খুঁজুন
                               
, ,
           

৬০ হাজার কোটি টাকার মাদকের কালো সাম্রাজ্য

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:১৭ পূর্বাহ্ণ
৬০ হাজার কোটি টাকার মাদকের কালো সাম্রাজ্য

একদিকে বছরে ৬০ হাজার কোটি টাকার মাদক ব্যবসা, অন্যদিকে ৭০ লাখ মানুষের আসক্তি—মাদকের এই হিসাব কেবল অর্থের নয়, এটি একটি গভীর সামাজিক সংকটের চিত্র। মাদকদ্রব্য ও নেশা নিরোধ সংস্থার (মানস) গবেষণা প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশে মাদকসেবীরা বছরে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করেন। মাদক নিরাময় কেন্দ্র, এনজিও, সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম ও সরকারি কর্মকাণ্ডে ব্যয় হয় আরও প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা। সব মিলিয়ে মাদককে ঘিরে বছরে প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড তৈরি হয়েছে বলে দাবি করছে মানস।

এই বিপুল অর্থের পেছনে রয়েছে সংঘবদ্ধ সরবরাহব্যবস্থা। মাঠপর্যায়ে খুচরা বিক্রেতারা দৃশ্যমান হলেও মূল নিয়ন্ত্রকদের বড় একটি অংশ থাকে আড়ালে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর তদন্তে উঠে আসা তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় শক্তিশালী সিন্ডিকেটের মাধ্যমে মাদক ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।

টার্গেট তরুণ প্রজন্ম
মানসের তথ্য বলছে, মাদকাসক্তদের বড় অংশই তরুণ। আসক্তদের ৮০ শতাংশ যুবক এবং ৬৫ দশমিক ২৫ শতাংশের বয়স ১৫ বছরের বেশি। পুরুষ ৮৪ শতাংশ, নারী ১৬ শতাংশ। গবেষণায় মাদকাসক্তদের ৬০ শতাংশ অপরাধে জড়িত এবং ৫৭ শতাংশ যৌন অপরাধী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

মানসের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক ড. অরুপ রতন চৌধুরী বলেন, দেশে মাদকাসক্তের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। তাঁর মতে, এই পরিস্থিতির পেছনে মাদক গডফাদারদের ভূমিকা রয়েছে এবং তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন।

সামনে বিক্রেতা, পেছনে নিয়ন্ত্রক
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও সিআইডির সূত্র বলছে, তালিকাভুক্ত শীর্ষ মাদক কারবারিদের অনেকে সরাসরি বিক্রির সঙ্গে যুক্ত না থেকে আড়াল থেকে পুরো নেটওয়ার্ক পরিচালনা করেন। ইয়াবা, হেরোইন, ফেনসিডিলসহ বিভিন্ন মাদকের সরবরাহে এসব সিন্ডিকেটের ভূমিকার তথ্য তদন্তে এসেছে।

অবৈধ ব্যবসা থেকে বিপুল সম্পদের মালিক হওয়ার তথ্যও সংশ্লিষ্ট তদন্তে উঠে এসেছে। কারও কারও বিরুদ্ধে প্রভাব খাটিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজর এড়িয়ে চলার অভিযোগ রয়েছে। ফলে মাদকবিরোধী লড়াইয়ে শুধু খুচরা বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার নয়, অর্থের উৎস ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থার কাছে পৌঁছানোই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।

সীমান্ত পেরিয়ে রাজধানীর বাজারে
গোয়েন্দা সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্তপথ দিয়ে ইয়াবা ও ক্রিস্টাল মেথ দেশে ঢোকার অভিযোগ রয়েছে। মিয়ানমার সীমান্তবর্তী অঞ্চল থেকে আসা মাদকের বড় গন্তব্য ঢাকা। রাজধানী থেকে পরে তা ছড়িয়ে পড়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে।

পাশাপাশি সাতক্ষীরা, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, জয়পুরহাট, দিনাজপুর, সিলেট, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা ও ফেনীসহ বিভিন্ন সীমান্তপথ ব্যবহার করে অন্যান্য মাদক প্রবেশের তথ্য রয়েছে। উত্তরাঞ্চলের কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনার কয়েকটি পয়েন্টও এই নেটওয়ার্কের নজরে রয়েছে বলে গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে।

বদলেছে বিক্রির কৌশল
মাদকের বাজার এখন শুধু রাস্তার মোড়, গলি কিংবা নির্দিষ্ট স্পটে সীমাবদ্ধ নেই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, হোম সার্ভিস, এনক্রিপটেড মেসেজিং অ্যাপ, অনলাইন মার্কেটপ্লেস ও কুরিয়ার ব্যবস্থার মাধ্যমেও মাদক সরবরাহের অভিযোগ রয়েছে। প্রযুক্তির এই ব্যবহার মাদক নিয়ন্ত্রণে নতুন ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের আটটি ক্রাইম জোনের বিভিন্ন এলাকায় কয়েক শ মাদকের স্পট রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। এসব এলাকায় সহস্রাধিক খুচরা বিক্রেতা কাজ করছে বলে দাবি করা হয়েছে। সাম্প্রতিক বিশেষ অভিযানেও অনেককে গ্রেপ্তার করা হলেও নেটওয়ার্কের মূল স্তরে পৌঁছানোই এখন তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য।

অভিযানে বড় সাফল্য
মাদক নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান অবশ্য জোরদার হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তরের গত আগস্টের প্রথম সপ্তাহের তথ্য অনুযায়ী, ১ মে থেকে চলমান বিশেষ অভিযানে ৫২ লাখের বেশি ইয়াবা, ৫ হাজার ৬৮৯ গ্রাম হেরোইন, ২ হাজার ৩৬ বোতল ফেনসিডিল এবং ৭ হাজার ৭২৫ কেজির বেশি গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদক উদ্ধার করা হয়েছে। একই সময়ে পাঁচ হাজারের বেশি মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

রাজধানীর মাদক নেটওয়ার্ক ভাঙতে সিআইডিও আলাদা করে কাজ করছে। চার শতাধিক মাদক গডফাদারের মধ্যে ৪০৮ জনের তালিকা করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। গ্রেপ্তারের পাশাপাশি তাদের অবৈধ সম্পদের উৎস অনুসন্ধান এবং মানি লন্ডারিং আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতিও চলছে।

জেনেভা ক্যাম্পে প্রকাশ্য কারবারের অভিযোগ
তবে অভিযানের মধ্যেও রাজধানীর কিছু এলাকায় মাদক বিক্রির অভিযোগ পুরোপুরি থামেনি। মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্পে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, নিয়মিত অভিযান হলেও নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তি ফের সক্রিয় হয়ে ওঠে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, একাধিক মাদক মামলার আসামি কয়েকজন ব্যক্তি সেখানে কারবারের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে মোহাম্মদপুর থানায় দায়ের হওয়া মামলার অন্তত ৬০ শতাংশ মাদককেন্দ্রিক। ফলে অভিযান ও গ্রেপ্তারের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদে সরবরাহের নেটওয়ার্ক, অবৈধ অর্থ এবং স্থানীয় পর্যায়ের চাহিদা—তিন দিকেই একযোগে নজর দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা স্পষ্ট হচ্ছে।

মামলার জট, সামনে আরও বড় পরীক্ষা
মাদকসংক্রান্ত মামলার বিচারেও তৈরি হয়েছে চাপ। মানসের হিসাবে দেশে মাদক মামলা ঝুলে আছে সাড়ে তিন লাখ। অন্যদিকে, সম্প্রতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বিচারাধীন মাদক মামলার সংখ্যা প্রায় ৮০ হাজার বলে জানিয়েছেন। দুই উৎসের পরিসংখ্যানে বড় পার্থক্য থাকায় হালনাগাদ সরকারি তথ্যের ভিত্তিতে প্রকৃত মামলাজট নির্ধারণের প্রয়োজন রয়েছে।

তিনি বলেন, দেশের ৮২ লাখ মানুষ বিভিন্ন ধরনের মাদকে আসক্ত। মাদকসংক্রান্ত প্রায় ৮০ হাজার মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এসব মামলার বিচারের জন্য স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল গঠনের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

মাদকের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির বাস্তবায়নে অভিযান ও তদন্ত ইতোমধ্যে জোরদার হয়েছে। এখন চ্যালেঞ্জ হলো—সীমান্তে চালান ঠেকানো থেকে রাজধানীর খুচরা বাজার বন্ধ করা, দৃশ্যমান বিক্রেতার পাশাপাশি আড়ালের অর্থদাতা ও নিয়ন্ত্রকদের শনাক্ত করা এবং একই সঙ্গে তরুণদের মাদক থেকে দূরে রাখা। কারণ মাদকের এই কালো সাম্রাজ্য শুধু কয়েকজন কারবারির ব্যবসা নয়। এর বিস্তার ঠেকানো না গেলে এর আর্থিক ক্ষতির সঙ্গে বাড়তে থাকবে সামাজিক ও অপরাধগত চাপও।

কালের আলো/এম/এএইচ

এআইয়ের ভুলে চীনা জাহাজে হামলার প্রস্তুতি!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:২৬ অপরাহ্ণ
এআইয়ের ভুলে চীনা জাহাজে হামলার প্রস্তুতি!

চীনের একটি কার্গো জাহাজে পারমাণবিক কর্মসূচির উপকরণ রয়েছে—এআইয়ের দেওয়া ভুল তথ্যের ভিত্তিতে জাহাজটিতে অভিযান চালানোর প্রস্তুতি নিয়েছিল মার্কিন সামরিক বাহিনী। শেষ মুহূর্তে তথ্য যাচাই করতে গিয়ে ভুলটি ধরা পড়ে।

সিএনএনের এক বিশেষ প্রতিবেদনে চারটি সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, চলতি বছরের বসন্তে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাতের সময় এ ঘটনা ঘটে। গোয়েন্দা প্রতিবেদনে চীনা জাহাজটিতে পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচির উপকরণ থাকার কথা বলা হলে মার্কিন সেনারা জাহাজে ওঠার প্রস্তুতি নেয়। অভিযানের জন্য একটি সশস্ত্র দল ও সামরিক বিমানও প্রস্তুত ছিল বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে।

পরে ওই গোয়েন্দা প্রতিবেদন আরও যাচাই করা হয়। তখন জানা যায়, প্রতিবেদনটি তৈরিতে একজন বিশ্লেষক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তা নিয়েছিলেন। চীনা জাহাজে থাকা পণ্য সম্পর্কে ব্যবহৃত এআই চ্যাটবটটি ভুল তথ্য দিয়েছিল। এক সূত্রের ভাষায়, এআই দিয়ে তৈরি প্রতিবেদনটি ছিল ‘পুরোপুরি মিথ্যা’।

তথ্যটি ভুল প্রমাণিত হওয়ায় অভিযান স্থগিত করা হয়। তবে ঘটনাটি যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে সম্ভাব্য সামরিক উত্তেজনার ঝুঁকি নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে।

বর্তমানে মার্কিন সামরিক বাহিনী গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ, লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণ, রসদ ব্যবস্থাপনা ও সামরিক সিদ্ধান্ত গ্রহণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এআইয়ের ব্যবহার বাড়াচ্ছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, চীনসহ প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোর তুলনায় পিছিয়ে না পড়তে এআই ব্যবহারের গতি ধরে রাখা জরুরি।

তবে এ ঘটনার পর এআই-নির্ভর সামরিক সিদ্ধান্তের ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। ডেমোক্রেটিক পার্টির একদল মার্কিন সিনেটর সামরিক বাহিনীতে এআই ব্যবহারের সাম্প্রতিক ভুলগুলো তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন।

সূত্র: সিএনএন

কালের আলো/এসএ

‘এ দেশটা ধ্বংস হয়ে যাক, দরকার নাই’: অপ্রতিমের মায়ের ক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:২৫ অপরাহ্ণ
‘এ দেশটা ধ্বংস হয়ে যাক, দরকার নাই’: অপ্রতিমের মায়ের ক্ষোভ

কুমিল্লায় নিহত অপ্রতিমকে হারিয়ে শোকে ভেঙে পড়েছেন তার মা নাহিদা বেগম। একমাত্র সন্তানকে হারানোর বেদনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেছেন, ‘এ দেশটা ধ্বংস হয়ে যাক। এ দেশের দরকার নাই।’

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে হাসিমুখে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল অপ্রতিম। সন্ধ্যা পেরিয়ে রাত হলেও সে আর বাড়ি ফেরেনি। পরে স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান পাননি।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে লালমাই পাহাড়ের পাদদেশের জঙ্গল থেকে অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার সঙ্গে মায়ের দেওয়া আইফোনটি পাওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ফোন ছিনিয়ে নিতেই তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।

সন্তান নিখোঁজ হওয়ার পর তাকে ফিরে পাওয়ার আকুতি জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেছিলেন মা নাহিদা বেগম। তবে শেষ পর্যন্ত জীবিত সন্তানকে ফিরে পাননি তিনি।

শনিবার মরদেহ উদ্ধারের পর বিলাপ করতে করতে নাহিদা বেগম বলেন, ‘আমার ছেলে কী অন্যায় করেছে? আমাকে জবাব দেন, আমার ছেলে কী অন্যায় করেছে? আমি এই কুমিল্লায় চাকরি করতে এসেছি, এটা কি আমার অন্যায়? আমার ছেলে কী অন্যায় করেছে—আমি এটার জবাব চাই?’

অপ্রতিমের বাড়িতে এখন চলছে মাতম। দেয়ালে দেয়ালে ছড়িয়ে আছে তার হাসিমুখের স্মৃতি। একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন মা, নির্বাক হয়ে গেছেন বাবা।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে দ্বিতীয় দফা জানাজা শেষে কোটবাড়ী বাগমারা কবরস্থানে অপ্রতিমের দাফন সম্পন্ন হয়। এর আগে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

এদিকে অপ্রতিম হত্যার ঘটনায় তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার বাদী হয়ে কুমিল্লার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় মামলা করেছেন। সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ কয়েকজন সন্দেহভাজনকে আটক করেছে।

কালের আলো/এমএসআইপি 

পুত্র না কন্যা সন্তানের মা হলেন টলিউড তারকা সোহিনী

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:১৯ অপরাহ্ণ
পুত্র না কন্যা সন্তানের মা হলেন টলিউড তারকা সোহিনী

টলিউডের তারকা দম্পতি সোহিনী সরকার ও শোভন গঙ্গোপাধ্যায়ের সংসারে এসেছে নতুন অতিথি। রোববার কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে পুত্রসন্তানের জন্ম দিয়েছেন অভিনেত্রী সোহিনী।

স্থানীয় সময় দুপুর ১২টার দিকে সন্তানের জন্ম হয়। মা ও নবজাতক দুজনেই সুস্থ আছেন বলে জানা গেছে।

ইনস্টাগ্রামে যৌথ বিবৃতিতে সুখবরটি জানিয়েছেন সোহিনী ও শোভন। তাঁরা লিখেছেন, ‘আমাদের বীরপুরুষ, আমাদের নতুন সদস্য এসেছে। তোমরা সবাই আশীর্বাদ করো।’

গত জুলাইয়ে বিয়ের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে প্রথমবার মা-বাবা হওয়ার খবর জানিয়েছিলেন এই তারকা দম্পতি। সোহিনীর বেবিবাম্পের ছবি প্রকাশ করে শোভনের সঙ্গে সুখবরটি ভাগ করে নিয়েছিলেন অভিনেত্রী। এরপর থেকেই তাঁদের ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা অপেক্ষায় ছিলেন নতুন অতিথির আগমনের।

২০২৪ সালের জুলাইয়ে বিয়ে করেন সোহিনী সরকার ও শোভন গঙ্গোপাধ্যায়।

সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন

কালের আলো/এসএ