খুঁজুন
                               
, ,
           

আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানিয়ে দিলেন মেসি

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৫৬ অপরাহ্ণ
আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানিয়ে দিলেন মেসি

আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের জার্সিতে আর দেখা যাবে না লিওনেল মেসিকে। দীর্ঘ ২০ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টেনে জাতীয় দল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা এক আবেগঘন চিঠিতে নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানান ৩৯ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড।

বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হারের পর থেকেই মেসির আন্তর্জাতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা চলছিল। নিউইয়র্কের নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ওই ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের গোলে শিরোপা হারায় আর্জেন্টিনা।

তবে ফাইনালের পরপরই অবসরের ঘোষণা দেননি মেসি। বরং ২১ জুলাই দেওয়া এক বার্তায় তিনি জানিয়েছিলেন, ফাইনালের পরের যন্ত্রণা কাটতে সময় লাগবে এবং বিশ্বকাপে দলের অর্জন ও সমর্থকদের ভালোবাসাকে তিনি স্মরণীয় করে রাখতে চান। তখনও জাতীয় দল থেকে অবসরের বিষয়ে সরাসরি কিছু বলেননি তিনি।

এরপর আগস্টে বাবার মৃত্যু মেসির সিদ্ধান্তকে আরও দৃঢ় করে। মেসির বাবা ও দীর্ঘদিনের এজেন্ট হোর্হে মেসি ৮ আগস্ট ৬৮ বছর বয়সে মারা যান। বাবার মৃত্যুর পর মেসি নিজের ফুটবল ভবিষ্যৎ নিয়েও গভীর অনিশ্চয়তার কথা জানিয়েছিলেন।

এবার সেই অনিশ্চয়তার অবসান ঘটিয়ে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলকে বিদায় জানালেন তিনি।

মেসি তার চিঠির শুরুতেই লিখেছেন, দীর্ঘ সময় ধরে ভাবার পর তিনি জাতীয় দল থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সিদ্ধান্তটি তার জন্য অত্যন্ত কষ্টের হলেও এটিই সঠিক সময় বলে মনে করছেন তিনি।

জাতীয় দলের হয়ে নিজের সর্বোচ্চটা দেওয়ার কথাও স্মরণ করেছেন মেসি। শুধু সাম্প্রতিক সময়ে শিরোপা জয়ের সময় নয়, তার আগেও প্রতিটি ম্যাচে আর্জেন্টিনার জার্সির জন্য নিজের সবটুকু উজাড় করে দেওয়ার কথা বলেছেন তিনি।

মেসির ভাষায়, জাতীয় দলের হয়ে খেলা তার কাছে সবসময়ই ছিল ভালোবাসার বিষয়। তবে এখন মনে হচ্ছে, তার দেওয়ার মতো আর কিছু বাকি নেই। একই সঙ্গে তিনি আর্জেন্টিনার নতুন প্রজন্মের ফুটবলারদের জায়গা করে দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেছেন।

সবচেয়ে আবেগঘন বার্তাটি এসেছে সমর্থকদের উদ্দেশে। দুই দশক ধরে জাতীয় দলের হয়ে খেলার সময় সমর্থকদের যে ভালোবাসা পেয়েছেন, তা তিনি কখনো ভুলবেন না বলে জানিয়েছেন।

এখন থেকে মাঠের ভেতর নয়, গ্যালারির বাইরে থেকে আর্জেন্টিনাকে সমর্থন করবেন তিনি। অর্থাৎ, জাতীয় দলের জার্সিতে আর নয়—একজন সাধারণ সমর্থক হিসেবেই প্রিয় দলকে অনুসরণ করবেন সর্বকালের অন্যতম সেরা এই ফুটবলার।

মেসি তার পরিবার, জাতীয় দলের সতীর্থ, কোচ ও কর্মকর্তাদেরও ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তাদের সঙ্গে কাটানো সময়কে নিজের জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় অধ্যায়গুলোর একটি হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি।

চিঠির শেষদিকে মেসি লিখেছেন, আর্জেন্টিনার হয়ে পাওয়া সব অর্জন ও স্মৃতি নিয়ে তিনি গর্বিত। সতীর্থদের সঙ্গে মিলে দেশকে কিছু ‘স্বপ্নের মুহূর্ত’ উপহার দিতে পেরেছেন- এটাই তার সবচেয়ে বড় তৃপ্তি।

এরপর ভালোবাসা ও আবেগে তিনি লিখেছেন- ঈশ্বর তাকে আর্জেন্টাইন হিসেবে জন্ম দেওয়ায় তিনি কৃতজ্ঞ। শেষ করেছেন, ‘গো আর্জেন্টিনা!’ বার্তা দিয়ে।

তবে মেসির প্রকাশিত চিঠির সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো এর সময়কাল। তিনি জানিয়েছেন, চিঠিটি মূলত লিখেছিলেন ২১ জুলাই- বিশ্বকাপ ফাইনালের দুদিন পর। অর্থাৎ স্পেনের কাছে হারের পরই জাতীয় দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত প্রায় নিয়ে ফেলেছিলেন তিনি। কিন্তু বাবার মৃত্যুর পর সেই সিদ্ধান্ত আরও দৃঢ় হয়েছে।

দুই দশকের অবিস্মরণীয় অধ্যায়ের শেষ
আর্জেন্টিনার জার্সিতে মেসির পথচলা শুরু হয়েছিল ২০০৫ সালে। দীর্ঘ দুই দশকে তিনি জাতীয় দলের হয়ে বিশ্বকাপ, কোপা আমেরিকা ও ফাইনালিসিমা জয়ের পাশাপাশি অসংখ্য রেকর্ড গড়েছেন।

বিশ্বকাপ ২০২৬-এ ৩৯ বছর বয়সেও তিনি আর্জেন্টিনাকে ফাইনালে তুলেছিলেন। আসরে আট গোল ও চার অ্যাসিস্ট নিয়ে দলের আক্রমণের নেতৃত্ব দিয়েছেন বলে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনও (এএফএ) উল্লেখ করেছে।

২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে চ্যাম্পিয়ন করার পর মেসির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় অপূর্ণতাও পূরণ হয়েছিল। কিন্তু ২০২৬ সালে শিরোপা ধরে রাখার শেষ সুযোগটি স্পেনের কাছে হেরে শেষ হয়।

এবার সেই হারের কয়েক সপ্তাহ পরই জাতীয় দলকে আনুষ্ঠানিক বিদায় জানালেন তিনি। ফলে আর্জেন্টিনার জার্সিতে মেসির শেষ ম্যাচ হিসেবে ইতিহাসে থেকে যাচ্ছে স্পেনের বিপক্ষে বিশ্বকাপ ফাইনালটিই।

একটি যুগের শেষ- মেসি আর আর্জেন্টিনার হয়ে মাঠে নামবেন না। তবে তার রেখে যাওয়া স্মৃতি, অর্জন ও অসংখ্য অবিস্মরণীয় মুহূর্ত আর্জেন্টাইন ফুটবলের ইতিহাসে চিরকাল বেঁচে থাকবে।

কালের আলো/এম/এএইচ

আইপিও ছাড়াই সরাসরি তালিকাভুক্তির বিধিমালা অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:২৫ অপরাহ্ণ
আইপিও ছাড়াই সরাসরি তালিকাভুক্তির বিধিমালা অনুমোদন

পুঁজিবাজারে আইপিও ছাড়াই সরাসরি সিকিউরিটিজ তালিকাভুক্তির সুযোগ দিতে নতুন বিধিমালার খসড়া অনুমোদন করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। একই সঙ্গে পুঁজিবাজারে নতুন পণ্য হিসেবে ফিন্যান্সিয়াল ডেরিভেটিভস চালুর জন্য ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনাও অনুমোদন করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

মঙ্গলবার বিএসইসির ১০২৭তম কমিশন সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিশনের চেয়ারম্যান মাসুদ খান। পরে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আবুল কালাম স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

সভায় ‘বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (ডাইরেক্ট লিস্টিং অব সিকিউরিটিজ বাই স্টক এক্সচেঞ্জ) রুলস, ২০২৬’-এর খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়। খসড়াটি শিগগিরই জনমত যাচাইয়ের জন্য বিভিন্ন সংবাদপত্র ও বিএসইসির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

প্রস্তাবিত বিধিমালা অনুযায়ী, বিদ্যমান শেয়ারহোল্ডারদের মালিকানাধীন ১০ থেকে ২০ শতাংশ শেয়ার অফলোডের মাধ্যমে কোনো কোম্পানি আইপিও ছাড়াই সরাসরি স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত হতে পারবে। তবে এ সুবিধা নিতে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিকে নির্ধারিত শর্ত পূরণ করতে হবে।

এ সুবিধার আওতায় সরকারি বা সরকারের সংখ্যাগরিষ্ঠ মালিকানাধীন কোম্পানি, নির্দিষ্ট পরিমাণ সরকারি মালিকানা রয়েছে এমন প্রতিষ্ঠান, বিদেশি শেয়ারহোল্ডারদের মালিকানাধীন কোম্পানি এবং নির্দিষ্ট মূলধন ও ব্যবসায়িক সক্ষমতাসম্পন্ন টেলিযোগাযোগ, আইসিটি, অবকাঠামো ও উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত থাকবে। পাশাপাশি নির্দিষ্ট শর্ত পূরণকারী ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বীমা কোম্পানি এবং স্টক এক্সচেঞ্জ-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানও এ সুবিধা পেতে পারে।

এদিকে জেড-ক্যাটাগরির কোম্পানির শেয়ার হস্তান্তরের ক্ষেত্রেও পূর্বানুমোদনের নিয়ম শিথিল করেছে বিএসইসি। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ঋণখেলাপির কারণে শেয়ার বাজেয়াপ্ত বা কোনো শেয়ারহোল্ডারের মৃত্যুর কারণে শেয়ার হস্তান্তরের ক্ষেত্রে বিএসইসির পূর্বানুমোদন আর প্রয়োজন হবে না। সংশ্লিষ্ট স্টক এক্সচেঞ্জ তাদের নিজস্ব তালিকাভুক্তি বিধিমালা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে।

বিদেশি শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ পাঠানোর ক্ষেত্রেও সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড থেকে ডাবল ট্যাক্সেশন অ্যাভয়ডেন্স (ডিটিএ) সার্টিফিকেট পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে এবং সংশ্লিষ্ট অর্থবছরের মধ্যেই ঘোষিত বা অনুমোদিত লভ্যাংশ পাঠাতে হবে।

অন্যদিকে, পুঁজিবাজারে ফিন্যান্সিয়াল ডেরিভেটিভস চালুর জন্য ডিএসইর কর্মপরিকল্পনাও অনুমোদন করেছে বিএসইসি। এতে নিয়ন্ত্রক কাঠামো, প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা, অবকাঠামো, ক্লিয়ারিং-সেটেলমেন্ট এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

প্রাথমিকভাবে ‘ইনডেক্স ফিউচার’ দিয়ে ডেরিভেটিভসের কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। সব প্রস্তুতি ঠিকভাবে এগোলে ২০২৮ সালের জানুয়ারিতে ডিএসইতে এর আনুষ্ঠানিক লেনদেন শুরু হতে পারে। কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করবে বিএসইসি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

রপ্তানি আয়ে সুখবর, আগস্টে আয় ৪.৪৩ বিলিয়ন ডলার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১৩ অপরাহ্ণ
রপ্তানি আয়ে সুখবর, আগস্টে আয় ৪.৪৩ বিলিয়ন ডলার

নতুন অর্থবছরের দ্বিতীয় মাস আগস্টে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি আয়ে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এ মাসে দেশ থেকে মোট ৪ দশমিক ৪৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ৩ দশমিক ৯২ বিলিয়ন ডলার। ফলে এক বছরের ব্যবধানে রপ্তানি আয় বেড়েছে ১৩ দশমিক ১৪ শতাংশ।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত তথ্যে এ চিত্র উঠে এসেছে।

রপ্তানি আয়ের প্রধান চালিকাশক্তি তৈরি পোশাক খাতেও আগস্টে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এ মাসে তৈরি পোশাক রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৩ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৩ দশমিক ৯২ শতাংশ বেশি।

২০২৫ সালের আগস্টে তৈরি পোশাক খাত থেকে রপ্তানি আয় হয়েছিল ৩ দশমিক ১৭ বিলিয়ন ডলার।

এদিকে আগস্টের প্রবৃদ্ধির ফলে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাস জুলাই-আগস্টে দেশের মোট পণ্য রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ১৬ বিলিয়ন ডলারে। আগের অর্থবছরের একই সময়ে রপ্তানি আয় ছিল ৮ দশমিক ৬৯ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ দুই মাসে রপ্তানি আয় বেড়েছে ৫ দশমিক ৪৩ শতাংশ।

ইপিবি বলছে, বৈশ্বিক বাণিজ্য পরিবেশ নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যেও প্রধান রপ্তানি বাজারগুলোতে চাহিদা বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশের পণ্যের প্রতি ক্রেতাদের আস্থা বাড়ায় আগস্টে রপ্তানি আয় শক্তিশালী হয়েছে।

এ ছাড়া উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি, উচ্চ মূল্যসংযোজিত পণ্যের রপ্তানি বাড়ানো এবং নতুন পণ্য ও বাজারে বৈচিত্র্য আনার উদ্যোগও রপ্তানি প্রবৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে বলে জানিয়েছে ইপিবি।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

ডেঙ্গুতে মৃত্যু একশ ছাড়ালো

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৩৯ অপরাহ্ণ
ডেঙ্গুতে মৃত্যু একশ ছাড়ালো

ক্রমেই ভয়ানক হয়ে উঠছে মশাবাহিত ডেঙ্গু। গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে রোগটিতে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে এবং আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৩২৪ জন। যা চলতি বছরে সর্বোচ্চ মৃত্যু ও আক্রান্তের নতুন রেকর্ড।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে প্রকাশিত ডেঙ্গুবিষয়ক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এ নিয়ে চলতি বছরে মঙ্গলবার পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০২ জনে। একই সময়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা হয়ে গেল ৩৭ হাজার ১৭০ জন।

এর আগে সোমবার (৩১ আগস্ট) ডেঙ্গুতে একদিনে সারাদেশে চারজনের মৃত্যু হয়। এদিন রোগটিতে আক্রান্ত হন এক হাজার ৯৭ জন, যা ছিল চলতি বছরে একদিনে সর্বোচ্চ।

প্রতিবেদন বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া পাঁচজনের মধ্যে দুজন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বাসিন্দা। বাকি তিনজনের একজন ঢাকা উত্তর সিটি, একজন চট্টগ্রামের এবং একজন ময়মনসিংহ বিভাগের।

প্রতিবেদন আরও বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তদের মাঝে বরিশাল বিভাগের ১২১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের ১৩৯ জন, ঢাকা বিভাগের ২৯৮ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ১৪২ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১৩৮ জন, খুলনা বিভাগের ২৪৬ জন, ময়মনসিংহ বিভাগের ৮৭ জন, রাজশাহী বিভাগের ১১৪ জন, রংপুর বিভাগের ৩৪ জন এবং সিলেট বিভাগের ৫ জন রোগী রয়েছেন।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ১৮০ জন ডেঙ্গু রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। চলতি বছরে এই সংখ্যা মোট ৩৪ হাজার ৩৮৫ জন।

এর আগে গত বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন এবং মারা যান ৪১৩ জন। অন্যদিকে ২০২৪ সালে আক্রান্ত হয়েছিলেন ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং মৃত্যু হয় ৫৭৫ জনের।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ