খুঁজুন
                               
, ,
           

নায়ক, গায়ক ও স্টাইল আইকন-বাংলা চলচ্চিত্রে জাফর ইকবালের স্বতন্ত্র অধ্যায়

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:০৫ অপরাহ্ণ
নায়ক, গায়ক ও স্টাইল আইকন-বাংলা চলচ্চিত্রে জাফর ইকবালের স্বতন্ত্র অধ্যায়

গানের মঞ্চে যার পথচলা শুরু, একসময় তিনিই হয়ে উঠেছিলেন বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম জনপ্রিয় ও স্টাইলিশ নায়ক। সত্তর ও আশির দশকে তরুণদের কাছে ফ্যাশন, ব্যক্তিত্ব ও অভিনয়ের এক আলাদা প্রতীক ছিলেন জাফর ইকবাল। গায়ক হিসেবে পরিচিতি পাওয়ার পর চলচ্চিত্রে এসে নিজের স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেছিলেন তিনি। আজও তার নাম উচ্চারিত হলে ফিরে আসে সেই সময়ের রোমান্টিকতা, স্টাইল আর নায়কোচিত উপস্থিতির স্মৃতি।

১৯৫০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর ঢাকার গুলশানে জন্মগ্রহণ করেন জাফর ইকবাল। সংগীত ছিল তার পারিবারিক ঐতিহ্যেরই অংশ। বড় ভাই আনোয়ার পারভেজ এবং ছোট বোন শাহনাজ রহমতুল্লাহ—দুজনই ছিলেন সংগীতাঙ্গনের পরিচিত মুখ। ফলে ছোটবেলা থেকেই গানের পরিবেশে বেড়ে ওঠেন তিনি। কৈশোরেই সংগীতের প্রতি গভীর আগ্রহ তৈরি হয় তার।

১৯৬৬ সালে ব্যান্ড দল ‘র‍্যাম্বলিং স্টোন’ গঠনের মধ্য দিয়ে গায়ক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন জাফর ইকবাল। শুধু গান গাওয়াতেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না, গিটার বাজাতেও ছিলেন দক্ষ। তার সংগীত প্রতিভা নজর কাড়ে চলচ্চিত্রাঙ্গনের মানুষেরও। সুরকার আলাউদ্দিন আলীর সঙ্গে কাজের সূত্রে চলচ্চিত্রের আবহসংগীত তৈরির সঙ্গেও যুক্ত হন তিনি। এভাবেই ধীরে ধীরে গানের জগতের পরিচিত মুখ থেকে চলচ্চিত্রের পর্দার কাছাকাছি চলে আসেন।

তবে চলচ্চিত্রে তার অভিষেকের গল্প আরও বিস্তৃত। মুক্তিযুদ্ধের আগেই রুপালি পর্দায় যাত্রা শুরু করেন জাফর ইকবাল। ১৯৭০ সালে ‘আপন পর’ সিনেমায় প্রধান নায়ক হিসেবে অভিনয় করেন তিনি। এরপর ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। স্বাধীনতার পর আবারও নিয়মিতভাবে চলচ্চিত্রে কাজ শুরু করেন।

১৯৭৫ সালে ‘মাস্তান’ সিনেমায় নায়ক হিসেবে অভিনয় করে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন জাফর ইকবাল। এরপর একের পর এক সিনেমায় অভিনয় করে নিজের অবস্থান আরও শক্ত করেন। তার অভিনয়ের বৈচিত্র্যও ছিল চোখে পড়ার মতো। কখনো রোমান্টিক তরুণ, কখনো রাগী ও দুরন্ত যুবক, আবার কখনো জীবনযন্ত্রণায় পীড়িত কিংবা হতাশায় বিপথগামী চরিত্রে নিজেকে মানিয়ে নিয়েছেন তিনি।

জাফর ইকবালের অভিনয়ে ছিল নিজস্ব ভঙ্গি। আর পর্দায় তার উপস্থিতিতে ছিল এমন এক আকর্ষণ, যা সে সময়ের তরুণ দর্শকদের সহজেই টেনে নিত। প্রচলিত নায়কোচিত ইমেজের পাশাপাশি নিজের ব্যক্তিত্ব ও অভিনয়ের আলাদা ধরন তৈরি করেছিলেন তিনি।

অভিনয়ের পাশাপাশি গানের সঙ্গেও অটুট ছিল তার সম্পর্ক। চলচ্চিত্রে তার কণ্ঠ ও ঠোঁটে জনপ্রিয় হয়েছে ‘হয় যদি বদনাম হোক আরও’, ‘সুখে থেকো ও আমার নন্দিনী’, ‘তুমি আমার জীবন’-এর মতো অসংখ্য গান। ফলে জাফর ইকবালের পরিচয় কখনো শুধু নায়ক কিংবা শুধু গায়ক হয়ে থাকেনি। দুই অঙ্গনেই তার ছিল সমান বিচরণ।

সত্তর ও আশির দশকে জাফর ইকবালের পোশাক, চুলের স্টাইল, ব্যক্তিত্ব ও আধুনিক উপস্থিতি তাকে তরুণদের কাছে পরিণত করেছিল স্টাইল আইকনে। সে সময়ের প্রচলিত নায়কোচিত ধারা থেকে কিছুটা আলাদা হয়ে ফ্যাশনেবল ও রুচিশীল একটি ইমেজ গড়ে তুলেছিলেন তিনি। পর্দায় তার উপস্থিতি যেমন দর্শকের নজর কাড়ত, তেমনি ব্যক্তিজীবনের স্টাইলও অনুসরণ করতেন অনেক তরুণ।

দীর্ঘ অভিনয়জীবনে নায়ক হিসেবে প্রায় ১৫০টি সিনেমায় কাজ করেছেন জাফর ইকবাল। গান দিয়ে যে পথচলা শুরু হয়েছিল, সেই পথই শেষ পর্যন্ত তাকে নিয়ে যায় চলচ্চিত্রের কেন্দ্রীয় আলোয়। গায়ক থেকে নায়ক—দুটি ভিন্ন জগতের এই যাত্রাই তাকে বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে দিয়েছে আলাদা পরিচয়।

আজ তিনি নেই। তবে তার গান, অভিনয় এবং সেই সময়ের ফ্যাশনেবল উপস্থিতি এখনো দর্শকের স্মৃতিতে জীবন্ত। গানের মঞ্চ থেকে রুপালি পর্দা—দুই অঙ্গনেই নিজের স্বাক্ষর রেখে যাওয়া জাফর ইকবাল তাই কেবল একজন নায়ক নন; সত্তর ও আশির দশকের বাংলা চলচ্চিত্রের এক স্বতন্ত্র অধ্যায়ের নাম।

কালের আলো/এসএ

হাতি সংরক্ষণে বন অধিদপ্তর-বিজিবির সমন্বয় বাড়ানোর নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:০৩ অপরাহ্ণ
হাতি সংরক্ষণে বন অধিদপ্তর-বিজিবির সমন্বয় বাড়ানোর নির্দেশ

মানুষ ও হাতির নিরাপদ সহাবস্থান নিশ্চিত করতে হাতির আবাসস্থল ও চলাচলের করিডোর সুরক্ষা, নজরদারি এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের পর্যটন ভবনের শৈলপ্রপাত মিলনায়তনে ‘হাতি সংরক্ষণ: বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ ও করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ নির্দেশ দেন। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

মন্ত্রী বলেন, হাতি সংরক্ষণ শুধু প্রাণীর সংখ্যা রক্ষার বিষয় নয়। এর সঙ্গে হাতির আবাসস্থল, চলাচলের করিডোর, পরিবেশের ভারসাম্য এবং হাতির বিচরণ এলাকায় বসবাসকারী মানুষের নিরাপত্তা ও জীবিকার বিষয়ও জড়িত।

তিনি জানান, বাংলাদেশের বন্য হাতি প্রধানত শেরপুর, জামালপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলে বিচরণ করে। ২০১৬ সালে দেশে আনুমানিক ২৬৮টি হাতি ছিল। বন অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত ১৪৬টি হাতির মৃত্যু হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, আবাসস্থল ও চলাচলের করিডোর সংকুচিত হওয়া, বন উজাড়, খাদ্যসংকট, সড়ক ও রেলপথ নির্মাণ, জলবায়ু পরিবর্তন এবং বৈদ্যুতিক ফাঁদের কারণে মানব-হাতি সংঘাত বাড়ছে। হাতি লোকালয় বা কৃষিজমিতে প্রবেশ করলে মানুষ ও হাতি উভয়ই ঝুঁকির মধ্যে পড়ে।

এ কারণে সংঘাতের পর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি সংঘাতপ্রবণ এলাকা চিহ্নিত, আগাম সতর্কতা এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার কথা জানান তিনি। একই সঙ্গে স্থানীয় জনগণকে হাতি সংরক্ষণ কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেন।

আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, এশীয় হাতির চলাচলের জন্য বিস্তৃত এলাকা প্রয়োজন। কিন্তু বাংলাদেশ অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ হওয়ায় হাতি সংরক্ষণ একটি জটিল কাজ। তাই বন অধিদপ্তর, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, স্থানীয় প্রশাসন, অবকাঠামো-সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, গবেষক, সংরক্ষণ সংস্থা ও স্থানীয় জনগণের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় প্রয়োজন।

পার্বত্য চট্টগ্রামের সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকায় হাতি শিকার ও পাচারের বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন মন্ত্রী। এসব এলাকায় নজরদারি জোরদারে বন অধিদপ্তর ও বিজিবির মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর নির্দেশ দেন তিনি। পাশাপাশি সীমান্ত সড়কসহ বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণের পরিকল্পনার সময় হাতির ঐতিহ্যগত চলাচলের পথ বিবেচনায় নেওয়ার কথা বলেন।

বন্দী হাতির কল্যাণ নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন পরিবেশমন্ত্রী। তিনি বলেন, বন্দী হাতির লাইসেন্স, সংখ্যা ও অবস্থার যথাযথ রেকর্ড সংরক্ষণ এবং নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে। প্রশিক্ষণের নামে হাতিকে শিকলে রাখা, প্রহার ও নির্যাতনের অভিযোগ এবং সার্কাসসহ বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহারের বিষয়গুলো আইন ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ায় গুরুত্বের সঙ্গে পরীক্ষা করা প্রয়োজন।

সভায় ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে হাতির আবাসস্থল ও করিডোর সুরক্ষা, স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে সংঘাত কমানো, বন্দী হাতির নিয়মিত পর্যবেক্ষণ এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, গবেষক, আইন বিশেষজ্ঞ ও স্থানীয় জনগণের সমন্বিত উদ্যোগ জোরদারের কথা তুলে ধরা হয়।

বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) প্রধান নির্বাহী ও সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের সভাপতিত্বে সভায় শেরপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী, পক্ষীবিদ ও বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞ মুহাম্মদ আলী রেজা খান এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) শামিমা বেগমসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, গবেষক, পরিবেশবিদ ও সংরক্ষণকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএসআইপি 

ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত ব্যাংকক, জারি জরুরি সতর্কতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৩ অপরাহ্ণ
ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত ব্যাংকক, জারি জরুরি সতর্কতা

টানা ভারী বৃষ্টিতে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের বিভিন্ন এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। প্রধান সড়কগুলোতে কোথাও কোথাও কোমরসমান পানি জমেছে। পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করায় শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) শহরটিকে দুর্যোগকবলিত এলাকা ঘোষণা করেছেন ব্যাংককের গভর্নর চাদচার্ট সিত্তিপান।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ৪৮ ঘণ্টায় ব্যাংককে প্রায় ৩০০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এতে নগরীর বিভিন্ন সড়ক ও নিচু এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। অনেক স্থানে যানবাহন আংশিক পানিতে ডুবে থাকতে দেখা গেছে।

আবহাওয়া কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সপ্তাহান্তে ব্যাংককে আরও বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। গভর্নর চাদচার্ট সিত্তিপান বলেছেন, বন্যা মানুষের জীবন ও সরকারি-বেসরকারি সম্পত্তির জন্য ঝুঁকি তৈরি করেছে। খালসংলগ্ন এলাকাগুলোর পরিস্থিতি সবচেয়ে বেশি নাজুক বলে জানিয়েছেন তিনি।

দুর্গত মানুষের সহায়তায় আশ্রয়কেন্দ্র ও অস্থায়ী রান্নাঘর স্থাপন করছে সেনাবাহিনী। ব্যাংকক মহানগর প্রশাসন স্কুলগুলোকে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত করেছে। একই সঙ্গে বাসিন্দাদের অপ্রয়োজনীয় যাতায়াত এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

খালের কাছাকাছি বসবাসকারীদের জরুরি সতর্কবার্তা দিয়ে প্রয়োজনীয় মালপত্র নিরাপদ ও উঁচু স্থানে সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে। বন্যার আশঙ্কায় খাবার ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে সুপারমার্কেটগুলোতেও মানুষের ভিড় দেখা গেছে।

এদিকে বন্যার মধ্যেও ব্যাংককের প্রধান সুবর্ণভূমি বিমানবন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে। তবে সড়কে জলাবদ্ধতার কারণে বিমানযাত্রীদের যাতায়াতে অতিরিক্ত দুই থেকে তিন ঘণ্টা সময় হাতে রাখার পরামর্শ দিয়েছে পর্যটন কর্তৃপক্ষ।

এর আগে ২০২৫ সালের নভেম্বরে থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে ভয়াবহ বন্যায় বহু মানুষ প্রাণ হারান এবং হাজারো বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

বনানীতে বহুতল ভবনের ২৩ তলায় আগুন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪৩ অপরাহ্ণ
বনানীতে বহুতল ভবনের ২৩ তলায় আগুন

রাজধানীর বনানীতে আলোচিত এফ আর টাওয়ারের পাশের একটি বহুতল ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস।

ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার রোজিনা আক্তার জানান, বিকেল ৫টা ৩৬ মিনিটে বনানীর একটি ২৬ তলা ভবনের ২৩ তলায় আগুন লাগার খবর আসে। খবর পেয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ শুরু করে।

তবে তাৎক্ষণিকভাবে আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে এবং এতে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানাতে পারেনি ফায়ার সার্ভিস।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ২৮ মার্চ বনানীর এফ আর টাওয়ারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ২৬ জন নিহত ও ৭০ জন আহত হন। ওই ঘটনার পর বনানীর বহুতল ভবনগুলোর অগ্নিনিরাপত্তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি