খুঁজুন
                               
, ,
           

ফাইনালে মুখোমুখি বর্তমান চ্যাম্পিয়ন মোহনপুর ও দুর্গাপুর

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৪৬ অপরাহ্ণ
ফাইনালে মুখোমুখি বর্তমান চ্যাম্পিয়ন মোহনপুর ও দুর্গাপুর

রাজশাহীতে জমজমাট আয়োজনের মধ্য দিয়ে শেষের পথে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট। টুর্নামেন্টের আর মাত্র একটি ম্যাচ বাকি। আগামীকাল শনিবার বিকেলে ফাইনালে মুখোমুখি হবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন মোহনপুর উপজেলা ফুটবল দল ও দুর্গাপুর উপজেলা ফুটবল দল।

গত ২২ আগস্ট রাজশাহীর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে ৯টি উপজেলা ও একটি সিটি করপোরেশন ফুটবল দলের অংশগ্রহণে শুরু হয় এ টুর্নামেন্ট। শুরু থেকেই প্রতিটি ম্যাচ ঘিরে ছিল দর্শকদের ব্যাপক আগ্রহ ও উচ্ছ্বাস।

টুর্নামেন্ট সফলভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে রাজশাহীর জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলামের দিকনির্দেশনায় জেলা প্রশাসন ও রাজশাহী জেলা ক্রীড়া সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিরলসভাবে কাজ করেছেন। জেলা প্রশাসক নিজেও সময় পেলেই মাঠে উপস্থিত হয়ে বিভিন্ন ম্যাচ উপভোগ করেছেন।

টুর্নামেন্টের প্রথম পর্বের ছয়টি ম্যাচসহ দুটি সেমিফাইনাল আনন্দঘন ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিটি ম্যাচেই ছিল বিপুলসংখ্যক দর্শকের উপস্থিতি। বিশেষ করে দুই সেমিফাইনাল ঘিরে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে দর্শকদের ঢল নামে।

২২ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার স্টেডিয়ামে প্রথম সেমিফাইনালে প্রায় ১৭ হাজার দর্শক উপস্থিত ছিলেন। দ্বিতীয় সেমিফাইনালেও প্রায় একইসংখ্যক দর্শকের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।

টুর্নামেন্টের বিভিন্ন ম্যাচে মাঠে ছিল তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও উত্তেজনা। কখনও কখনও সেই উত্তাপ গ্যালারিতেও ছড়িয়ে পড়লেও তা কোনো ধরনের সহিংসতায় রূপ নেয়নি। বরং সমর্থকদের উচ্ছ্বাস ও আবেগ ম্যাচগুলোর আকর্ষণ আরও বাড়িয়েছে।

সব দলের সমর্থকরাই সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে ম্যাচ উপভোগ করেছেন। এতে জয় হয়েছে ফুটবলেরই—এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শনিবারের ফাইনাল ঘিরে দর্শকদের আগ্রহ আরও বেড়েছে। আগের ম্যাচগুলোর মতো ফাইনালেও বিপুলসংখ্যক দর্শক মাঠে উপস্থিত হয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে খেলা উপভোগ করবেন—এমন প্রত্যাশা আয়োজকদের।

দর্শকদের অংশগ্রহণ ও সহযোগিতার মধ্য দিয়ে রাজশাহী জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট সফলভাবে শেষ হবে—এটাই এখন সবার প্রত্যাশা।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

জাতিসংঘে সবার আগে বাংলাদেশ নীতি তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী: শামা ওবায়েদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:২০ অপরাহ্ণ
জাতিসংঘে সবার আগে বাংলাদেশ নীতি তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী: শামা ওবায়েদ

আসন্ন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) অধিবেশনে সরকারের ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ পররাষ্ট্রনীতির আওতায় দেশের জাতীয় স্বার্থ, অর্থনৈতিক সম্ভাবনা ও উন্নয়নের সুযোগ বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘আসন্ন জাতিসংঘ সম্মেলন ও বাংলাদেশের ব্র্যান্ডিং’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। সেন্টার ফর নন-রেসিডেন্ট বাংলাদেশি এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

শামা ওবায়েদ বলেন, এবারের অধিবেশন বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি একটি নতুন যাত্রা, নতুন সম্ভাবনা ও নতুন আকাঙক্ষার প্রতীক। নতুন গণতান্ত্রিক সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিচ্ছেন। সরকারের ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ পররাষ্ট্রনীতির আলোকে প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে বাংলাদেশকে একটি গণতান্ত্রিক, আত্মবিশ্বাসী, দায়িত্বশীল এবং সম্ভাবনাময় রাষ্ট্র হিসেবে উপস্থাপন করবেন।

২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের উচ্চপর্যায়ের সম্মেলন শুরু হতে যাচ্ছে। এবারের অধিবেশনে দারিদ্র্য বিমোচন, জলবায়ু পরিবর্তন, মহামারী প্রতিরোধ, পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ এবং টেকসই উন্নয়ন অধিকার ঘোষণার ৪০তম বার্ষিকীর মতো গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হবে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, এবারের অধিবেশনটি বাংলাদেশের জন্য বাড়তি তাৎপর্য বহন করছে। কারণ বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান সাধারণ পরিষদের এই অধিবেশনে সভাপতিত্ব করবেন।

এই নির্বাচনকে জাতীয় গৌরবের বিষয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, সাইপ্রাস প্রায় এক দশক ধরে এই পদের জন্য প্রচারণা চালালেও বাংলাদেশ এই সভাপতিত্ব লাভ করেছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বিদেশে বাংলাদেশের ৮৩টি মিশনের সমন্বিত প্রচেষ্টা এবং দেশে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা ও স্থিতিশীলতা ফিরে আসার কারণেই এই কূটনৈতিক সাফল্য সম্ভব হয়েছে।

শামা ওবায়েদ আরও বলেন, বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ মিশনগুলোতে নারীসহ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের সাহস, সহনশীলতা ও আত্মত্যাগের কারণে জাতিসংঘে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে বিশেষ সম্মানজনক অবস্থানে রয়েছে।

অর্থনৈতিক কূটনীতির বিষয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার ব্যাংকিং খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা ফিরিয়ে আনতে এবং বিদেশি বিনিয়োগকারী ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে কাজ করছে। বিনিয়োগকারীদের ওয়ান-স্টপ সেবা দিতে সরকার ‘বাংলাদেশ ইনভেস্ট’ ফ্রেমওয়ার্ক চালু করেছে এবং কোম্পানি নিবন্ধনসহ বিনিয়োগ সংক্রান্ত অন্যান্য প্রক্রিয়ায় ডিজিটাল সুবিধা সম্প্রসারণ করছে। এছাড়া নাগরিকদের সব তথ্য একটি একক ডেটাবেজে নিয়ে আসতে ‘ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান কার্ড’ উদ্যোগের কাজ চলছে।

শামা ওবায়েদ জানান, প্রবাসী বাংলাদেশিদের সেবা সহজতর করতে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে ২০২৭ সালের মধ্যে ২ লাখ ‘প্রবাসী কার্ড’ ইস্যু করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশের বিনিয়োগের সুযোগ, ঐতিহ্য, পর্যটন, সৃজনশীল শিল্প এবং রফতানিযোগ্য পণ্যগুলোর প্রচারণায় প্রবাসীদের নিজস্ব নেটওয়ার্ক ব্যবহারের আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

তিন সন্তান হত্যার মামলায় লিন্ডসে ক্ল্যান্সির বিচার বাতিল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৫৫ অপরাহ্ণ
তিন সন্তান হত্যার মামলায় লিন্ডসে ক্ল্যান্সির বিচার বাতিল

যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যে তিন সন্তান হত্যার অভিযোগে লিন্ডসে ক্ল্যান্সির বিরুদ্ধে চলা বিচার বাতিল ঘোষণা করেছেন আদালত। জুরি বোর্ড কোনো ঐকমত্যে পৌঁছাতে না পারায় শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিচারক উইলিয়াম সুলিভান মিসট্রায়াল ঘোষণা করেন।

প্রায় এক সপ্তাহ ধরে ১২ সদস্যের জুরি আলোচনা করেও ক্ল্যান্সিকে তিন সন্তান হত্যার জন্য ফৌজদারি দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হবে কি না, সে বিষয়ে সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেননি।

মার্কিন আইনে গুরুতর ফৌজদারি মামলায় আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করতে জুরিদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত প্রয়োজন। প্রসিকিউশনকেও আসামির অপরাধ ‘যুক্তিসংগত সন্দেহের ঊর্ধ্বে’ প্রমাণ করতে হয়।

জুরি কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে তাকে ‘হাং জুরি’ বলা হয়। এর অর্থ, জুরি আসামিকে দোষী বা নির্দোষ—কোনোটিই ঘোষণা করতে পারেনি। ফলে মামলার অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো রায়ও হয়নি।

মিসট্রায়াল ঘোষণার পর ক্ল্যান্সির বিরুদ্ধে তিনটি হত্যার অভিযোগ বহাল রয়েছে। আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে প্রসিকিউশন নতুন করে বিচার চাইবে কি না, নাকি অন্য কোনো পদক্ষেপ নেবে, তা জানানো হতে পারে।

প্লাইমাউথ কাউন্টির ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি টিমোথি ক্রুজ জানিয়েছেন, মামলাটি পুনরায় বিচার করা হবে কি না, সে বিষয়ে তারা আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা করবেন।

অন্যদিকে ক্ল্যান্সির আইনজীবী কেভিন রেডিংটন মিসট্রায়াল ঠেকাতে এবং জুরিদের সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ দিতে শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করেন। তিনি একজন জুরিকে সরিয়ে দেওয়ার আবেদনও করেছিলেন। আগের দিন জুরিরা জানিয়েছিলেন, ওই সদস্য ‘যুক্তিসংগত সন্দেহ’ সম্পর্কিত আদালতের নির্দেশনা সঠিকভাবে অনুসরণ করছেন না।

তবে বিচারক সেই আবেদন নাকচ করে জুরিদের আবার আলোচনায় পাঠান। প্রায় এক ঘণ্টা পর জুরিরা আদালতে ফিরে জানান, তারা কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেননি। এরপর বিচারক মিসট্রায়াল ঘোষণা করেন।

রেডিংটন পরে সিদ্ধান্তটি স্থগিত রেখে জরুরি আপিলের সুযোগ চাইলেও ম্যাসাচুসেটসের সর্বোচ্চ আদালত তার আবেদন নাকচ করে দেন।

২০২৩ সালে ম্যাসাচুসেটসের নিজ বাড়িতে ক্ল্যান্সির তিন সন্তান—৫ বছর বয়সী কোরা, ৩ বছর বয়সী ডসন এবং ৮ মাস বয়সী ক্যালান—মারা যায়। প্রসিকিউশনের অভিযোগ, ক্ল্যান্সি শিশুদের গলায় ব্যায়ামের ব্যান্ড পেঁচিয়ে হত্যা করেন।

সন্তানদের মৃত্যুর পর ক্ল্যান্সি নিজেকে ছুরি দিয়ে আঘাত করেন এবং আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। পরে বাড়ির দ্বিতীয় তলা থেকে লাফ দেওয়ার ঘটনায় তিনি পক্ষাঘাতগ্রস্ত হন।

ক্ল্যান্সি সন্তানদের হত্যার ঘটনা অস্বীকার করেননি। তবে তিনটি ফার্স্ট-ডিগ্রি হত্যার অভিযোগে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন। তার আইনজীবীদের যুক্তি, সন্তানদের হত্যার সময় তিনি গুরুতর মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। এ কারণে হত্যার জন্য তাকে ফৌজদারি দায়ে দায়ী করা উচিত নয়।

প্রসিকিউশন অবশ্য দাবি করেছে, ক্ল্যান্সিই তার তিন সন্তানকে হত্যা করেছেন এবং হত্যার সময় নিজের কর্মকাণ্ডের ওপর তার নিয়ন্ত্রণ ছিল।

মামলাটি যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছে। বিশেষ করে প্রসবোত্তর সাইকোসিস ও সন্তান জন্মের পর নারীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

বিচার চলাকালে ক্ল্যান্সির সমর্থকেরা নিয়মিত আদালতের বাইরে জড়ো হন। তাদের অনেকেই গোলাপি পোশাক পরে উপস্থিত হন এবং নিজেদের প্রসবোত্তর অভিজ্ঞতা ও স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা নিয়ে উদ্বেগের কথা জানান।

মামলাটি নিয়ে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও। শুক্রবার তিনি ঘটনাটিকে “ভয়াবহ” বলে উল্লেখ করেন এবং বলেন, ক্ল্যান্সির বিরুদ্ধে আবারও বিচার হতে পারে। তবে তার বিরুদ্ধে কী ধরনের শাস্তি হবে, সে সিদ্ধান্ত আদালতের বিষয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

প্রায় ছয় সপ্তাহ ধরে চলা বিচার শেষে জুরিরা সাত দিনে ৪০ ঘণ্টারও বেশি সময় আলোচনা করেও কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেননি।

মিসট্রায়ালের পর এখন মূল প্রশ্ন—প্রসিকিউশন কি লিন্ডসে ক্ল্যান্সির বিরুদ্ধে নতুন করে বিচার চাইবে, নাকি মামলাটি অন্য কোনোভাবে নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেবে।

সূত্র:বিবিসি

কালের আলো/এসএ

সৌদি আরবের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন নৌবাহিনী প্রধান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৩৭ অপরাহ্ণ
সৌদি আরবের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন নৌবাহিনী প্রধান

সরকারি সফরে সৌদি আরবের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন বাংলাদেশ নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

সফরকালে নৌবাহিনী প্রধান সৌদি আরবের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ, রয়েল সৌদি নেভাল ফোর্সের প্রধান এবং মাল্টিন্যাশনাল মেরিটাইম ডিফেন্স কোয়ালিশন কমান্ডারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।

এসব বৈঠকে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। পাশাপাশি দুই দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং নৌবাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর বিষয়েও মতবিনিময় করবেন তারা।

সৌদি আরব অবস্থানকালে নৌবাহিনী প্রধান বিভিন্ন সামরিক ও নৌ স্থাপনা পরিদর্শন করবেন। একই সঙ্গে দুই দেশের নৌবাহিনীর পেশাগত সম্পর্ক, প্রশিক্ষণ ও পারস্পরিক সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা করবেন।

আইএসপিআর আশা করছে, নৌবাহিনী প্রধানের এ সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে বিদ্যমান পারস্পরিক সহযোগিতা এবং বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার হবে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি