খুঁজুন
                               
, ,
           

অবৈধ ক্লিনিক ও ভুয়া চিকিৎসকদের ছাড় নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:২৭ অপরাহ্ণ
অবৈধ ক্লিনিক ও ভুয়া চিকিৎসকদের ছাড় নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দেশের প্রতিটি সরকারি হাসপাতাল দালালমুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। সরকারি হাসপাতালগুলোতে দালালদের দৌরাত্ম্য বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, সিলেট ২৫০ শয্যার জেলা হাসপাতাল এবং হাম চিকিৎসার জন্য ডেডিকেটেড শহীদ ডা. শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, একটি শ্রেণি রোগীদের ভুল বুঝিয়ে বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে যায়। এসব দালালের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজ করছে। দালালদের ধরতে র‍্যাব ও ডিজিএফআই একযোগে কাজ করছে এবং ইতোমধ্যে বিভিন্ন হাসপাতালে অভিযান চালানো হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, অবৈধ ক্লিনিক ও ভুয়া চিকিৎসকদের বিরুদ্ধেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে। জেলা প্রশাসক ও সিভিল সার্জনদের মাধ্যমে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে। জরিমানার পাশাপাশি অবৈধ ক্লিনিক সিলগালা করা হচ্ছে।

ভুয়া চিকিৎসক ও সনদধারী টেকনিশিয়ান দিয়ে অপারেশন করানো প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, এসব কার্যক্রম পুরোপুরি বাস্তবায়নে কিছুটা সময় লাগবে। তিনি অন্তত ছয় মাস সময় দেওয়ার আহ্বান জানান।

হাসপাতালে চিকিৎসকদের সময়মতো উপস্থিতি নিশ্চিত করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী। দায়িত্ব নেওয়ার পর গত এক মাসে তিনি ২৫টির বেশি হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন এবং প্রায় সব হাসপাতালেই চিকিৎসকদের শতভাগ উপস্থিতি পেয়েছেন বলে দাবি করেন।

এদিকে হামের টিকা থেকে বাদ পড়া শিশুদের খুঁজে বের করে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি পরিচালনার ঘোষণা দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, আগের কর্মসূচিতে বিভিন্ন কারণে কিছু শিশু টিকা থেকে বাদ পড়েছে। এ কারণে তাদের মধ্যে হাম দেখা দেওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, চলতি মাসের শেষদিকে দেশব্যাপী আবারও পূর্ণাঙ্গ বিশেষ টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু করা হবে। এরই মধ্যে সিলেটে লক্ষ্যমাত্রার বাইরে তিন হাজারের বেশি শিশুকে নতুন করে টিকা দেওয়া হয়েছে। হাওরাঞ্চলেও টিকাদান কার্যক্রমে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

ওসমানী হাসপাতালের ড্রেনেজ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের আগামী সাত দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

দেশের স্বাস্থ্য খাতে জনবল সংকটের কথাও তুলে ধরে তিনি বলেন, সীমিত জনবল নিয়েই স্বাস্থ্যকর্মীরা দিন-রাত রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।

এর আগে স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাসপাতালের কর্মকর্তা, চিকিৎসক ও নার্সদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও চিকিৎসকরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এএএন/এমএসআইপি 

ধর্মের নামে বিভেদ সৃষ্টির অপচেষ্টা প্রতিহত করা হবে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

যশোর প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:১৯ অপরাহ্ণ
ধর্মের নামে বিভেদ সৃষ্টির অপচেষ্টা প্রতিহত করা হবে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

ধর্মকে পুঁজি করে বিভেদ সৃষ্টি কিংবা সামাজিক অশান্তি তৈরির যেকোনো অপচেষ্টা সম্মিলিতভাবে প্রতিহত করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

তিনি বলেন, যারা ধর্মকে পুঁজি করে সস্তা রাজনীতির মাধ্যমে দেশে বিভাজন তৈরি কিংবা সমাজে অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করবে, তারা যে ধর্মের বিশ্বাসী বা যে রাজনৈতিক দর্শনের অনুসারীই হোক না কেন—রাষ্ট্র ও সরকারের পাশাপাশি সামাজিকভাবে তাদের প্রতিরোধ করা হবে।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষ্যে যশোর জেলা, সদর উপজেলা ও পৌর পূজা উদযাপন পরিষদ আয়োজিত র‌্যালিপূর্ব আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। যশোরের মুন্সী মেহেরুল্লাহ ময়দানে জাতীয় সংগীত পরিবেশন ও জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী।

জন্মাষ্টমীর শুভেচ্ছা জানিয়ে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, ধর্ম মানুষের বিশ্বাস ও চেতনার বিষয়। রাজনৈতিক অঙ্গনে অনৈতিক সুবিধা অর্জনের হাতিয়ার হিসেবে ধর্মকে ব্যবহার করা উচিত নয়।

আজকের এই দিনটি কেবল ধর্মীয় উৎসব নয়, গভীর ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য এবং আধ্যাত্মিক চেতনায় উজ্জীবিত দিন। দ্বাপর যুগে অন্ধকারাচ্ছন পাপাচারময় সময়ে শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব হয়েছিল। মথুরার কংসের কারাগারে বন্দিদশার সেই কঠিন সময় তার জন্ম আমাদের এই বার্তায় দেয়, রাতের অন্ধকার যত গভীর হোক না কেন, ন্যায়ের পথ ধরে আসে মুক্তির আলো এটাই পরম সত্য।

তাই সমাজ থেকে সত্য বিশ্বাস হারিয়ে গেলেও সমাজ টিকে থাকবে আশার আলো নিয়ে। সেই আশার আলো হচ্ছে আবারও সমাজে সত্য উন্মোচিত এবং পরস্পরের মধ্যে বিশ্বাস স্থাপন ও ভালোবাসা সৃষ্টি হবে। যার মাধ্যমে ব্যক্তিগত কিংবা গোষ্ঠীগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে থেকে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারব। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান আমাদের সেই শিক্ষা দিয়েছে।

তিনি বলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী আপসহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদ জিয়া মহান সংসদে বলেছিলেন, কারও ধর্ম বিশ্বাস কিংবা রাজনৈতিক দর্শন বিবেচ্য বিষয় নয়, বাংলাদেশ নামক ভূখণ্ডে বসবাসকারী আমাদের সকলের একটি পরিচয় আমরা বাংলাদেশি। তাই আপনাদের (সনাতন ধর্মাবলম্বী) দুর্বল ভাবার কোনো কারণ নেই। সরকারের একজন প্রতিনিধি হিসেবে এই যশোরের মাটিতে আমার যতখানি অধিকার রয়েছে, আপনাদের (সনাতন ধর্মাবলম্বী) ঠিক ততখানি অধিকার রয়েছে।

আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান, পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, যশোর পৌর প্রশাসক রফিকুল হাসান। সম্মানিত অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু ও সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খান খোকন।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি দীপংকর দাস রতন। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক তপন কুমার ঘোষের পরিচালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি গোলাম রেজা দুলু, পৌরসভার সাবেক মেয়র মারুফুল ইসলাম, বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্ট যশোর জেলা শাখার আহ্বায়ক অ্যাড. দেবাশীষ দাস, রামকৃষ্ণ আশ্রম ও মিশন যশোরের অধ্যক্ষ স্বামী জ্ঞানপ্রকাশানন্দজী মহারাজ, সদর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি রবিন পাল, সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত কুমার সরকার, পৌর পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক উৎপল ঘোষ, জেলা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রতন আচার্য্য, নির্বাহী সদস্য বাবু হালদার প্রমুখ।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের দেশ : কৃষিমন্ত্রী

কুমিল্লা প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:১১ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের দেশ : কৃষিমন্ত্রী

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিন বলেছেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, সহাবস্থান ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের দেশ। এ দেশের হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টানসহ সব ধর্মের মানুষ সমান অংশীদার। দেশকে সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ করে গড়ে তোলার দায়িত্বও সবার।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে কুমিল্লায় শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদযাপন-২০২৬ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উদ্বোধকের বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, পৃথিবীর কোনো ধর্মই অন্যায়, অবিচার কিংবা অশুভ শক্তিকে প্রশ্রয় দেয় না। সব ধর্মের মূল শিক্ষা মানবকল্যাণ, ন্যায়, সৌন্দর্য, সহমর্মিতা ও শান্তির পক্ষে অবস্থান নেওয়া। মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত হলেই সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণ নিশ্চিত হবে।

তিনি বলেন, এই দেশ আমার, এই দেশ আপনার, এই দেশ আমাদের সবার। এ দেশে যারা বসবাস করেন, তারা সবাই দেশের সমান অংশীদার। তাই দেশকে সুন্দরভাবে গড়ে তোলার দায়িত্বও সবার।

মন্ত্রী আরও বলেন, পূর্বসূরিরা আমাদের জন্য একটি সুন্দর দেশ রেখে গেছেন। আগামী প্রজন্মের জন্য আরও উন্নত, মানবিক ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তোলা বর্তমান প্রজন্মের অন্যতম দায়িত্ব। সব সম্প্রদায়ের মানুষ ভালোবাসা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার বন্ধনে আবদ্ধ থাকলে দেশ ও জাতির কল্যাণ হবে।

সমাজে কিছু অসাধু ও দুষ্কৃতকারী মানুষ সব সময়ই ছিল এবং এখনও আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের অধিকাংশ মানুষ ন্যায়, কল্যাণ ও সুন্দরের পক্ষে। অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ভালো মানুষগুলো একসঙ্গে দাঁড়ালে কোনো অন্যায় বা অপশক্তি সমাজে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারবে না।

শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদযাপন কমিটি কুমিল্লার আহ্বায়ক শ্রী শ্যামল কৃষ্ণ সাহার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু ও জেলা প্রশাসক মিজ রোজী আক্তার।

অনুষ্ঠানে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব শ্রী দিলীপ নাগ কানাই, যুগ্ম আহ্বায়ক শ্রী সুব্রত চৌধুরী তপু ও শ্রী সঞ্জিত দেবনাথসহ কুমিল্লার সনাতনী সমাজের নেতৃবৃন্দ, ভক্তবৃন্দ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

পরে কৃষিমন্ত্রী শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষ্যে আয়োজিত মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশ নেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

হরমুজে ৫০টির বেশি জাহাজ কালো তালিকায় রাখল ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৫২ অপরাহ্ণ
হরমুজে ৫০টির বেশি জাহাজ কালো তালিকায় রাখল ইরান

যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ হামলার পর কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের ওপর নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার করেছে ইরান। এরই মধ্যে প্রণালিটি দিয়ে চলাচলের ক্ষেত্রে কালো তালিকাভুক্ত জাহাজের সংখ্যা ৫০টির বেশি করেছে দেশটি।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে কোন জাহাজ চলাচল করতে পারবে, তা ইরান বেছে বেছে নির্ধারণ করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গত রাতে পরিস্থিতি তুলনামূলক শান্ত থাকলেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে উত্তেজনা কমার কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেছেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হামলা বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত ওয়াশিংটন তেহরানের সঙ্গে আলোচনায় ফিরবে না।

অন্যদিকে ইরানের ভাইস প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, সর্বশেষ মার্কিন হামলা ইরান নীরবে মেনে নেবে না। এর জবাব অসমমিত ও বহুস্তরীয় কৌশলে দেওয়া হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

বর্তমানে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল কমে গেলেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, এতে কোনো সমস্যা নেই। তবে ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গত কয়েক দিনের হামলা ও পাল্টা হামলার মধ্যেও তেল পরিবহন অব্যাহত রয়েছে।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, উপসাগরীয় দেশগুলোর তেলবাহী ট্যাংকারের তুলনায় ইরাকের বাণিজ্যিক জাহাজগুলো তুলনামূলক কম বাধার মুখে হরমুজ প্রণালি পার হতে পারছে। এর ফলে ইরান নির্দিষ্ট কিছু জাহাজকে বেছে বেছে প্রণালি পার হওয়ার সুযোগ দিচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইরান ইতোমধ্যে যেসব জাহাজের চলাচল নিষিদ্ধ বা সীমিত করেছে, সেই তালিকা ৫০টির বেশি জাহাজে উন্নীত করেছে। এতে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে ইরানের নির্ধারিত শর্তগুলো ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, তেহরানের অবস্থান অনেকটা এমন—হরমুজ প্রণালি দিয়ে কোন জাহাজ চলাচল করবে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ইরানই নেবে এবং এতে দেশটির নিজস্ব শর্ত কার্যকর থাকবে।

সূত্র: আল জাজিরা

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি