দশক পর নতুন পে-স্কেল পেলেও সাংবাদিকদের জন্য নতুন ওয়েজ বোর্ড গঠন ও বাস্তবায়ন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা চলছে। জীবনযাত্রার ব্যয় ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধির বিষয়টিও এ আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

বেসরকারি খাতে কর্মরতদের বেতন-ভাতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও প্রতিষ্ঠানে প্রতিবছর নির্দিষ্ট হারে বেতন বাড়ানোর ব্যবস্থা রয়েছে। তবে যারা বেতনস্কেলের ওপর নির্ভরশীল, তাদের জন্য নতুন বেতনস্কেলের মাধ্যমে বেতন বৃদ্ধির বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও জানান, নতুন বেতনস্কেল বাস্তবায়নের সম্ভাব্য আর্থিক প্রভাব, অর্থের সংস্থান এবং বাজারে এর প্রতিক্রিয়া নিয়ে সংশ্লিষ্ট পর্যায়ে আলোচনা ও বৈঠক হয়েছে।

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত পরে

এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা নতুন জাতীয় বেতনস্কেলের আওতায় আসবেন কি না—এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

তিনি বলেন, এ বিষয়ে এখনই বিস্তারিত কিছু বলা সম্ভব নয়। পরবর্তী সময়ে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

ইন্দোনেশিয়াকে উড়িয়ে এশিয়া কাপে বাংলাদেশের শুভসূচনা

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩১ পূর্বাহ্ণ
ইন্দোনেশিয়াকে উড়িয়ে এশিয়া কাপে বাংলাদেশের শুভসূচনা

নারী এশিয়া কাপে দুর্দান্ত জয় দিয়ে অভিযান শুরু করেছে বাংলাদেশ। টুর্নামেন্টের নিজেদের প্রথম ম্যাচে ইন্দোনেশিয়াকে ৭১ রানে হারিয়েছে নিগার সুলতানা জ্যোতির দল।

দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১২৯ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪০ রান করেন সোবহানা মোস্তারি। ৪২ বলের ইনিংসে তিনি দুটি চার ও একটি ছক্কা হাঁকান। শেষ দিকে স্বর্ণা আক্তারের ঝোড়ো ১৮ বলে ৩১ রানের ইনিংসে লড়াইয়ের মতো সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের শুরুটা অবশ্য ভালো ছিল না। ১৬ রানে প্রথম উইকেট হারানোর পর দিলারা আক্তার ও সোবহানা মোস্তারি দ্বিতীয় উইকেটে দলকে সামলে নেন। দিলারা ৩১ বলে ২৭ রান করেন। এরপর অধিনায়ক নিগার সুলতানা ১১ বলে ১০ রান করে ফিরে গেলেও সোবহানা ইনিংসের হাল ধরে রাখেন।

শেষ পাঁচ ওভারে পাঁচ উইকেট হারালেও স্বর্ণার আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ১২৯ রানে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ।

জয়ের জন্য ১৩০ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই বাংলাদেশের বোলিংয়ের সামনে বিপাকে পড়ে ইন্দোনেশিয়া। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানো দলটি কোনো পর্যায়েই ম্যাচে ফিরতে পারেনি।

শেষ পর্যন্ত মাত্র ৫৮ রানে গুটিয়ে যায় ইন্দোনেশিয়ার ইনিংস। ফলে ৭১ রানের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ।

ব্যাট হাতে লড়াকু সংগ্রহের পর বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স—সব মিলিয়ে এশিয়া কাপে আত্মবিশ্বাসী সূচনা করেছে নিগার সুলতানার দল।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শেষে ফাইনালে মোহনপুর

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ১০:২১ অপরাহ্ণ
হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শেষে ফাইনালে মোহনপুর

রাজশাহী জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠেছে গতবারের চ্যাম্পিয়ন মোহনপুর উপজেলা ফুটবল দল। তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ প্রথম সেমিফাইনালে পবা উপজেলা ফুটবল দলকে টাইব্রেকারে ৪-২ গোলে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে মোহনপুর।

সোমবার মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচটি দেখতে মাঠে উপস্থিত ছিলেন প্রায় ১৭ হাজার দর্শক। ২২ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার গ্যালারিতে ম্যাচজুড়ে ছিল উৎসবের আমেজ।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠে লড়াই। দুই দলই বেশ কয়েকটি গোলের সুযোগ তৈরি করলেও তা কাজে লাগাতে পারেনি। ফলে গোলশূন্য অবস্থায় শেষ হয় প্রথমার্ধ।

দ্বিতীয়ার্ধেও গোলের জন্য মরিয়া হয়ে খেলতে থাকে দুই দল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গোল করে ম্যাচের ফল নিজেদের পক্ষে নেওয়ার চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত কোনো দলই সফল হয়নি। নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা গোলশূন্য থাকায় ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে।

দুই দলই নিজেদের শক্তি বাড়াতে নাইজেরিয়ান ফুটবলার দলে নিয়েছিল। মোহনপুরের দলে ছিলেন দুজন নাইজেরিয়ান খেলোয়াড়, আর পবার দলে ছিলেন একজন। পবা মূলত তাদের নাইজেরিয়ান ফুটবলার বেনজামাকে দিয়ে আক্রমণ পরিচালনার চেষ্টা করলেও কাঙ্ক্ষিত সাফল্য পায়নি।

শেষ পর্যন্ত টাইব্রেকারে ৪-২ গোলে পবাকে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করে মোহনপুর উপজেলা ফুটবল দল।

ম্যাচটি পরিচালনা করেন রেফারি আক্তার হোসেন। খেলা উপভোগ করতে রাজশাহী জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলামসহ জেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে আগামী বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) মুখোমুখি হবে পুঠিয়া উপজেলা ফুটবল দল ও দুর্গাপুর উপজেলা ফুটবল দল। ওই ম্যাচের বিজয়ী দল ফাইনালে মোহনপুরের প্রতিপক্ষ হবে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি