খুঁজুন
                               
, ,
           

মিসাইল-ড্রোন হামলা: কুয়েত প্রবাসীদের সতর্ক করল বাংলাদেশ দূতাবাস

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৫৯ অপরাহ্ণ
মিসাইল-ড্রোন হামলা: কুয়েত প্রবাসীদের সতর্ক করল বাংলাদেশ দূতাবাস

কুয়েতে নতুন করে মিসাইল ও ড্রোন হামলার প্রেক্ষাপটে দেশটিতে বসবাসরত বাংলাদেশি নাগরিকদের বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ দূতাবাস।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানানো হয়।

দূতাবাসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নিরাপত্তার স্বার্থে কুয়েতে বসবাসরত বাংলাদেশিদের সামরিক স্থাপনা ও এর আশপাশের এলাকা থেকে দূরে থাকতে হবে। একই সঙ্গে কুয়েতের আইন মেনে চলার পাশাপাশি দেশটির সরকারের দেওয়া নিরাপত্তা নির্দেশনা অনুসরণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এ ছাড়া মিসাইল ও ড্রোন হামলা সংক্রান্ত কোনো ছবি বা ভিডিও ধারণ না করার জন্যও প্রবাসীদের সতর্ক করেছে দূতাবাস।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রেও সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। বর্তমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে কোনো ছবি বা ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপলোড কিংবা শেয়ার না করার জন্যও প্রবাসীদের অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ দূতাবাস।

নিরাপত্তার স্বার্থে কুয়েতে অবস্থানরত সব বাংলাদেশি নাগরিককে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলার পাশাপাশি সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানানো হয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

কালো ধোঁয়ার গাড়িতে এবার ডিএমপির কড়া নজর

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:০০ পূর্বাহ্ণ
কালো ধোঁয়ার গাড়িতে এবার ডিএমপির কড়া নজর

রাজধানীর সড়কে কালো ধোঁয়া ছড়ানো যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। অতিরিক্ত কালো ধোঁয়া নির্গমনকারী কোনো গাড়ি চোখে পড়লেই আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ বলছে, শুধু মামলা ও জরিমানা নয়, দূষণ কমাতে গাড়ির মালিকদের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করাও জরুরি।

ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) আনিছুর রহমান জানান, গত জুলাই মাসে কালো ধোঁয়া নির্গমনকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে ৯১৫টি মামলা করা হয়েছে। এসব গাড়ির বড় অংশ বাস ও কাভার্ডভ্যান। তার ভাষ্য, কালো ধোঁয়া নির্গমন দৃশ্যমান হওয়ায় তা শনাক্ত করতে আলাদা কোনো যন্ত্রের প্রয়োজন হয় না। সড়কে কোনো গাড়িকে অতিরিক্ত কালো ধোঁয়া ছাড়তে দেখা গেলেই সড়ক পরিবহন আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

তবে এখানেই সমস্যার মূল সমাধান হচ্ছে না। কারণ, অনেক গাড়ির বিরুদ্ধে একাধিকবার মামলা হলেও মালিকরা যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ করছেন না। ফলে জরিমানা দেওয়ার পরও একই গাড়ি আবার দূষণ ছড়াচ্ছে। এমনকি কোনো গাড়ির বিরুদ্ধে মামলা করার পর সেটি পুনরায় একই অপরাধ করতে দেখা গেলে দ্বিগুণ জরিমানার ব্যবস্থাও করা হচ্ছে।

ডিএমপির বক্তব্যে উঠে এসেছে সমস্যাটির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক—দায়িত্বের বিভাজন। গাড়ির ফিটনেস বা মান নিশ্চিত করা ট্রাফিক পুলিশের সরাসরি দায়িত্ব নয়। যানবাহনগুলো প্রতি বছর বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কাছ থেকে ফিটনেস সনদ নেয়। কিন্তু বাস্তবে ফিটনেস সনদ পাওয়ার পরও কোনো কোনো গাড়ি রাস্তায় কালো ধোঁয়া ছড়াচ্ছে। এতে ফিটনেস পরীক্ষার কার্যকারিতা, গাড়ির নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ এবং মালিকদের দায়বদ্ধতা—তিনটিই প্রশ্নের মুখে পড়ছে।

সাধারণত ইঞ্জিনে ত্রুটি থাকলে কালো ধোঁয়া তৈরি হয়। নিম্নমানের জ্বালানি ব্যবহারেও ইঞ্জিন দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে দূষণ বাড়তে পারে। অর্থাৎ সড়কে একটি কালো ধোঁয়ার গাড়ি ধরা পড়া মূলত বৃহত্তর রক্ষণাবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থার দুর্বলতারও ইঙ্গিত দেয়।

পরিবেশের পাশাপাশি এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে জনস্বাস্থ্যে। সবচেয়ে ঝুঁকিতে রয়েছেন ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা। সাধারণ মানুষ কিছু সময় পর দূষিত সড়ক থেকে সরে যেতে পারলেও দায়িত্ব পালনের কারণে ট্রাফিক পুলিশকে দীর্ঘ সময় রাস্তায় থাকতে হয়। কালো ধোঁয়ার কারণে চোখে জ্বালাপোড়া এবং শ্বাসের সঙ্গে দূষিত কণা ফুসফুসে প্রবেশ করে দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

কালো ধোঁয়া নিয়ন্ত্রণে ডিএমপি বিআরটিএ ও পরিবেশ অধিদফতরের সঙ্গে সমন্বয় করে যৌথ চেকপোস্টও পরিচালনা করছে। কিন্তু এখানেও রয়েছে বাস্তব সমস্যা। চেকপোস্টের খবর পেয়ে অনেক দূষণকারী যানবাহন সাময়িকভাবে রাস্তায় চলাচল বন্ধ রেখে আড়ালে চলে যায়। অভিযান শেষ হলে আবার সড়কে নামে। পুলিশের প্রতিদিন প্রতিটি গাড়ি পরীক্ষা বা মামলা করার মতো পর্যাপ্ত সক্ষমতাও নেই।

তাই ডিএমপির এই অভিযান গুরুত্বপূর্ণ হলেও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের জন্য সমন্বিত ব্যবস্থা প্রয়োজন। গাড়ির ফিটনেস পরীক্ষার মান বাড়ানো, ত্রুটিপূর্ণ গাড়ির নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করা, নিম্নমানের জ্বালানি ব্যবহারের বিরুদ্ধে নজরদারি এবং মালিক-শ্রমিকদের জবাবদিহির আওতায় আনা—সবকিছুকে একই কাঠামোর মধ্যে আনতে হবে।

কালো ধোঁয়ার মতো দৃশ্যমান দূষণ শুধু আইনশৃঙ্খলার বিষয় নয়; এটি নগরবাসীর স্বাস্থ্য ও পরিবেশের প্রশ্ন। ফলে মামলা-জরিমানার পাশাপাশি দূষণের উৎস বন্ধ করাই এখন ডিএমপি, বিআরটিএ ও পরিবেশ অধিদফতরের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ।

একই সঙ্গে অতিরিক্ত হর্ন ও শব্দদূষণের বিরুদ্ধেও অভিযান চালাচ্ছে ডিএমপি। রাজধানীর নীরব এলাকায় সাইনবোর্ড থাকলেও তা অমান্য করে নিয়মিত হর্ন বাজানোর অভিযোগ রয়েছে। শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছে পুলিশ। উন্নত বিশ্বে ব্যবহৃত ‘হর্ন পি’ প্রযুক্তির মাধ্যমে অতিরিক্ত হর্ন বাজানো যান শনাক্ত করার উদ্যোগ ভবিষ্যতে ঢাকার শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।

কালের আলো/এম/এএইচ

মার্কিন নির্বাচনের সময় ইরান হামলা চালাতে পারে: সাবেক রাষ্ট্রদূত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩৬ পূর্বাহ্ণ
মার্কিন নির্বাচনের সময় ইরান হামলা চালাতে পারে: সাবেক রাষ্ট্রদূত

আগামী ছয় সপ্তাহের মধ্যে ইরান আকস্মিক কোনো হামলা চালাতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিউনিশিয়ায় দায়িত্ব পালন করা যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত জোয়ে হুড। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের সময়কে ইরান সম্ভাব্য হামলার জন্য বেছে নিতে পারে বলে মনে করছেন তিনি।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ আশঙ্কার কথা জানান সাবেক এই মার্কিন কূটনীতিক।

জোয়ে হুড বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টদের বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলার ক্ষেত্রে ইরানের একটি ইতিহাস রয়েছে। অতীতের বিভিন্ন মার্কিন প্রশাসনের সময়ও নির্বাচনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তেহরান এমন পদক্ষেপ নিয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি বলেন, আগামী নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এ সময় জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ভোটারদের ওপর চাপ সৃষ্টি করাকে ইরান একটি সুযোগ হিসেবে বিবেচনা করতে পারে।

সাবেক এই রাষ্ট্রদূতের মতে, মার্কিন ভোটাররা পেট্রোলের দামের বিষয়ে অত্যন্ত সংবেদনশীল। ফলে তেলের বাজারে অস্থিরতা তৈরি হলে তা যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে।

এদিকে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কোনো সরাসরি আলোচনা চলছে না। দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন জোয়ে হুড। তবে মধ্যস্থতাকারী দেশগুলো কার্যকর উদ্যোগ নিলে পরিস্থিতির পরিবর্তন হতে পারে বলে মনে করেন তিনি।

তিনি বলেন, মধ্যস্থতাকারীরা যদি চমকপ্রদ কোনো উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে আসতে না পারে, তাহলে চলমান কূটনৈতিক তৎপরতার কার্যকারিতা খুব বেশি হবে না।

হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে উত্তেজনা কমাতেও তৃতীয় পক্ষের উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি। তার ভাষ্য, মক্কা চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী দেশগুলো তাদের নৌশক্তি নিয়ে উপসাগর ও উত্তর আরব সাগরে উপস্থিত হয়ে হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে। এতে জাহাজ চলাচল নিরাপদ রাখার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধের প্রয়োজনীয়তাও কমতে পারে।

তবে জোয়ে হুডের বক্তব্যটি একটি আশঙ্কা ও বিশ্লেষণ, ইরানের হামলার নিশ্চিত ঘোষণা নয়।

সূত্র: আলজাজিরা

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

সরবরাহ সংকটে বিশ্ববাজারে খাদ্যের দাম বাড়ছে: এফএও

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৪৮ অপরাহ্ণ
সরবরাহ সংকটে বিশ্ববাজারে খাদ্যের দাম বাড়ছে: এফএও

বিশ্বজুড়ে খাদ্যপণ্যের দাম চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ। যুদ্ধ, চরম আবহাওয়া ও সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্নের কারণে খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও)।

শুক্রবার প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, আগস্টে এফএওর খাদ্যমূল্য সূচক টানা তৃতীয় মাসের মতো বেড়ে ১৩৩ দশমিক ৩ পয়েন্টে পৌঁছেছে। ২০২২ সালের শেষ দিকের পর এটিই সূচকটির সর্বোচ্চ অবস্থান।

এফএও জানিয়েছে, শস্য, উদ্ভিজ্জ তেল, চিনি, মাংস ও দুগ্ধজাত পণ্য—সব প্রধান খাদ্যপণ্যের দামই আগস্টে বেড়েছে। এর মধ্যে চিনির দাম সবচেয়ে বেশি বেড়েছে, যা জুলাইয়ের তুলনায় প্রায় ১২ শতাংশ বেশি। গত এক বছরের মধ্যে চিনির দামও সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

খাদ্যশস্যের দাম দুই শতাংশের বেশি বেড়ে দুই বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছে। কৃষ্ণসাগরে সামরিক হামলার কারণে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় রাশিয়া ও ইউক্রেন থেকে গম ও ভুট্টা রপ্তানিতেও প্রভাব পড়ছে।

এফএওর প্রধান অর্থনীতিবিদ ম্যাক্সিমো তোরেরো বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে প্রাকৃতিক দুর্যোগ, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং পণ্য পরিবহন ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ার ফলে খাদ্য সরবরাহ কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এদিকে সার সরবরাহ নিয়েও নতুন সংকট তৈরি হয়েছে। ইরানকে ঘিরে যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বাধার কারণে আন্তর্জাতিক সার বাণিজ্যে এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এর ফলে ভবিষ্যতে কৃষি উৎপাদন ও খাদ্য সরবরাহ আরও চাপে পড়তে পারে।

বিশ্ব উষ্ণায়ন ও এল নিনোর প্রভাবে পরিস্থিতি আরও জটিল হচ্ছে। ইউরোপে তীব্র তাপপ্রবাহে ফসলের উৎপাদন কমেছে। একই সঙ্গে এশিয়ায় খাদ্যশস্য উৎপাদনও ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি সতর্ক করে বলেছে, চরম আবহাওয়ার কারণে আগামী বছরের শেষ নাগাদ আরও প্রায় পাঁচ কোটি মানুষ তীব্র ক্ষুধার মুখে পড়তে পারে।

বিশ্ববাজারে পাইকারি খাদ্যপণ্যের দাম বাড়লে কয়েক মাসের মধ্যে এর প্রভাব সাধারণ ভোক্তার ওপরও পড়ে। ফলে খাদ্যমূল্যের এই ঊর্ধ্বগতি বিশ্বজুড়ে মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি